ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক মিজানুর, সদস্য সচিব শরিফুল


যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক মিজানুর, সদস্য সচিব শরিফুল

যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরের আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা দুই সদস্য বিশিষ্ট। এই কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে মিজানুর রহমান রাজ এবং সদস্য সচিব হিসেবে শরিফুল ইসলাম মিলন নিয়োগ পেয়েছেন।

রোববার (৮ নভেম্বর) বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেনের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ভবিষ্যতে পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হবে।

আরও পড়ুন: ঢাকায় পুলিশের ২৪ ঘণ্টার অভিযানে ৫২২ জন গ্রেপ্তার

ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটি গত ৩০ সেপ্টেম্বর বিলুপ্ত করা হয়েছিল। যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এই বিলুপ্তির তথ্য সংগঠনটির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নামের মিলের কারণে কারাগারে থাকা আলমাছকে মুক্তির নির্দেশ হাইকোর্টের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২৩ পি.এম


নামের মিলের কারণে কারাগারে থাকা আলমাছকে মুক্তির নির্দেশ হাইকোর্টের

হাইকোর্ট নির্দোষ মো. আলমাছকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছে, যিনি নামের মিলের কারণে কারাগারে রয়েছেন। বিচারপতি জে বি এম হাসান এবং বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রোববার সকালে এই নির্দেশ প্রদান করেন।

মো. আলমাছের বিরুদ্ধে দুই যুগ আগে দায়ের হওয়া একটি অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। সেই মামলার সাজা পরোয়ানার ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং এক বছর ধরে তিনি কারাগারে আছেন। তবে তিনি ওই মামলার আসামি নন বলে দাবি করা হচ্ছে।

কারাগারে থাকা মো. আলমাছ উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করেন, যেখানে উল্লেখ করা হয় যে, প্রকৃত অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিবর্তে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রিটের প্রাথমিক শুনানির পর, ৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট রুল দিয়ে আলমাছ এবং দণ্ডিত ব্যক্তির পরিচয় ও বিস্তারিত তথ্য যাচাইয়ের জন্য তদন্তের নির্দেশ দেয়।

আদেশে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেওয়া হয় যে, তার তত্ত্বাবধানে একজন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে অনুসন্ধান পরিচালনা করতে হবে। আদেশ পাওয়ার তারিখ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বলা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হয়।

অনুসন্ধান প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গ্রেপ্তার হওয়া মো. আলমাছ এবং অস্ত্র আইনে দণ্ডপ্রাপ্ত মো. আলমাছ সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যক্তি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার মো. আলমাছ (পিতা–শেখ খলিল, মাতা–রশনারা/রাসনারা বেগম, গ্রাম–সুন্দরীপাড়া, ডাকঘর–কুসুমহাটি, থানা–দোহার, জেলা–ঢাকা) অস্ত্র আইনের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি নন।

অপরদিকে, পলাতক মো. আলমাছ (পিতা–মো. খলিলুর রহমান/খলিল আহম্মেদ/মো. আবুল খায়ের (খলিল), মাতা–সালমা আক্তার, গ্রাম–পূর্ব ধোয়াইর, ডাকঘর–দক্ষিণ বাহ্রা, ইউনিয়ন-নয়াবাড়ী, খানা–দোহার, জেলা–ঢাকা) মিরপুর থানার অস্ত্র আইনের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি। তিনি বর্তমানে কানাডায় অবস্থান করছেন।

আজকের কার্যতালিকায় রিটটি ওঠে এবং আদালত আদেশের জন্য আজ রোববার দিন ধার্য করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাশকতা ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র রুখতে একসঙ্গে কাজ করতে হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২৮ পি.এম


নাশকতা ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র রুখতে একসঙ্গে কাজ করতে হবে

শনিবার ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রাপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেছেন, ‘দেশি-বিদেশি যেকোনো ষড়যন্ত্র—তা দেশের ভেতরেই হোক বা দেশের বাইরে থেকেই হোক—সব ষড়যন্ত্রের জবাব আমরা ঐক্যবদ্ধভাবেই দেব। এই দেশের বীর জনগণকে অতীতেও কেউ দাবিয়ে রাখতে পারেনি, ভবিষ্যতেও কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না।’

প্রধানমন্ত্রী এই মন্তব্য করেছেন যখন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র ক্রমে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। পোশাক শ্রমিকদের ব্যবহার করে নাশকতার চেষ্টা, পলাতক শক্তির নতুন করে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড এবং বিরোধী দলের সরকার পতনের আন্দোলন—সবকিছুই এক সূত্রে গাঁথা। এসব ঘটনার উদ্দেশ্য একটাই, তা হলো একটি নির্বাচিত সরকারকে বিপদে ফেলা। দেশের গণতন্ত্রকে বিপন্ন করা এবং বিএনপির নেতৃত্বে বাংলাদেশের যে নবজাগরণের সূচনা হয়েছে তা বিনষ্ট করা।

তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার একটি ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই একের পর এক বৈশ্বিক প্রতিকূলতা মোকাবেলা করতে হচ্ছে সরকারকে। ইরান যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশ বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে। সেখান থেকে দেশের জ্বালানি সংকট মিটিয়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখার চেষ্টা করছে সরকার। এ ধরনের বৈশ্বিক সংকটে দলমত নির্বিশেষে সকলের ঐক্যবদ্ধ থাকা উচিত ছিল। কিন্তু লক্ষ্য করা যাচ্ছে, কিছু শক্তি অযাচিতভাবে এই পরিস্থিতিতে দেশের ভেতরে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। ঘোলা পানিতে কেউ কেউ মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। এটি অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুর্ভাগ্যজনক।

গার্মেন্টস শিল্পের সাম্প্রতিক অস্থিরতা ও শ্রমিক আন্দোলনের পেছনে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কারণ রয়েছে। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের নেতা, সাবেক মন্ত্রী-এমপি এবং তাদের সহযোগী সংগঠন (যেমন- ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগ) এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত দলের নেতাকর্মীরা শ্রমিক অসন্তোষকে উস্কে দিয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছেন বলে সরকারের মন্ত্রী, উপদেষ্টা এবং রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্যে উঠে এসেছে।

সরকারের একাধিক মন্ত্রী অভিযোগ করেছেন যে, আসন্ন ডিসেম্বর মাসকে সামনে রেখে একটি বিশেষ গোষ্ঠী সরকারকে অস্থিতিশীল করতে নিরপরাধ শ্রমিকদের ব্যবহার করছে। শ্রমিকদের এই আন্দোলন অধিকার আদায়ের আন্দোলন নাকি, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে কোনো বিশেষ সুবিধা দেওয়ার জন্য এই আন্দোলন। হঠাৎ শ্রমিকদের এই আন্দোলন ঘিরে তাই জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা গার্মেন্টস শ্রমিকদের সঙ্গে মাঠে নেমে আন্দোলনকে আরো ত্বরান্বিত করছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, ভারতে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার দলের সুবিধাভোগী সাবেক মন্ত্রী-এমপিরা এই অস্থিরতার পেছনে মূল ইন্ধনদাতা। নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ, শ্রমিক লীগ এবং ছাত্রলীগ ছদ্মবেশে মিরপুর, আশুলিয়া ও গাজীপুরের শ্রমিক আন্দোলনের ভেতর ঢুকে সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর উসকে দিচ্ছে। এ ধরনের দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দেশের সব রাজনৈতিক দলের ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, এই সময় প্রধান বিরোধী দল সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছে। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার এবং বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসনসহ ৭ দফা দাবিতে ঢাকা থেকে বিভাগীয় পর্যায়ে লং মার্চ পালন করছে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য।

গত ৫ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো ঢাকা-চট্টগ্রাম অভিমুখে এ কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর দ্বিতীয় দফা ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর এবং সর্বশেষ ৩১ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া অভিমুখে হয় তৃতীয় লং মার্চ।

ঢাকা থেকে শুরু হয়ে সর্বশেষ গন্তব্য পর্যন্ত একাধিক পথসভায় বক্তব্য রাখেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারা—যেখানে সরকারবিরোধী তীর্যক বক্তব্য দিয়েছেন তারা। এমনকি সরকারের পতন ও নতুন বিপ্লবেরও হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। সামনে বরিশাল, রাজশাহী, সিলেট ও ময়মনসিং বিভাগেও একই কর্মসূচি রয়েছে।

প্রশ্ন উঠেছে, সরকারের পৌনে এক বছরের মাথায় এ ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে কী অর্জন করতে চায় বিরোধী দল? তারা কি এখনই সরকারকে ভিন্ন কোনও বার্তা দিতে চায়?

সরকারের মাত্র ৮ মাসের মাথায় বিরোধী দলের শীর্ষ নেতাদের এতটা কঠোরতা কেন, বা লং মার্চের মতো কর্মসূচি দেওয়ার পরিস্থিতি কি এখনই হয়েছে? সংসদের বাইরে এ ধরনের কর্মসূচি গণতন্ত্রকে শুধু দুর্বল করবে না, গণতন্ত্রকে ঝুঁকিতে ফেলবে। বিরোধী দল কি দীর্ঘ সংগ্রামের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্র নস্যাৎ করতে চায়?

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিরোধী দলের এই কর্মসূচির কারণে পলাতক রাজনৈতিক শক্তি দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ পাচ্ছে। গত কয়েক দিনে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে নাশকতা, ককটেল বিস্ফোরণ এবং বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটছে।

গত শনিবার, রাজধানীর মিরপুর-১২ নম্বর এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করেছে দুর্বৃত্তরা। তবে বাসের কর্মী ও স্থানীয় লোকজন তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নেভান বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাজধানী ঢাকায় এক রাতেই অন্তত ৮টি ককটেল বিস্ফোরণ ও একটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত আদাবর, শাহবাগ, বিমানবন্দর, খিলগাঁও ও মিরপুরের কালশী এলাকায় এসব বিস্ফোরণ ঘটে।

একই সন্ধ্যায় রাজধানীর বারিধারা এলাকায় প্রগতি সরণিতে বৈশাখী পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এর আগের দিন রাজধানীর রায়েরবাজারে কৃষি মার্কেটের সামনে একটি কুরিয়ার সার্ভিসের কাভার্ড ভ্যানে বিস্ফোরণ ও আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এতে গাড়ির চালক আহত হয়েছেন। এসব ঘটনার মাধ্যমে দেশে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। যারা এসব ঘটনার সাথে জড়িত তারা স্পষ্টভাবে দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্টের চেষ্টা করছে। আর এসব ঘটনার সাহস পাচ্ছে বিরোধী দলের কর্মসূচির কারণে। জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে যে ঐক্য গড়ে উঠেছিল সেই ঐক্য যত দুর্বল হবে, ততই পতিত স্বৈরাচারের ফিরে আসার পথ সুগম হবে। এর ফলে দেশ আবার অস্থিতিশীল হবে। বহু ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্র বিপন্ন হবে। নতুন বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নষ্ট হয়ে যাবে। তাই এ ধরনের পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে হলে সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। নাশকতার বিরুদ্ধে সবাইকে রুখে দাঁড়াতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই ঐক্যের ডাকই দিয়েছেন বিপ্লব ও সংহতি দিবসে।

আসুন—ঐক্যবদ্ধ হই, দেশ বাঁচাই, গণতন্ত্র রক্ষা করি। দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দাঁড়াই একসাথে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সমবায়ের হাত ধরেই বদলাবে গ্রামীণ মানুষের জীবন প্রতিমন্ত্রী টুকু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ একদিল হোসেন স্টাফ রিপোর্টার

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩৪ পি.এম


সমবায়ের হাত ধরেই বদলাবে গ্রামীণ মানুষের জীবন প্রতিমন্ত্রী টুকু

 

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, সমবায়ের হাত ধরেই বদলাবে গ্রামীন জীবন। সৃষ্টি হবে নতুন কর্মসংস্থান। এতে উন্নত হবে জীবনমান। এছাড়াও সমবায়ের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, ঐক্য ও আত্মনির্ভরশীলতা তৈরি হবে।

রোববার (৮ নভেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে জেলা প্রশাসন ও সমবায় বিভাগের আয়োজনে ৫৫তম সমবায় দিবসটি উপলক্ষে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক আবু সাঈদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার ও জেলা বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক শানু।

মন্ত্রী বলেন, সমবায় কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সৃষ্টি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সমবায়ের ভূমিকা তুলে ধরাই দিবসটির মূল লক্ষ্য।

প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’ বাংলাদেশকে বুকে ধারণ করে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য যা যা প্রয়োজন, তা সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে করতে হবে। একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে সমাজের প্রতিটি মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সমবায় সমিতি গড়ে তুলে সাধারণ মানুষকে সংগঠিত ও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করতে হবে।

অনুষ্ঠানের শেষে সমবায় পণ্য মেলা পরিদর্শন করেন। মেলায় বিভিন্ন স্টলের আয়োজন করা হয়।


অনুষ্ঠানে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সমবায়ী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশাল মহাশ্মশানে শ্মশান দীপাবলি উদ্‌যাপন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শনে বিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার বরিশাল

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩৫ পি.এম


বরিশাল মহাশ্মশানে শ্মশান দীপাবলি উদ্‌যাপন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শনে বিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শ্মশান দীপাবলি উপলক্ষে বরিশাল নগরীর মহাশ্মশানের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) সুশান্ত সরকার, পিপিএম।

শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) নগরীর মহাশ্মশানে আয়োজিত শ্মশান দীপাবলি উৎসব চলাকালে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহের পক্ষে তিনি এ পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে উপ-পুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার মহাশ্মশানের সার্বিক পরিস্থিতি ঘুরে দেখেন এবং উৎসবকে কেন্দ্র করে গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থার খোঁজখবর নেন। একই সঙ্গে উৎসবে আগত দর্শনার্থী, পুণ্যার্থী ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।

এ সময় তিনি নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। উৎসবস্থলে সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা, আগত মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের নির্দেশনা দেন।

শ্মশান দীপাবলি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও ঐতিহ্যবাহী উৎসব। প্রতিবছর এ উৎসবকে ঘিরে বরিশাল নগরীর মহাশ্মশানে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এ সময় বিভিন্ন স্থান থেকে অসংখ্য মানুষ মহাশ্মশানে সমবেত হন। ফলে উৎসবকে নির্বিঘ্ন, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

এ ধরনের বৃহৎ ধর্মীয় আয়োজনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্ন চলাচল ও সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিএমপির পক্ষ থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান এবং নিরাপত্তা কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ সেই প্রস্তুতিরই অংশ।

পরিদর্শনকালে বিএমপির অন্যান্য কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%