সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৫৯ পি.এম
বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২৬’। এই মেলা ২৯ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।
দেশের পর্যটন খাতের সংগঠন ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) আয়োজিত এই তিন দিনের মেলায় ২০টিরও বেশি দেশ থেকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যটন অংশীজনরা অংশগ্রহণ করবেন।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিটিটিএফের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন টোয়াবের সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ। এবারের মেলাটির টাইটেল স্পন্সর হিসেবে যুক্ত হয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস।
মোহাম্মদ হানিফ মন্তব্য করেন, আন্তর্জাতিক পর্যটন খাতের সংশ্লিষ্টদের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের পর্যটন গন্তব্যগুলোর প্রচার, ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা এবং বৈশ্বিক বাজারের সঙ্গে পর্যটন অংশীদারি সম্প্রসারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করবে।
তিনি জানান, চারটি বিষয়ভিত্তিক প্রদর্শনীতে ২০০টির বেশি বুথ ও স্টলের মাধ্যমে এয়ারলাইনস, হোটেল ও ট্যুর অপারেটরসহ ২২০টির বেশি প্রদর্শক তাদের পর্যটন পণ্য ও সেবা তুলে ধরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
দেশে বিদেশি পর্যটক কাঙ্ক্ষিত হারে না বাড়ার বিষয়ে কিছু জটিলতা রয়েছে বলেও জানান টোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ। তবে তিনি জটিলতাগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
তিনি আরও জানান, টোয়াব সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে পর্যটন খাতের বিকাশে আরো সক্রিয়ভাবে কাজ করবে।
আয়োজকরা জানান, টানা ১৩টিরও বেশি সফল আয়োজনের ধারাবাহিকতায় এবারের মেলা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পর্যটন খাতের বিকাশ, নতুন ব্যবসায়িক ক্ষেত্র তৈরি এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে নেপাল, ভারত, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ ও ফিলিপাইন ইতিমধ্যে মেলায় তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে। এছাড়া তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া ও আজারবাইজান থেকে পর্যটন সংস্থা ও ট্যুর অপারেটররা অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
মেলার সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ), বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং এফবিসিসিআই।
অনুষ্ঠানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম বলেন, ভিসা প্রক্রিয়া সহজ হলে দেশে আরো বিদেশি পর্যটক বাড়বে। তিনি উল্লেখ করেন, এই মেলা দেশের এভিয়েশন ও পর্যটন খাতকে এগিয়ে নেবে। ভবিষ্যতে ব্রুনেই, বাহরাইন ও দিল্লিসহ ১৬টি নতুন গন্তব্যে উড়ান চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে কামরুল ইসলাম বলেন, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস শিগগিরই ব্রুনেই, বাহরাইন, কুয়েত, সালালা, পেনাং ও জোহর বাহরুর মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা করছে।
তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে লন্ডন, রোম, নিউইয়র্ক ও টরন্টোর মতো দীর্ঘপথের আন্তর্জাতিক রুটেও ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে ইউএস-বাংলার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরান দক্ষিণ কোরিয়াকে সতর্ক করেছে হরমুজ ইস্যুতে।
ইরান জানায়, যদি দক্ষিণ কোরিয়া হরমুজ প্রণালিতে সামরিক বাহিনী মোতায়েন করে অথবা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নেয়, তাহলে তাদের গুরুতর পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে। সোমবার, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই দক্ষিণ কোরিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ও হুমকির কাছে নতি স্বীকার না করার জন্য আহ্বান জানান।
তিনি মন্তব্য করেন, “পারস্য উপসাগর বা হরমুজ প্রণালিতে কোনো দেশের সামরিক মোতায়েন বা সামরিক অভিযানে অংশগ্রহণকে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান আগ্রাসনে সরাসরি সমর্থন হিসেবে বিবেচনা করা হবে।” তিনি এ ধরনের পদক্ষেপের গুরুতর পরিণতি হতে পারে বলেও সতর্ক করেন।
দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছে, তারা হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা কার্যক্রমে সহায়তা করার বিষয়ে বিবেচনা করছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। দক্ষিণ কোরিয়া বলেছে, তাদের নিজস্ব সামরিক প্রস্তুতি ক্ষতিগ্রস্ত না হলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
এদিকে, এপ্রিলের যুদ্ধবিরতিতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বড় ধরনের বোমাবর্ষণ বন্ধ হলেও, হরমুজ প্রণালি ও এর আশপাশে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের কারণে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা কার্যত থমকে গেছে। বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানির প্রায় এক পঞ্চমাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। ইরান বর্তমানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে অনুমতি নেওয়ার শর্ত দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি আঞ্চলিক দেশ এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে। তবে ইরান জানিয়েছে, যুদ্ধের আগে যে অবাধ নৌচলাচল ব্যবস্থা ছিল, সেখানে তারা আর ফিরে যাবে না।
হরমুজ প্রণালিতে সামরিক বাহিনী মোতায়েন বা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নিলে দক্ষিণ কোরিয়াকে গুরুতর পরিণতির মুখে পড়তে হবে বলে সতর্ক করেছে ইরান।
সোমবার, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই দক্ষিণ কোরিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ও হুমকির কাছে নতি স্বীকার না করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, পারস্য উপসাগর বা হরমুজ প্রণালিতে কোনো দেশের সামরিক মোতায়েন বা সামরিক অভিযানে অংশগ্রহণকে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান আগ্রাসনে সরাসরি সমর্থন হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এ ধরনের পদক্ষেপের গুরুতর পরিণতি হতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
এর আগে শুক্রবার, দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছিল, তারা হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা কার্যক্রমে সহায়তা করার বিষয়টি বিবেচনা করছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছে, তাদের নিজস্ব সামরিক প্রস্তুতি ক্ষতিগ্রস্ত না হলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
এদিকে, এপ্রিলের যুদ্ধবিরতিতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বড় ধরনের বোমাবর্ষণ বন্ধ হলেও, হরমুজ প্রণালি ও এর আশপাশে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের কারণে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা কার্যত থমকে গেছে। বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানির প্রায় এক পঞ্চমাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। ইরান বর্তমানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে অনুমতি নেওয়ার শর্ত দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি আঞ্চলিক দেশ এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে। তবে ইরান জানিয়েছে, যুদ্ধের আগে যে অবাধ নৌচলাচল ব্যবস্থা ছিল, সেখানে তারা আর ফিরে যাবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের রাজধানী দিল্লির সত্য নিকেতন এলাকায় একটি ভবন ধসে নিহতের সংখ্যা সাতজনে পৌঁছেছে। এই মৃত্যুর ঘটনায় উচ্চ-স্তরের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট।
ভারতীয় টেলিভিশন এনডিটিভির প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ভবন ধসের ঘটনায় একটি জনস্বার্থ মামলা জরুরি ভিত্তিতে শুনানির জন্য গ্রহণ করেছে আদালত, যেখানে উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের দাবি করা হয়েছে।
ঘটনাস্থলে বর্তমানে ভারী ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চলছে। উদ্ধারকাজে অংশ নিচ্ছে জাতীয় দুর্যোগ মোকাবেলা বাহিনী (এনডিআরএফ), দমকল বাহিনী এবং দিল্লি পুলিশসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা।
ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়া ব্যক্তিদের খোঁজার চেষ্টা চলছে।
ভবনধসের পর দিল্লির ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় পেয়িং গেস্ট হিসেবে ব্যবহৃত ভবনগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠেছে। এসব ভবন নির্মাণের সময় নিয়ম মেনে চলা হয়েছে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ভবনের নকশা অনুমোদন, অতিরিক্ত তলা নির্মাণ এবং অগ্নিনিরাপত্তার নিয়ম মেনে চলা হয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।
গত রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ ক্যাম্পাসের নিকটে অবস্থিত ছাত্রদের এই পেয়িং গেস্ট (পিজি) আবাসনটি ধসে পড়ে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বনানীতে প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং ছাত্রদল নেতা জাহিদুল ইসলাম পারভেজ হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আদালত সিআইডিকে আরো এক মাস সময় প্রদান করেছে। নতুন তারিখ হিসেবে আগামী ৭ অক্টোবর প্রতিবেদন দাখিলের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা ছিল। কিন্তু সিআইডি প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ নতুন সময় নির্ধারণ করেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মোক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে ৪ আগস্ট বাদীপক্ষের না-রাজির আবেদনের শুনানি শেষে একই আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছিল।
মামলার এজাহার ও অভিযোগপত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৯ এপ্রিল বিকেল ৪টার পর বনানীর প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি ও টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষের ফলে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীদের ছুরিকাঘাতে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম পারভেজ নিহত হন।
এ ঘটনায় পরদিন পারভেজের মামাতো ভাই হুমায়ন কবীর বনানী থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে বনানী থানার পরিদর্শক এ কে এম মঈন উদ্দিন দুই তরুণীসহ নয়জনকে অভিযুক্ত করে ২৯ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
অভিযোগপত্রে অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন—মেহেরাজ ইসলাম, আবু জহর গিফফারি ওরফে পিয়াস, মো. মাহাথির হাসান, মো. আল কামাল শেখ ওরফে কামাল, আলভী হোসেন জুনায়েদ, আল আমিন সানি, ফাতেমা তাহসিন ঐশী, ফারিয়া হক টিনা ও রাকিব।
তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বনানী থানার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক সোবহান নিয়াজ তুষারসহ আটজনকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়। অন্যদের মধ্যে ছিলেন মারুফ মিয়াজি হৃদয়, রিফাত, আলী, ফাহিম, সাকিব, নাসিম ও নিবির।
আটজনকে অব্যাহতির সুপারিশের বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়েছেন মামলার বাদী হুমায়ন কবীর। তিনি আদালতে দাবি করেছেন যে তদন্ত সঠিকভাবে হয়নি এবং তিনি না-রাজির আবেদন করেছেন।
৪ আগস্ট ওই আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। বাদীপক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ আবজাল হোসেন মৃধা মামলাটি অধিকতর তদন্তের আবেদন জানিয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন হারুন-অর-রশীদ। শুনানি শেষে আদালত সিআইডিকে মামলাটি অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেয়।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, হাসাহাসিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বিষয়টি মীমাংসা করেন। অভিযোগপত্রে আরো বলা হয়েছে, ‘অপরাধ না করে’ পারভেজ দুই তরুণীকে বোন ডেকে ক্ষমা চান। এরপরও তার ওপর হামলা হয়।
নিহত জাহিদুল ইসলাম পারভেজের বয়স ছিল ২৪ বছর। তিনি প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি ময়মনসিংহের ভালুকায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন যে, দেশের আটটি বিভাগে অবস্থিত ক্যান্সার হাসপাতালগুলোতে পূর্ণাঙ্গ সেবা আগামী অর্থবছরের মধ্যে শুরু হবে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে, ময়মনসিংহ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সালমান ওমরের একটি প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এই তথ্য প্রকাশ করেন।
এ উত্তরটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়।
সংসদে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, নির্মাণাধীন ১৫ তলাবিশিষ্ট এসব বিভাগীয় হাসপাতালগুলোতে ক্যান্সার, কিডনি এবং হৃদরোগের সমন্বিত ও পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা এক ছাদের নিচে প্রদান করা হবে। এসব হাসপাতাল চালু হলে দেশের প্রান্তিক জনগণের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ