মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:১৭ পি.এম
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে স্পষ্ট ভাষায় সতর্ক করে ইরানের সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, "ইরানের নিরাপত্তা যদি নিশ্চিত করা না হয়, তবে এই অঞ্চলের কোনো অবকাঠামোই নিরাপদ থাকবে না।"
সংসদের এক অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি উল্লেখ করেন, "যে অঞ্চলে ইরান তেল বিক্রি করতে পারবে না, সে অঞ্চলে অন্য কেউও তেল বিক্রি করতে পারবে না।" তিনি জানান, মার্কিন জবরদস্তি ও হুমকির দিন এখন ফুরিয়ে এসেছে এবং কোনো ধরনের আগ্রাসন বা উসকানিমূলক কাজের জবাব ইরান অত্যন্ত কঠোর ও দ্রুততার সঙ্গেই দেবে।
এ সময় তিনি হিজবুল্লাহর সাবেক প্রধান শহীদ হাসান নাসরুল্লাহকে স্মরণ করে বলেন, "শত্রুরা প্রতিরোধ আন্দোলনের শীর্ষ নেতাদের হত্যা করে আন্দোলন থামিয়ে দিতে চেয়েছিল।" তবে তিনি জানান, এটি ব্যক্তিবিশেষের ওপর নির্ভর করে না, বরং একটি সুদৃঢ় কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে আছে যা শত্রুকে সবসময়ই বেকায়দায় ফেলে দিয়েছে। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, মার্কিন ব্লকেড বা ফাঁকা হুমকির মুখে ইরানের বীর জাতি কখনোই পিছু হটবে না।
সূত্র: মেহের নিউজ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হাইকোর্ট তিনজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীর নেপাল যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা দেওয়ার ঘটনায় রুল জারি করেছে, যদিও তাদের বৈধ পাসপোর্ট, ভিসা, এন্ট্রি পারমিশন এবং বিমানের টিকিট ছিল। একই সঙ্গে আদালত ইমিগ্রেশন পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে, আবেদনকারীদের অভিযোগ সাত দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করে আদালতে কমপ্লায়েন্স প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।
আদালত নির্দেশ দিয়েছে, পরবর্তী বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে ওই তিন নারীর বিরুদ্ধে যেন কোনো বাধা প্রদান না করা হয়। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) তিন নারীর করা রিটের শুনানি শেষে বিচারপতি কামরুল কাদের ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এসব নির্দেশনা প্রদান করে।
রিটের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান, যিনি আইনজীবী তানজিলা রহমান জুইয়ের সহযোগিতা পেয়েছেন। রুলে হাইকোর্ট জানতে চেয়েছে, বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও আবেদনকারীদের বিদেশযাত্রায় বাধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না।
আদালত আরও জানতে চেয়েছে, প্রাপ্তবয়স্ক নারী নাগরিকদের বিদেশযাত্রায় অবিবাহিত হওয়া, অভিভাবক ছাড়া ভ্রমণ অথবা লিঙ্গভিত্তিক বিবেচনায় বাধা দেওয়ার বিষয়ে যথাযথ নির্দেশনা কেন জারি করা হবে না। রিটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), অতিরিক্ত আইজিপি, পুলিশ সদর দপ্তর এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের বিবাদী করা হয়েছে।
আবেদনকারীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তিন নারীর বিদেশযাত্রায় কোনো আদালতের নিষেধাজ্ঞা কিংবা অন্য কোনো আইনগত প্রতিবন্ধকতা ছিল না। তাদের কাছে প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও বিমানবন্দর থেকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি।
আবেদনকারীরা আরও দাবি করেন, একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী বিবাহিত বা অবিবাহিত হওয়া কিংবা তার সঙ্গে বাবা-মা বা কোনো অভিভাবক আছেন কি না—এসব বিষয় বৈধ বিদেশযাত্রা বন্ধ করার স্বতন্ত্র আইনগত ভিত্তি হতে পারে না। রিটে উল্লেখ করা হয়েছে, এ ধরনের বাধা সংবিধানের ২৭ ও ২৮ অনুচ্ছেদে থাকা সমতা ও লিঙ্গবৈষম্যবিরোধী নিশ্চয়তা, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদে স্বীকৃত আইনের আশ্রয় ও ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং ৩৬ অনুচ্ছেদের চলাফেরার স্বাধীনতার সঙ্গে সম্পর্কিত সাংবিধানিক প্রশ্ন তৈরি করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের মেঘনা টোল প্লাজা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে, যারা স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) হিসেবে পরিচয় দিচ্ছিলেন। তাদের হেফাজত থেকে উদ্ধার করা হয়েছে পোশাক (কটি), ওয়াকিটকি, হ্যান্ডকাফ এবং একটি মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম।
গ্রেপ্তারকৃতদের গ্রেপ্তার করা হয় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকা ইনকামিং লেন থেকে।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন হলেন ঝালকাঠির নলছিটি পৌরসভার রাজারবাগ গ্রামের মো. সোহেল (৩৫) এবং অন্যজন গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার আমনা আমতলী গ্রামের মো. সাজ্জাদ হোসেন সোহাগ (৩০)। বর্তমানে তারা যথাক্রমে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও দক্ষিণখান এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।
পুলিশ জানায়, নারায়ণগঞ্জ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করার উদ্দেশ্যে জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় সোনারগাঁ থানা পুলিশ মেঘনা টোল প্লাজার পশ্চিম পাশে একটি চেকপোস্ট স্থাপন করে। চেকপোস্টে তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ তাদের আটক করে। পরে তাদের তল্লাশি চালিয়ে সামনে ও পিছনে ‘RAB’ লেখা ৪টি কালো রঙের কটি, ২টি ওয়াকিটকি, ১টি হ্যান্ডকাফ, ১টি পিস্তলের কভার, ৯০টি প্লাস্টিক ওয়ার টাই, ১টি ভুয়া র্যাব আইডি কার্ড, ১টি FZ-1 ভার্সন মোটরসাইকেল (ঢাকা মেট্রো-ল-২৫-৮৬০৫), ১টি ওয়ালটন এবং ১টি রেডমি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বারিক এ বিষয়ে জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল অবকাঠামো সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ইডটকো বাংলাদেশ এবং টাইগার লিথিয়াম এনার্জি একসাথে কাজ করবে টেলিকম খাতের মেয়াদোত্তীর্ণ ব্যাটারিকে আইপিএস (ইনস্ট্যান্ট পাওয়ার সাপ্লাই) সিস্টেমে রূপান্তরের মাধ্যমে পুনর্ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য। সম্প্রতি উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই অংশীদারিত্ব পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধতা, সার্কুলার অর্থনীতির চর্চা এবং সামাজিক ক্ষমতায়নে উভয় প্রতিষ্ঠানের যৌথ অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটাচ্ছে।
ইডটকো’র ফ্ল্যাগশিপ করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) কর্মসূচি ‘টাওয়ার টু পাওয়ার’-এর অধীনে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে টেলিকম খাতে ব্যবহৃত ও মেয়াদোত্তীর্ণ ব্যাটারি থেকে প্রযুক্তিগতভাবে কার্যক্ষম সেলগুলো পুনরুদ্ধার করে সেগুলোকে নির্ভরযোগ্য ব্যাকআপ বিদ্যুৎ সমাধানে রূপান্তর করা হবে। এসব ব্যাকআপ পাওয়ার সিস্টেম দেশের নির্বাচিত গ্রামীণ স্কুল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সুবিধাবঞ্চিত অন্যান্য স্থানে স্থাপন করা হবে। এর ফলে শিক্ষা কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কমিউনিটির জীবনমান ও কল্যাণ উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এই উদ্যোগ।
ইডটকোর ফ্ল্যাগশিপ কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) উদ্যোগ ‘টাওয়ার টু পাওয়ার’-এর আওতায়, টেলিকম খাতে ব্যবহৃত অবসরপ্রাপ্ত ব্যাটারি থেকে প্রযুক্তিগতভাবে কার্যক্ষম সেলগুলো পুনরুদ্ধার করে সেগুলোকে নির্ভরযোগ্য ব্যাকআপ বিদ্যুৎ সমাধানে রূপান্তর করা হচ্ছে। এসব ব্যাকআপ পাওয়ার সিস্টেম দেশের নির্বাচিত গ্রামীণ স্কুল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সুবিধাবঞ্চিত অন্যান্য স্থানে স্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কমিউনিটির জীবনমান ও কল্যাণ উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এই উদ্যোগ।
ইডটকো বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আল-বাতুনী মোহাম্মাদ সাঈদ আহমেদ মন্তব্য করেন, “ইডটকোর কাছে টেকসই উন্নয়ন মানে শুধু পরিবেশ সংরক্ষণ নয়, বরং মানুষের জীবনেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। আমাদের ‘টাওয়ার টু পাওয়ার’ উদ্যোগের আওতায় এই অংশীদারিত্ব মেয়াদোত্তীর্ণ ব্যবহৃত টেলিকম ব্যাটারিকে নতুনভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করবে। এর ফলে একদিকে যেমন ইলেকট্রনিক বর্জ্য কমবে, অন্যদিকে নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত এলাকার মানুষ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাকআপ বিদ্যুতের সুবিধা পাবে। দায়িত্বশীল উদ্ভাবন কীভাবে সমাজের বাস্তব চাহিদা পূরণ করে অর্থবহ পরিবর্তন আনতে পারে, এই উদ্যোগ তারই একটি বাস্তব উদাহরণ।”
ইডটকোর ‘টাওয়ার টু পাওয়ার’ সিএসআর প্রকল্পের মাধ্যমে ইতোমধ্যে বাংলাদেশে এক লাখের বেশি মানুষের জীবনমান উন্নয়নে অবদান রেখেছে। নতুন এই অংশীদারিত্ব সেই সাফল্যকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে। উদ্যোগটি ইডটকোর ইএসজি প্রতিশ্রুতির অংশ এবং জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
ডিজিটাল অবকাঠামো ও সম্পদ ব্যবস্থাপনায় নিজেদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ইডটকো বাংলাদেশ ও টাইগার লিথিয়াম এনার্জি অবসরপ্রাপ্ত টেলিকম ব্যাটারিকে পরিবেশবান্ধব ব্যাকআপ বিদ্যুৎ সমাধানে রূপান্তর করছে, যা সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন ভাদাম এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, ৫২ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম আরমান হোসেন (২৩), আওয়ামী লীগ কর্মী গোলাপ (৪২), রাকিব (১৮) ও সুমন (১৮)।
পুলিশ জানায়, সোমবার সন্ধ্যায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মী সরকার বিরোধী মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিল এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ভাদাম বালুর মাঠের দক্ষিণ পাশের টিনসেড বাড়ির ভিতর থেকে তিনজন আওয়ামী লীগ কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অপরদিকে মধ্য রাতে পৃথক অভিযানে চালিয়ে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এবিষয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ আরিফুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ