বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:২৮ পি.এম
সরকার ২০২৭ সাল থেকে দেশের প্রায় ৬৬ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক কোটি ১০ লাখ শিক্ষার্থীকে প্রতিদিন পুষ্টিকর একবেলা খাবার দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। বর্তমানে ১৫০টি উপজেলায় ৩০ লাখের বেশি শিক্ষার্থীকে নিয়ে এ কর্মসূচির পাইলট প্রকল্প চলছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আগামী বছর দেশব্যাপী কর্মসূচি চালুর ব্যাপারে সরকার আশাবাদী। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) খুলনার পাইকগাছা উপজেলায় পাইলট প্রকল্পের আওতাধীন ১৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে আয়োজিত কর্মশালা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘পাইলট প্রকল্প শুরুর দিকে খাবার সরবরাহ ও মান নিয়ে কিছু সমস্যা ছিল। তবে বর্তমানে সেসব সমস্যা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে।
নিয়মিত ও মানসম্মত খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। কোনো বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত পাকা না হওয়া কলা সরবরাহ হলে তা গ্রহণ না করে ফেরত দেওয়ার সুযোগও রাখা হয়েছে।’
তিনি আরো জানান, ‘নতুন নীতিমালা অনুযায়ী পচা বা নিম্নমানের খাবার বিদ্যালয়ে সরবরাহ হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারীর টেন্ডার বা সরবরাহ আদেশ বাতিলের ব্যবস্থা থাকবে।
গত দুই থেকে আড়াই মাসে নতুন নীতিমালার আওতায় পাইলট প্রকল্পে ভুলের হার প্রায় শূন্যের কাছাকাছি নেমে এসেছে।’
ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘আগের সরকারের সময়ে চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় বিদ্যালয় ভবনের যে নকশা করা হয়েছিল, তা একটি ভিন্ন লেবেলের জাতীয় ব্যর্থতার শামিল। ভবিষ্যতে বিদ্যালয়ের নকশা ও অবকাঠামো পরিকল্পনা মানসম্মত ও বাস্তবসম্মত করা হবে।’
তিনি খুলনার মুহাম্মদনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন, খেলার মাঠ ও শিক্ষক সংকট নিয়েও কথা বলেন। বিদ্যালয়টির অবকাঠামোগত উন্নয়ন কেন হচ্ছে না এমন প্রশ্নে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে লিখিত সুপারিশ দেওয়ার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।
দেশজুড়েই শিক্ষক সংকট রয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। ডিসেম্বরের মধ্যে তাদের শ্রেণিকক্ষে যোগদানের লক্ষ্য রয়েছে। পাশাপাশি আরও প্রায় সাড়ে ৩৪ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে অধিকাংশ শূন্যপদ পূরণের লক্ষ্য রয়েছে।’
তিনি আরো জানান, ‘প্রাথমিক শিক্ষার মান অতীতে কমেছে- এটি সামগ্রিকভাবে সত্য। তবে বর্তমানে তা আর কমছে না। মানোন্নয়নে শিক্ষক নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, শিক্ষক নীতিমালা, কারিকুলাম ও অবকাঠামোসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এসব উদ্যোগের সুফল পেতে সময় লাগবে।’
শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ আরো জোরদার করার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘শুধু বিষয়জ্ঞান নয়, শিক্ষার্থীদের কাছে বিষয় কার্যকরভাবে উপস্থাপনের কৌশলই প্রশিক্ষণে বেশি গুরুত্ব পাবে। বেসরকারি ও কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষকদেরও প্রশিক্ষণের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।’
রাজনৈতিক প্রভাব বা মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ ও বদলির অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কারো পদায়ন অবৈধ প্রমাণিত হলে তা পর্যালোচনা করে বাতিল করা হবে। নতুন শিক্ষক নীতিমালায় মূল্যায়নভিত্তিক ব্যবস্থা থাকবে। শিক্ষক বদলির ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট নীতিমালা করা হবে, যাতে অতিরিক্ত শিক্ষক থাকা বিদ্যালয় থেকে সংকটাপন্ন বিদ্যালয়ে শিক্ষক বদলি করা যায়।’
বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে স্কুলভিত্তিক ইআরপি (এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং) ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এর মাধ্যমে শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে আছেন কি না, শিক্ষার্থী উপস্থিত আছে কি না এবং পাঠদান হচ্ছে কি না—তা পর্যবেক্ষণ করা যাবে। আপাতত এটিইওদের মাধ্যমে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে রিপোর্টিং ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
শিক্ষকদের আলাদা পে স্কেল প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিষয়টি শুধু চিন্তাভাবনার পর্যায়ে নেই; নতুন শিক্ষক নীতিমালায় এ নিয়ে কাজ চলছে। নীতিমালাটি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রস্তুত করছে। পরে তা মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। নতুন নীতিমালার মাধ্যমে কোনো প্রাথমিক শিক্ষক নিরাশ হবেন না।’
প্রতিমন্ত্রী জানান, দুর্গম উপকূলীয় এলাকার শিক্ষকদের জন্য বিশেষ ভাতার পরিকল্পনা আছে। কোনো এলাকা সরকারি হিসেবে দুর্গম ঘোষিত কি না, সেটিই মুখ্য নয়; স্থানীয় প্রশাসন কোনো এলাকাকে শিক্ষকদের জন্য দুর্গম হিসেবে চিহ্নিত ও প্রমাণ করতে পারলে সেখানে বিশেষ ভাতার ব্যবস্থা করা হবে।
এছাড়া প্রাথমিক শিক্ষায় সংস্কৃতি ও খেলাধুলাকে আরো গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সংস্কৃতি এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রশিক্ষক, কোচ ও সংশ্লিষ্ট জনবলকে বিদ্যালয়ের কার্যক্রমে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আগ্রহী শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং প্রয়োজনে এলাকাভিত্তিক প্রশিক্ষিত শিক্ষক সাময়িকভাবে নিয়োগের পরিকল্পনাও রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুর, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলা শ্রীবরদী সীমান্তে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের (৩৯ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল নুরুল আজিম বায়েজীদ।
বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল বুধবার রাতে ৩৯ বিজিবির একটি বিশেষ টহল দল শ্রীবরদী উপজেলার কর্ণজোড়া সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা মালামাল ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে ১টি ইজিবাইকসহ বিপুল পরিমাণ ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১১ লাখ ৪০ হাজার টাকা।
ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের (৩৯ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল নুরুল আজিম বায়েজীদ বাসসকে জানান, সীমান্ত দিয়ে মাদকসহ যেকোনো ধরনের চোরাচালানের মালামাল পাচার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করছে। তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে এ কঠোর নজরদারি ও দায়িত্ব পালন অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অপরাধের সংখ্যা কমেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।
তিনি জানান, দেশে খুন, অপহরণ, ধর্ষণ, অস্ত্র মামলা এবং নারী নির্যাতনের মতো প্রধান অপরাধের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে সাদপন্থীদের সঙ্গে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য প্রকাশ করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ক্রমাগত উন্নতির দিকে যাচ্ছে। ২০২৫ সালের তুলনায় বর্তমানে উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে খুন, অপহরণ, ধর্ষণ, অস্ত্র মামলা এবং নারী নির্যাতনের মতো প্রধান অপরাধের সংখ্যা।
তিনি আরও বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে সমস্ত ব্যারোমিটার বা সূচক অনুযায়ী। যদিও জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী শতভাগ উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কিছু সময়ের প্রয়োজন, তবে বর্তমান সার্বিক চিত্রে সরকার সন্তুষ্ট।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, যদি কোনো তথ্যের ভুল বা বিভ্রান্তি থাকে, তবে পুলিশ সদর দপ্তরের রেকর্ড যাচাই করে তা সংশোধন করা হবে। একইসঙ্গে পুলিশ বাহিনীকে পুরোপুরি সক্রিয় করার কাজও চলমান রয়েছে।
ছিনতাই ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপ
সম্প্রতি ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছিনতাই প্রতিরোধে কঠোর ও দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে।
এক শিক্ষিকার মৃত্যুর ঘটনার উদাহরণ দিয়ে তিনি জানান, ওই ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত তৎপরতা দেখিয়েছে।
ঘটনার মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। পরে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালিয়ে আরও কয়েকজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে এবং লুণ্ঠিত মালামাল জব্দ করেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন কঠোর ও তাৎক্ষণিক অভিযানের ফলে ছিনতাইয়ের প্রবণতা কমছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধের সংখ্যা আরও হ্রাস পাবে।
পুলিশের ভেতরেও নজরদারি
তিনি জানান, পুলিশ বাহিনীর ভেতরে যারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে অসহযোগিতা করছেন বা গোপনে সরকারের কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করছেন, তাদের চিহ্নিত করতে বিশেষ তদারকি চলছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি বাহিনীতে নিজস্ব ‘ইন্টারনাল ইন্টেলিজেন্স’ বা অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা নজরদারি ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে। অসহযোগিতাকারী কর্মকর্তাদের শনাক্ত করার কাজ চলছে। সাধারণ জনগণের কাছেও এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য থাকলে তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি চলছে দ্বিতীয় দিনের মতো। আন্দোলনের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার বহিঃবিভাগের চিকিৎসাসেবা বন্ধ করে দিয়েছেন তারা।
এ কারণে দূরদূরান্ত থেকে চিকিৎসা নিতে আসা শত শত রোগী চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে ১০টার দিকে আন্দোলনরত চিকিৎসকেরা বহিঃবিভাগের টিকিট কাউন্টার বন্ধ করে দেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কাউন্টার পুনরায় চালুর চেষ্টা করলেও চিকিৎসকদের বাধার কারণে তা সম্ভব হয়নি। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাসেবা স্বাভাবিক রয়েছে।
গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে চিকিৎসাধীন এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে তার স্বজনদের মারামারির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। ওই রাত ১২টা থেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা কর্মবিরতির ডাক দেন প্রতিবাদস্বরূপ।
পরদিন ২ সেপ্টেম্বর দুপুরে সংবাদ ব্রিফিংয়ে তারা অভিযোগ করেন, হামলায় অন্তত ১৫ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা গুরুতর।
আন্দোলনকারীরা হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার, হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা এবং চার দফা দাবি তুলে ধরেছেন। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত বহির্বিভাগের সেবা বন্ধসহ কর্মবিরতি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন তারা। মারামারির ঘটনার পর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ইতোমধ্যে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।
সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় চিকিৎসক, নার্স, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাদের নিয়ে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ
শজিমেক হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মঞ্জুর-এ-মোর্শেদ জানিয়েছেন, "বহির্বিভাগে কিছুটা সমস্যা হলেও মূল চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে না। মিড-লেভেল চিকিৎসক, সহকারী অধ্যাপক এবং বিভাগীয় প্রধানসহ অন্যান্য চিকিৎসকেরা সেবা চালু রেখেছেন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশ যুবলীগ নেতা আলমকে গ্রেপ্তার করেছে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায়।
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলার অন্যতম আসামি কাজী নুর আলমকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তিনি ছাগলনাইয়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর এবং নিষিদ্ধ যুবলীগের ছাগলনাইয়া শাখার সভাপতি।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার সময় পৌর এলাকার হিছাছড়া রাস্তার মাথা থেকে ছাগলনাইয়া থানা-পুলিশ তাকে আটক করে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। কাজী নুর আলম হিছাছড়া এলাকার আমির হোসেনের পুত্র।
২০১৭ সালের ২৮ অক্টোবর কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের সময় ফেনীর ছাগলনাইয়ার মুহুরীগঞ্জ এলাকায় বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে, যা জানা যায়।
এই ঘটনার পর ২০২৪ সালের ১১ অক্টোবর, ছাগলনাইয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক অর্থ সম্পাদক সুলতান মোহাম্মদ সিকান্দার ভুট্টো বাদী হয়ে ২৫১ জনের নাম উল্লেখ করে ছাগলনাইয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি এই মামলার এজাহারনামীয় আসামি।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার পাশাপাশি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ফেনীর মহিপালে সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় ফেনী মডেল থানায় দায়ের করা একটি হত্যা ও একটি বিস্ফোরক মামলারও তিনি এজাহারনামীয় আসামি।
ছাগলনাইয়া থানার ওসি মোহাম্মদ আবু তাহের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কাজী নুর আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা ও ভাঙচুরের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ