শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৫২ এম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির ২০২৬ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে সাধারণ সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী রাব্বী সৈয়দ তার ১০ দফা নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করেছেন। তিনি সদস্যদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের সেবার পরিধি বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
রাব্বী সৈয়দের নির্বাচনী প্রচারণার পোস্টারে তার ব্যালট নম্বর সি৪ উল্লেখ রয়েছে। ইশতেহারে তিনি বাংলাদেশ সোসাইটিকে আরও আধুনিক, জনবান্ধব ও কার্যকর সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন।
ইশতেহারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি হলো সদস্য নিবন্ধনব্যবস্থার আধুনিকায়ন, ভোটার নিবন্ধনের ত্রুটি দূর করা এবং সংগঠনের প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। তিনি আয়-ব্যয়ের হিসাব ও আর্থিক কর্মকাণ্ডে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারও করেছেন।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নিজস্ব কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা এবং সোসাইটির কার্যালয়ের ভাড়াসংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি তার ইশতেহারে রয়েছে। সদস্যদের প্রয়োজনীয় সেবা সহজলভ্য করতে সমন্বিত সেবাকেন্দ্র ও ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসাকেন্দ্র চালুর পরিকল্পনা জানিয়েছেন রাব্বী সৈয়দ।
এছাড়া, তিনি এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর ২৪ ঘণ্টার গ্রাহকসেবা চালুর কথা উল্লেখ করেছেন। এর মাধ্যমে অভিবাসন, আইনি বিষয় ও কনস্যুলার সেবার ক্ষেত্রে প্রবাসীদের সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
শিক্ষাক্ষেত্রে নিউইয়র্কের পাঁচটি বরো থেকে মোট ১৫ জন শিক্ষার্থীকে মেধার ভিত্তিতে বৃত্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এই প্রার্থী। ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দাফন ও শেষকৃত্যের ব্যবস্থা এবং মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে সহায়তার কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন।
নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণ বাড়ানো, কর্মসংস্থানে সহায়তা এবং বিভিন্ন পেশার মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা গড়ে তোলার বিষয়টিও ইশতেহারে গুরুত্ব পেয়েছে। সংগঠনের কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে বিভিন্ন উপকমিটির মাধ্যমে প্রশাসনিক দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়ার পরিকল্পনাও তুলে ধরেছেন রাব্বী সৈয়দ।
প্রবাসীদের দৈনন্দিন সমস্যা সমাধান, সংগঠনের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা এবং তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করাই তার ঘোষিত পরিকল্পনার অন্যতম লক্ষ্য। তবে এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন নির্বাচনে জয়, সংগঠনের সিদ্ধান্ত এবং সংশ্লিষ্ট উদ্যোগ কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের স্থলসেনা পাঠানোর সম্ভাবনা নাকচ করেছেন। একই সময়ে, সউদী আরবের পূর্বাঞ্চল লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ড্রোন ভূপাতিত করার খবর দিয়েছে দেশটির নেতৃত্বাধীন জোট। অন্যদিকে, ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত ও ১৬ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নিউজম্যাক্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প উল্লেখ করেন যে, তিনি ইরানে মার্কিন সেনা পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছেন না। একই সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনাও নাকচ করেন। ট্রাম্পের বক্তব্য, যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহারের প্রয়োজন নেই।
এদিকে, সউদী নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র জানিয়েছেন, দেশটির পূর্বাঞ্চল লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ড্রোন প্রতিহত করে ধ্বংস করা হয়েছে। তবে ড্রোনটি কোথা থেকে ছোড়া হয়েছিল বা এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
হুথি বিদ্রোহীদের হামলার নিন্দা জানিয়ে সউদী আরব বলেছে, এসব হামলা ‘পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধাপরাধ’। দেশটির অভিযোগ, হুথিদের হামলা মুসলিমদের পবিত্র স্থান ও সেখানে যাতায়াতকারী হজযাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে।
ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরী এডেনে দেশটির প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ আল-মাশিক লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে হুথিরা। ইয়েমেনের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত ও ১৬ জন আহত হয়েছেন।
ইয়েমেন সরকার জানিয়েছে, হামলার সময় প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা নিরাপদে ছিলেন। তবে হামলার লক্ষ্যবস্তু ও হতাহতের বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বাড়ছে। সউদী আরব ও ইয়েমেনে সাম্প্রতিক হামলা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে। তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) মোটরসাইকেলের পেছনে অনুমোদিত আরএফআইডি নম্বরপ্লেটের পাশাপাশি সামনের দিকে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজনকে বাধ্যতামূলক করেছে। সরকারের পক্ষ থেকে সম্প্রতি এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিআরটিএ’র জারি করা একটি জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মোটরসাইকেল মালিকদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নির্দিষ্ট সময় ও শর্ত মেনে সামনের অংশে এই ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট স্থাপন করতে হবে।
নম্বরপ্লেট সংযোজনের শর্তাবলী ও পরিমাপ
মোটরসাইকেল (স্কুটার)
* নম্বরপ্লেটের দৈর্ঘ্য ২০০ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ১০০ মিলিমিটার হতে হবে।
* ফন্টের অক্ষর ও সংখ্যার উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার হতে হবে।
* উপাদান হতে হবে স্টেইনলেস স্টিল অথবা অ্যালুমিনিয়াম।
* সাদা পটভূমির (গ্রাউন্ড) ওপর কালো রঙের বাংলা অক্ষর ও সংখ্যা লিখতে হবে।
* নম্বরপ্লেটে অন্য কোনো শোভাবর্ধক বা নকশা করা যাবে না।
স্কুটার ব্যতীত অন্যান্য মোটরসাইকেল
* নম্বরপ্লেটের দৈর্ঘ্য ২৮৫ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ৫০ মিলিমিটার হতে হবে।
* ফন্টের অক্ষর ও সংখ্যার উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার হতে হবে।
* রেজিস্ট্রেশন মার্ক একটি আনুভূমিক (Horizontal) রেখায় প্রদর্শন করতে হবে (যেমন: ঢাকা মেট্রো-ল-১১-১২২৯)।
গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, আগামী ১৫ নভেম্বর ২০২৬ তারিখের মধ্যে সব সংশ্লিষ্ট মোটরসাইকেল মালিককে নির্ধারিত শর্ত মেনে সামনের অংশে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজন ও প্রদর্শনের নির্দেশ দেয়া হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নম্বরপ্লেট সংযোজন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে বিআরটিএ সতর্ক করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থিত সড়কে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানী ঢাকার বাংলামোটরে এই বিস্ফোরণটি ঘটে। এ বিষয়ে দলের মিডিয়া সেল থেকে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মোটরসাইকেল আরোহী কিছু দুর্বৃত্ত এনসিপি কার্যালয়ের সামনে তিনটি ককটেল ছুড়ে মারে। এর মধ্যে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়, কিন্তু বাকি দুটি ককটেল অবিস্ফোরিত অবস্থায় রয়ে যায়।
পুলিশ কর্মকর্তারা পরে ঘটনাস্থলে এসে অবিস্ফোরিত ককটেল দুটি নিষ্ক্রিয় করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তুরস্কে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট নির্বাচন নির্ধারিত সময়ের আগে আয়োজনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। যদি নির্বাচন মার্চ বা এপ্রিলে অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের পুনরায় প্রার্থী হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। সম্প্রতি প্রেসিডেন্টের একজন উপদেষ্টা আগাম নির্বাচনের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছেন।
আঙ্কারায় প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা মেহমেত উচুম জানিয়েছেন, ২০২৮ সালের নির্বাচন মার্চ বা এপ্রিলে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত। বর্তমানে নির্বাচন মে মাসে হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ক্ষমতাসীন জোটের কিছু শরিক এরদোগানকে আবারও প্রার্থী হওয়ার সুযোগ দিতে আগাম নির্বাচনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
এরদোগান প্রায় ২৩ বছর ধরে তুরস্কের ক্ষমতায় আছেন। ২০১৭ সালের গণভোটের মাধ্যমে দেশে নির্বাহী প্রেসিডেন্সিয়াল ব্যবস্থা চালু হয়। এরপর ২০১৮ ও ২০২৩ সালের নির্বাচনে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
তুরস্কের সংবিধান অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট সাধারণত দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করতে পারেন। তবে দ্বিতীয় মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যদি পার্লামেন্ট নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে প্রেসিডেন্ট আবারও প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পেতে পারেন। আগাম নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করার পেছনে এই সাংবিধানিক বিধানটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিএইচপি) নেতা ওজগুর ওজেল অবশ্য আগাম নির্বাচনকে এরদোগানের পুনরায় প্রার্থী হওয়ার সুযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করেন না। তাঁর দল অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও সরকারের নীতির বিরুদ্ধে নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ জানাতে চায়।
এরদোগানের ক্ষমতাসীন জোটের শরিক ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্ট পার্টির (এমএইচপি) নেতা দেবলেত বাহচেলি বলেছেন, উপযুক্ত সময়ে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে পার্লামেন্টের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্যে এরদোগানের আবারও প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনার বিষয়টি উঠে এসেছে।
তুরস্কের ৬০০ সদস্যের পার্লামেন্টে আগাম নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত পাস করতে অন্তত ৩৬০ জন সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন। বর্তমানে ক্ষমতাসীন একে পার্টি ও তাদের মিত্রদের হাতে ৩৩১টি আসন রয়েছে। ফলে প্রস্তাব পাস করতে তাদের আরও ২৯ জন পার্লামেন্ট সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন হবে। তথ্যসূত্র: রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ