প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতীয় গায়িকা শ্রেয়া ঘোষাল স্বামী শিলাদিত্য মুখোপাধ্যায়ের প্রশংসা করে বলেছেন, "পুরো সংসার সামলায় সে"।শ্রেয়া ঘোষাল এবং তার স্বামী শিলাদিত্য মুখোপাধ্যায়ের একটি ছবি প্রকাশিত হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
সংগীতজীবন এবং সংসার—এই দুটি দিক সামলানোর ক্ষেত্রে একজন জীবনসঙ্গীর গুরুত্ব নিয়ে তিনি অনেকবার আলোচনা করেছেন। এবার স্বামী শিলাদিত্য মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সংসারজীবন এবং দায়িত্ব ভাগাভাগি সম্পর্কে খোলামেলা মন্তব্য করেছেন শ্রেয়া। স্বামীকে পেয়ে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছেন তিনি।
সম্প্রতি ভারতের একটি অনুষ্ঠানে শ্রেয়া জানিয়েছেন, ঘরের বেশিরভাগ কাজ তার স্বামী শিলাদিত্য নিজের দায়িত্বে করেন। তিনি নিজেই বাসন ধোয়া এবং রান্নাঘর পরিষ্কার করার কাজ করেন। শ্রেয়া বলেন, "এসব কাজ করতে গেলে আমি বিরক্ত হয়ে যাই।"
শ্রেয়া আরও বলেন, দুজনেরই কর্মজীবন ব্যস্ত। তাই দিনের শেষে সংসারের কাজ তারা একসঙ্গে করেন। তাদের কাছে সবসময় বাড়িতে থাকার প্রত্যাশা নেই।
গায়িকা জানিয়েছেন, শিলাদিত্য কখনো তার কাছে প্রশ্ন করেননি কেন তিনি বাড়িতে নেই। কাজের কারণে মাসের পর মাস বাইরে থাকতে হলেও স্বামী বিষয়টি সহজভাবে গ্রহণ করেছেন। প্রেমের সময় থেকেই শিলাদিত্য তার প্রতি বিশ্বাস এবং নিরাপত্তার অনুভূতি প্রকাশ করেছেন বলে জানান শ্রেয়া।
দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে শ্রেয়া আরও বলেন, তাদের মধ্যে অহংবোধ নেই। দুজনের চিন্তাভাবনাও অনেকটা একরকম। পরিবারের বড়রা তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। তবে বর্তমানে তারা অনেকটা চুপচাপ জীবনযাপন করছেন। তাদের সন্তানেরাই এখন তাদের জীবনের কেন্দ্রবিন্দু।
শ্রেয়া ও শিলাদিত্যের পরিচয় স্কুলজীবন থেকে। তখন থেকেই তারা ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। পরবর্তীতে শ্রেয়ার সংগীতজীবন দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার সময় তাদের বন্ধুত্ব প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়। একই সময়ে শিলাদিত্য প্রযুক্তি খাতে নিজের পেশাজীবন গড়ে তুলছিলেন।
দীর্ঘ ১০ বছর তারা নিজেদের সম্পর্ক গণমাধ্যমের আড়ালে রেখেছিলেন। ২০১৫ সালে শ্রেয়া এবং শিলাদিত্য বিয়ে করেন। ২০২১ সালে তাদের ঘর আলো করে আসে ছেলে দেবযান।
বর্তমানে শ্রেয়া সন্তান এবং পেশাজীবন—দুই দিকই সামলাচ্ছেন। সংসারের দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়া স্বামী শিলাদিত্যকে পাশে পেয়ে তিনি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন