০৫:৩৩ এম
নরসিংদীর দূর্গম চরাঞ্চল আলোকবালীতে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে এক যুবক সুমন মিয়াকে (২৩)। বৃহস্পতিবার রাতে আলোকবালী ইউনিয়নের বাখননগর এলাকায় এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। হত্যাকান্ডের পর উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়।
নিহত সুমন মিয়া বাখননগর গ্রামের বাতেন মিয়ার পুত্র। সুমন আলোকবালী ইউনিয়ন কৃষকদলের সাবেক সভাপতি কাইয়ুম মিয়ার ভাতিজা ছিলেন।
নিহতের স্বজনরা জানিয়েছেন, নিহত সুমন মিয়া এবং তার বোন সোনিয়া বাড়ির অদূরে নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তখন ১০ থেকে ১৫ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী সুমনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে টেনে হিচঁরে নিয়ে যায়। পরে তাকে বাখননগর বাজারের একটি চা স্টলের সামনে নিয়ে এসে এলোপাথারী গুলি করে ফেলে যায়। গুরুত্বর আহত অবস্থায় সুমনকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলেও চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ
ভাইয়ের মৃত্যুতে হাসপাতালে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন নিহতের বোন সোনিয়া। তিনি বলেন, "আমার ভাই কয়েকদিন পর বিদেশে চলে যাবে। তার স্ত্রী গর্ভবতী, সে কোন দল করে না। তার কোন শত্রুতা নেই। কিন্তু হাবি, মিটুল, মাইনুদ্দিন, কালা আমার ভাইকে ধরে নিয়ে মেরে ফেলেছে। আমার ভাইয়ের সন্তানদের কি হবে? আমি আমার ভাইয়ের খুনিদের ফাঁসি চাই।"
আলোকবালী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব জয়নাল আবেদিন সরকার বলেন, "মূলত আওয়ামীলীগ ও বিএনপির দ্বন্দ্বে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। কিছু বিএনপি নেতাদের ইন্দনে আওয়ামীলীগের লোকজন আমাদের বাখননগরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। এর আগেও বিএনপির ৩ জন লোককে হত্যা করা হয়েছে। তারা পাশ্ববর্তী চরাঞ্চল থেকে ভাড়াটে সন্ত্রাসী এনে এই সব অপকর্ম চালায়।"
তিনি আরও বলেন, "বাখননগর থেকে লোকজন বিএনপির সব সভায় যায়। এই অপরাধে তারা আজকে এসে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।"
নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আর আল মামুন জানিয়েছেন, স্থানীয় দ্বন্দ্বের জেরে এই হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন