বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:১০ পি.এম
সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন হাসননগর এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি দোকান ও একটি বসতঘর পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৩০ লাখ টাকার মালামাল ও সম্পদের ক্ষতি হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে মাদ্রাসা পয়েন্ট সংলগ্ন এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন—শফিক মিয়ার মুদি মালামালের দোকান, আব্দুল ওয়াহিদের মুদি মালামালের দোকান, বাবুল মিয়ার বয়লার মুরগির দোকান এবং ফারুক মিয়ার বসতঘর।
স্থানীয়রা জানান, গভীর রাতে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হলে মুহূর্তের মধ্যে তা ভয়াবহ রূপ নেয়। আগুনের লেলিহান শিখা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে এগিয়ে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। মসজিদের পুকুর থেকে পানি এনে আগুন নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চালান তারা। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হলে সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।তবে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আগুনের তীব্রতা এতটাই বেড়ে যায় যে দোকানগুলোর ভেতর থেকে কোনো মালামাল বের করে আনার সুযোগ পাননি ব্যবসায়ীরা। চোখের সামনেই পুড়ে যায় দোকানের পণ্যসামগ্রী ও ব্যবসার পুঁজি। একই সঙ্গে ফারুক মিয়ার বসতঘরের আসবাবপত্রসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রও আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, বিভিন্ন জায়গা থেকে ঋণ নিয়ে এবং লোনের মাধ্যমে তারা ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন। অগ্নিকাণ্ডে দোকানের সব মালামাল পুড়ে যাওয়ায় তারা এখন একদিকে ব্যবসার পুঁজি হারিয়েছেন, অন্যদিকে ঋণের বোঝা নিয়ে চরম সংকটে পড়েছেন।ক্ষতিগ্রস্ত ফারুক মিয়ার বসতঘরেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আগুনে ঘরের আসবাবপত্রসহ প্রায় সবকিছু পুড়ে যাওয়ায় বর্তমানে তার পরিবার বসবাসের সংকটে পড়েছে।
ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, অগ্নিকাণ্ডে তাদের আনুমানিক ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তারা ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা এবং পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তাদের ভাষ্য, সর্বস্ব হারিয়ে এখন নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানো তাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন। তাই মানবিক দিক বিবেচনায় সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিত্তবানদেরও ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা সাগরে সৃষ্ট সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে হয়েছে। একই সঙ্গে, সাগরের উত্তাল অবস্থার কারণে পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত এবং নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল আবহাওয়া অধিদপ্তরের উচ্চ পর্যবেক্ষক মিলন হাওলাদার বাসসকে জানিয়েছেন, এই সুস্পষ্ট লঘুচাপের কারণে উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি সাগরের পরিস্থিতিও উত্তাল রয়েছে। এর ফলস্বরূপ, মাছ ধরার ট্রলার ও অন্যান্য নৌযানগুলোকে গভীর সাগরে প্রবেশ না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত এবং নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শন করতে বলা হয়েছে।
বৃষ্টির ফলে নগরীর বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে এবং যান চলাচলে কিছুটা ধীরগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, লঘুচাপের প্রভাবে বরিশালসহ উপকূলীয় এলাকায় আরও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার সম্ভাব্য সব বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা করছে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য জানান।
মানুষের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে দুর্ভোগের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "মানুষের কষ্টে আমরা সমব্যথী। আমরা জনদুর্ভোগ কমাতে চাই। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে বলে আশা করছি। এতে শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়ির সমস্যাও কমে আসবে।"
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে জ্বালানি সরবরাহের প্রায় ৮৮ শতাংশ স্বাভাবিক রয়েছে এবং ১২ শতাংশ ঘাটতি রয়েছে। সরকার এই ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে কাজ করছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট সংকটের ফলে স্পট মার্কেট থেকে উচ্চ মূল্যে জ্বালানি কিনতে হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, "দেশের প্রয়োজন মেটাতে বছরে প্রায় ১১৫টি কার্গো জ্বালানি প্রয়োজন। এর মধ্যে ১০০ থেকে ১০৫টি কার্গো সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় নেওয়া হতো। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে সেই সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ফলে এখন স্পট মার্কেট থেকে জ্বালানি কিনতে হচ্ছে।"
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "কাতারের সঙ্গে আমাদের চুক্তি আছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যেদিন থেকে সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, সেদিন থেকেই সরবরাহও স্বাভাবিক হবে।" তিনি জানান, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে সৌদি আরবের সঙ্গে ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিটের চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, "এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশে অপরিশোধিত তেল (ক্রুড ওয়েল) পরিশোধনের সক্ষমতা দ্বিগুণ হবে। তখন মোট ৪৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড ওয়েল শোধন করা সম্ভব হবে। দীর্ঘমেয়াদে এটি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর রমনা থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সিটি-ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস বিভাগ ৭ কেজি গাঁজাসহ মো. মিন্টু (২৯) নামের একজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে।
বুধবার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রমনা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
সিটি-ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস বিভাগের সূত্রে জানা যায়, অভিযানের সময় মিন্টুর হেফাজত থেকে ৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া মিন্টুর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ক্রমাগত উন্নতি লাভ করছে। এই বাণিজ্য অব্যাহত রাখার জন্য মুদ্রা বিনিময়ের পরিমাণও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
লেনদেনের সুবিধার্থে আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশি টাকার বিভিন্ন দেশের মুদ্রার সঙ্গে বিনিময় হার নিচে উল্লেখ করা হলো :
বৈদেশিক মুদ্রা : বাংলাদেশি টাকা
ইউএস ডলার : ১২২ টাকা ৭৬ পয়সা
ইউরো : ১৪২ টাকা ২৪ পয়সা
পাউন্ড : ১৬৫ টাকা ৫২ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার : ৮৮ টাকা ৬৫ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৭ টাকা ৯৯ পয়সা
চায়নিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ২৭ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৬ টাকা ৫৩ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৯ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ২৭ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৪০ পয়সা
কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৬৪ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৬ টাকা ১৬ পয়সা
আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ৩৪ পয়সা
সূত্র: গুগল)
*মুদ্রার বিনিময় হার যে কোনো সময় পরিবর্তিত হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ