শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:৪৯ পি.এম
এক ব্যক্তি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বন্ধুর দাফনে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে কবরস্থানে গিয়েছিলেন। চল্লিশোর্ধ্ব ওই ব্যক্তি বাবার কবর জিয়ারত শেষে সেটির ওপর বসার সাথে সাথে কবরের পাথরের কাঠামো ভেঙে পড়ে। এতে তিনি ভেতরের সমাধিকক্ষে পড়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।
এই ঘটনা ঘটেছে বুধবার (২১ অক্টোবর) ব্রাজিলের এস্পিরিতো সান্তো রাজ্যের লিহারেস শহরের সাও জোসে পৌর কবরস্থানে। কবরস্থানটি রিও ডি জেনিরো থেকে প্রায় ৪০০ মাইল উত্তরে অবস্থিত।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মেট্রোর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত ব্যক্তি ঘটনার দিন মোটরসাইকেলে করে কবরস্থানে এসেছিলেন তার সদ্যপ্রয়াত বন্ধুর দাফনের স্থান জানার জন্য। তথ্য সংগ্রহের পর তিনি মোটরসাইকেল পার্ক করে বাবার কবরের দিকে হেঁটে যান। জিয়ারত করার আগে অথবা পরে কবরের পাথরের ঢাকনার ওপর বসেন।
এসময় পুরো কাঠামো ভেঙে পড়ে এবং তিনি ভেতরের গভীরে পড়ে গুরুতর আহত হন। শব্দ শুনে কবরস্থানে আসা অন্যান্য ব্যক্তিরা দ্রুত সেখানে ছুটে আসেন। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে তারা অ্যাম্বুলেন্সে খবর দেন। অ্যাম্বুলেন্স আসার পর চিকিৎসাকর্মীরা ঘটনাস্থলেই তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কবরস্থানের কর্মী নাজারে ব্রাভিন জানান, ওই ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে কবরস্থানে এসে তার বন্ধুকে কোথায় দাফন করা হবে, তা জানতে চেয়েছিলেন। পরে মোটরসাইকেলটি পার্ক করে তিনি বাবার কবরের দিকে হেঁটে যান। সেখানেই ঘটে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনাটি।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এদিকে, এই মর্মান্তিক ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে লিনহারেস সিটি কাউন্সিল।
এক বিবৃতিতে পরিষদ জানিয়েছে, কবরস্থানের সাধারণ জায়গার রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব তাদের হলেও প্রতিটি স্বতন্ত্র কবরের দেখভালের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট পরিবারের। সামনে ‘অল সোলস ডে’ উপলক্ষে কবরস্থানগুলোতে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়তে পারে উল্লেখ করে সবাইকে সাবধানে চলাফেরার ও সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে সিটি কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর পুরাতন রমনা থানার সামনে সড়কে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, যা দুর্বৃত্তদের দ্বারা সংঘটিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত পৌনে ৮টার দিকে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
রমনা মডেল থানার ডিউটি অফিসার পরিদর্শক (এসআই) আবদুল আল মোহসিন গণমাধ্যমকে জানান, মোটরসাইকেলযোগে কয়েকজন দুর্বৃত্ত এসে পুরাতন রমনা থানার সামনে একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় কেউ হতাহত হয়েছে কি না— সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্গাপূজার মণ্ডপে দেওয়া বক্তব্যের জন্য সমালোচনার মুখে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনের সংসদ সদস্য এবং জাতীয় সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টের মাধ্যমে তিনি ধর্মীয় বিতর্ক সৃষ্টি করা বক্তব্যের জন্য মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। পাশাপাশি তিনি সবার কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন।
নিজান তার বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তার বক্তব্যের কিছু অংশ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিষয়টি তার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যে অংশটি ধর্মীয়ভাবে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে, তার জন্য তিনি মহান আল্লাহর কাছে বিনীতভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন এবং সবার কাছে দুঃখ প্রকাশ করছেন।
ফেসবুক পোস্টে হুইপ নিজান জানান, পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে তিনি বর্তমানে সৌদি আরবের মদিনায় অবস্থান করছেন। সেখানে মহান আল্লাহর কাছে তার ঈমান আরো সুদৃঢ় করার এবং সকলকে কল্যাণের কাজে নিয়োজিত রাখার দোয়া করছেন। এ সময় তিনি সবার কাছে দোয়া চান।
এর আগে গত সপ্তাহে রামগতি উপজেলার একটি পূজামণ্ডপে শাড়ি বিতরণ করতে গিয়ে বক্তব্য দেন হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান। তিনি তখন বলেন, ‘আমি ভগবানের কাছে প্রার্থনা করব, কেউ আমার পাশে থাকুক বা না থাকুক, ভগবান যেন আমাকে শক্তি দেন, সমর্থন দেন, আমি যেন আপনাদের পাশে থাকতে পারি।’
এছাড়া তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে মুসলমানদের জন্য শাড়ি দেওয়া হলে হিন্দুদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজায় কেন দেওয়া হবে না? এ কারণে প্রধানমন্ত্রী তাদের জন্যও শাড়ি পাঠিয়েছেন। তার এই বক্তব্যের ফলে সামাজিক ও ধর্মীয় অঙ্গনে সমালোচনা সৃষ্টি হয়।
এই বিষয়ে শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মদিনা থেকে মুঠোফোনে কালের কণ্ঠকে হুইপ নিজান বলেন, ‘একজন মানুষ হিসেবে আমার বক্তব্যে ভুল হতে পারে। তাছাড়া আমি তো মুসলমান। সে হিসেবে আমার বক্তব্যে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে, তাহলে এর জন্য আমি সবার আগে আমার আল্লাহ তায়ালার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। আল্লাহ তায়ালা যেন আমাকে ক্ষমা করে দেন।’
নিজান আরও বলেন, পবিত্র ওমরাহ পালনের জন্য বর্তমানে তিনি মদিনায় আছেন। বাংলাদেশের সবার জন্য তিনি দোয়া করবেন। একই সঙ্গে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর হেবরনে (আল-খলিল) ইসরাইলি সেনাদের ওপর গুলি করে হত্যার ঘটনায় গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর একটি জোট প্রশংসা জানিয়েছে। শুক্রবারের ওই প্রতিশোধমূলক ঘটনায় দুই ইসরাইলি সেনা নিহত ও তিনজন আহত হন। এটি ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে তেল আবিব শাসনব্যবস্থার অবিরাম নিষ্ঠুরতার সরাসরি প্রতিক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
পপুলার রেসিট্যান্স কমিটি (পিআরসি) শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ অভিযানের প্রশংসা করে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এটি দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ, ইসরাইলি সামরিক বাহিনী এবং চরমপন্থী ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের দ্বারা সংঘটিত নৃশংস অপরাধের সরাসরি প্রতিক্রিয়া হিসেবে তুলে ধরেছে।
সংগঠনটি আরও উল্লেখ করেছে, ইসরাইলের ধারাবাহিক অপরাধ দখলদার শক্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না কিংবা ফিলিস্তিনি জনগণের মনোবল ভাঙতে সক্ষম হবে না। তাদের মতে, এ গুলির ঘটনায় ইসরাইলের নিরাপত্তা, সামরিক ও গোয়েন্দা ব্যবস্থাও বড় ধরনের আঘাতের মুখে পড়েছে।
ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস এ ঘটনাকে ‘বীরত্বপূর্ণ’ বলে অভিহিত করেছে। তবে হামলা চালানোর দায় স্বীকার করেনি সংগঠনটি।
লেবাননের প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহও এ অভিযানের প্রশংসা করেছে। তাদের ভাষ্য, হত্যা, গণহত্যা, ধ্বংসযজ্ঞ ও পবিত্র স্থানগুলোতে হামলাসহ ইসরাইলের চলমান অপরাধের বিরুদ্ধে এটি ‘স্বাভাবিক ও বৈধ প্রতিক্রিয়া’ হিসেবে বিবেচিত।
ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহত দুই সেনার নাম ২৩ বছর বয়সী স্টাফ সার্জেন্ট রন ইয়োনাতান রয়টম্যান এবং ২০ বছর বয়সী সার্জেন্ট ইউভাল শাই সভিলেম। রয়টম্যান একটি সেনাদলের কমান্ডার ছিলেন বলে জানা গেছে।
ইসরাইলি সেনাবাহিনীর দাবি, ওই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত দুই ফিলিস্তিনি ৩৫ নম্বর সড়কে বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে একটি বড় ধরনের হামলা পরিকল্পনা করছিল। তবে তারা বুঝতে পেরেছিল যে তারা হাইওয়েতে পৌঁছাতে পারবে না, তাই তারা পরিবর্তে অস্থায়ী চেকপয়েন্টে গুলি চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
ইসরাইলি সেনাবাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৭টার দিকে একটি গাড়িতে করে ওই দুই ফিলিস্তিনি হেবরন শহরের বাইরে সেনাদের স্থাপন করা অস্থায়ী চৌকির কাছে পৌঁছান। এরপর পাশের একটি সড়কে গাড়ি থেকে নেমে তাঁরা একটি অ্যাসল্ট রাইফেল ও একটি পিস্তল নিয়ে গুলি চালান। এ সময় আশপাশের ভবনগুলো আড়াল হিসেবে ব্যবহার করেন বলে দাবি ইসরাইলি বাহিনীর।
ঘটনার ভিডিও ফুটেজে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে ইসরাইলি সেনাদের দীর্ঘ সময় ধরে বন্দুকযুদ্ধের দৃশ্য দেখা গেছে। ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর দাবি, এই সংঘর্ষ ২০ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে চলে।
সূত্র: প্রেস টিভি
এমএমআর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শুক্রবার দুপুরে এলাকাবাসীর যৌথ উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র অবৈধ বালু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করেন অংশগ্রহণকারীরা।
তাদের আশঙ্কা, বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে ভেঙে যেতে পারে বেড়িবাঁধ। এতে আকিলপুর ছালাদার জামে মসজিদসহ আশপাশের ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
এ সময় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেন তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ