শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:৫২ পি.এম
একজন ক্রেতা ছেঁড়া ১০ রুপির নোট প্রদান করছিলেন। তবে ডেলিভারি কর্মী সেই নোট গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন। এই কারণে তাকে মারধর করা হয়। অপমান সহ্য করতে না পেরে তিনি বাড়ি ফিরে বিষপান করে আত্মহত্যা করেন।
আত্মহত্যার পূর্বে সামির একটি ভিডিও রেকর্ড করেন, যেখানে তিনি ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেন। গত মঙ্গলবার হাসপাতালে তার মৃত্যু ঘটে।
দিল্লির ২৩ বছর বয়সী সামির হোসেন একটি জনপ্রিয় অনলাইন বিপণি সংস্থায় ডেলিভারি এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন। ২১ অক্টোবর তার ২৪ বছরে পদার্পণের কথা ছিল। কিন্তু তার মৃত্যু ঘটেছে তার জন্মদিনের আগের দিনেই।
সামিরের ভিডিওতে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘গরিব হওয়া কি অপরাধ?’ তিনি তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর ব্যাখ্যা দেন এবং সেই ক্রেতা ও তার নাতির শাস্তি দাবি করেন।
ভিডিওতে সামির বলেন, গত ৪ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ বিনোদ নগর এলাকায় রামপাল সিংহের বাড়িতে তিনি একটি অর্ডার পৌঁছে দিতে যান। সেখানে তাকে একটি ছেঁড়া ১০ রুপি নোট দেওয়া হয়, যা তিনি নিতে অস্বীকার করেন এবং নোটটি বদলে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।
তবে রামপাল তার কথায় বিরক্তি প্রকাশ করেন বলে অভিযোগ করেন সামির। রামপাল বলেন, ‘আমার কাছে এটাই আছে। নিতে হলে নাও, না হলে চলে যাও।’ এরপর তিনি সামিরকে তিনবার থাপ্পড় দেন এবং গালিগালাজ করেন। তিনি সামিরের আর্থিক অবস্থার উপরে ব্যঙ্গ করেন।
ভিডিওতে সামির জানান, ওই ক্রেতা যথেষ্ট প্রভাবশালী ও ধনী। তিনি মনে করেন, পুলিশ তার অভিযোগ গ্রহণ করবে না। ভারতে ডেলিভারি এজেন্টদের নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা বা সুযোগসুবিধা নেই বলেও তিনি দাবি করেন। সামির বলেন, ‘আমার আত্মমর্যাদাকে সকলের সামনে নষ্ট করা হয়েছে। আমি পরিশ্রম করে রোজগার করছিলাম। বাবার থেকে কোনো দিন এক পয়সাও চাইনি। আমার মৃত্যুর জন্য ওরাই দায়ী।’
সামিরের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা দায়ের করেছে।
সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন
আরএ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু রাত্রিকালীন বিনোদনকেন্দ্রে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে যান। এই সময় তার গাড়ির দিকে কাচের বোতল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
জেরুজালেমের জনপ্রিয় রাত্রিকালীন বিনোদনকেন্দ্র মাহানে ইয়েহুদা বাজারে এই ঘটনা ঘটেছে। টাইমস অব ইসরায়েল সংবাদে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মধ্যরাতে বাজারটিতে প্রচারণার অংশ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেতানিয়াহু। এ সময় তার গাড়িবহরের দিকে একটি কাচের বোতল ছোড়া হয়।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, বোতল নিক্ষেপের পর নিরাপত্তাকর্মী ও পুলিশ সদস্যরা ভিড়ের মধ্যে ছুটে যান। নিরাপত্তাকর্মীদেরকে বোতলটি ছুড়েছেন এমন ব্যক্তিকে শনাক্ত করার চেষ্টা করতে দেখা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই-আগস্টের শহীদদের স্মরণে নির্মিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিরোধী দলের নেতাদের উপস্থিতি না থাকার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, "যারা জুলাই-আগস্ট নিয়ে সারাদিন রাজনীতি করেন ও চিৎকার করেন, তারা দাওয়াত পাওয়া সত্ত্বেও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত না হয়ে ধোঁকাবাজির পরিচয় দিয়েছেন।"
প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিরোধী দলের নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, কিন্তু তারা উপস্থিত না হয়ে খোড়া যুক্তি দাঁড় করিয়েছেন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ১০টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, গত ১৯ অক্টোবর ওসমানী উদ্যানে সরকারের পক্ষ থেকে নির্মিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন। দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে ওই অনুষ্ঠানে সকল সমমনা, সহযোগী ও জোটের রাজনৈতিক দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল। শুধু দাওয়াত কার্ড পাঠানোই নয়, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম টেলিফোনেও সবাইকে আমন্ত্রণ নিশ্চিত করেছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শহীদ মীর মুগ্ধ, আবু সাঈদ ও আনাসের বাবা এবং এক শহীদের মাকে সঙ্গে নিয়ে চার শহীদ পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে স্মৃতিস্তম্ভ ও দীর্ঘ ১০ বছর পর ওসমানী উদ্যানটি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। অথচ যারা জুলাই নিয়ে সারাদিন কথা বলেন, সেই সমস্ত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্তরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হননি। বাংলাদেশের এই একমাত্র শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে গ্যাজেটভুক্ত ৮৩৪ জন শহীদের নাম লেখা রয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেলের বক্তব্যের জবাবে মীর শাহে আলম বলেন, দাওয়াত কার্ডে বিরোধী দলীয় নেতার নাম না থাকায় তারা যাননি বলে যে যুক্তি দেওয়া হয়েছে, তা সঠিক নয়। অনুষ্ঠানে প্রবীণ রাজনীতিবিদ মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় নেতা সাইফুল হক এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন সাহেবের নাম দাওয়াত কার্ডে না থাকলেও প্রধানমন্ত্রী তাদের মঞ্চে ডেকে নেন। তিনি বলেন, "আমাদের দাওয়াত গ্রহণ করে বিরোধী দল উপস্থিত হলে মানবিক প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রতিনিধিকেও মঞ্চে ডেকে নিতেন।"
জামায়াতে সেক্রেটারী জেনারেলের অন্য একটি বক্তব্যের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ইতিহাসে এই প্রথম বিরোধী দল ‘চকলেট’ পাচ্ছে; আমরা অতীতে বসার জায়গাও পাইনি, অথচ আপনারা সব সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন। নির্বাচনের সময় বেহেশতের কথা বলে ভোট নিয়ে এখন সস্তা রাজনীতি বন্ধ করুন। তারা ভোটের আগে মানুষকে বেহেশতের লোভ দেখায়, আবার পূজায় ঢাকের তালে নাচে; অথচ ভোটের পর এবার কোনো পূজায় তাদের পাওয়া যায়নি। তারা এখন এক দফার নামে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। বিশেষ কোনো ধর্ম বা গোষ্ঠীকে পুঁজি করে যারা রাজনীতি করছে, তাদের ফলাফল দেশের মানুষ ইতিপূর্বে দেখেছে। বিএনপি কোনো বিশেষ গোষ্ঠীকে পুঁজি করে রাজনীতি করে না; এখানে সবাই বাংলাদেশি এবং সবার হৃদয় জয় করেই বিএনপি আবারও জনগণের দ্বারে যাবে।
প্রতিমন্ত্রী বাকস্বাধীনতার নামে অশালীন ভাষা প্রয়োগ না করার অনুরোধ জানিয়ে সতর্ক করে বলেন, এরপরেও যদি অশালীন ভাষা ব্যবহার করা হয়, তবে জাতীয়তাবাদী শক্তি তা মেনে নেবে না।
একই সঙ্গে দলের ভেতরের শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়ে তিনি বলেন, বট বিএনপির মধ্যেও রয়েছে। আমাদের দলে কারা এসব করছে, তাদের চিহ্নিত করতে কাজ করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিরোধী দলকে একতরফা আন্দোলন বা লং মার্চ বাদ দিয়ে সংসদে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী ৯ নভেম্বর থেকে সংসদ অধিবেশন শুরু হচ্ছে। সংসদে অবাধে কথা বলার সুযোগ রয়েছে এবং স্পিকার বিরোধী দলকে যথেষ্ট সুযোগ দেন। সরকারের ভুল ধরিয়ে দেওয়া বা বারবার ওয়াকআউট করাও গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। বিরোধী দলের সে অধিকার রয়েছে এবং ওয়াকআউট শেষে তারা আবার ফিরে আসে। সংবিধানে বিরোধী দলের ভূমিকা কী হবে তা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে।
তিনি আরো উল্লেখ করেন, জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নের জন্য সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধী দলের জন্য পাঁচটি সদস্য পদ শূন্য রাখা হয়েছে। তবে তারা সেখানে সহযোগিতা করছেন না। তাদের প্রতি আহ্বান থাকবে, সংঘাতের পথ ছেড়ে কমিটিতে সম্পৃক্ত হয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অংশ নিন এবং যেকোনো মুহূর্তে পাঁচজন প্রতিনিধির নাম দিয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করুন।
প্রেস ব্রিফিং শেষে প্রতিমন্ত্রী শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে প্রতিভাবান শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বিরোধীদলের নেতাদের আচরণ ও বক্তব্যকে দায়ী করে বলেছেন, তাদের আগ্রাসী অবস্থানের সুযোগ নিয়ে পতিত অপশক্তি দেশের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক যুবকের ‘একটি মাত্র স্নাইপার দরকার ছিল’ মন্তব্য একটি উদাহরণ হিসেবে কাজ করছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খাঁন এসব মন্তব্য করেন।
পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন যে, বিরোধীদলের নেতাদের বক্তব্যে আওয়ামী লীগের শাসনামলে গুম-খুন ও দলটির বিচার নিয়ে আলোচনা গুরুত্ব পাচ্ছে না। বরং গণঅভ্যুত্থানের এক মাসের মাথায় জামায়াতে ইসলামীর আমির আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার কথা বলেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে জামায়াত ও এনসিপির বিরুদ্ধে বিএনপি সরকারের আট মাসের শাসনামলকে আওয়ামী লীগের ১৬ বছরের শাসনের সঙ্গে তুলনা করে নেতিবাচক বয়ান তৈরির অভিযোগও তোলেন।
রাশেদ খাঁন দাবি করেন, এসব বক্তব্য ও অপপ্রচারের লক্ষ্যবস্তু প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবার। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুমের শিকার, মামলার মুখোমুখি হওয়া কিংবা নির্বাসিত জীবন কাটানো নেতারাও এ ধরনের সমালোচনা থেকে বাদ যাচ্ছেন না।
পোস্টে তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের পরও বিভিন্ন পদে থাকা ব্যক্তিদের কেউ কেউ অতীতে আন্দোলন-সংগ্রামে সীমিত ভূমিকা রেখেও নিজেদের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের প্রধান অংশীদার হিসেবে তুলে ধরছেন। তবে বিএনপির নেতাকর্মীদের দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামের তুলনায় তাঁদের ভূমিকা কম ছিল বলে তিনি দাবি করেন।
রাশেদ খাঁন আরও অভিযোগ করেন, বিরোধীদলের অনেক নতুন সংসদ সদস্যের বক্তব্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস এমনভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, যেন বিএনপিকেই তাঁদের কাছ থেকে সেই ইতিহাস জানতে হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার শিবগঞ্জে জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারীকে বহনকারী সরকারি গাড়ির ধাক্কায় নিহত ফিরোজার পরিবারের সদস্যদের হাতে পাঁচ লাখ টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে। এই অনুদানটি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) পক্ষ থেকে দেওয়া হয়।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক সেতুর সামনে গোপীনাথপুর এলাকায় নিহত ফিরোজার পরিবারের সদস্যদের হাতে চেকটি তুলে দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
চেক হস্তান্তরের সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, "দুর্ঘটনায় নিহত ফিরোজার পরিবারের হাতে পাঁচ লাখ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়েছে। বিআরটিএর মাধ্যমে এ অনুদান দেওয়া হয়েছে।"
চেক হস্তান্তরের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম তাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল ওহাব, শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুজ্জামান শাহীন, প্রতিমন্ত্রীর ছেলে মীর শাকরুল ইসলাম সীমান্তসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা।
এর আগে, গত ৪ সেপ্টেম্বর সকাল পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার কিচক ইউনিয়নের গোপীনাথপুর এলাকায় মোকামতলা–জয়পুরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে। ফিরোজা বেগম ওই এলাকার মৃত নিজাম উদ্দিনের স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী সরকারি গাড়িতে করে ঢাকা থেকে তার নির্বাচনি এলাকা জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় যাচ্ছিলেন। তার সঙ্গে স্ত্রী নাজমা আরা বেগম এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে পুলিশের একটি গাড়ি ছিল। গোপীনাথপুর এলাকায় পৌঁছালে ফিরোজা বিবি মহাসড়কের এক পাশ থেকে অন্য পাশে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির সামনে চলে আসেন। তাকে বাঁচাতে গিয়ে চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারান। পরে গাড়িটি সড়কের পাশের ধানখেতে নেমে যায়। এতে ফিরোজা গুরুতর আহত হন। প্রতিমন্ত্রী ও তার স্ত্রীও আহত হন।
দুর্ঘটনার পর প্রতিমন্ত্রীর স্ত্রী নাজমা আরা বেগম জানান, "ওই নারীকে বাঁচাতে গিয়ে চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারান। পরে গাড়িটি সড়কের পাশে ধানক্ষেতে নেমে যায়।" আহত ফিরোজা বিবিকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাকে বগুড়ার টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ