ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নতুন আইন কর্মকর্তাদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান অ্যাটর্নি জেনারেলের


নতুন আইন কর্মকর্তাদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান অ্যাটর্নি জেনারেলের

অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলদের (এএজি) পূর্ণ সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সরকার যে উদ্দেশ্যে আইন কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিয়েছে, সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের জন্য কাজ করতে হবে।

রবিবার সকালে সুপ্রিম কোর্টে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত আইন কর্মকর্তাদের যোগদানের পর তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এই আহ্বান জানান। অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতে মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে আইন ও সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার কথা বলেন।

সেখান থেকে পরবর্তীতে নবনিয়োগপ্রাপ্ত ডিএজি ও এএজিদের নিয়ে আপিল বিভাগে যান অ্যাটর্নি জেনারেল। সেখানে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

এর আগে গত বৃহস্পতিবার আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর উইং এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আগের সব ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ বাতিল করে এবং নতুনভাবে ৮৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১৮০ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্ষমতাবানকে প্রশ্ন করাই সাংবাদিকতার মূল দায়িত্ব: কাদের গনি চৌধুরী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪০ পি.এম


ক্ষমতাবানকে প্রশ্ন করাই সাংবাদিকতার মূল দায়িত্ব: কাদের গনি চৌধুরী

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী মন্তব্য করেন রাষ্ট্র ও ক্ষমতাবানকে প্রশ্ন করা এবং তাদের জবাবদিহিতার মধ্যে রাখা সাংবাদিকতার মূল কাজ। তিনি বলেন, ‘জবাবদিহিতা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে, জনগণের অধিকার রক্ষা করে এবং সমাজে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করে।’

গাজীপুর জেলা প্রশাসন ও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ আয়োজিত সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় আজ রবিবার দুপুরে তিনি এসব কথা বলেন।

গাজীপুর জেলা প্রশাসক নুরুল করিম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, সরকারের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, বাসস'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামাল উদ্দিন সবুজ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

কাদের গনি চৌধুরী উদাহরণস্বরূপ বলেন, ‘সত্য বলার সাহসিকতাই সাংবাদিকতার মূলমন্ত্র। গণমাধ্যমের জন্য দরকার সৎ, সত্যনিষ্ঠ, পক্ষপাতমুক্ত সাংবাদিকতা। বাস্তবতা হচ্ছে বাংলাদেশে এসবের বড্ড অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে।’

দলবাজি, অপসাংবাদিকতা, হলুদ সাংবাদিকতা ও তথ্যসন্ত্রাস সাংবাদিকদের মর্যাদা ম্লান করে দিচ্ছে। তিনি বলেন যে, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার প্রশ্নে কোনো আপস করা চলবে না। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাকে দখল করে নিয়েছে স্বার্থনির্ভর সাংবাদিকতা।

বিএফইউজের মহাসচিব মন্তব্য করেন, বস্তুনিষ্ঠ, সৎ, নির্ভীক সাংবাদিকতা দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গল বয়ে আনে। তিনি আরও বলেন, একটি আদর্শ গণমাধ্যমের কোনো দল, গোষ্ঠী, সরকার, বিদেশি রাষ্ট্র বা কোনো এজেন্সির কাছে দায়বদ্ধতা থাকে না। দায়বদ্ধতা থাকে শুধু দেশের জনগণের কাছে। আমাদের মনে রাখতে হবে, গণমাধ্যমের পরাজয় মানে জনগণের পরাজয়, জনগণের পরাজয় মানে রাষ্ট্রের পরাজয়।

কাদের গনি চৌধুরী একটি গুরুতর মন্তব্য করার পাশাপাশি বলেন, ‘বাংলাদেশের গণমাধ্যম নানা সংকটে আবর্তিত। এই সংকট তৈরি করেছে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার। গণমাধ্যমকে সব সময় জনগণের পক্ষে থাকার কথা ছিল। কিন্তু জনগণের সঙ্গে গণমাধ্যমের একটা দূরত্ব তৈরি হয়ে গেছে। সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনাকে গুম–খুনের কথা জিজ্ঞেস না করে তৈলমর্দন করতেন অনেক দালাল সাংবাদিক। ফলে সংবাদ সম্মেলন প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা সভায় পরিণত হতো। এভাবে শেখ হাসিনাকে স্বৈরাচার থেকে মহাস্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্ট থেকে মহাফ্যাসিস্ট বানানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে দালাল সাংবাদিকেরা। এ সত্য আমাদের স্বীকার করতে হবে।’

তিনি বলেন, আমাদের মনে রাখতে হবে গণমাধ্যমের পরাজয় মানে জনগণের পরাজয়। আর জনগণের পরাজয় মানে রাষ্ট্রের পরাজয়। তাই গণমাধ্যমকে পরাজিত হতে দেওয়া যাবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোমাঞ্চকর জয়ে জিএসএল চ্যাম্পিয়ন গায়ানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪৩ পি.এম


রোমাঞ্চকর জয়ে জিএসএল চ্যাম্পিয়ন গায়ানা

গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স মাত্র ৮৫ রানে অলআউট হওয়ার পরও বল হাতে অসাধারণ প্রত্যাবর্তন করে সান ফ্রান্সিসকো ইউনিকর্নসকে ৭৯ রানে গুটিয়ে দিয়ে ছয় রানের অবিশ্বাস্য জয় তুলে নিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো গ্লোবাল সুপার লিগের (জিএসএল) শিরোপা জিতে নিয়েছে গায়ানা।

প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর শুরু থেকেই বিপর্যয়ে পড়ে গায়ানা। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান জনসন চার্লস। এরপর পরপর বলগুলোতেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দলটি।

রাহমানউল্লাহ গুরবাজ ৮ রান করেন, মোহাম্মদ হারিস ৬, শিমরন হেটমায়ার ৪, মোহাম্মদ নবী ২, অধিনায়ক রোভম্যান পাওয়েল ২ এবং গুডাকেশ মোতি ২ রান করে সাজঘরে ফেরেন। ৮.৫ ওভারে রোমারিও শেফার্ড রানআউট হলে মাত্র ২৯ রানেই ৮ উইকেট হারিয়ে কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় গায়ানার ইনিংস।

এমন সংকটকালে ইনিংস পুনর্গঠনের দায়িত্ব নেন ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস ও ম্যাথিউ ফোর্ড। নবম উইকেটে দুজন মিলে ৪১ রানের মূল্যবান জুটি গড়ে দলকে কিছুটা লড়াই করার মতো অবস্থানে নিয়ে যান। ফোর্ড ২৩ বলে ২৮ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল দুটি চার ও দুটি ছক্কা। অপর প্রান্তে প্রিটোরিয়াস ৩০ বলে অপরাজিত ১৭ রান করেন। শেষদিকে ইমরান তাহির ১১ রান যোগ করলে ১৮.৫ ওভারে ৮৫ রানে অলআউট হয় গায়ানা।

সান ফ্রান্সিসকোর হয়ে পিটার সিডল ও অনিরুদ্ধ ইমানুয়েল তিনটি করে উইকেট নেন। সিডল চার ওভারে ১৮ রান দিয়ে তিন উইকেট শিকার করেন, এবং ইমানুয়েল চার ওভারে মাত্র ৭ রান খরচায় তিন ব্যাটারকে ফেরান। এছাড়া ফ্যাবিয়ান অ্যালেন, ক্যালাম স্টো এবং করিমা গোর একটি করে উইকেট নেন।

মাত্র ৮৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই গায়ানার পেসারদের আক্রমণের মুখে পড়ে ইউনিকর্নস। ইনিংসের প্রথম বলেই টিম রবিনসনকে ফিরিয়ে দেন ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস। এরপর গুডাকেশ মোতির বলে আউট হন কনর এস্টারহুইজেন। অধিনায়ক হাসান খান কিছুটা আক্রমণাত্মক শুরু করলেও প্রিটোরিয়াসের শিকার হয়ে ফেরেন ৯ রান করে।

দলকে আশা দেখাচ্ছিলেন অলিভার পিক। ২৮ বলে ৩১ রানের ইনিংসে তিনি তিনটি চার ও একটি ছক্কা মারেন। তবে অপর প্রান্ত থেকে নিয়মিত উইকেট পড়তে থাকায় সেই ইনিংস বড় হতে পারেনি। সঞ্জয় কৃষ্ণমূর্তি ২৪ বলে ৯ রান করেন, এবং হ্যামাদ আজম, করিমা গোরে ও অনিরুদ্ধ ইমানুয়েল কেউই উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারেননি।

ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন মোহাম্মদ নবী ও ইমরান তাহির। নবী চার ওভারে মাত্র ১২ রান দিয়ে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন। তাহিরও চার ওভারে ১৬ রান খরচায় দুটি উইকেট নিয়ে ইউনিকর্নসের রান তোলার গতি পুরোপুরি থামিয়ে দেন। ১১.১ ওভারে অলিভার পিক আউট হওয়ার পর মাত্র দুই বলের ব্যবধানে আরও একটি উইকেট হারিয়ে ৫৮ রানে ৮ উইকেট হারায় ইউনিকর্নস।

শেষদিকে পিটার সিডল কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। তিনি অপরাজিত ১৩ রান করেন। তবে অপর প্রান্তে উইকেট পড়তে থাকায় সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি। শেষ ব্যাটার ক্যালাম স্টো রানআউট হলে ১৮.৩ ওভারে ৭৯ রানেই শেষ হয়ে যায় ইউনিকর্নসের ইনিংস।

গায়ানার হয়ে ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস তিন ওভারে ২৪ রান দিয়ে তিনটি উইকেট নেন এবং ব্যাট হাতে অপরাজিত ১৭ রান যোগ করে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেন। মোহাম্মদ নবীও তিন উইকেট নিয়ে জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এছাড়া ইমরান তাহির দুটি এবং গুডাকেশ মোতি একটি উইকেট নেন।

পুরো টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে মোহাম্মদ নবী টুর্নামেন্টসেরার পুরস্কার জিতেছেন। তিনি ব্যাট হাতে ৫৩ রান করার পাশাপাশি বল হাতে নিয়েছেন ১০ উইকেট।

মাত্র ৮৫ রানের পুঁজি নিয়ে টি-টোয়েন্টি ফাইনাল জেতা বিরল ঘটনা। কিন্তু গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স দেখিয়ে দিল, শিরোপা জিততে সবসময় বড় স্কোরের প্রয়োজন হয় না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাণিজ্য ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মিয়ানমার রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪৪ পি.এম


বাণিজ্য ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মিয়ানমার রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কিয়াও সো মো গত রবিবার বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠক করেন। এই বৈঠকটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং পণ্য আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়। অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে নৌপরিবহন যোগাযোগ জোরদার, এলএনজি আমদানি এবং পারস্পরিক বিনিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারণের বিষয়গুলোও উঠে আসে।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির উক্ত বৈঠকে বলেন, বাংলাদেশের উদ্দেশ্য প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান, আস্থা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করা।

তিনি আরও জানান, বাণিজ্য, পরিবহন, বিনিয়োগ এবং সীমান্ত যোগাযোগ লক্ষ্য বিষয়গুলো অন্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে মিলিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের মাধ্যমে পর্যালোচনা করা হবে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ভৌগোলিক নৈকট্য ও বিদ্যমান সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের বাণিজ্য বৃদ্ধি সম্ভব। উভয় দেশ পারস্পরিক স্বার্থের বিষয়গুলো আলোচনা করে সমাধান করতে কাজ করবে।

মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ আরও বাড়ানো ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, দীর্ঘদিন স্থগিত থাকা সীমান্ত বাণিজ্য আবার চালু হলে ব্যবসায়ী ও জনগণের জন্য সুবিধা হবে। সেক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় হলে সীমিত বা অস্থায়ীভাবে সীমান্ত বাণিজ্য শুরু করার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।

বৈঠকে কৃষি এবং মৎস্যপণ্য, চাল, ওষুধ, হিমায়িত খাদ্যসহ সম্ভাবনাময় বিভিন্ন পণ্যের বাণিজ্য বৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়। ব্যবসায়ী পর্যায়ে যোগাযোগ এবং বি টু বি (বিজনেস টু বিজনেস) কার্যক্রম জোরদার করার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়।

এ সময় বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে।

রাষ্ট্রদূত জানান, প্রত্যাবাসনের জন্য প্রাপ্ত তালিকার যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া চলছে। যদি নিরাপত্তা এবং মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি অনুকূলে আসে তবে প্রত্যাবাসন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ পক্ষের তরফে দ্রুত প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি এবং কার্যকর অগ্রগতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

উভয়পক্ষ একমত হন যে, দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনা ও যৌথ কমিটির বৈঠক আয়োজন করা হবে। বাংলাদেশে পরবর্তী যৌথ বৈঠক আয়োজনের বিষয়েও আলোচনা হয়।

বৈঠকে সরাসরি নৌ এবং শিপিং যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ মত প্রকাশ করেন, সরাসরি নৌ যোগাযোগ চালু হলে পরিবহন ব্যয় ও সময় কমবে এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

বৈঠকের সময় দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ, যোগাযোগ এবং আঞ্চলিক সংযোগকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান, অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) আয়েশা আক্তার এবং মিয়ানমার দূতাবাসের কাউন্সিলর মিয়াত লুইন এসময় উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ১ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত আরও ৮১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪৬ পি.এম


খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ১ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত আরও ৮১

গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনা বিভাগে ডেঙ্গুতে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। এ সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে ৮১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে।

রবিবার (২ আগস্ট) পরিচালক (স্বাস্থ্য) দপ্তর, খুলনা বিভাগের প্রকাশিত ডেঙ্গু পরিস্থিতি প্রতিবেদন অনুযায়ী এই তথ্য জানা যায়।

খুলনা বিভাগ পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. শেখ মো. মোশাররফ হোসেন জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনা জেলায় ২১ জন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭ জন, বাগেরহাটে ৩৫ জন, যশোরে ১২ জন, মাগুরায় ২ জন, মেহেরপুরে ২ জন, নড়াইলে ১ জন এবং সাতক্ষীরায় ১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ে ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নতুন কোনো রোগী ভর্তি হয়নি।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২ আগস্ট পর্যন্ত খুলনা বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ২ হাজার ১৫২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে ১ হাজার ৯৩৮ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছাড়লেন।

বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ১৮১ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৪ জনকে অন্য হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে খুলনা বিভাগে মোট ৯ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এর মধ্যে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮ জন এবং বাগেরহাটে ১ জন মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য বিভাগ ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি জ্বর বা ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%