ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশের বাজারে সোনার নতুন দাম ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকা


দেশের বাজারে সোনার নতুন দাম ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম কমে গেছে। সর্বশেষ মূল্য সমন্বয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিপ্রতি সোনার দাম সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমিয়েছে। নতুন কোনো ঘোষণা না আসায় শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) নির্ধারিত দামেই সোনা বিক্রি হবে।

বাজুসের নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমে ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৫৭৫ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫১ হাজার ৬৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ঢাকাই মসলিন বাণিজ্যিকভাবে বাজারে আসছে, নতুন কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা

সোনার পাশাপাশি রুপার দামও কমানো হয়েছে। নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ২৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৮৪৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৫০৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। সোনা ও রুপার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় ক্রেতাদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। তবে অলংকারের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে স্বর্ণের অলংকারে ৫ শতাংশ এবং রুপার অলংকারে ৬ শতাংশ ভ্যাট ছাড়ের বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে, গত ১৩ অক্টোবর সোনার দাম কমানো হয়েছিল। সে সময় ভরিতে ৩ হাজার ০২৬ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: ফ্রান্সে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ৪.৯১ শতাংশ কমেছে

উল্লেখ্য, এক ভরি সোনা বা রুপার ওজন ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৫৭ বছর বয়সে ৫৮ সন্তানের বাবা সাদিক অর্থের অভাবে বিপাকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪০ এম


৫৭ বছর বয়সে ৫৮ সন্তানের বাবা সাদিক অর্থের অভাবে বিপাকে

মোহাম্মদ সাদিক, ৫৭ বছর বয়সী, আফগানিস্তানের উরুজগান প্রদেশের বাসিন্দা, ৫৮ সন্তানের বাবা। চার স্ত্রীর সঙ্গে বিশাল এই পরিবারের ভরণপোষণ করতে গিয়ে তিনি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। অর্থের অভাবে কখনো কখনো পরিবারের কিছু শিশু ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘুমাতে যেতে বাধ্য হয়। খবর খামা প্রেস এজেন্সির।

বিবিসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সাদিকের জন্য নিজের সব সন্তানের নাম মনে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। খাবার খাওয়ার সময় কখনো কখনো তাকে পরিবারের সদস্যদের গুনে দেখতে হয়। তখন দেখা যায়, কিছু সন্তান বাড়িতে নেই। দীর্ঘ সময় ধরে সাদিক ও তার স্ত্রীরা ১৪ সন্তানেরও মৃত্যু দেখেছেন।

সাদিক একটি গাড়ির শোরুমে কাজ করেন। তার বক্তব্য, একটি গাড়ি বিক্রি হলে তিনি প্রায় এক হাজার আফগানি আয় করেন। এই সামান্য আয়ে এত সদস্যের খাবার, পোশাক ও অন্যান্য প্রয়োজন মেটানো তার জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংসারের খরচ চালাতে তার কয়েকজন সন্তানও কাজ করে। তারা কেউ কেউ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের জন্য কাগজ ও প্লাস্টিক সংগ্রহ করে।

পরিবারে সাধারণত দিনে দুই বেলা খাবার রান্না হয়। রান্নার দায়িত্ব পালন করেন দুই স্ত্রী। শীতকালে পরিবারের সদস্যরা ঘরের ভেতরে একসঙ্গে খাবার খান, আর গ্রীষ্মকালে উঠানে জড়ো হন। ঘুমানোর ব্যবস্থা অপ্রতুল। কখনো ছয়-সাতজনকে একটি পাতলা কম্বল ভাগাভাগি করে ঘুমাতে হয়।

বিবিসির প্রতিবেদনে পরিবারের বসবাসের পরিবেশের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। বাড়ির ঘরগুলোতে প্রচলিত দরজা-জানালা নেই। দরজার পরিবর্তে পাতলা পর্দা ব্যবহার করা হয়। গোসলের স্থানটি কাপড় ও থালাবাসন ধোয়ার কাজে ব্যবহৃত হয় এবং কখনো কখনো শৌচাগার হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।

এত প্রতিকূলতার মধ্যেও সাদিক সন্তানদের স্কুলে পাঠানোর চেষ্টা করছেন। তবে শিক্ষার ব্যয় বহন করা তার পরিবারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সাদিকের বক্তব্য অনুযায়ী, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অনুসারীর সংখ্যা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে তিনি বড় পরিবার গড়তে চেয়েছিলেন। তবে এত সন্তানের নাম মনে রাখা ও তাদের দেখাশোনা করা যে কতটা কঠিন, সে বিষয়েও তিনি স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।

একবার একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে এক ধর্মীয় নেতার কাছে ভুল করে তিনি এক মেয়ের পরিবর্তে অন্য মেয়ের নাম বলে ফেলেন। প্রায়ই সন্তানদের নাম মনে করতে না পেরে তাদের ‘আমার ছেলে’ বা ‘আমার সন্তান’ বলে ডাকেন।

বিবিসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সাদিকের চার স্ত্রী যখন তাকে বিয়ে করেন, তখন তাদের বয়স ছিল ১৩ থেকে ১৬ বছরের মধ্যে। প্রথম বিয়ের সময় সাদিকের বয়স ছিল ২০ বছর। প্রতিটি বিয়ের আগে কনের বিয়ের মূল্য বা দেনমোহরের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করতে তাকে দীর্ঘ সময় ধরে সঞ্চয় করতে হয়েছে।

সাদিকের পরিবারের পরিস্থিতি বাল্যবিবাহ, অল্প বয়সে গর্ভধারণ এবং বারবার সন্তান জন্মদানের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে নতুন উদ্বেগের বিষয় তুলে ধরেছে। কৈশোরে গর্ভধারণ মায়েদের জন্য বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। ঘন ঘন গর্ভধারণ নারীর শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে পারে। আফগানিস্তানের প্রত্যন্ত এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সীমাবদ্ধতা এসব ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

সাদিক জানান, তিনি পড়তে বা লিখতে পারেন না। পরিবারের সদস্যদের মৌলিক চাহিদা পূরণে সহায়তার জন্য তিনি সরকার, ত্রাণ সংস্থা ও ব্যবসায়ীদের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন।

তার প্রধান চাওয়া হলো, সন্তানরা যেন শিক্ষার সুযোগ পায় এবং পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের জন্য পর্যাপ্ত খাবারের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়। বিশাল পরিবার নিয়ে বেঁচে থাকার এই সংগ্রামে তিনি এখন আর্থিক সহায়তাকেই বড় ভরসা হিসেবে দেখছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার বাতাসে দূষণের মাত্রা কমে ১৪৪ স্কোর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪১ এম


ঢাকার বাতাসে দূষণের মাত্রা কমে ১৪৪ স্কোর

বিশ্বের বিভিন্ন শহরের মতো, ঢাকাও দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণের সমস্যায় ভুগছে। এই পরিস্থিতি জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নগরায়ন এবং যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে বাতাসের মান নিয়মিত আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে থাকে।

চলতি মাসের অধিকাংশ সময় ঢাকার বায়ু অসাস্থ্যকর অবস্থায় ছিল। তবে আজ দূষণের মাত্রা তুলনামূলকভাবে কম দেখা যাচ্ছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণ সূচকের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার অবস্থান বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ১২তম। এ সময় শহরের বায়ুমানের স্কোর ছিল ১৪৪, যা শুধুমাত্র সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচিত। গত বৃহস্পতিবার ঢাকার বায়ুমান ছিল ১৭৩। এই হিসাবে, গতকালের তুলনায় আজ বাতাসে দূষণের মাত্রা অনেকটা কম বলা যায়। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমান ওঠানামা করতে পারে।

তালিকার শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর, যার বায়ুমানের স্কোর ছিল ২৮৮, যা ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’। ভারতের দিল্লিতেও বায়ুদূষণের ভয়াবহ চিত্র দেখা গেছে, শহরটির বায়ুমানের স্কোর ছিল ২৪৩, ফলে এই শহরের বাতাসও ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

এদিকে, বায়ুমান অস্বাস্থ্যকর এমন আটটি শহরের মধ্যে রয়েছে- ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটি, মিশরের কায়রো, ইন্দোনেশিয়ার মেদান, কাতারের দোহার, মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর, ভারতের মুম্বাই ও কলকাতা এবং সেনেগালের ডাকার।

ঢাকার মতো বায়ুমান সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর, এমন ১২টি শহরও রয়েছে। এগুলো হলো- কঙ্গোর কিনশাসা, ভিয়েতনামের হেনোয়, বাহারাইনের মানামা, আরব আমিরাতের দুবাই, উজবেকিস্তানের তাশকেন্ত, চীনের বেইজিং, সৌদি আরবের রিয়াদ, সিঙ্গাপুরের সিঙ্গাপুর, কুয়েতের কুয়েত সিটি, পাকিস্তানের করাচি, যুক্তরাষ্ট্রের হিউসটন এবং নেপালের কাঠমান্ডু।

একটি শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, তা জানিয়ে থাকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার। প্রতিষ্ঠানটির মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে ‘মাঝারি বা সহনীয়’ ধরা হয়।

১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত হয়। অন্যদিকে, ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে তা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে গণ্য হয়। স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে সেটি ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

যখন বায়ুমান অস্বাস্থ্যকর হয়, তখন শিশু, বৃদ্ধ এবং শ্বাসকষ্ট বা হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দীর্ঘক্ষণ বাইরে অবস্থান থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহার করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ থাকবে না ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪১ এম


আজ দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ থাকবে না ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায়

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত টানা ছয় ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এই বন্ধের কারণ হলো বৈদ্যুতিক লাইনের পাশের গাছের ডালপালা কর্তন এবং লাইনের ব্যাকবোন অংশে কাজ করা।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ ব্রাহ্মণপাড়া জোনাল অফিস কর্তৃপক্ষ মাইকিং করে এ তথ্য জানিয়েছে।

জোনাল অফিসের ঘোষণার ভিত্তিতে, বারেশ্বর উপকেন্দ্রের বিপি১-৮ এইচ ফিডারের ব্যাকবোন লাইনে কাজ করা হবে। পাশাপাশি, বৈদ্যুতিক লাইনের পাশে গাছের ডালপালা কর্তন করা হবে যাতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়।

এই কারণে ব্রাহ্মণপাড়া বাজার ও আশপাশের এলাকা, সাহেবাবাদ, দীর্ঘভূমি, উপজেলা সদর, উপজেলা পরিষদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ব্রাহ্মণপাড়া থানা এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কাজ শেষ হতে কম বেশি সময় লাগতে পারে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে ব্রাহ্মণপাড়া জোনাল অফিস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিব্বতে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ১৬ জন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫১ এম


তিব্বতে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ১৬ জন নিহত

চীনের তিব্বত অঞ্চলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় ৩ শতাধিক বাড়ি ধসে পড়েছে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া, আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে নাগচু অঞ্চলের বাচেন কাউন্টিতে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কর্তৃপক্ষ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে উদ্ধারকারী দল পাঠিয়েছে।

সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানাচ্ছে, চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির তথ্য প্রকাশ করেছে। বার্তাসংস্থা সিনহুয়া স্থানীয় জরুরি ব্যবস্থাপনা ব্যুরোর সূত্রে জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে আঘাত হানা ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল তিব্বতের নাগচু অঞ্চলের বাচেন কাউন্টি।

১৯৫০-এর দশকে তিব্বতকে নিজেদের ভূখণ্ডে অন্তর্ভুক্ত করার পর চীন অঞ্চলটিকে ‘তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল’ হিসেবে অভিহিত করে। বাচেন কাউন্টি ওই অঞ্চলের রাজধানী লাসা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত।

ভূমিকম্পের পর কর্তৃপক্ষ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধারকারী দল পাঠিয়েছে। ভূমিকম্পে আরও ৩২ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ভূমিকম্পের ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে এবং ৩৩৯টি বাড়ি ধসে পড়েছে।

এদিকে, ভূমিকম্পের পর পাহাড় থেকে পাথর ধসে পড়ায় ওই অঞ্চলের বেশ কয়েকটি সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এতে দুর্গম ও উঁচু এলাকায় উদ্ধারকর্মীদের পৌঁছানো আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

তিব্বতের কামদো ও নিংচি শহরেও ভূমিকম্পের তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, অন্ধকারের মধ্যে ভবনগুলো প্রচণ্ডভাবে কাঁপতে থাকলে গ্রামবাসীরা ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসছেন। তবে ভিডিওগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।

তিব্বত বরাবরই ভূমিকম্পের কারণে বড় ধরনের বিপর্যয়ের ঝুঁকিতে রয়েছে। ২০২৩ সালে চীনের কাছাকাছি অবস্থিত পার্বত্য গানসু প্রদেশে ৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পে ১২০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছিলেন।

এরও দুই মাসের কম সময় আগে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে তিব্বত ও নেপাল ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে। ওই দুর্যোগে অন্তত ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত হন। এখনো শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরে তিব্বত আরও বেশি অধিক স্বায়ত্তশাসনের দাবি জানিয়ে আসছে। মূলত চীনের সবচেয়ে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোর একটি হচ্ছে এটি।

তিব্বতে বিদেশি সংবাদমাধ্যমের প্রবেশে বিধিনিষেধ রয়েছে এবং কর্তৃপক্ষ তথ্য প্রবাহের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে থাকে। ফলে এ ধরনের দুর্যোগের সময় পরিস্থিতি ও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত জানতে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমই হয়ে ওঠে প্রধান উৎস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%