প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি চলছে দ্বিতীয় দিনের মতো। আন্দোলনের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার বহিঃবিভাগের চিকিৎসাসেবা বন্ধ করে দিয়েছেন তারা।
এ কারণে দূরদূরান্ত থেকে চিকিৎসা নিতে আসা শত শত রোগী চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে ১০টার দিকে আন্দোলনরত চিকিৎসকেরা বহিঃবিভাগের টিকিট কাউন্টার বন্ধ করে দেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কাউন্টার পুনরায় চালুর চেষ্টা করলেও চিকিৎসকদের বাধার কারণে তা সম্ভব হয়নি। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাসেবা স্বাভাবিক রয়েছে।
গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে চিকিৎসাধীন এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে তার স্বজনদের মারামারির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। ওই রাত ১২টা থেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা কর্মবিরতির ডাক দেন প্রতিবাদস্বরূপ।
পরদিন ২ সেপ্টেম্বর দুপুরে সংবাদ ব্রিফিংয়ে তারা অভিযোগ করেন, হামলায় অন্তত ১৫ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা গুরুতর।
আন্দোলনকারীরা হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার, হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা এবং চার দফা দাবি তুলে ধরেছেন। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত বহির্বিভাগের সেবা বন্ধসহ কর্মবিরতি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন তারা। মারামারির ঘটনার পর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ইতোমধ্যে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।
সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় চিকিৎসক, নার্স, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাদের নিয়ে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ
শজিমেক হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মঞ্জুর-এ-মোর্শেদ জানিয়েছেন, "বহির্বিভাগে কিছুটা সমস্যা হলেও মূল চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে না। মিড-লেভেল চিকিৎসক, সহকারী অধ্যাপক এবং বিভাগীয় প্রধানসহ অন্যান্য চিকিৎসকেরা সেবা চালু রেখেছেন।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন