সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫১ পি.এম
মৌসুমী, ঢাকাই চলচ্চিত্রের নব্বই দশকের একটি অন্যতম সফল ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে রুপালি পর্দার জাঁকজমক থেকে কিছুটা দূরে থাকলেও, অভিনয়ের প্রতি তার ভালোবাসা ও আকর্ষণ একটুও কমেনি। বর্তমানে তিনি দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। প্রবাস জীবনের নানা ব্যস্ততার মাঝেও মাঝে মাঝে তিনি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেন। এবার প্রবাসের পটভূমিতে নির্মিত একটি নতুন প্রজেক্টের মাধ্যমে দর্শক-ভক্তদের কাছে ফিরছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের মনোরম লোকেশনে নির্মিত হতে যাচ্ছে থ্রিলারধর্মী কাজ ‘আ বিউটিফুল লাই’। এটি পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র হবে কিনা, নাকি টেলিফিল্ম, তা এখনো পুরোপুরি চূড়ান্ত হয়নি। তবে যৌথ আলোচনার ভিত্তিতে এর সার্বিক প্রস্তুতি এগিয়ে চলেছে। গল্প ও পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন ছোট ও বড় পর্দার খ্যাতনামা নির্মাতা নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল। দেশে নেয়ামুলের পরিচালনায় কাজের অভিজ্ঞতা থাকলেও, যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে এই প্রথম একই ফ্রেমে বন্দি হতে যাচ্ছেন পরিচালক ও নায়িকা।
মৌসুমী কাজটি নিয়ে রোমাঞ্চিত হয়ে বলেন, ‘আ বিউটিফুল লাই মূলত একটা রোড ট্রিপের গল্প। গল্পটি থ্রিলারধর্মী। যা কিছু ঘটছে, তা পুরোপুরি মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে ঘটছে। কিন্তু তবুও সেই মুহূর্তটাকে ভালো লাগছে। যে কারণে গল্পটার নাম রাখা হয়েছে আ বিউটিফুল লাই। তবে এটা আসলে টেলিফিল্ম হবে নাকি সিনেমা হবে, সেটা এখনো চূড়ান্ত নয়। দেখা যাক, শেষ পর্যন্ত কী হয়। তবে আমি আশা করছি, দর্শক একটি উপভোগ্য গল্প পাবে। নেয়ামুল বরাবরই ভালো কাজ করে এবং নির্মাণে যত্ন নেয়।’
নির্মাতা ও প্রজেক্টটির প্রতি নিজের আস্থার কথা জানিয়ে মৌসুমী বলেন, নেয়ামুলের নির্মাণ ভাবনা সবসময় সুবিন্যস্ত এবং যত্নশীল। দর্শক যেন শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নতুন একটি স্বাদের গল্প উপভোগ করতে পারেন, সেই প্রচেষ্টাই থাকবে।
পুরো প্রজেক্টের কেন্দ্রীয় চালিকাশক্তি ও গল্প মৌসুমীকে ঘিরে সাজানো হয়েছে। ফলে নতুন এই রোড ট্রিপের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী দর্শক এবং দেশের অনুরাগীরা পর্দায় একেবারে অন্য এক মৌসুমীর দেখা পেতে যাচ্ছেন।
অভিনয়ের পাশাপাশি সম্প্রতি তিনি নিজের অভিনীত জনপ্রিয় সিনেমা 'মেহের নিগার'-এর কালজয়ী 'সবার জীবনে প্রেম আসে' গানটি গেয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢালিউডের এই অভিনেত্রী মাঝে মাঝে ভক্তদের জন্য চমক সৃষ্টি করেন। কখনও তার কাজের খবর, আবার কখনও ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন ঘটনার জন্য তিনি আলোচনায় আসেন। সম্প্রতি, এক শিশুকে কোলে নিয়ে ছবি প্রকাশ করে নতুন কৌতূহল সৃষ্টি করেছেন পরীমণি।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে পরীমণি তার ফেসবুকে একটি ছবি শেয়ার করেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, তিনি গাড়িতে সুন্দরভাবে সাজানো এবং রোদচশমা পরে আছেন। তার কোলে রয়েছে একটি ফুটফুটে শিশু।
ছবির ক্যাপশনে পরীমণি লিখেছেন, ‘তিন নম্বর জন ডান। আলহামদুলিল্লাহ।
ছবি ও ক্যাপশন প্রকাশের পর নেটিজেনদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। অনেকেই প্রশ্ন করছেন, তাহলে কি পরীমণি আবার মা হয়েছেন?
পোস্টের মন্তব্যের ঘরে ভক্তদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরও দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। এক ভক্ত জানতে চান, শিশুটি ছেলে না মেয়ে, পরীমণি সংক্ষেপে জানান, ‘ছেলে।’
অন্য এক নেটিজেন মজা করে প্রশ্ন করেন, তিনি আর কয়টি সন্তান নেবেন? পরীমণি জবাব দেন, ‘আর ৯৭টা।’
শিশুপ্রেমী হিসেবে পরিচিত পরীমণি। একাধিক সাক্ষাৎকার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি আগেই জানিয়েছেন, তিনি অনেক সন্তানের মা হতে চান। এমনকি মজা করে বলেছেন, সন্তানের সংখ্যা ১০০-তে পৌঁছাতে পারে।
এ কারণে ভক্তদের অনেকেই ধারণা করছেন, হয়তো এবার তৃতীয় সন্তান দত্তক নিয়েছেন এই অভিনেত্রী। তবে এ বিষয়ে পরীমণি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলেননি। তার এই নীরবতা জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
উল্লেখ্য, অভিনেতা শরিফুল রাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর পরীমণি তার প্রথম সন্তান শাহীম মোহাম্মদ পূণ্যকে একাই লালন-পালন করছিলেন। পরে তিনি একটি কন্যাসন্তান দত্তক নেন, যার নাম রেখেছেন সাফিরা সুলতানা প্রিয়ম।
বর্তমানে পরীমণি একাই তার সন্তানদের বড় করছেন। কাজের ব্যস্ততার পাশাপাশি তিনি দিনের বাকি সময়টা সন্তানদের সঙ্গেই কাটান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সলোমন দ্বীপপুঞ্জের প্রধানমন্ত্রী ম্যাথিউ ওয়ালে, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের গভীর নজরদারির মধ্যে অনাস্থা ভোটের মুখোমুখি হয়ে সরকার উৎখাতের চেষ্টা ঠেকাতে সক্ষম হয়েছেন।
তিনি সোমবার সংসদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি ঘোষণা করেন।
রোববার মার্কিন উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ সলোমন দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছান। সেখানে তিনি পিস কো’র কার্যক্রম পুনরায় চালু করার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় বাহিনী এই অঞ্চলে যুদ্ধ করেছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি সিডনি থেকে এই খবরটি জানায়।
ওয়ালে বর্তমানে ২০২২ সালে চীনের সঙ্গে স্বাক্ষরিত নিরাপত্তা চুক্তিটি পর্যালোচনা করছেন। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে তার দেশের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার চেষ্টা করছেন। এর ফলে গত সপ্তাহে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপদেশগুলোর নেতাদের সম্মেলন থেকে হঠাৎ ফিরে এসে তাকে অনাস্থা প্রস্তাবের মোকাবিলা করতে হয়।
প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ ফোরামের কূটনীতিকরা এএফপিকে জানান, চীনের ওপর নির্ভরতা কমানোর পথে যাত্রা শুরুর তিন মাস পর ওয়ালের সরকারের টিকে থাকার ফলে এই অঞ্চলের নিরাপত্তায় প্রভাব পড়বে।
তাইওয়ানের উপস্থিতিতে চীন অসন্তোষ প্রকাশ করার পর প্রশান্ত মহাসাগরীয় কয়েকজন নেতা সম্মেলনটি এড়িয়ে যান।
মে মাসে নির্বাচিত ওয়ালের সরকার অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে নতুন একটি চুক্তি নিয়ে আলোচনা করছে। এছাড়া মার্কিন কোস্টগার্ডের টহলের সুযোগ দিতে একটি চুক্তি সম্পন্ন করেছে। এর পাশাপাশি, চীনের আগ্রহের বিষয়বস্তু নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগের আওতায় একটি বন্দর উন্নয়ন প্রকল্পেও আলোচনা চলছে।
রোববার ওয়ালের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব প্রত্যাহার করেন এর উদ্যোক্তা মানাসেহ মেলাঙ্গা। ওয়ালেসহ জোট সরকারের পক্ষে আরও কয়েকজন আইনপ্রণেতা অবস্থান নেওয়ায় মেলাঙ্গাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল।
আরেকটি অনাস্থা প্রস্তাবের সুযোগ বন্ধ করার জন্য সোমবার সংসদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি করা হয়।
সংসদে ওয়ালে বলেন, ‘বাজেট পাস করতে আমরা বড়দিনের আগে ফিরে আসতে চাই।’
তিনি আরও জানান, ‘পরিবর্তনের গতি দ্রুত।’
এই বিরতি খনন খাতের সংস্কার ও বিনামূল্যে শিক্ষা চালুর মতো গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত পরিবর্তন নিয়ে ভাবার সুযোগ দেবে।
সলোমন দ্বীপপুঞ্জে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক হাইকমিশনার জেমস ব্যাটলি মন্তব্য করেন, ‘আমার ধারণা, অস্ট্রেলীয় সরকার এতে স্বস্তি পাবে।’
তিনি এএফপিকে বলেন, ‘ওয়ালে নির্বাচিত হওয়ার এত অল্প সময়ের মধ্যে অনাস্থা প্রস্তাব আনার বিষয়টি সাধারণ মানুষ খুবই বিরূপভাবে নেয়।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর কেডিসি পাড়ায় মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের অভিযানে হেরোইন, ইয়াবা ও গাঁজাসহ রেখা আক্তার (৬৪) নামে এক নারীকে আটক করা হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬) ভোর ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপপরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনুজ চন্দের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে পুলিশ, র্যাব ও কাস্টমসের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
অভিযানকালে রহনপুর কেডিসি পাড়ার তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী রেখা আক্তার (৬৪)-এর বসতঘরে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে ১০ গ্রাম হেরোইন, ১০ পিস ইয়াবা ও ৩০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে আটক করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, আটক রেখা আক্তারের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি এলাকায় বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে স্থানীয় যুবসমাজকে বিপথগামী করার অভিযোগও রয়েছে।
অভিযান শেষে স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের অংশগ্রহণে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক আলোচনা সভা, র্যালি ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মাদক নির্মূলে প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা এবং মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে অবস্থান নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন স্থানীয়রা।
অনুষ্ঠানে গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জিল্লুর রহমান বলেন, কেডিসি পাড়ার মাদক ব্যবসায়ীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য ১৫ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মাদক ব্যবসা পরিহার করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে না এলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেডিসি পাড়ায় কোনো মাদক ব্যবসায়ীর অস্তিত্ব থাকতে দেওয়া হবে না।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণের নামে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেয়। মাদক ব্যবসা বা মাদকসংক্রান্ত যেকোনো তথ্য প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য তিনি স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।
আটক নারীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু ও পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। এ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক মামুনুর রশিদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে প্রায় ১০ কোটি ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের সামনে পরবর্তী চ্যালেঞ্জ কেবল সংযোগ বাড়ানো নয়, বরং সেবার মান, সাশ্রয়, নির্ভরযোগ্যতা এবং অর্থবহ সংযোগ নিশ্চিত করা। ডিজিটাল সংযোগের মাধ্যমে নাগরিকদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা প্রদান করা এবং দেশের যেকোনো প্রান্তের মানুষকে প্রযুক্তির সুফল পাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি।
মন্ত্রী সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত ‘৩৭তম এপিটি ওয়্যারলেস গ্রুপ (এডব্লিউজি-৩৭)’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে একটি বড় এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল টেলিযোগাযোগ বাজার বিদ্যমান। ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত দেশে প্রায় ১৯ কোটি ১০ লাখ মোবাইল সংযোগ এবং ১০ কোটি ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে। এর মধ্যে ১০ কোটি ৮০ লাখের বেশি গ্রাহক ফোরজি সেবা গ্রহণ করছেন।
টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর মধ্যে ৪৯ হাজারের বেশি ফোরজি সাইট, ৪৬ হাজার টাওয়ার এবং প্রায় ১ লাখ ৭৩ হাজার কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক বিদ্যমান।
মন্ত্রী আরও বলেন, এসব পরিসংখ্যান দেশের টেলিযোগাযোগ খাতের ব্যাপকতা তুলে ধরে। তবে সরকারের লক্ষ্য কেবল আরো বেশি সংযোগ যুক্ত করা নয়; বরং সেবার মান, সাশ্রয়ী মূল্য, নির্ভরযোগ্যতা এবং অর্থবহ সংযোগ নিশ্চিত করা।
ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ডিজিটাল সংযোগ নাগরিকদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা করবে এবং মানুষের বসবাসের স্থান নির্বিশেষে প্রযুক্তির সুফল পাওয়ার সুযোগ তৈরি করবে।
সরকারের অঙ্গীকারেও এ বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহারে আইসিটি ও টেলিযোগাযোগকে ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার এবং প্রযুক্তিনির্ভর অন্যান্য শিল্পে দেশের সক্ষমতা আরো বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে বৈশ্বিক ডিজিটাল অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য রয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, এই যাত্রায় স্পেকট্রাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
ডেটার চাহিদা বাড়ার পাশাপাশি ফাইভজি, স্যাটেলাইট যোগাযোগ, ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) এবং ভবিষ্যতের অন্যান্য ওয়্যারলেস প্রযুক্তির বিকাশ ঘটছে। এসব প্রযুক্তির জন্য এমন দূরদর্শী নীতি প্রয়োজন, যা উদ্ভাবন, বিনিয়োগ এবং গ্রাহকদের জন্য উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।
তিনি বলেন, এডব্লিউজি-৩৭ ঢাকায় আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের নতুন টেলিযোগাযোগ ভাবনার সঙ্গে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সংযোগ ঘটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক অভিজ্ঞতা থেকে শেখা এবং নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার সুযোগও পাওয়া যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ