ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সুজন-বাশারসহ কোয়াবের নতুন উপদেষ্টা কমিটিতে যারা


সুজন-বাশারসহ কোয়াবের নতুন উপদেষ্টা কমিটিতে যারা

ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) নতুন একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটি সাবেক ক্রিকেটারদের নিয়ে গঠিত হয়েছে।

 

শনিবার (২৯ আগস্ট) কোয়াব এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে উপদেষ্টা কমিটির নাম প্রকাশ করেছে।

আরও পড়ুন: ৬০ হাজার কোটি টাকায় কুমিল্লা–ঢাকা নতুন রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা

উপদেষ্টা কমিটিতে খালেদ মাহমুদ সুজন, হাবিবুল বাশার সুমন, সালমা খাতুন এবং শাহরিয়ার নাফীস- এই ৪ জন সাবেক অধিনায়ককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়া কমিটিতে সৈয়দ আশরাফুল হক, আতহার আলী খান, শাথিরা জাকির, সানোয়ার হোসেন, এনামুল হক মনি, সেলিম শহীদ, শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত, নিয়ামুর রশিদ রাহুল, ইসতিয়াক সাদেক, নাঈম ইসলাম, নাদিফ চৌধুরী এবং আনিসুল হাকিমও রয়েছেন।

কোয়াব জানাচ্ছে, উপদেষ্টা কমিটির সদস্যরা ক্রিকেটারদের কল্যাণ, অধিকার আদায়, সুস্থতা এবং বাংলাদেশের সামগ্রিক ক্রিকেট সংস্কৃতির বিভিন্ন বিষয়ে কোয়াবের কেন্দ্রীয় কমিটিকে পরামর্শ দেবেন।

 

আরও পড়ুন: দীর্ঘদিনের ক্ষমতার অবসান, সার্বিয়ার নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে জয়

এদিকে, কোয়াবের কেন্দ্রীয় কমিটিতে নতুন সদস্য হিসেবে মার্শাল আইয়ুব, জিয়াউর রহমান এবং মাহমুদুল হাসান রানাকে যুক্ত করা হয়েছে। তারা কোয়াবের নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ ক্রিকেটের অভিজ্ঞ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত করতে পেরে কোয়াব সন্তোষ প্রকাশ করেছে। তাদের পরামর্শ ও অভিজ্ঞতা ক্রিকেটারদের কল্যাণে সংগঠনটির কার্যক্রমকে আরো কার্যকর করতে সহায়তা করবে বলে আশা করছে সংগঠনটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুম প্রতিরোধ আইনের উদ্দেশ্যই অকার্যকর করছে সরকার: বিরোধীদলীয় নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫৩ এম


গুম প্রতিরোধ আইনের উদ্দেশ্যই অকার্যকর করছে সরকার: বিরোধীদলীয় নেতা

সংসদে উত্থাপিত গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিলে আইনটির মূল উদ্দেশ্যকে অকার্যকর করার অভিযোগ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। আজ শনিবার গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে তিনি এই অভিযোগ করেন।

বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, আইনটি পাস হলে জনগণ গুমের প্রতিকার এবং তথ্য পাবে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। তিনি বলেন, মানবাধিকার কমিশন হয়ে যাবে দন্তহীন বাঘ।

বিএনপি সরকার অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ এবং মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ পাস করেনি। পরিবর্তে, গত বৃহস্পতিবার সংসদে নতুন করে আইন দুটি প্রণয়নের জন্য বিল এনেছে। আগের অধ্যাদেশে বলা হয়েছিল, গুমের অভিযোগের তদন্ত করবে মানবাধিকার কমিশন। কিন্তু নতুন আইনের বিলে উল্লেখ করা হয়েছে, কমিশন নয়; আইন শৃঙ্খলাবাহিনী তদন্ত করবে। কমিশন বাহিনীর বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত করবে না।

এই বিষয়ে আওয়ামী লীগ শাসনামলের উদাহরণ দিয়ে বিরোধী দল বলছে, সরকারের নির্দেশে গুম করে বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থা। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তাদের দিয়ে তদন্ত করলে প্রতিকার মিলবে না। এই অবস্থার মধ্যে আগামীকাল রোববার পালিত হবে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস।

শেখ হাসিনার আমলে দেড় হাজারের বেশি মানুষকে গুমের অভিযোগ তদন্ত করে নিশ্চিত করেছে এই সংক্রান্ত কমিশন। যাদের মধ্যে ২৫১ জনকে তুলে নেওয়ার পর আর সন্ধান মেলেনি। জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান এসব গুমের বিচার এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান দাবি করেছেন বিবৃতিতে।

তিনি বলেন, গুমের শিকার ব্যক্তি এবং তাদের পরিবারের যন্ত্রণা কতটা দুঃসহ, তা ভুক্তভোগী পরিবার ছাড়া অন্য কারও পক্ষে পুরোপুরি অনুধাবন করা সম্ভব নয়। শেখ হাসিনার শাসনামলে বিরোধী মত ও কণ্ঠরোধ করার ঘৃণ্য উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল ‘আয়নাঘর’-এর মতো গোপন বন্দিশালা। দীর্ঘ ৮ বছরের অবর্ণনীয় বন্দিদশা শেষে আব্দুল্লাহিল আমান আযমী, ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান জামায়াত নেতা হাফেজ জাকির হোসাইন, শিবির আল মোকাদ্দাস ও মোহাম্মদ ওলিউল্লাহ, বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী ও সাবেক কমিশনার চৌধুরী আলমসহ বহু নিখোঁজ ব্যক্তি আজও ফিরে আসেননি।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকার সংসদের প্রথম অধিবেশনে কথা দিয়েছিল, অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শ ও আলোচনায় কার্যকর আইন প্রণয়ন করা হবে। কিন্তু নতুন আইনের বিলে গুমের সংজ্ঞাসহ বিভিন্ন ধারায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হল, গুমের মতো গুরুতর অপরাধ, যা সাধারণত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে সংঘটিত হয়, তা তদন্তে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণের কথা বলা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ তদন্তভার তাদের হাতেই তুলে দেওয়া অবিবেচনাপ্রসূত সিদ্ধান্ত।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, গুম-সংক্রান্ত তথ্যভাণ্ডার তত্ত্বাবধানের দায়িত্বও সরকারের কাছে রেখেছে। অথচ অধিকাংশ ক্ষেত্রে গুমে ক্ষমতাসীন সরকার সম্পৃক্ত থাকে। গুমের তদন্ত মানবাধিকার কমিশনের মতো স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সংস্থার হাতে থাকা উচিত, এমন মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি বলেন, মানবাধিকার কমিশন আইনের বিল যেভাবে প্রণয়ন করেছে, তাতেও কমিশনকে কার্যত একটি দন্তহীন বাঘে পরিণত করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের হুমকি পেয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরলেন নেতানিয়াহুর ছেলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:০১ এম


ইরানের হুমকি পেয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরলেন নেতানিয়াহুর ছেলে

ইরান যুক্তরাষ্ট্রে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পুত্রকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল। এই গুরুতর হুমকির প্রেক্ষিতে ইয়ার নেতানিয়াহুকে ইসরাইলে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেতের উদ্ধৃতি দিয়ে তথ্যটি চ্যানেল ১২ সম্প্রচার করেছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, শিন বেত হুমকির বিষয়টি মূল্যায়ন করে এবং ইয়ার নেতানিয়াহুর নিরাপত্তা দলের সঙ্গে সমন্বয় করে তাকে দ্রুত ইসরায়েলে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

চ্যানেল ১২ জানায়, নিউইয়র্কে ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের সঙ্গে থাকা শিন বেতের কিছু কর্মকর্তাকে মিয়ামিতে পাঠানো হয়েছিল এই অভিযানে সহায়তার জন্য।

শিন বেতের এই নিশ্চিতকরণের আগে খবর প্রকাশিত হয়েছিল যে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ফ্লোরিডা থেকে ইয়ার নেতানিয়াহুকে ইসরায়েলে ফিরিয়ে আনা হয়। সেই সময় ইসরায়েলি গোয়েন্দারা অভিযোগ করেন যে, ফ্লোরিডায় অবস্থানকালে তাকে হত্যার জন্য একটি ইরানি ষড়যন্ত্র তারা শনাক্ত করেছে।

সূত্র: আলজাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মা ভেবেছিলেন ছোট্ট ছেলেটি আর বেঁচে নেই, অবশেষে হাসপাতালে দুজনের দেখা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৫০ এম


মা ভেবেছিলেন ছোট্ট ছেলেটি আর বেঁচে নেই, অবশেষে হাসপাতালে দুজনের দেখা

বন্যার প্রলয়ংকরী তাণ্ডব থেকে বাঁচতে প্রাণপণ দৌড়ে জঙ্গলে গিয়ে একটি গাছে আশ্রয় নিয়েছিল আট বছরের শিশু জয়াল ঘালে। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসে গত শুক্রবার সে তার মায়ের সঙ্গে দেখা করেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স তাদের এক প্রতিবেদনে এই হৃদয়স্পর্শী ঘটনার খবর ও ছবি প্রকাশ করেছে।

রয়টার্স জানায়, নেপালের বন্যাকবলিত এলাকা থেকে জয়াল ঘালেকে উদ্ধার করার সময় সে একা ছিল। তার একটি পা ভাঙা ছিল এবং মুখে বেশ কিছু আঘাতের চিহ্ন ছিল। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে করে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত রাজধানী কাঠমান্ডুর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

ছেলের ফিরে আসার আশায় বুক বাঁধা ২৮ বছর বয়সী মা মাতি মায়া তামাং জানান, বন্যার তাণ্ডবের পর তিনি আশঙ্কা করেছিলেন যে তার সন্তান হয়তো আর বেঁচে নেই। তবুও আশার আলো বুকে নিয়ে তিনি দিনরাত এক করে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র ও ত্রাণ সংগ্রহ কেন্দ্রে ছেলেকে খুঁজে বেড়াচ্ছিলেন।

হাসপাতালে ছেলেকে জীবিত ও সুস্থ দেখতে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন এই মা। জয়ালকে ফিরে পেয়ে তামাং পরিবারের মাঝে এখন আনন্দের অশ্রু ঝরছে।

সূত্র: বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৭৫, পরিচয়হীন মরদেহের ডিএনএ সংরক্ষণের নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৫১ এম


নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৭৫, পরিচয়হীন মরদেহের ডিএনএ সংরক্ষণের নির্দেশ

নেপালে ভয়াবহ বন্যার ফলে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া পরিস্থিতির মধ্যে, নিখোঁজ ও মৃতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে সরকার একটি মানবিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া ৬৭৫টি মরদেহের মধ্যে যেগুলোর পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না, সেগুলোর ডিএনএ নমুনা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে সেগুলো দাফন বা শেষকৃত্যের আগে সংরক্ষিত থাকে।

এই বৈজ্ঞানিক উদ্যোগটি উদ্ধার হওয়া লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর বা সরকারি ব্যবস্থাপনার প্রক্রিয়া চলাকালীন সময়ে গ্রহণ করা হয়েছে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ একটি বিশেষ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। তিনি জানান, যেসব মরদেহের পরিচয় স্বজনেরা শনাক্ত করতে পেরেছেন, সেগুলো ইতিমধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। তবে যেসব লাশ শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি, কেবল সেগুলোর জন্য সরকার নিজ দায়িত্বে ব্যবস্থাপনার কাজ হাতে নেবে। পরবর্তী সময়ে শনাক্তকরণের সুবিধার জন্য প্রতিটি মরদেহের ডিএনএসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য সকল জৈবিক প্রমাণ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সংরক্ষণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান, যাতে মরদেহ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কোনো বিভ্রান্তি সৃষ্টি না হয়।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নেপালের ৮টি প্রধান ক্ষতিগ্রস্ত জেলা—রাসুয়া, ধাদিং, নুয়াকোট, চিতওয়ান, তানাহুন, গোর্খা, নাওয়ালপারাসি পূর্ব এবং নাওয়ালপারাসি পশ্চিমের বিভিন্ন দুর্গম স্থান থেকে মোট ৬৭৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মরদেহগুলো পচন থেকে রক্ষা করতে বিশেষ এয়ারটাইট (বায়ুরোধক) ব্যাগে রাখা হচ্ছে। গোটা প্রক্রিয়াটি নেপালের ‘শনাক্তহীন ও দাবিহীন মরদেহ ব্যবস্থাপনা (প্রথম সংশোধন) নির্দেশিকা, ২০২৬’-এর অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।

প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, গত ২৬ আগস্ট রাসুয়া জেলার ভোটেকোশি নদীতে হঠাৎ ধেয়ে আসা প্রলয়ংকারী বন্যার ফলে ভয়াবহ বিপর্যয় সৃষ্টি হয়। এই প্লাবন রাসুয়া, নুয়াকোট এবং ধাদিং জেলাসহ পুরো নদী অববাহিকায় প্রাণহানি ঘটায় এবং ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে।

বিপর্যয়ের পরপরই নেপাল সরকার সমন্বিতভাবে অনুসন্ধান, উদ্ধার, আহতদের চিকিৎসা, ত্রাণ বণ্টন এবং বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া যোগাযোগব্যবস্থা পুনর্বহালের কাজ জোরদার করেছে। দেশটির ফেডারেল বা কেন্দ্রীয় সরকার, প্রাদেশিক সরকার এবং স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে সরাসরি সমন্বয় রেখে সরকারি প্রতিটি সংস্থা তাদের পূর্ণ সক্ষমতা নিয়ে মাঠে কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ বিপন্ন নাগরিকদের জীবন রক্ষা করাকেই সরকারের সবচেয়ে বড় ও প্রথম অগ্রাধিকার হিসেবে ঘোষণা করে আশ্বাস দেন যে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া এবং পুনর্বাসন দৃশ্যমান না হওয়া পর্যন্ত সরকার ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি মানুষের পাশে থাকবে।

সূত্র:

কাঠমান্ডু পোস্ট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%