মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:২৯ এম
আবুল বাশার মোল্লা, ৪৮, পিতা সুবল মোল্লা সাং হেল্প কেয়ার আধুনিক হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার সানারপাড় থানা ,সিদ্ধিরগঞ্জ জেলা নারায়ণগঞ্জ।
আবুল বাসার মোল্লা, দীর্ঘদিন যাবত একজন নারীর সাথে, প্রেমের মাধ্যম ফেসবুকের বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন শারীরিক সম্পর্ক করার ফলে, বিভিন্ন লোক জানাজানি হলে, নারীকে তখন মিথ্যা মামলা দিয়ে আদালতে প্রেরণ করেন, নারী তখন যাবিনে মুক্তি হয়ে,পরবর্তী নারী আদালতের , শিশু নারী,আইনের মামলা দায়ের করেন, এই খবর পেয়ে আবুল বাশার বিভিন্ন লোক মারফত এবং আইনি প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দিয়ে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি প্রদান করে আসছেন,
মুক্তি পাওয়ার পরও নারী নিরাপত্তাহীন ভাবে জীবন যাপন করছেন, বিভিন্নভাবে বিভিন্ন সংস্থার থেকে তাকে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করছেন,
আইন প্রশাসন কর্মকর্তার কাছে গেল নারী তাহার সুষ্ঠু বিচার পান না, কারণ আসামি একজন প্রভাবশালী এবং ব্যক্তি হওয়ায় তাহার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে নারাজ। এমন অবস্থায় উক্ত নারী প্রশাসনের নিকট সুষ্ঠু বিচারের দাবি কামনা করছেন। আবুল বাসার মোল্লার নামে আরও অনৈতিক কার্যকলাপ আগামী পর্বে প্রমাণসহ তুলে ধরা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টায় গোবিন্দগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের উদ্যোগে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে হ্যান্ডবল, কাবাডিসহ মোট ৪টি ইভেন্টে দুইটি ক্যাটাগরিতে উপজেলার ১৫৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।
প্রতিযোগিতা শেষে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শাহনাজ বেগমের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তামশিদ ইরাম খান বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
এসময় উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার ফিরোজ আলম, গোবিন্দগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মোকারম হোসেন রানা, ক্রীড়া শিক্ষক রেজাউল মন্ডল, ফাঁসিতলা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষক আবু সাইদসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা, সাংবাদিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ নানা শ্রেনি-পেশোর মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন মন্তব্য করেছেন যে, বাল্যবিবাহ কোনো সমস্যার সমাধান নয়, বরং এটি সামাজিক সংকট এবং নারীদের বিকাশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।
তিনি বলেন, ‘অনেক পরিবার মনে করে মেয়েকে অল্প বয়সে বিয়ে দিলেই সমস্যার সমাধান হলো। কিন্তু এটি বহুগুণ বড় সংকটের জন্ম দেয়। দারিদ্র্য কোনোভাবেই শিশুর পড়াশোনা কেড়ে নেওয়ার অজুহাত হতে পারে না। কন্যাসন্তানকে সুরক্ষা ও মর্যাদা দিয়ে বড় করলে সে-ই পরিবারের সবচেয়ে বড় ভরসা হয়ে ওঠে।’
আজ সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশন আয়োজিত ‘চাইল্ড, নট ব্রাইড’ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, পরিবর্তিত বাংলাদেশে নারীরা সব ক্ষেত্রে দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন। সাম্প্রতিক এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলই এর বড় প্রমাণ। সরকার এমন এক সাম্য ও নিরাপত্তার সমাজ গড়তে চায়, যেখানে মেয়েরা সুশিক্ষা পেয়ে আত্মনির্ভরশীল হবে এবং কন্যাশিশুকে বোঝা না ভেবে সম্পদ হিসেবে গণ্য করা হবে।
নারী শিক্ষার প্রসারে বিগত বিএনপি সরকারের অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার আমলেই মেয়েদের দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা চালু হয়েছিল, যা বর্তমান নির্বাচিত সরকার স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে করার ঘোষণা দিয়েছে।
এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নারীর সামগ্রিক নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করাকে সরকারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার হিসেবে নির্ধারণ করেছেন।
মাহদী আমিন আরও জানান, মায়েদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হয়েছে এবং ঝরে পড়া রোধে প্রাথমিকে মিড-ডে মিল, স্কুল ড্রেস ও উপবৃত্তি দেওয়া হচ্ছে। এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্যদের কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বয়স বাড়িয়ে জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে বাল্যবিয়ে দেওয়াকে বেআইনি উল্লেখ করে তিনি এর বিরুদ্ধে সামাজিক ও আইনি পদক্ষেপের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হ্যাকন অ্যারাল্ড গুলব্রানসেন, বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর মো. আল মামুন ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের ডেপুটি ডিরেক্টর নীলিমা ইয়াসমিনসহ কূটনীতিক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবান, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলার রুমা উপজেলায় আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১১০ পরিবারের মাঝে জরুরি খাদ্যসামগ্রী ও নগদ সহায়তা প্রদান করেছে খ্রিস্টিয়ান কমিশন ফর ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ (সিসিডিবি)।
সিসিডিবির উদ্যোগে বান্দরবান সদর, রোয়াংছড়ি ও রুমা উপজেলার মোট ৬২৫টি বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে এ জরুরি মানবিক সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে বান্দরবান সদরে ৩৫০টি, রোয়াংছড়িতে ১৬৫টি এবং রুমায় ১১০টি পরিবার রয়েছে।
এর অংশ হিসেবে সোমবার রুমা উপজেলার ১০টি গ্রামের ১১০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এসব সহায়তা বিতরণ করা হয়।
প্রতিটি পরিবারকে ২৫ কেজি চাল, ৩ কেজি ডাল, ২ কেজি লবণ, ২ লিটার সয়াবিন তেল, ২টি গোসলের সাবান, ২টি কাপড় ধোয়ার সাবান ও ১ প্যাকেট স্যানিটারি প্যাড দেওয়া হয়।
পাশাপাশি প্রতিটি পরিবারকে বিকাশের মাধ্যমে ৮ হাজার টাকা করে নগদ সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অংসিনু মার্মা, রুমা প্রেসক্লাবের সভাপতি শৈহ্লাচিং মারমা, সিসিডিবির কো-অর্ডিনেটর আর্নেস্ট সরকার, সিসিডিবি বান্দরবানের এরিয়া ম্যানেজার হ্লামং মার্মা এবং হার-সেব প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজার তাপস সরকার।
এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দুর্ভোগ লাঘব এবং জরুরি খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণে এ সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন। দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে সিসিডিবি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের সাউথ এ্যাপোলো মেডিকেল কলেজ বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) কাছ থেকে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জনের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি লাভ করেছে। এ স্বীকৃতিকে প্রতিষ্ঠানটির জন্য ঐতিহাসিক ও গৌরবের অর্জন হিসেবে দেখছেন কলেজসংশ্লিষ্টরা।
সাউথ এ্যাপোলো মেডিকেল কলেজ পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একটি প্রতিষ্ঠানের এ অর্জন কোনো একক প্রচেষ্টার ফল নয়। মালিক ও পরিচালনা পর্ষদ, শিক্ষক-চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, ত্যাগ ও অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলেই এ সাফল্য এসেছে।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মালিক ও পরিচালনা পর্ষদের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা, সঠিক দিকনির্দেশনা ও নিরলস প্রচেষ্টা কলেজটিকে এ স্বীকৃতি অর্জনের পথে এগিয়ে নিয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষকমণ্ডলী ও চিকিৎসকদের মেধা, প্রজ্ঞা এবং নিরবচ্ছিন্ন পাঠদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে তোলার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে।
কলেজের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও এ অর্জনের অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সচল রাখতে পর্দার আড়ালে থেকে তাদের দিন-রাতের পরিশ্রমের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায়, একাগ্রতা ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি ভালোবাসাকে এ সাফল্যের অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান ডা.জহিরুল হক বলেন, “সাউথ এ্যাপোলো মেডিকেল কলেজের জন্য আজ একটি ঐতিহাসিক দিন। বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিলের এই স্বীকৃতি আমাদের দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও স্বপ্নের সফল পরিণতি। এ অর্জনের পেছনে পরিচালনা পর্ষদ, শিক্ষক-চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত অবদান রয়েছে। আমরা এই স্বীকৃতিকে দায়িত্ব হিসেবে নিয়ে ভবিষ্যতে আরও উন্নত ও মানসম্মত চিকিৎসা শিক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাব। আমাদের লক্ষ্য শুধু ভালো চিকিৎসক তৈরি করা নয়, বরং দক্ষ, মানবিক ও দায়িত্বশীল চিকিৎসক তৈরি করা।”
এদিকে সাউথ এ্যাপোলো মেডিকেল কলেজের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিলের সভাপতি, নিবন্ধকসহ সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের ওপর আস্থা রাখা এবং প্রতিষ্ঠানটিকে এই ঐতিহাসিক স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ