০৬:৫২ পি.এম
‘পূর্ববর্তী সরকার ১০০ ব্যাগ মাটি ফেলে ৩০০ ব্যাগের টাকা নিয়ে যেত। তবে তখনকার সরকারের সময় তা বইবে না।’ এসব কথা শনিবার (৮ আগস্ট) কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুরের নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনকালে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ উল্লেখ করেন। তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের দুর্ভোগ ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে অবগত হন।
ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ‘পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে নদীভাঙন প্রতিরোধের কাজের ক্ষেত্রে অনিয়ম ছিল। ১০০ ব্যাগ মাটি ফেলে ৩০০ ব্যাগের টাকা নেয়া হয়েছে। তবে বর্তমান সরকারের সময় এই ধরনের অনিয়ম এবং দুর্নীতি হতে দেওয়া হবে না।’
আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সংঘর্ষ, আহত ১০
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের একটি টাকাও অপচয় কিংবা দুর্নীতির শিকার হতে দেওয়া হবে না। নদীভাঙন প্রতিরোধের জন্য সরকারি অর্থ যথাযথভাবে খরচ করা হবে এবং কাজের মান নিশ্চিত করা হবে।’
এ সময় স্থানীয় জনগণ জানায়, প্রতিবছর নদীভাঙনে নতুন নতুন এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনেক পরিবার বসতভিটা এবং ফসলি জমি হারিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। তাদের দাবী হ’ল, সাময়িক ব্যবস্থা নয়, বরং নদীভাঙন রোধে দীর্ঘমেয়াদি এবং টেকসই নদীশাসন ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
পরিদর্শনকালে কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য এইচ এ মাহবুব সালেহী, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, সদস্যসচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, রাজিবপুর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সায়েকুল হাসান খান, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মোখলেছুর রহমান, সদস্যসচিব আব্দুল হাই সরকার, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক রুস্তম মাহমুদ লিখন, ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব মিজানুর রহমান লিমন, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোখলেসুর রহমান, সদস্যসচিব নাজমুল মাহমুদ, রাজিবপুর সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি সোহেল রানা, সাধারণ সম্পাদক আকিবসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: কুয়াকাটায় অনুমোদনহীন নির্মাণের অভিযোগে ইস্তানবুল হোটেলের কাজ বন্ধ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন