০১:২৩ পি.এম
হাইকোর্ট নির্দোষ মো. আলমাছকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছে, যিনি নামের মিলের কারণে কারাগারে রয়েছেন। বিচারপতি জে বি এম হাসান এবং বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রোববার সকালে এই নির্দেশ প্রদান করেন।
মো. আলমাছের বিরুদ্ধে দুই যুগ আগে দায়ের হওয়া একটি অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। সেই মামলার সাজা পরোয়ানার ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং এক বছর ধরে তিনি কারাগারে আছেন। তবে তিনি ওই মামলার আসামি নন বলে দাবি করা হচ্ছে।
কারাগারে থাকা মো. আলমাছ উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করেন, যেখানে উল্লেখ করা হয় যে, প্রকৃত অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিবর্তে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রিটের প্রাথমিক শুনানির পর, ৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট রুল দিয়ে আলমাছ এবং দণ্ডিত ব্যক্তির পরিচয় ও বিস্তারিত তথ্য যাচাইয়ের জন্য তদন্তের নির্দেশ দেয়।
আরও পড়ুন: জবি শিক্ষার্থী জোবায়েদ হত্যা মামলায় তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন
আদেশে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেওয়া হয় যে, তার তত্ত্বাবধানে একজন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে অনুসন্ধান পরিচালনা করতে হবে। আদেশ পাওয়ার তারিখ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বলা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হয়।
অনুসন্ধান প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গ্রেপ্তার হওয়া মো. আলমাছ এবং অস্ত্র আইনে দণ্ডপ্রাপ্ত মো. আলমাছ সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যক্তি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার মো. আলমাছ (পিতা–শেখ খলিল, মাতা–রশনারা/রাসনারা বেগম, গ্রাম–সুন্দরীপাড়া, ডাকঘর–কুসুমহাটি, থানা–দোহার, জেলা–ঢাকা) অস্ত্র আইনের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি নন।
অপরদিকে, পলাতক মো. আলমাছ (পিতা–মো. খলিলুর রহমান/খলিল আহম্মেদ/মো. আবুল খায়ের (খলিল), মাতা–সালমা আক্তার, গ্রাম–পূর্ব ধোয়াইর, ডাকঘর–দক্ষিণ বাহ্রা, ইউনিয়ন-নয়াবাড়ী, খানা–দোহার, জেলা–ঢাকা) মিরপুর থানার অস্ত্র আইনের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি। তিনি বর্তমানে কানাডায় অবস্থান করছেন।
আজকের কার্যতালিকায় রিটটি ওঠে এবং আদালত আদেশের জন্য আজ রোববার দিন ধার্য করে।
আরও পড়ুন: জবি শিক্ষার্থী জোবায়েদ হোসেন হত্যার অভিযোগে তিনজনের বিচার শুরু
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন