ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুদ্ধের মধ্যেও শক্তিশালী হচ্ছে ইসরাইলের অর্থনীতি


যুদ্ধের মধ্যেও শক্তিশালী হচ্ছে ইসরাইলের অর্থনীতি

মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে তিন বছর ধরে যুদ্ধের পরিস্থিতি চলছে ইসরাইলের। এ অবস্থায় দেশটির অর্থনীতির গভীর সংকটে পড়ার প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। বিভিন্ন সূচকে ইসরাইলের অর্থনীতি বর্তমানে বেশ চাঙা অবস্থায় রয়েছে। তবে, অর্থনৈতিক এই সাফল্যের মধ্যেও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে ভোটাররা উদ্বিগ্ন।

চলতি মাসে ইসরাইলের পার্লামেন্ট নেসেটের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আগামী ২৭ অক্টোবরের এই নির্বাচনের প্রেক্ষিতে জাতীয় নিরাপত্তা প্রচারে প্রাধান্য পাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল গাদি আইজেনকোট—দুজনেই দাবি করছেন, ইসরাইলিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তারা সবচেয়ে যোগ্য। আইজেনকোট মধ্যপন্থি ইয়াশার দলের নেতা।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইসরাইলে হামলার পর গাজায় যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিকে দেশটির অর্থনীতির গতি ব্যাপকভাবে কমে যায়। তবে, এরপর ইসরাইল ঘুরে দাঁড়িয়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে দ্রুততম প্রবৃদ্ধি অর্জনকারী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

আরও পড়ুন: ইরান যুদ্ধের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যের পুরোনো রাজনৈতিক কাঠামো বদলাচ্ছে: বিশ্লেষক

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ছিল ১ শতাংশ। ২০২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২ দশমিক ৯ শতাংশে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩ দশমিক ২ শতাংশ।

ইসরাইলের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ২০২৬ সালে ৪ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, কানাডা ও জাপানের মতো বড় অর্থনীতির দেশগুলোর পূর্বাভাসের তুলনায় এই হার অনেক বেশি।

গত তিন বছরে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইসরাইলি মুদ্রা শেকেলের মান বৃদ্ধি পেয়েছে। মে মাসে মুদ্রাটির বিনিময়মূল্য ৩০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। একই সময়ে দেশটির পুঁজিবাজারেও বড় উত্থান হয়েছে। প্রধান সূচক টিএ-১২৫ বেড়েছে ১১০ শতাংশের বেশি।

এদিকে, ইসরাইলে বেকারত্বের হার ২ দশমিক ৮ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ১ দশমিক ৫ শতাংশ। সামগ্রিক পরিসংখ্যানে অর্থনীতির চিত্র ইতিবাচক হলেও সাধারণ মানুষের উদ্বেগের বড় কারণ জীবনযাত্রার ব্যয়।

আরও পড়ুন: ভারতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র দুই নেতার আটকাদেশ দুই দিন বৃদ্ধি

প্রযুক্তি খাতের ওপর ভর করে প্রবৃদ্ধি

ইসরাইলের অর্থনীতির এই পুনরুদ্ধারের পেছনে প্রযুক্তি খাতের বড় ভূমিকা রয়েছে। গাজা, লেবানন, সিরিয়া, ইরাক, ইরান ও ইয়েমেনজুড়ে সংঘাত চললেও দেশটির প্রযুক্তি খাত তুলনামূলকভাবে এসব যুদ্ধের প্রভাব থেকে সুরক্ষিত রয়েছে। বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার দ্রুত বাড়তে থাকায় এ খাতে বিনিয়োগও বৃদ্ধি পেয়েছে।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে যুদ্ধের পরিস্থিতি চললেও প্রযুক্তি খাতে রেকর্ড পরিমাণ বিনিয়োগ পেয়েছে ইসরাইল। দেশটির অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ আসে এই খাত থেকে।

গত বছর ইসরাইলে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়ায় ২৬২০ কোটি ডলারে। ২০২৪ সালের তুলনায় এই বিনিয়োগ ৭৮ শতাংশ বেশি। মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেট ও পালো আল্টো নেটওয়ার্কসের ইসরাইলি সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান উইজ ও সাইবারআর্ক অধিগ্রহণ এই বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রেখেছে। দুটি অধিগ্রহণই ছিল রেকর্ড পরিমাণের।

আরও পড়ুন: মুসলিম বনাম মুসলিম যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে! হাসছে মার্কিন-ইসরাইল

চলতি বছরেও দেশটিতে বিদেশি বিনিয়োগ অব্যাহত রয়েছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে মার্চ—এই তিন মাসে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৪১০ কোটি ডলার, যা এক প্রান্তিকের হিসাবে রেকর্ড।

বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রসারের পাশাপাশি ইসরাইলের প্রযুক্তি খাত দেশটির প্রতিরক্ষা শিল্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থেকেও সুবিধা পাচ্ছে। প্রতিরক্ষা খাতে ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে রাডার ব্যবস্থা, যোগাযোগ প্রযুক্তি ও ড্রোন প্রতিরোধী প্রযুক্তি সরবরাহকারী শত শত নতুন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্ডার বাড়িয়েছে সামরিক খাত।

ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক কেরেন উজিয়েল আল–জাজিরাকে বলেন, কর্মসংস্থান ও মজুরি বৃদ্ধির কারণে ইসরাইলের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ালেও এর মূল চালিকা শক্তি রপ্তানি। বিশেষ করে সাইবার নিরাপত্তা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো ক্ষেত্রে বিশ্ববাজারে ইসরাইল এবং দেশটিতে কার্যক্রম পরিচালনাকারী বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা রয়েছে।

উজিয়েলের ভাষ্য, ইসরাইলের প্রযুক্তিপণ্য ও সেবার প্রতি আন্তর্জাতিক চাহিদা বাড়ায় সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ এবং নতুন উদ্যোগে পুঁজি সংগ্রহ বেড়েছে। এতে পুঁজিবাজার চাঙা হয়েছে, সম্পদের মূল্য বেড়েছে এবং সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে।

আরও পড়ুন: হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তাহীনতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী: ইরান

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী নাভি পিল্লাইকে অধ্যাপক ইউনূসের অভিনন্দন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫৪ পি.এম


নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী নাভি পিল্লাইকে অধ্যাপক ইউনূসের অভিনন্দন

ঢাকা, ১০ অক্টোবর, ২০২৬ : সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস দক্ষিণ আফ্রিকার আইনবিদ নাভানেথেম 'নাভি' পিল্লাইকে ২০২৬ সালের শান্তিতে নোবেল পুরস্কার অর্জনের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন।

শুক্রবার প্রকাশিত এক অভিনন্দন বার্তায় অধ্যাপক ইউনূস পিল্লাইয়ের ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও জবাবদিহিতার প্রতি আজীবন অঙ্গীকারের প্রশংসা করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, 'বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করায় আমি তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।'

অধ্যাপক ইউনূস বিচারপতি পিল্লাইয়ের দীর্ঘ ও গৌরবময় কর্মজীবনের প্রশংসা করে বলেন, তিনি তাঁর জীবন ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে উৎসর্গ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, 'বর্ণবৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে, জাতিসংঘে এবং আন্তর্জাতিক বিচারাঙ্গনে তাঁর কাজ প্রমাণ করেছে যে আইনের শাসন ছাড়া শান্তি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। তিনি ক্ষমতাবানদের জবাবদিহির আওতায় এনেছেন এবং যাঁদের কোনো কণ্ঠস্বর নেই, তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।'

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার বিচারপতি পিল্লাইয়ের অসাধারণ সাহস ও অবিচল সততার স্বীকৃতি।’

তিনি আরও যোগ করেন, 'এটি একই সঙ্গে আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে ন্যায়বিচার ও শান্তি একে অপরের পরিপূরক। আমি তাঁর প্রতি আমার আন্তরিক শুভকামনা জানাই।'

শুক্রবার নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি আন্তর্জাতিক আইন, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নানা আয়োজনে বরেণ্য চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নড়াইল প্রতিনিধি

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:২৪ পি.এম


নানা আয়োজনে বরেণ্য চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যদিয়ে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৯টায় সুলতান সংগ্রহশালা চত্বরে জেলা প্রশাসন, এস এম সুলতান বেঙ্গল চারুকলা মহাবিদ্যালয়, এস এম সুলতান ফাউন্ডেশন, এস এম সুলতান স্মৃতি সংগ্রহশালা, নড়াইল প্রেসক্লাব, জেলা শিল্পকলা একাডেমি, এস এম সুলতান শিশু চারু ও কারুকলা ফাউন্ডেশন, মূর্ছনা সংগীত নিকেতনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে সুলতানের কবরে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে। এছাড়া কোরআন খতম, দোয়া মোনাজাত, শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন-জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম, জেলা পরিষদ প্রশাসক বীরমুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফিজুর রহমান আলেক, নড়াইল জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ আবুল ফজল মুহাম্মদ মশিউর রহমান বাবু, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আহসান মাহমুদ রাসেল, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) টি এম রাহসিন কবির, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বিমানেশ চন্দ্র বিশ্বাস, সুলতান ফাউন্ডেশনের সাবেক সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট ইকবাল হোসেন সিকদার, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব মুর্শেদ জাপল, বিএনপি নেতা মুন্সী শাহিন উল্লাহ মোহন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নড়াইল জেলা কমিটির সদস্য সচিব প্রকৌশলী মাহমুদা সুলতানার রিমি, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শেখ হানিফ, এস এম সুলতান স্মৃতি সংগ্রহশালার কিউরেটর তন্দ্রা মুখার্জি, সহকারী কিউরেটর মেহেদী হাসান রানা, নড়াইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ লাবলু, শিশুস্বর্গের প্রশিক্ষক চিত্রশিল্পী সৌমিত্র মোস্তবী, প্রশিক্ষক চিত্রশিল্পী চিরঞ্জিত রায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নড়াইল শাখার সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম রানাসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ।  

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী এসএম সুলতান ১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এদিকে, ১৯২৪ সালের ১০ আগস্ট নড়াইলের মাছিমদিয়ায় বাবা মেছের আলী ও মা মাজু বিবির ঘরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।
 
চিত্রশিল্পের মূল্যায়ন হিসেবে এস এম সুলতান ১৯৮২ সালে পেয়েছেন একুশে পদক, ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা পদক, ১৯৮৪ সালে রেসিডেন্ট আর্টিস্ট স্বীকৃতি, ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ চারুশিল্পী সংসদ সম্মাননাসহ ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘ম্যান অব দ্য ইয়ার’, নিউইয়র্কের বায়োগ্রাফিক্যাল সেন্টার থেকে ‘ম্যান অব অ্যাচিভমেন্ট’ এবং এশিয়া উইক পত্রিকা থেকে ‘ম্যান অব এশিয়া’ পুরস্কারসহ বিভিন্ন সম্মাননা পেয়েছেন। এদিকে, ২০০১ সাল থেকে সুলতান ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে একজন গুণী চিত্রশিল্পীকে সুলতান স্বর্ণ পদক দেয়া হয়। 
 
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটন ফুসফুস ক্যানসারে মারা গেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৩২ পি.এম


ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটন ফুসফুস ক্যানসারে মারা গেছেন

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী, যিনি রোটন নামে পরিচিত, মারা গেছেন।

ফুসফুস ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভারতের কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৭টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।

রোটনের বয়স ছিল ৪৮ বছর। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে ফুসফুস ক্যানসারে ভুগছিলেন। সম্প্রতি তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়।

এনামুল হক শামীম এক শোকবার্তায় উল্লেখ করেন, ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, আমাদের সকলের অত্যন্ত প্রিয়, আমার ভাই, সহযোদ্ধা, সুখ-দুঃখের সাথী, পরম স্নেহের মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন আমাদের মাঝে আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহাস্পদ ও রাজপথের সহযোদ্ধাকে হারানোর বেদনা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। এত দ্রুত রোটন আমাদের মাঝে নেই ভাবতেই খুব কষ্ট হচ্ছে।’

মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময়ের সভাপতি ছিলেন মাহমুদ হাসান রিপন। ছাত্রলীগের রাজনীতির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তিনি আওয়ামী লীগের মূল রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন।

রাউজান উপজেলার সন্তান রোটন ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। পরবর্তীতে ২০২১ সালে তিনি আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক উপকমিটির সদস্য হিসেবেও মনোনীত হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুন্দরবনে আলিফ বাহিনীর ১৫ জলদস্যুর আত্মসমর্পণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৩২ পি.এম


সুন্দরবনে আলিফ বাহিনীর ১৫ জলদস্যুর আত্মসমর্পণ

সুন্দরবনে সক্রিয় জলদস্যু ‘আলিফ বাহিনী’র ১৫ জন সদস্য এসআরবি-৬-এর কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। তারা শুক্রবার (৯ অক্টোবর) আত্মসমর্পণ করেন। আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে আব্দুল্লাহ গ্রুপের আটজন এবং মজিদ গ্রুপের সাতজন অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

শনিবার (১০ অক্টোবর) খুলনায় এসআরবি-৬-এর সদর দফতর থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বাহিনীটি উল্লেখ করেছে যে, আত্মসমর্পণকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

সুন্দরবনের ওপর জীবিকার জন্য নির্ভরশীল হাজার হাজার জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়াল রয়েছেন। তবে জলদস্যু ও বনদস্যুদের অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিন ধরে বনজীবীদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযান এবং সরকারের পুনর্বাসন উদ্যোগের ফলস্বরূপ অতীতে সুন্দরবনের বিভিন্ন দস্যু বাহিনীর উল্লেখযোগ্যসংখ্যক সদস্য আত্মসমর্পণ করেছেন। তবে সম্প্রতি নতুন দস্যুচক্রের তৎপরতা এবং পূর্বে আত্মসমর্পণ করা কয়েকজনের পুনরায় অপরাধে জড়িত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। একই সময়ে জেলে ও বনজীবীদের অপহরণ এবং মুক্তিপণ দাবির ঘটনাও সামনে এসেছে।

এই পরিস্থিতিতে সুন্দরবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান জোরদার করেছে এসআরবি-৬। সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

এসআরবি-৬ জানায়, ধারাবাহিক অভিযান, বনের প্রতিকূল পরিবেশ এবং অপরাধজীবনের অনিশ্চয়তার মধ্যে বিভিন্ন দস্যু বাহিনীর সদস্যরা স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এর ধারাবাহিকতায় আলিফ বাহিনীর আব্দুল্লাহ ও মজিদ গ্রুপের মোট ১৫ সদস্য আত্মসমর্পণ করেন।

এসআরবি-৬ আশা করছে যে, এই আত্মসমর্পণ সুন্দরবনের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে জেলে, বাওয়ালি, মৌয়ালসহ বননির্ভর মানুষের নিরাপদে জীবিকা নির্বাহের পরিবেশ আরও সুদৃঢ় হবে বলেও মনে করছে বাহিনীটি।

এসআরবি-৬ আরও জানায়, সুন্দরবনে জলদস্যুতা, অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় ও অন্যান্য সংঘবদ্ধ অপরাধ প্রতিরোধে অভিযান এবং গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত থাকবে। বননির্ভর জনগণের জীবন ও জীবিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে দেখছে বাহিনীটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%