প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার সম্ভাব্য সব বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা করছে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য জানান।
মানুষের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে দুর্ভোগের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "মানুষের কষ্টে আমরা সমব্যথী। আমরা জনদুর্ভোগ কমাতে চাই। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে বলে আশা করছি। এতে শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়ির সমস্যাও কমে আসবে।"
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে জ্বালানি সরবরাহের প্রায় ৮৮ শতাংশ স্বাভাবিক রয়েছে এবং ১২ শতাংশ ঘাটতি রয়েছে। সরকার এই ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে কাজ করছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট সংকটের ফলে স্পট মার্কেট থেকে উচ্চ মূল্যে জ্বালানি কিনতে হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, "দেশের প্রয়োজন মেটাতে বছরে প্রায় ১১৫টি কার্গো জ্বালানি প্রয়োজন। এর মধ্যে ১০০ থেকে ১০৫টি কার্গো সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় নেওয়া হতো। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে সেই সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ফলে এখন স্পট মার্কেট থেকে জ্বালানি কিনতে হচ্ছে।"
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "কাতারের সঙ্গে আমাদের চুক্তি আছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যেদিন থেকে সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, সেদিন থেকেই সরবরাহও স্বাভাবিক হবে।" তিনি জানান, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে সৌদি আরবের সঙ্গে ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিটের চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, "এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশে অপরিশোধিত তেল (ক্রুড ওয়েল) পরিশোধনের সক্ষমতা দ্বিগুণ হবে। তখন মোট ৪৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড ওয়েল শোধন করা সম্ভব হবে। দীর্ঘমেয়াদে এটি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন