বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২৬ পি.এম
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক পদে সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক এহসান মাহমুদ নিয়োগ পেয়েছেন। এই তথ্য বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আইন, ২০২৬-এর ধারা ১২(২) অনুযায়ী এহসান মাহমুদকে এই পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী এক বছরের জন্য এই দায়িত্ব পালন করবেন। এই নিয়োগের একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো, তাকে অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা অথবা সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক সম্পূর্ণভাবে ত্যাগ করতে হবে। উপসচিব মো. গোলাম রব্বানীর স্বাক্ষরিত আদেশে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
নবনিযুক্ত মহাপরিচালক এহসান মাহমুদ তার নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর বলেন, "বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান এক অবিস্মরণীয় ঘটনা।" তিনি আরও বলেন, "এর গৌরবময় স্মৃতি সংরক্ষণ, সংগ্রামের প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং জুলাইয়ের শহীদ ও যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের স্মারক হিসেবে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।"
তিনি জানান, গণ-অভ্যুত্থানের পর এই প্রতিষ্ঠানটি ঘিরে দেশের মানুষের মধ্যে নতুন আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, "গণতন্ত্র, সমঅধিকার ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার যে শিক্ষা জুলাই থেকে পাওয়া গেছে, তা সামনে রেখেই আমি কাজ করতে চাই।" তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার সম্মিলিত সংযোগ ও সক্রিয়তায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণ, চর্চা ও গবেষণার পাশাপাশি এই জাদুঘরকে একটি জাতীয় সাংস্কৃতিক বিদ্যাপীঠে রূপ দেওয়ার জন্য কাজ করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ পবিত্র মক্কা নগরী এবং পবিত্র মসজিদুল হারামের নিরাপত্তা ও পবিত্রতা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। আজ বুধবার এক বিবৃতিতে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি শাইখুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক এবং মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী এই নিন্দা ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেন।
নেতৃদ্বয় উল্লেখ করেন, পবিত্র মক্কা- মদিনা মুসলমানদের হৃদয়ের স্পন্দন এবং সমগ্র বিশ্বের মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত সম্মানিত ও পবিত্র স্থান। তারা বলেন, মক্কানগরীর নিরাপত্তা ও পবিত্রতার প্রতি হুমকি সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। হামলা ও সহিংসতার মাধ্যমে পবিত্র ভূমিতে আতঙ্ক সৃষ্টি করা ইসলামের শান্তি ও নিরাপত্তার আদর্শের পরিপন্থী।
হুথিদের পক্ষ থেকে পবিত্র মক্কানগরী লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা মুসলিম উম্মাহর জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। নেতৃবৃন্দ এ ধরনের কর্মকা- অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানান। জমিয়ত নেতৃবৃন্দ সউদী আরবের পবিত্র ভূমি, মক্কা- মদিনা এবং মুসলমানদের পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান। তারা মুসলিম বিশ্বের ঐক্য ও সংযম বজায় রেখে পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় সম্মিলিত ভূমিকা পালনের জন্যও আহ্বান জানান। নেতৃবৃন্দ বলেন, পবিত্র মক্কা-মদিনার নিরাপত্তা রক্ষায় কোনো ধরনের হুমকি বা আগ্রাসন মেনে নেওয়া যায় না। আল্লাহ তাআলা পবিত্র ভূমি এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে সব ধরনের বিপদ-আপদ ও ফিতনা থেকে হেফাজত করুন এবং বিশ্বে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করুন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টানা তিন বছর ভারতের বাইরে অনুষ্ঠিত হওয়ার পর আবারও ঘরের মাঠে ফিরছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) নিলাম। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) ২০২৭ আসরের মিনি-নিলাম ভারতে আয়োজনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের বহুল আলোচিত বৈঠকে নেওয়া হয়।
সর্বশেষ ২০২৩ সালে কোচিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ভারতের মাটিতে আইপিএলের নিলাম। এরপরের তিনটি আসরের নিলামের ভেন্যু ছিল দেশের বাইরে, যথাক্রমে দুবাই, জেদ্দা ও আবুধাবিতে। তবে বিদেশে টানা ৩ বছর আয়োজনের পর বিসিসিআই আবারও দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিদেশে মিনি-নিলামের আয়োজন ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর জন্য ঝক্কির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছিল, কারণ এতে বিশাল প্রতিনিধিদল নিয়ে যাতায়াত, থাকা-খাওয়া ও অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন হচ্ছিল। ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর এই আপত্তির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে বিসিসিআই ভারতে নিলাম ফেরানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
তবে কবে এবং কোথায় এই নিলাম অনুষ্ঠিত হবে, তা নিয়ে এখনো কিছুটা সংশয় রয়ে গেছে। ভারতে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বিয়ের মৌসুম চলায় বোর্ডকে পাঁচতারা হোটেলে পর্যাপ্ত রুম পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হচ্ছে। সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজ জানিয়েছে, সাধারণত ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে হতে পারে এই মিনি-নিলাম। তবে পরবর্তী ২০২৮ সালের মেগা-নিলামটি আবারও ভারতের বাইরে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বিসিসিআই-এর।
অন্যদিকে, আইপিএলের আলোচিত ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ নিয়মটি আগামী আসরে থাকবে কি না, তা নিয়ে মঙ্গলবারের বৈঠকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি। এ বিষয়ে চূড়ান্ত ফয়সালা নিতে আগামী মাসে গভর্নিং কাউন্সিলের আরেকটি বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীকে বহনকারী একটি মাইক্রোবাস ফেনীর বারইয়ারহাট এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় পড়েছে। চট্টগ্রাম থেকে নোয়াখালী যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে, দুর্ঘটনায় তিনি এবং তার সফরসঙ্গীদের কেউ আহত হননি। মাইক্রোবাসটির পেছনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দুর্ঘটনাটি বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর বারইয়ারহাট এলাকায় ঘটে। জানা গেছে, চট্টগ্রাম থেকে নোয়াখালীর উদ্দেশে রওনা হওয়ার পর বারইয়ারহাট এলাকায় পৌঁছালে একটি বাস মাইক্রোবাসটির পেছনে ধাক্কা দেয়। ফলে গাড়িটির পেছনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ভেতরে থাকা হেফাজত আমিরসহ কেউ আহত হননি।
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিকে, দুর্ঘটনার খবর ফটিকছড়িসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে হেফাজত আমিরের শুভাকাঙ্ক্ষী ও অনুসারীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। তারা বিভিন্ন মাধ্যমে আল্লামা শাহ মহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর খোঁজখবর নেন এবং তার সুস্থতা ও নিরাপদ সফরের জন্য দোয়া করেন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় হেফাজত নেতাকর্মীরাও ঘটনাস্থল ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন বলে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মুহাম্মদ কাদের গনি চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, সাংবাদিকদের দায়বদ্ধতা কেবল জনগণের প্রতি। তিনি উল্লেখ করেন, ‘সাংবাদিকদের স্বাধীন, সত্যনিষ্ঠ ও ন্যায়নিষ্ঠ হতে হবে। সাংবাদিকতার বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনের একমাত্র উপায় হলো জনগণের প্রতি যে দায়, তার প্রতি নিষ্ঠাবান থাকা এবং অসত্য না লেখা।’
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটে মফস্বল সাংবাদিকদের জন্য ‘সাংবাদিকতা, ভিডিও সাংবাদিকতা ও মোবাইল সাংবাদিকতা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারি চাকরিজীবীদের বিশেষ প্রণোদনা বাতিল হচ্ছে। জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মুহম্মদ হিরুজ্জামান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইনস্টিটিউটের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রওনক জাহান।
জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠান) ড. মো. মারুফ নাওয়াজের সঞ্চালনায় প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশিক্ষণ প্রকৌশল) পারভীন সুলতানা রাব্বী, উপপরিচালক (বেতার অনুষ্ঠান) মো. আবুজার গাফফারীসহ ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তা এবং সাংবাদিকরা।
কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকতা হচ্ছে সমাজের বিভিন্ন ঘটনা ও তথ্য সংগ্রহ করে তা সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ বা প্রচার করার একটি প্রক্রিয়া। সাংবাদিকের প্রধান কাজ হলো তথ্যগুলো সঠিক ও নির্ভুল কি না, তা যাচাই করা।
তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকতার উদ্দেশ্য হলো জনগণকে দেশের এবং বিশ্বের সঠিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করা। সমাজে ঘটা অন্যায় বা অনিয়ম তুলে ধরে ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং মানুষের বিবেক ও সচেতনতা বাড়ানো।’
সাংবাদিকদের সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলা উচিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকতা হচ্ছে সত্যের আরাধনা করা। যা সত্য, তা-ই তুলে ধরা। কারণ সত্য-মিথ্যার সংমিশ্রণে সাংবাদিকতা হয় না।’
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার গুরুত্ব তুলে ধরে কাদের গনি চৌধুরী বলেন, ‘বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা একজন সাংবাদিককে সমাজের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে পারে।’
ভালো সাংবাদিক হওয়ার জন্য বই ও পত্রিকা পড়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতার ওপর লেখা বই সংগ্রহ করে নিয়মিত পাঠ ও অনুশীলন করতে হবে। জানার জন্য পড়ালেখার বিকল্প নেই।’
সাংবাদিকদের ‘জাতির বিবেক’ বলা হয় উল্লেখ করে কাদের গনি চৌধুরী বলেন, ‘বিবেকের সঙ্গে প্রতারণা করা যাবে না। কোনো অবস্থাতেই দলদাসে পরিণত হওয়া যাবে না। জনগণ দাসত্বের সাংবাদিকতাকে মনেপ্রাণে ঘৃণা করে। তাই তাদের ‘পেট ডগ’ বা পোষা কুকুরে পরিণত হওয়া যাবে না। থাকতে হবে সমাজের অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকায়।’
সংবাদপত্রকে ‘নিউজপেপার ইজ দ্য পিপলস পার্লামেন্ট অলওয়েজ ইন সেশন’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংবাদপত্রই জনগণের সংসদ, যার অধিবেশন সর্বদা চলমান।
কাদের গনি চৌধুরী বলেন, ‘এখানে আমরা সাংবাদিকরা হলাম শিক্ষার্থী, পরীক্ষা দিই। আর আমাদের খাতা দেখেন, আমাদের পরীক্ষা নেন দেশের ১৮ কোটি মানুষ। আমরা কি ভুল লিখেছি, কি সত্য লিখেছি, কি মিথ্যা লিখেছি, লেখাটা বস্তুনিষ্ঠ কি না সেটাও কিন্তু জনগণ প্রতিদিন আমাদের পরীক্ষা করেন। তাই আমাদের দায়িত্ববোধ অনেক বেশি।’
অনলাইন সাংবাদিকতা প্রসঙ্গে বাসসের প্রধান সম্পাদক বলেন, ‘অনলাইন সাংবাদিকতা অনেকটা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ব্যাটিংয়ের মতো। শুরুতেই খেলার সুতা ধরতে জানতে হবে। প্রথম ওভারে না হোক, অন্তত পাওয়ার প্লেতে ভালো রান করতে হবে।’
তিনি বলেন, প্রথম ওভার বলতে তিনি ব্রেকিং নিউজ এবং পাওয়ার প্লে বলতে এর ফলো-আপ অথবা বিশ্লেষণের কথা বলেছেন।
অনলাইনে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে ‘সবার আগে সঠিক সংবাদ’ এই নীতি মেনে চলতে হবে উল্লেখ করে কাদের গনি চৌধুরী বলেন, ‘সবার আগে সংবাদ দিতে হবে, আবার সঠিক সংবাদও দিতে হবে। সবার আগে দিতে গিয়ে মিথ্যা, অর্ধসত্য বা অর্ধমিথ্যা সংবাদ দেওয়া যাবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ