ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রতি তিন ওয়ার্ডে একটি খেলার মাঠ গড়ার পরিকল্পনা সরকারের: বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির


প্রতি তিন ওয়ার্ডে একটি খেলার মাঠ গড়ার পরিকল্পনা সরকারের: বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

সিলেট, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ : খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, যিনি বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী, জানিয়েছেন, সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে দেশের সব সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় প্রতি তিনটি ওয়ার্ডের জন্য একটি করে খেলার মাঠ গড়ে তোলার।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন যে, এই পরিকল্পনার আওতায় সিলেট সদর উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে একটি করে মাঠ তৈরি করা হবে, যা তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে।

আজ সোমবার সিলেট সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’-এ জাতীয় পর্যায়ে সিলেট বিভাগের বিজয়ীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই তথ্য প্রদান করেন।

আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সম্পত্তি দখল করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা এবং সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

মন্ত্রী বলেন, খেলাধুলার বিকাশে সরকার মাঠ এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণে গুরুত্ব দিচ্ছে। তরুণ প্রজন্মকে ক্রীড়ামুখী করতে বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে বলেও তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা এবং ক্রীড়াবিদদের যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, ভলিবল, হকি ও টেনিসসহ বিভিন্ন খেলায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জনকারী খেলোয়াড়রা দেশের গর্ব ও সম্পদ। তাদের অর্জনের স্বীকৃতি প্রদান করা প্রয়োজন। নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করে দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ করতে হবে।

জাতীয় পর্যায়ে কাবাডি ও ফুটবলে সিলেটের বিজয়ী প্রতিযোগীদের অভিনন্দন জানিয়ে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, তাদের এই অর্জন সিলেটবাসীর জন্য গর্বের বিষয়। সিলেটে ক্রীড়া অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং খেলার মাঠের সুবিধা বৃদ্ধির জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে। কাবাডি খেলোয়াড়দের অনুশীলনের উপযোগী ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়টিও বিবেচনায় থাকবে।

আরও পড়ুন: দেশের স্বার্থে কোনো ছাড় নয়: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী টুকু

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান। উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমেদ চৌধুরী ও এম এ মালিক, সিসিক প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী এবং সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকী।

এছাড়া অনুষ্ঠানে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম, জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন, পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী যাবের সাদেক, মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ বিভাগীয় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তা, ক্রীড়াবিদ এবং ক্রীড়া সংগঠকরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি চাকরিজীবীদের ভাতা নির্ধারণ হবে ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৭ পি.এম


সরকারি চাকরিজীবীদের ভাতা নির্ধারণ হবে ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে

নতুন জাতীয় বেতন কাঠামোর আওতায় সরকারি চাকরিজীবীরা চলতি অক্টোবর মাসের শেষের দিকে বাড়তি হারে মূল বেতন পেতে শুরু করবেন।

সরকারি চাকরিজীবীদের চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬-এর আওতাভুক্ত মূল বেতনের শতাংশভিত্তিক প্রচলিত ভাতাগুলো আপাতত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে আহরিত মূল বেতনের ভিত্তিতে নির্ধারণ ও পরিশোধ করা হবে। পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নিয়ম কার্যকর থাকবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) প্রজ্ঞাপনটি সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারের মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর, সংস্থা, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের যেসব কর্মচারী চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬-এর আওতাভুক্ত মূল বেতনের শতাংশভিত্তিক প্রচলিত ভাতা পেয়ে থাকেন, সেসব ভাতা পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত ২০২৬ সালের ৩০ জুন তারিখে আহরিত মূল বেতনের ভিত্তিতে নির্ধারণ ও প্রদান করতে হবে।

অর্থ বিভাগের প্রবিধি-৩ শাখা থেকে জারি করা এ প্রজ্ঞাপনে সই করেছেন যুগ্মসচিব ড. মো. ফেরদৌস আলম। এতে উল্লেখ করা হয়েছে- রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে নির্দেশনাটি জারি করা হয়েছে।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর সরকারি কর্মচারীদের জন্য জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর গেজেট প্রকাশ করা হয়। নতুন এ বেতনস্কেল চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য হবে। একই সঙ্গে ১ জুলাই ২০২৬ থেকে গেজেট প্রকাশের তারিখ পর্যন্ত সময়ের বেতন বকেয়া হিসেবে পাবেন সরকারি কর্মচারীরা।

গেজেটে বলা হয়, নতুন বেতনস্কেল একবারে পুরোপুরি কার্যকর না করে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। ৯ম গ্রেড ও তদূর্ধ্ব এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য বেতন বৃদ্ধির হার আলাদাভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন বেতন স্কেলে নির্ধারিত বেতন এবং ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত বা প্রাপ্য বর্তমান বেতনের পার্থক্যের ৪০ শতাংশ ৯ম গ্রেড ও তদূর্ধ্বদের এবং ৫০ শতাংশ ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত দেওয়া হবে।

পরবর্তী ধাপে ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত ৯ম গ্রেড ও তদূর্ধ্বদের ক্ষেত্রে ওই পার্থক্যের ৭০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের ক্ষেত্রে ৭৫ শতাংশ দেওয়া হবে। এরপর ১ জুলাই ২০২৭ থেকে জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬ অনুযায়ী বার্ষিক বেতনবৃদ্ধি বা ইনক্রিমেন্টসহ মূল বেতন শতভাগ দেওয়া হবে।

গ্রেড ১ থেকে ৪

নতুন কাঠামো অনুযায়ী, গ্রেড-১-এর নির্ধারিত বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

গ্রেড-২-এর আগের বেতন ৬৬ হাজার টাকা থেকে শুরু হলেও নতুন স্কেলে শুরু হচ্ছে ১ লাখ ৩২ হাজার টাকা দিয়ে। এ গ্রেডের সর্বোচ্চ বেতন নতুন কাঠামোয় ১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা।

গ্রেড-৩-এর আগের বেতন ৫৬ হাজার ৫০০ টাকা থেকে শুরু হয়ে সর্বোচ্চ ৭৪ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত। নতুন স্কেলে এ গ্রেডের বেতন ১ লাখ ১৩ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত।

গ্রেড-৪-এর আগের বেতন ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু। নতুন স্কেলে তা ১ লাখ টাকা থেকে শুরু হয়ে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৪২ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

গ্রেড ৫ থেকে ৮

গ্রেড-৫-এর আগের বেতন ৪৩ হাজার টাকা থেকে শুরু হয়ে ৬৯ হাজার ৮৫০ টাকা পর্যন্ত। নতুন স্কেলে শুরু হচ্ছে ৮৬ হাজার টাকা দিয়ে এবং সর্বোচ্চ ধাপ ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭০০ টাকা।

গ্রেড-৬-এর আগের বেতন ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা থেকে শুরু হলেও নতুন স্কেলে শুরু হবে ৭১ হাজার টাকা দিয়ে। এ স্কেলের সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা।

গ্রেড-৭-এর আগের বেতন ২৯ হাজার টাকা থেকে শুরু হয়ে সর্বোচ্চ ৬৩ হাজার ৪১০ টাকা। নতুন স্কেলে শুরু হচ্ছে ৫৮ হাজার টাকা দিয়ে এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ২৬ হাজার ৮০০ টাকা।

গ্রেড-৮-এর আগের বেতন ২৩ হাজার টাকা থেকে শুরু। নতুন স্কেলে এ গ্রেডের বেতন ৪৬ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ১০ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত।

গ্রেড ৯ থেকে ১২

গ্রেড-৯-এর আগের বেতন ২২ হাজার টাকা থেকে শুরু হয়ে ৫৩ হাজার ৬০ টাকা পর্যন্ত। নতুন স্কেলে শুরু হচ্ছে ৪৪ হাজার টাকা দিয়ে এবং সর্বোচ্চ ধাপ ১ লাখ ৫ হাজার ৯০০ টাকা।

গ্রেড-১০-এর আগের বেতন ১৬ হাজার টাকা থেকে শুরু হলেও নতুন স্কেলে তা বেড়ে ৩২ হাজার টাকা থেকে শুরু হচ্ছে। সর্বোচ্চ বেতন হবে ৭৭ হাজার ৩০০ টাকা।

গ্রেড-১১-এর আগের বেতন ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে শুরু হয়ে ৩০ হাজার ২৩০ টাকা পর্যন্ত। নতুন স্কেলে শুরু হচ্ছে ২৫ হাজার টাকা দিয়ে এবং সর্বোচ্চ ধাপ ৬০ হাজার ৫০০ টাকা।

গ্রেড-১২-এর আগের বেতন ১১ হাজার ৩০০ টাকা থেকে শুরু। নতুন স্কেলে তা ২৪ হাজার ৩০০ টাকা থেকে শুরু হয়ে সর্বোচ্চ ৫৮ হাজার ৭০০ টাকা পর্যন্ত হয়েছে।

গ্রেড ১৩ থেকে ১৬

গ্রেড-১৩-এর আগের বেতন ১১ হাজার টাকা থেকে শুরু হয়ে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত। নতুন স্কেলে শুরু হচ্ছে ২৪ হাজার টাকা দিয়ে এবং সর্বোচ্চ বেতন ৫৮ হাজার টাকা।

গ্রেড-১৪-এর আগের বেতন ১০ হাজার ২০০ টাকা থেকে শুরু। নতুন স্কেলে শুরু হচ্ছে ২৩ হাজার ৫০০ টাকা দিয়ে এবং সর্বোচ্চ ৫৬ হাজার ৮০০ টাকা।

গ্রেড-১৫-এর আগের বেতন ৯ হাজার ৭০০ টাকা থেকে শুরু হয়ে ২৩ হাজার ৪৯০ টাকা পর্যন্ত। নতুন স্কেলে তা ২২ হাজার ৮০০ টাকা থেকে শুরু হয়ে সর্বোচ্চ ৫৫ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত হয়েছে।

গ্রেড-১৬-এর আগের বেতন ৯ হাজার ৩০০ টাকা থেকে শুরু। নতুন স্কেলে শুরু হচ্ছে ২১ হাজার ৯০০ টাকা দিয়ে এবং সর্বোচ্চ ধাপ ৫২ হাজার ৯০০ টাকা।

গ্রেড ১৭ থেকে ২০

গ্রেড-১৭-এর আগের বেতন ৯ হাজার টাকা থেকে শুরু হয়ে ২১ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত। নতুন স্কেলে শুরু হচ্ছে ২১ হাজার ৪০০ টাকা দিয়ে এবং সর্বোচ্চ ৫১ হাজার ৯০০ টাকা।

গ্রেড-১৮-এর আগের বেতন ৮ হাজার ৮০০ টাকা থেকে শুরু। নতুন স্কেলে শুরু হচ্ছে ২১ হাজার টাকা দিয়ে এবং সর্বোচ্চ ধাপ ৫০ হাজার ৯০০ টাকা।

গ্রেড-১৯-এর আগের বেতন ৮ হাজার ৫০০ টাকা থেকে শুরু হয়ে ২০ হাজার ৫৭০ টাকা পর্যন্ত। নতুন স্কেলে শুরু হচ্ছে ২০ হাজার ৫০০ টাকা দিয়ে এবং সর্বোচ্চ ৪৯ হাজার ৬০০ টাকা।

সবশেষে গ্রেড-২০-এর আগের বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে শুরু হয়ে ২০ হাজার ১০ টাকা পর্যন্ত ছিল। নতুন স্কেলে এ গ্রেডের বেতন ২০ হাজার টাকা থেকে শুরু হয়ে সর্বোচ্চ ৪৮ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

যেভাবে নতুন বেতন নির্ধারণ হবে

গেজেটে বলা হয়েছে, ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে বা তার আগে কোনো কর্মচারী যে মূল স্কেল, উচ্চতর গ্রেড বা অন্য কোনো গ্রেড/স্কেল পেতেন, ১ জুলাই ২০২৬ থেকে তার বিপরীতে নির্ধারিত নতুন অনুরূপ স্কেল প্রাপ্য হবেন।

কোনো কর্মচারী বর্তমান স্কেলের প্রারম্ভিক ধাপে বেতন পেলে নতুন স্কেলেরও প্রারম্ভিক ধাপে তার বেতন নির্ধারণ করা হবে। আর প্রারম্ভিক ধাপের চেয়ে বেশি বেতন পেলে বর্তমান বেতন ও সংশ্লিষ্ট স্কেলের সর্বনিম্ন ধাপের পার্থক্য বের করে তা নতুন স্কেলের প্রারম্ভিক বেতনের সঙ্গে যোগ করা হবে। যোগফল নতুন স্কেলের কোনো ধাপের সঙ্গে মিলে গেলে সেই ধাপে এবং কোনো ধাপের সঙ্গে না মিললে পরবর্তী উচ্চতর ধাপে বেতন নির্ধারণ করা হবে।

গেজেটের উদাহরণে বলা হয়েছে, ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে কোনো কর্মচারীর মূল বেতন ৯ হাজার ৩০০ টাকা হলে ১ জুলাই থেকে সংশ্লিষ্ট নতুন স্কেলের প্রারম্ভিক ধাপ ২১ হাজার ৯০০ টাকা নির্ধারিত হবে। অর্থাৎ নতুন বেতনস্কেলে শুধু প্রারম্ভিক বেতনই নয়, চাকরিজীবনের বিভিন্ন ধাপের বেতনও নতুন কাঠামো অনুযায়ী পুনর্নির্ধারিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাহজালাল বিমানবন্দরে ১৫ থেকে ২০ মিনিটে লাগেজ পাচ্ছেন যাত্রীরা: মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৭ পি.এম


শাহজালাল বিমানবন্দরে ১৫ থেকে ২০ মিনিটে লাগেজ পাচ্ছেন যাত্রীরা: মন্ত্রী

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাইভ ব্যাগেজ মনিটরিং কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর যাত্রীরা ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে লাগেজ পাওয়ার অভিজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। সোমবার সন্ধ্যায় বিমানবন্দর পরিদর্শনের সময় যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে এই তথ্য জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

সন্ধ্যা ৭টায় বিমানবন্দরের ব্যাগেজ বেল্ট এলাকায় উপস্থিত হন মন্ত্রী। এ সময় তিনি অপেক্ষমাণ যাত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং জানতে চান, লাগেজ পেতে কত সময় লাগছে। যাত্রীরা নতুন এই ব্যবস্থার জন্য সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সেবার মান বজায় রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিকল্পনা অনুযায়ী বিভিন্ন ক্ষেত্রে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রায় দুই মাস আগে যাত্রীদের জন্য লাইভ ব্যাগেজ মনিটরিং ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল, যা এখন বাস্তবায়িত হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, যাত্রীরা তাঁকে জানিয়েছেন, তাঁরা ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে লাগেজ পেয়েছেন। তবে, এই সেবার মান বজায় রাখা এবং বিমানবন্দরে যাত্রীদের ভোগান্তি কমানো বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন ও লাগেজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

এদিকে, সৌদি আরবের রিয়াদ রুটে ফ্লাইট চলাচল স্থগিত থাকার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সৌদি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পাওয়া গেলে এ রুটে আবার ফ্লাইট চালু করা হবে। আপাতত যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে দাম্মাম ও মদিনা রুটে কিছু যাত্রী পরিবহনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, যাত্রীসেবার মান বাড়ানো, লাগেজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বিমানবন্দরে যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে সরকার কাজ করছে।

পরিদর্শনের সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী, এনডিসিসহ মন্ত্রণালয় ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমরা মাফিয়া ডন বানাব না: ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ পি.এম


আমরা মাফিয়া ডন বানাব না: ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল মন্তব্য করেছেন, "আমরা মাফিয়া ডন বানাব না।" তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সরকারি জায়গা কোনো ভাইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হবে না। প্রকৃত ব্যবসায়ীদের ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে ময়মনসিংহের কলমাকান্দা উপজেলার নাজিরপুর ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন পুকুর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের সময় তিনি এসব কথা বলেন।

ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, "এক বছরের জন্য ইজারা নিয়ে আইন অমান্য করে কেউ যেন নতুন করে প্রভাবশালী হয়ে উঠতে না পারে, তা নিশ্চিত করা হবে।" সরকারি জায়গায় আইনবহির্ভূতভাবে ভবন নির্মাণ করে দখলদারত্ব কায়েমের সুযোগ আর দেওয়া হবে না। তিনি উল্লেখ করেন, "আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন।"

উপজেলার নাজিরপুর বাজারের সরকারি জমি উদ্ধার ও সেখানে ব্যবসায়ীদের নতুন করে বরাদ্দ দেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "বাজারটিকে জিম্মি করে জনগণের সম্পদের ওপর অট্টালিকা নির্মাণ করা হয়েছিল।" সরকার আইনগত প্রক্রিয়ায় সেই সরকারি সম্পদ উদ্ধার করেছে। এখন সেখানে উন্মুক্ত পরিবেশে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। পূর্বে যেসব ব্যবসায়ী সেখানে ব্যবসা করতেন, তাদের নাম-ঠিকানার তথ্য রয়েছে। তাদের নতুন করে বরাদ্দ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

ডেপুটি স্পিকার জানান, "আমার ব্যবসায়ী ভাইয়েরা অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, আমি জানি। আমি সেটা অস্বীকার করব না।" তিনি বলেন, আগে তাদের অধিকাংশই ভাড়াটিয়া হিসেবে ব্যবসা করতেন। এখন তাদের মালিক হওয়ার সুযোগ তৈরি করে দিতে বন্দোবস্তের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, "ব্যক্তিগত লালসা ও স্বার্থসিদ্ধির জন্য নাজিরপুরকে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।" সরকারি সম্পদ কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়, বরং সাধারণ মানুষের কল্যাণে ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যাতে সেখানে ব্যবসা করার সুযোগ পান, সে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তারেক রহমানের উদ্যোগে সাইফুল ইসলামকে আধুনিক কৃত্রিম পা প্রদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ পি.এম


তারেক রহমানের উদ্যোগে সাইফুল ইসলামকে আধুনিক কৃত্রিম পা প্রদান

ঝালকাঠির নবগ্রাম ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত কৃত্রিম পা অকেজো হয়ে যাওয়ার কারণে চলাফেরায় চরম ভোগান্তিতে ছিলেন। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আধুনিক কৃত্রিম পা সংযোজনের ব্যবস্থা করেছেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম। নতুন কৃত্রিম পা সংযোজনের পর সাইফুল এখন লাঠির সাহায্য ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছেন।

এ উদ্যোগটি সোমবার (১৯ অক্টোবর) ব্র্যাক হেলথ সেন্টারের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী এবং দলের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম।

অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী এ সময় বলেন, “বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবসময় দলের নেতাকর্মীদের সাহায্য-সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছেন। নেতাকর্মীদের চিকিৎসা ও শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর রাখার ক্ষেত্রে দলের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম আন্তরিক ভূমিকা পালন করে আসছেন। তিনি সাধ্যমতো অসুস্থ ও অসহায় নেতাকর্মীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন এবং তাদের পাশে দাঁড়ান।”

জানা গেছে, ২০০৯ সালে এক সড়ক দুর্ঘটনায় সাইফুল ইসলাম তার পা হারান। এরপর দীর্ঘদিন কৃত্রিম পা ব্যবহার করে চলাফেরা করলেও একসময় সেটি অকেজো হয়ে পড়ে। ফলে তিনি স্বাভাবিক চলাফেরায় আবারও চরম সমস্যায় পড়েন।

সাইফুলের এ দুর্ভোগের বিষয়টি স্থানীয় সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য জেবা আমিন খানের মাধ্যমে অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলামের নজরে আসে। পরে তিনি ব্র্যাক হেলথ সেন্টারের সহযোগিতায় বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সাইফুলের জন্য আধুনিক কৃত্রিম পা সংযোজনের ব্যবস্থা করেন।

কৃত্রিম পা সংযোজনের পর সাইফুলের চলাফেরায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। এখন আর লাঠির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে না তাকে। নতুন কৃত্রিম পায়ের সাহায্যে তিনি স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে সক্ষম হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%