প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২৬’। এই মেলা ২৯ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।
দেশের পর্যটন খাতের সংগঠন ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) আয়োজিত এই তিন দিনের মেলায় ২০টিরও বেশি দেশ থেকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যটন অংশীজনরা অংশগ্রহণ করবেন।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিটিটিএফের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন টোয়াবের সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ। এবারের মেলাটির টাইটেল স্পন্সর হিসেবে যুক্ত হয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস।
মোহাম্মদ হানিফ মন্তব্য করেন, আন্তর্জাতিক পর্যটন খাতের সংশ্লিষ্টদের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের পর্যটন গন্তব্যগুলোর প্রচার, ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা এবং বৈশ্বিক বাজারের সঙ্গে পর্যটন অংশীদারি সম্প্রসারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করবে।
তিনি জানান, চারটি বিষয়ভিত্তিক প্রদর্শনীতে ২০০টির বেশি বুথ ও স্টলের মাধ্যমে এয়ারলাইনস, হোটেল ও ট্যুর অপারেটরসহ ২২০টির বেশি প্রদর্শক তাদের পর্যটন পণ্য ও সেবা তুলে ধরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
দেশে বিদেশি পর্যটক কাঙ্ক্ষিত হারে না বাড়ার বিষয়ে কিছু জটিলতা রয়েছে বলেও জানান টোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ। তবে তিনি জটিলতাগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
তিনি আরও জানান, টোয়াব সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে পর্যটন খাতের বিকাশে আরো সক্রিয়ভাবে কাজ করবে।
আয়োজকরা জানান, টানা ১৩টিরও বেশি সফল আয়োজনের ধারাবাহিকতায় এবারের মেলা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পর্যটন খাতের বিকাশ, নতুন ব্যবসায়িক ক্ষেত্র তৈরি এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে নেপাল, ভারত, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ ও ফিলিপাইন ইতিমধ্যে মেলায় তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে। এছাড়া তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া ও আজারবাইজান থেকে পর্যটন সংস্থা ও ট্যুর অপারেটররা অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
মেলার সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ), বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং এফবিসিসিআই।
অনুষ্ঠানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম বলেন, ভিসা প্রক্রিয়া সহজ হলে দেশে আরো বিদেশি পর্যটক বাড়বে। তিনি উল্লেখ করেন, এই মেলা দেশের এভিয়েশন ও পর্যটন খাতকে এগিয়ে নেবে। ভবিষ্যতে ব্রুনেই, বাহরাইন ও দিল্লিসহ ১৬টি নতুন গন্তব্যে উড়ান চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে কামরুল ইসলাম বলেন, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস শিগগিরই ব্রুনেই, বাহরাইন, কুয়েত, সালালা, পেনাং ও জোহর বাহরুর মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা করছে।
তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে লন্ডন, রোম, নিউইয়র্ক ও টরন্টোর মতো দীর্ঘপথের আন্তর্জাতিক রুটেও ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে ইউএস-বাংলার।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন