সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৩৮ পি.এম
জার্মানির একটি রাজ্য নির্বাচনে কট্টর ডানপন্থী অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি (এএফডি) দলের একটি উল্লেখযোগ্য জয়কে ‘গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত’ হিসেবে রোববার চিহ্নিত করেছেন ফ্রান্সের ইউরোপবিষয়ক মন্ত্রী বেঞ্জামিন হাদ্দাদ।
তিনি ভোটারদের প্রতি বিনয়ের সঙ্গে শোনার আহ্বান জানিয়ে রাজনীতিকদের প্রতি একটি বার্তা দিয়েছেন।
এটি খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
অভিবাসনবিরোধী এএফডি দলটি জার্মানির স্যাক্সনি-আনহাল্ট রাজ্যের নির্বাচনে একটি বড় ব্যবধানে জয় লাভ করেছে। দেশটির সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এআরডি ও জেডডিএফ-এর প্রাথমিক পূর্বাভাসে এই তথ্য উঠে এসেছে।
রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বেঞ্জামিন হাদ্দাদ মন্তব্য করেছেন, ‘জার্মানির একটি রাজ্য নির্বাচনে কট্টর ডানপন্থীদের জয় ইউরোপের জন্য একটি গুরুতর মুহূর্ত।’
তিনি আরও বলেছেন, ‘আমাদের বিনয়ের সঙ্গে মানুষের ক্ষোভ, উদ্বেগ ও ভয়কে শুনতে হবে এবং সেগুলোর জবাব দিতে হবে।’
হাদ্দাদ আরও উল্লেখ করেছেন, ‘আমরা আমাদের ইতিহাস ভুলে যেতে পারি না। ফ্রান্স ও জার্মানির নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোর পেছনে এ ইতিহাসই মূল শিক্ষা।’
এআরডি ও জেডডিএফ-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, স্যাক্সনি-আনহাল্টে এএফডি প্রায় ৪৪ শতাংশ ভোট পেয়েছে। ফলে, দলটির ভোটের হার আগের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
অন্যদিকে, জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্জের নেতৃত্বাধীন মধ্য-ডানপন্থী সিডিইউ পেয়েছে প্রায় ১৮ শতাংশ ভোট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুশতাক আহমেদ, যিনি বাংলাদেশ দলের বর্তমান স্পিন কোচ এবং পাকিস্তানের কিংবদন্তি লেগ স্পিনার, তিনি জানিয়েছেন যে, সুযোগ পেলে নিজ দেশের জাতীয় দলের কোচ হওয়ার ইচ্ছা তার রয়েছে। তবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) হঠকারী সিদ্ধান্ত ও ছাঁটাই সংস্কৃতি তাকে সেই দায়িত্ব গ্রহণে ভয় পাইয়ে দেয়।
সম্প্রতি ইংল্যান্ড সফরে পাকিস্তানের টেস্ট সিরিজের মাঝপথে সাত খেলোয়াড় এবং কোচিং স্টাফদের দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন মুশতাক। বিবিসি স্টাম্পড পডকাস্টে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের কোচ হওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "আমি অবশ্যই দেশের জন্য এটি করতে চাই, বিশেষ করে এই সময়ে। তবে স্পষ্ট করে বলতে গেলে, আমার শুধু একমাত্র বিষয় নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। অনেক সময় নিজের দেশের হয়ে কাজ করতে ভয় লাগে, যখন মানুষ আপনাকে সম্মান দেয় না এবং এখানে-সেখানে কিছু আবেগপ্রসূত সিদ্ধান্ত নিয়ে আপনাকে চাকরিচ্যুত করে।"
তিনি আরও যোগ করেন, "যখন আপনি কাউকে দায়িত্বের মাঝপথে বরখাস্ত হতে দেখেন, তখন স্বাভাবিকভাবেই আপনার মধ্যে আতঙ্ক কাজ করবে।"
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে পাকিস্তানের শোচনীয় পরাজয়ের পর, লর্ডস টেস্টের আগেই পিসিবি মোহাম্মদ রিজওয়ান, ইমাম-উল-হক, সালমান আলি আগা, আলী উসমান, খুররম শাহজাদ, আমির জামাল ও মুহাম্মদ আওয়াইজ জাফরকে দেশে ফেরত পাঠায়। তাদের মধ্যে কয়েকজন কোনো ম্যাচ না খেলেই বাদ পড়েন। পাশাপাশি প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ এবং সহকারী কোচ উমর গুলকেও বরখাস্ত করা হয়। তাদের স্থলাভিষিক্ত করা হয় সাদা বলের কোচ মাইক হেসন এবং অস্ট্রেলীয় পেসার অ্যাশলে নফকে।
পিসিবির এই সিদ্ধান্তকে নজিরবিহীন উল্লেখ করে মুশতাক বলেন, "চলমান ট্যুরের মধ্যেই সাতজন খেলোয়াড় ও ম্যানেজমেন্টকে বদলে ফেলা কোনোভাবেই সঠিক কাজ নয়। পাকিস্তান ক্রিকেটে এমন ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি। একজন সাবেক ক্রিকেটার এবং একজন পাকিস্তানি হিসেবে আমি ব্যথিত। এসব ঘটনা ঘটা উচিত নয়।"
সরফরাজ ও উমর গুলের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "সরফরাজ একসময় অধিনায়কও ছিল। যদি তাদের বরখাস্ত করতেই হয়, তবে অবশ্যই ট্যুর শেষ হওয়ার পর করা উচিত ছিল। এই সময়টা শান্ত থাকার এবং কোনো হঠকারী সিদ্ধান্ত না নেওয়ার।"
পাকিস্তান ক্রিকেটের বিশৃঙ্খলা কাটাতে সাবেক ক্রিকেটারদের নিয়ে বিশেষ কমিটি গঠনের পরামর্শও দিয়েছেন মুশতাক। তার ভাষায়, "অতীতে যেসব ক্রিকেটার ও অধিনায়করা কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাদের টেবিলে আনতে হবে এবং তাদের মতামত শুনতে হবে।"
তিনি আরও বলেন, "কারণ আপনি যদি সঠিক কাজের জন্য সঠিক লোকগুলোকে না আনেন, তবে এমন বিশৃঙ্খলা চলতেই থাকবে। পেশাদার কাজের জন্য আপনার পেশাদার এবং বিশেষজ্ঞ মানুষ প্রয়োজন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের নয়াদিল্লিতে সোমবার উদ্ধারকারী দল ভবনধসে ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকে আছেন কি না, তা খুঁজতে তল্লাশি কার্যক্রম শুরু করেছে।
একদিন আগে, একটি পাঁচতলা ভবন ধসে অন্তত ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে, এমন তথ্য কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।
জরুরি উদ্ধারকারী দল আশঙ্কা করছে যে, ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কেউ আটকে থাকতে পারে।
এ খবর নয়াদিল্লি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়।
ভবনধসের ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা প্রদান করছে সর্বভারতীয় আয়ুর্বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান (এআইআইএমএস), যেখানে তাদের ট্রমা সেন্টারে ১০ জনকে ভর্তি করা হয়েছে।
এআইআইএমএস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘১০ রোগীর মধ্যে পাঁচজনকে মৃত অবস্থায় আনা হয়। গুরুতর অবস্থায় থাকা আরও একজন রোগী পরে আহত অবস্থায় মারা যান।’
ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়াদের শনাক্ত করতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার দল, ফায়ার সার্ভিস এবং পুলিশ সদস্যরা ভারী যন্ত্রপাতির পাশাপাশি প্রশিক্ষিত কুকুর ব্যবহার করছে।
সত্য নিকেতন এলাকায় কয়েক শত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী গাদাগাদি করে বিভিন্ন আবাসনে বসবাস করেন।
ভারতে ভবনধসের ঘটনা প্রায়ই ঘটে এবং দেশটিতে অবৈধ স্থাপনাও ব্যাপকভাবে দেখা যায়।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘটনাটিকে ‘অত্যন্ত বেদনাদায়ক’ বলে মন্তব্য করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতীয় গায়িকা শ্রেয়া ঘোষাল স্বামী শিলাদিত্য মুখোপাধ্যায়ের প্রশংসা করে বলেছেন, "পুরো সংসার সামলায় সে"।শ্রেয়া ঘোষাল এবং তার স্বামী শিলাদিত্য মুখোপাধ্যায়ের একটি ছবি প্রকাশিত হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
সংগীতজীবন এবং সংসার—এই দুটি দিক সামলানোর ক্ষেত্রে একজন জীবনসঙ্গীর গুরুত্ব নিয়ে তিনি অনেকবার আলোচনা করেছেন। এবার স্বামী শিলাদিত্য মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সংসারজীবন এবং দায়িত্ব ভাগাভাগি সম্পর্কে খোলামেলা মন্তব্য করেছেন শ্রেয়া। স্বামীকে পেয়ে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছেন তিনি।
সম্প্রতি ভারতের একটি অনুষ্ঠানে শ্রেয়া জানিয়েছেন, ঘরের বেশিরভাগ কাজ তার স্বামী শিলাদিত্য নিজের দায়িত্বে করেন। তিনি নিজেই বাসন ধোয়া এবং রান্নাঘর পরিষ্কার করার কাজ করেন। শ্রেয়া বলেন, "এসব কাজ করতে গেলে আমি বিরক্ত হয়ে যাই।"
শ্রেয়া আরও বলেন, দুজনেরই কর্মজীবন ব্যস্ত। তাই দিনের শেষে সংসারের কাজ তারা একসঙ্গে করেন। তাদের কাছে সবসময় বাড়িতে থাকার প্রত্যাশা নেই।
গায়িকা জানিয়েছেন, শিলাদিত্য কখনো তার কাছে প্রশ্ন করেননি কেন তিনি বাড়িতে নেই। কাজের কারণে মাসের পর মাস বাইরে থাকতে হলেও স্বামী বিষয়টি সহজভাবে গ্রহণ করেছেন। প্রেমের সময় থেকেই শিলাদিত্য তার প্রতি বিশ্বাস এবং নিরাপত্তার অনুভূতি প্রকাশ করেছেন বলে জানান শ্রেয়া।
দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে শ্রেয়া আরও বলেন, তাদের মধ্যে অহংবোধ নেই। দুজনের চিন্তাভাবনাও অনেকটা একরকম। পরিবারের বড়রা তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। তবে বর্তমানে তারা অনেকটা চুপচাপ জীবনযাপন করছেন। তাদের সন্তানেরাই এখন তাদের জীবনের কেন্দ্রবিন্দু।
শ্রেয়া ও শিলাদিত্যের পরিচয় স্কুলজীবন থেকে। তখন থেকেই তারা ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। পরবর্তীতে শ্রেয়ার সংগীতজীবন দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার সময় তাদের বন্ধুত্ব প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়। একই সময়ে শিলাদিত্য প্রযুক্তি খাতে নিজের পেশাজীবন গড়ে তুলছিলেন।
দীর্ঘ ১০ বছর তারা নিজেদের সম্পর্ক গণমাধ্যমের আড়ালে রেখেছিলেন। ২০১৫ সালে শ্রেয়া এবং শিলাদিত্য বিয়ে করেন। ২০২১ সালে তাদের ঘর আলো করে আসে ছেলে দেবযান।
বর্তমানে শ্রেয়া সন্তান এবং পেশাজীবন—দুই দিকই সামলাচ্ছেন। সংসারের দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়া স্বামী শিলাদিত্যকে পাশে পেয়ে তিনি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৌসুমী, ঢাকাই চলচ্চিত্রের নব্বই দশকের একটি অন্যতম সফল ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে রুপালি পর্দার জাঁকজমক থেকে কিছুটা দূরে থাকলেও, অভিনয়ের প্রতি তার ভালোবাসা ও আকর্ষণ একটুও কমেনি। বর্তমানে তিনি দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। প্রবাস জীবনের নানা ব্যস্ততার মাঝেও মাঝে মাঝে তিনি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেন। এবার প্রবাসের পটভূমিতে নির্মিত একটি নতুন প্রজেক্টের মাধ্যমে দর্শক-ভক্তদের কাছে ফিরছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের মনোরম লোকেশনে নির্মিত হতে যাচ্ছে থ্রিলারধর্মী কাজ ‘আ বিউটিফুল লাই’। এটি পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র হবে কিনা, নাকি টেলিফিল্ম, তা এখনো পুরোপুরি চূড়ান্ত হয়নি। তবে যৌথ আলোচনার ভিত্তিতে এর সার্বিক প্রস্তুতি এগিয়ে চলেছে। গল্প ও পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন ছোট ও বড় পর্দার খ্যাতনামা নির্মাতা নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল। দেশে নেয়ামুলের পরিচালনায় কাজের অভিজ্ঞতা থাকলেও, যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে এই প্রথম একই ফ্রেমে বন্দি হতে যাচ্ছেন পরিচালক ও নায়িকা।
মৌসুমী কাজটি নিয়ে রোমাঞ্চিত হয়ে বলেন, ‘আ বিউটিফুল লাই মূলত একটা রোড ট্রিপের গল্প। গল্পটি থ্রিলারধর্মী। যা কিছু ঘটছে, তা পুরোপুরি মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে ঘটছে। কিন্তু তবুও সেই মুহূর্তটাকে ভালো লাগছে। যে কারণে গল্পটার নাম রাখা হয়েছে আ বিউটিফুল লাই। তবে এটা আসলে টেলিফিল্ম হবে নাকি সিনেমা হবে, সেটা এখনো চূড়ান্ত নয়। দেখা যাক, শেষ পর্যন্ত কী হয়। তবে আমি আশা করছি, দর্শক একটি উপভোগ্য গল্প পাবে। নেয়ামুল বরাবরই ভালো কাজ করে এবং নির্মাণে যত্ন নেয়।’
নির্মাতা ও প্রজেক্টটির প্রতি নিজের আস্থার কথা জানিয়ে মৌসুমী বলেন, নেয়ামুলের নির্মাণ ভাবনা সবসময় সুবিন্যস্ত এবং যত্নশীল। দর্শক যেন শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নতুন একটি স্বাদের গল্প উপভোগ করতে পারেন, সেই প্রচেষ্টাই থাকবে।
পুরো প্রজেক্টের কেন্দ্রীয় চালিকাশক্তি ও গল্প মৌসুমীকে ঘিরে সাজানো হয়েছে। ফলে নতুন এই রোড ট্রিপের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী দর্শক এবং দেশের অনুরাগীরা পর্দায় একেবারে অন্য এক মৌসুমীর দেখা পেতে যাচ্ছেন।
অভিনয়ের পাশাপাশি সম্প্রতি তিনি নিজের অভিনীত জনপ্রিয় সিনেমা 'মেহের নিগার'-এর কালজয়ী 'সবার জীবনে প্রেম আসে' গানটি গেয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ