প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অপরাধের সংখ্যা কমেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।
তিনি জানান, দেশে খুন, অপহরণ, ধর্ষণ, অস্ত্র মামলা এবং নারী নির্যাতনের মতো প্রধান অপরাধের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে সাদপন্থীদের সঙ্গে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য প্রকাশ করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ক্রমাগত উন্নতির দিকে যাচ্ছে। ২০২৫ সালের তুলনায় বর্তমানে উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে খুন, অপহরণ, ধর্ষণ, অস্ত্র মামলা এবং নারী নির্যাতনের মতো প্রধান অপরাধের সংখ্যা।
তিনি আরও বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে সমস্ত ব্যারোমিটার বা সূচক অনুযায়ী। যদিও জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী শতভাগ উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কিছু সময়ের প্রয়োজন, তবে বর্তমান সার্বিক চিত্রে সরকার সন্তুষ্ট।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, যদি কোনো তথ্যের ভুল বা বিভ্রান্তি থাকে, তবে পুলিশ সদর দপ্তরের রেকর্ড যাচাই করে তা সংশোধন করা হবে। একইসঙ্গে পুলিশ বাহিনীকে পুরোপুরি সক্রিয় করার কাজও চলমান রয়েছে।
ছিনতাই ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপ
সম্প্রতি ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছিনতাই প্রতিরোধে কঠোর ও দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে।
এক শিক্ষিকার মৃত্যুর ঘটনার উদাহরণ দিয়ে তিনি জানান, ওই ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত তৎপরতা দেখিয়েছে।
ঘটনার মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। পরে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালিয়ে আরও কয়েকজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে এবং লুণ্ঠিত মালামাল জব্দ করেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন কঠোর ও তাৎক্ষণিক অভিযানের ফলে ছিনতাইয়ের প্রবণতা কমছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধের সংখ্যা আরও হ্রাস পাবে।
পুলিশের ভেতরেও নজরদারি
তিনি জানান, পুলিশ বাহিনীর ভেতরে যারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে অসহযোগিতা করছেন বা গোপনে সরকারের কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করছেন, তাদের চিহ্নিত করতে বিশেষ তদারকি চলছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি বাহিনীতে নিজস্ব ‘ইন্টারনাল ইন্টেলিজেন্স’ বা অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা নজরদারি ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে। অসহযোগিতাকারী কর্মকর্তাদের শনাক্ত করার কাজ চলছে। সাধারণ জনগণের কাছেও এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য থাকলে তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন