মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:১৯ পি.এম
নওগাঁ জেলার পোরশায় শারদীয় দূর্গাপুজা উদযাপনের প্রস্তুতি হিসেবে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভাটি মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সভাটি সভাপতিত্ব করেন ইউএনও রাকিবুল ইসলাম। সভায় প্রধান অতিথি সনাতন ধর্মালম্বীদের এই ধর্মীয় উৎসব দূর্গাপুজা যথাযথভাবে উদযাপন করার জন্য এবং যে কোন বিশৃংখলা এড়াতে স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।
এসময় থানা অফিসার ইনচার্জ জিয়াউর রহমান এবং বিভিন্ন পূজামন্ডব পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, এবারে উপজেলায় ১৯টি মন্ডপে শারদীয় দূর্গোৎসব উদযাপন করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্যোগপ্রবণ উপজেলা খুলনায় দীর্ঘদিন ধরে সুপেয় পানির সংকট বিদ্যমান। বিশেষত, কয়রার উপকূলীয় এলাকার মানুষের জন্য নিরাপদ ও সুপেয় পানি সংগ্রহ করা এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। এই সংকটের টেকসই সমাধান এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে কয়রায় একটি অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায় উপজেলা বিআরডিবি হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কোয়িকার অর্থায়নে এবং জেজেএসের ইআরসিসি-২ প্রকল্পের বাস্তবায়নে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় নিরাপদ পানির সংকটের কারণ, সংকট মোকাবিলায় করণীয় এবং স্থানীয় পর্যায়ে সুপেয় পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
একই সঙ্গে, পানি সংকট সমাধানে সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এছাড়া, রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সভাটি পরিচালনা করেন জেজেএস ইআরসিসি-২ প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী নাসির উদ্দীন।
সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী ইস্তিয়াক আহমেদ, বিআরডিবি অফিসের মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা শান্তনু অধীকারী, ইউপি সদস্য শেখ সেরাজুল ইসলাম ও বিভূতি বিশ্বাস, মিতা মন্ডল, মৎস্য অফিসের সাদ্দাম হোসেন, ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর শরিফুর রহমান এবং মোছা. নুসরাত জাহান। প্রকল্পের উপকারভোগী নাছিমা খাতুন ও সালমা আক্তারও সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উপকূলীয় কয়রায় লবণাক্ততা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে নিরাপদ পানির সংকট সৃষ্টি হচ্ছে। এই সংকট মোকাবিলায় স্থানীয় বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি এবং কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে। পাশাপাশি, নিরাপদ পানি সংরক্ষণ ও ব্যবহারে স্থানীয় জনগণকে আরও সচেতন করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাটমোহর ক্রড়িা পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত আন্তঃইউনিয়ন ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনালে নিমাইচড়া ও হান্ডিয়াল ইউনিয়ন দল স্থান পেয়েছে।
গত রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সরকারি আরসিএন এন্ড বিএসএন মডেল পাইলট হাইস্কুল মাঠ বালুচরে অনুষ্ঠিত ১ম সেমিফাইনালে নিমাইচড়া ইউনিয়ন গুনাইগাছা ইউনিয়নকে পরাজিত করে ফাইনালে প্রবেশ করে।
এছাড়া, সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত ২য় সেমিফাইনালে হান্ডিয়াল চাটমোহর পৌরসভাকে পরাজিত করে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে। টুর্ণামেন্টে মোট ১১টি ইউনিয়ন এবং ১টি পৌরসভা দল অংশগ্রহণ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিঘলিয়া উপজেলার গাজীরহাট ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর একটি কর্মী সন্মেলন সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫ টায় গাজীরহাট ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় কার্যালয়ে এই কর্মী সন্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিঘলিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আবুল হাসান।
গাজীরহাট ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইফুল ইসলাম মোল্লার সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি শেখ শামীম হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই কর্মী সন্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর সদর থানা আমীর মাওলানা হাফিজুর রহমান, গাজীরহাট ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল কাদের, এবং বারাকপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সহ-সভাপতি আ স মনির মিন্টু।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, "বাংলাদেশে ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ইসলামের নির্দেশিত আদর্শ অনুসরণ করে নিজেদেরকে মানুষের পাশে দাঁড় করতে হবে।" তিনি আরও বলেন, সমাজে বর্তমানে নৈতিকতার অভাবের কারণে অন্যায় অপরাধ, জুলুম, চাঁদাবাজী, ধর্ষণ, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই এবং মানুষ হত্যার মতো ঘটনা ঘটছে। তাই সমাজের প্রতিটি সেক্টরে ইসলামের আদর্শিক মানুষ গঠনের ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এনায়েতুল্লাহ ইসলামিয়া সিনিয়র (ফাজিল) মাদ্রাসার গভর্নিং বডি গঠনের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, যা তদন্তের দাবি করেছে সংশ্লিষ্টরা। গতকাল মঙ্গলবার চাটমোহর উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় এই দাবি উত্থাপন করা হয়। অভিযোগ করা হয়েছে যে, গভর্নিং বডি গঠনের প্রক্রিয়া অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। নিয়মতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত অভিভাবক প্রতিনিধি ও শিক্ষক প্রতিনিধিদের বাদ দিয়ে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আবু ইসহাক গোপনে গভর্নিং বডি অনুমোদন করেছেন বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। এই গভর্নিং বডির গঠন নিয়ে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) চাটমোহর উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় এই তদন্তের দাবি করা হয়। চাটমোহর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোঃ মোখলেসুর রহমান বিদ্যুৎ, চাটমোহর পৌর বিএনপির সভাপতি আসাদুজ্জামান আরশেদ, চাটমোহর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আঃ রহিম কালু, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মোঃ জিয়ারুল হক সিন্টুসহ অন্যান্যরা এই দাবি উপস্থাপন করেন। সভার সভাপতির দায়িত্ব পালনকারী সহকারি কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল মাহমুদ এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের কথা জানান।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গভর্নিং বডিতে যাদের অভিভাবক প্রতিনিধি ও শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, তারা কেউই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেননি এবং নির্বাচিতও হননি। শুধু তাই নয়, গভর্নিং বডির কোনো সভা ছাড়াই ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আবু ইসহাক একজনকে সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত দেখিয়েছেন। নিয়মতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত ৩ জন অভিভাবক প্রতিনিধি ও ৩ জন শিক্ষক প্রতিনিধি বাদ দিয়ে এই গভর্নিং বডি অনুমোদন করা হয়েছে। গোপনে অনুমোদিত গভর্নিং বডির বিষয়টি জানাজানি হলে চাটমোহরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। দাবি উঠেছে কথিত এই গভর্নিং বডি বাতিলের। এরই মধ্যে গত শনিবার গভর্নিং বডির সভা আহ্বান করা হয়, যা মাদ্রাসায় না করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু ইসহাক তার বাড়িতে গোপনে সম্পন্ন করেন বলে জানা গেছে। এদিকে, গভর্নিং বডিকে অবৈধ দাবি করে গভর্নিং বডির দাতা সদস্য ও চাটমোহর পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ আসাদুজ্জামান আরশেদ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, মাদ্রাসায় নিয়ম বহির্ভুতভাবে গভর্নিং বডি গঠিত হয়েছে। কোনো সভা ছাড়াই সহ-সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে। যাদের নির্বাচনের মাধ্যমে অভিভাবক প্রতিনিধি ও শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন, তাদেরকে গভর্নিং বডিতে রাখা হয়নি। এটি একটি বড় ধরণের জালিয়াতি ও অনিয়ম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যাদের রাখা হয়েছে, তারা কোনো নির্বাচনের মাধ্যমে আসেননি। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কাউকে না জানিয়ে চরম স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে নিজের ইচ্ছেমতো অভিভাবক ও শিক্ষক প্রতিনিধি তৈরি করে গভর্নিং বডি অনুমোদন করিয়েছেন।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আবু ইসহাকের সাথে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ শফিউল ইসলাম জানান, তিনি গভর্নিং বডি গঠনের বিষয়টি জানেন না। দাতা সদস্যের অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি তার নজরে এসেছে। তিনি বলেন, "আমি প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগ পাওয়ার পর নিয়মতান্ত্রিকভাবে অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচন করে নির্বাচিতদের তালিকা প্রকাশ করেছি। তারা কেন, কিভাবে বাদ যায়, সেটা আমার বোধগম্য নয়।" চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুসা নাসের চৌধুরী জানান, অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ