সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫৬ পি.এম
সলোমন দ্বীপপুঞ্জের প্রধানমন্ত্রী ম্যাথিউ ওয়ালে, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের গভীর নজরদারির মধ্যে অনাস্থা ভোটের মুখোমুখি হয়ে সরকার উৎখাতের চেষ্টা ঠেকাতে সক্ষম হয়েছেন।
তিনি সোমবার সংসদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি ঘোষণা করেন।
রোববার মার্কিন উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ সলোমন দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছান। সেখানে তিনি পিস কো’র কার্যক্রম পুনরায় চালু করার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় বাহিনী এই অঞ্চলে যুদ্ধ করেছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি সিডনি থেকে এই খবরটি জানায়।
ওয়ালে বর্তমানে ২০২২ সালে চীনের সঙ্গে স্বাক্ষরিত নিরাপত্তা চুক্তিটি পর্যালোচনা করছেন। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে তার দেশের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার চেষ্টা করছেন। এর ফলে গত সপ্তাহে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপদেশগুলোর নেতাদের সম্মেলন থেকে হঠাৎ ফিরে এসে তাকে অনাস্থা প্রস্তাবের মোকাবিলা করতে হয়।
প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ ফোরামের কূটনীতিকরা এএফপিকে জানান, চীনের ওপর নির্ভরতা কমানোর পথে যাত্রা শুরুর তিন মাস পর ওয়ালের সরকারের টিকে থাকার ফলে এই অঞ্চলের নিরাপত্তায় প্রভাব পড়বে।
তাইওয়ানের উপস্থিতিতে চীন অসন্তোষ প্রকাশ করার পর প্রশান্ত মহাসাগরীয় কয়েকজন নেতা সম্মেলনটি এড়িয়ে যান।
মে মাসে নির্বাচিত ওয়ালের সরকার অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে নতুন একটি চুক্তি নিয়ে আলোচনা করছে। এছাড়া মার্কিন কোস্টগার্ডের টহলের সুযোগ দিতে একটি চুক্তি সম্পন্ন করেছে। এর পাশাপাশি, চীনের আগ্রহের বিষয়বস্তু নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগের আওতায় একটি বন্দর উন্নয়ন প্রকল্পেও আলোচনা চলছে।
রোববার ওয়ালের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব প্রত্যাহার করেন এর উদ্যোক্তা মানাসেহ মেলাঙ্গা। ওয়ালেসহ জোট সরকারের পক্ষে আরও কয়েকজন আইনপ্রণেতা অবস্থান নেওয়ায় মেলাঙ্গাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল।
আরেকটি অনাস্থা প্রস্তাবের সুযোগ বন্ধ করার জন্য সোমবার সংসদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি করা হয়।
সংসদে ওয়ালে বলেন, ‘বাজেট পাস করতে আমরা বড়দিনের আগে ফিরে আসতে চাই।’
তিনি আরও জানান, ‘পরিবর্তনের গতি দ্রুত।’
এই বিরতি খনন খাতের সংস্কার ও বিনামূল্যে শিক্ষা চালুর মতো গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত পরিবর্তন নিয়ে ভাবার সুযোগ দেবে।
সলোমন দ্বীপপুঞ্জে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক হাইকমিশনার জেমস ব্যাটলি মন্তব্য করেন, ‘আমার ধারণা, অস্ট্রেলীয় সরকার এতে স্বস্তি পাবে।’
তিনি এএফপিকে বলেন, ‘ওয়ালে নির্বাচিত হওয়ার এত অল্প সময়ের মধ্যে অনাস্থা প্রস্তাব আনার বিষয়টি সাধারণ মানুষ খুবই বিরূপভাবে নেয়।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর কেডিসি পাড়ায় মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের অভিযানে হেরোইন, ইয়াবা ও গাঁজাসহ রেখা আক্তার (৬৪) নামে এক নারীকে আটক করা হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬) ভোর ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপপরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনুজ চন্দের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে পুলিশ, র্যাব ও কাস্টমসের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
অভিযানকালে রহনপুর কেডিসি পাড়ার তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী রেখা আক্তার (৬৪)-এর বসতঘরে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে ১০ গ্রাম হেরোইন, ১০ পিস ইয়াবা ও ৩০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে আটক করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, আটক রেখা আক্তারের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি এলাকায় বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে স্থানীয় যুবসমাজকে বিপথগামী করার অভিযোগও রয়েছে।
অভিযান শেষে স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের অংশগ্রহণে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক আলোচনা সভা, র্যালি ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মাদক নির্মূলে প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা এবং মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে অবস্থান নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন স্থানীয়রা।
অনুষ্ঠানে গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জিল্লুর রহমান বলেন, কেডিসি পাড়ার মাদক ব্যবসায়ীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য ১৫ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মাদক ব্যবসা পরিহার করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে না এলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেডিসি পাড়ায় কোনো মাদক ব্যবসায়ীর অস্তিত্ব থাকতে দেওয়া হবে না।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণের নামে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেয়। মাদক ব্যবসা বা মাদকসংক্রান্ত যেকোনো তথ্য প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য তিনি স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।
আটক নারীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু ও পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। এ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক মামুনুর রশিদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে প্রায় ১০ কোটি ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের সামনে পরবর্তী চ্যালেঞ্জ কেবল সংযোগ বাড়ানো নয়, বরং সেবার মান, সাশ্রয়, নির্ভরযোগ্যতা এবং অর্থবহ সংযোগ নিশ্চিত করা। ডিজিটাল সংযোগের মাধ্যমে নাগরিকদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা প্রদান করা এবং দেশের যেকোনো প্রান্তের মানুষকে প্রযুক্তির সুফল পাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি।
মন্ত্রী সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত ‘৩৭তম এপিটি ওয়্যারলেস গ্রুপ (এডব্লিউজি-৩৭)’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে একটি বড় এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল টেলিযোগাযোগ বাজার বিদ্যমান। ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত দেশে প্রায় ১৯ কোটি ১০ লাখ মোবাইল সংযোগ এবং ১০ কোটি ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে। এর মধ্যে ১০ কোটি ৮০ লাখের বেশি গ্রাহক ফোরজি সেবা গ্রহণ করছেন।
টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর মধ্যে ৪৯ হাজারের বেশি ফোরজি সাইট, ৪৬ হাজার টাওয়ার এবং প্রায় ১ লাখ ৭৩ হাজার কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক বিদ্যমান।
মন্ত্রী আরও বলেন, এসব পরিসংখ্যান দেশের টেলিযোগাযোগ খাতের ব্যাপকতা তুলে ধরে। তবে সরকারের লক্ষ্য কেবল আরো বেশি সংযোগ যুক্ত করা নয়; বরং সেবার মান, সাশ্রয়ী মূল্য, নির্ভরযোগ্যতা এবং অর্থবহ সংযোগ নিশ্চিত করা।
ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ডিজিটাল সংযোগ নাগরিকদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা করবে এবং মানুষের বসবাসের স্থান নির্বিশেষে প্রযুক্তির সুফল পাওয়ার সুযোগ তৈরি করবে।
সরকারের অঙ্গীকারেও এ বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহারে আইসিটি ও টেলিযোগাযোগকে ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার এবং প্রযুক্তিনির্ভর অন্যান্য শিল্পে দেশের সক্ষমতা আরো বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে বৈশ্বিক ডিজিটাল অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য রয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, এই যাত্রায় স্পেকট্রাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
ডেটার চাহিদা বাড়ার পাশাপাশি ফাইভজি, স্যাটেলাইট যোগাযোগ, ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) এবং ভবিষ্যতের অন্যান্য ওয়্যারলেস প্রযুক্তির বিকাশ ঘটছে। এসব প্রযুক্তির জন্য এমন দূরদর্শী নীতি প্রয়োজন, যা উদ্ভাবন, বিনিয়োগ এবং গ্রাহকদের জন্য উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।
তিনি বলেন, এডব্লিউজি-৩৭ ঢাকায় আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের নতুন টেলিযোগাযোগ ভাবনার সঙ্গে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সংযোগ ঘটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক অভিজ্ঞতা থেকে শেখা এবং নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার সুযোগও পাওয়া যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জ্যামাইকা সরকার আফ্রিকানদের দাসত্বের ইতিহাস এবং এর ক্ষতিপূরণ সম্পর্কিত একটি আবেদন ব্রিটিশ রাজপরিবারের কাছে করতে যাচ্ছে। সংস্কৃতিমন্ত্রী অলিভিয়া গ্রেঞ্জ জানিয়েছেন, সোমবার রাজা তৃতীয় চার্লসের কাছে এ বিষয়ে একটি আবেদনপত্র জমা দেওয়া হবে।
আবেদনপত্রে জ্যামিকার রাষ্ট্রপ্রধান রাজা চার্লসকে প্রিভি কাউন্সিলের বিচার বিভাগীয় কমিটির (জেসিপিসি) কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন পাঠানোর অনুরোধ করা হবে। প্রশ্নগুলো হলো, জ্যামাইকায় আফ্রিকানদের দাসত্ব ইংরেজ আইনে বৈধ ছিল কি না, দাসত্ব আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছিল কি না এবং ব্রিটেনের এখন কোনো আইনি প্রতিকার দেওয়ার দায়িত্ব আছে কি না।এই খবর বলা হয়েছে।
গ্রেঞ্জ উল্লেখ করেছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে আফ্রিকান পূর্বপুরুষদের ওপর শত শত বছর ধরে চলা ভয়াবহ নির্যাতনের একটি দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিষয়ে সমাধানের পথ তৈরি হতে পারে। তিনি আরো জানান, ঔপনিবেশিক আমলে জ্যামাইকা থেকে নিয়ে যাওয়া প্রত্নবস্তু দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়েও ব্রিটিশ মিউজিয়ামের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন।
তবে আবেদনপত্রটিতে সরাসরি কোনো অর্থ ক্ষতিপূরণ দাবি করা হচ্ছে না। আবেদনটি প্রথমে রাজা চার্লসের কাছে যাবে এবং পরে তিনি এটি জেসিপিসির কাছে পাঠাবেন।
এ ক্ষেত্রে কোনো বিষয় জেসিপিসির কাছে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় রাজা চার্লসের ব্যক্তিগতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নেই।
গ্রেঞ্জ বলেন, জেসিপিসি এসব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হবে। আবেদনপত্রটি সঠিকভাবে দাখিল করা নিশ্চিত করতে বাকিংহাম প্যালেস জ্যামাইকার গভর্নর জেনারেলের কার্যালয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।
রাজপ্রাসাদের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, রাজা তৃতীয় চার্লস দাসপ্রথার ইতিহাস সম্পর্কে মানুষের মধ্যে আরো সচেতনতা বাড়ানোর এবং ঐতিহাসিক অন্যায়ের প্রভাব মোকাবেলায় বর্তমান প্রজন্মের জন্য উপায় খুঁজে বের করার বিষয়ে তার ব্যক্তিগত ও আন্তরিক অঙ্গীকারের কথা বহুবার জানিয়েছেন।
১৮৩৩ সালে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বেশিরভাগ অঞ্চলে দাসপ্রথা বিলুপ্ত করা হয়।
ওই সময় ব্রিটিশ সরকার দাস মালিকদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে ২ কোটি পাউন্ড দেয়। এই অর্থের জন্য ব্রিটিশ সরকার যে ঋণ নিয়েছিল, তা শেষ পর্যন্ত ২০১৫ সালে পরিশোধ করা হয়।
জ্যামাইকার সংস্কৃতিমন্ত্রী অলিভিয়া গ্রেঞ্জ বলেন, দাসপ্রথার সময় আফ্রিকানদের সম্পত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হতো। তিনি বলেন, ‘২০১৫ সাল পর্যন্ত ব্রিটেন দাস মালিকদের অর্থ পরিশোধ করেছিল, কারণ আমাদের সম্পত্তি হিসেবে গণ্য করা হতো।’
জ্যামাইকার পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, দাসপ্রথা বিলুপ্তির সময় যদি দাস মালিকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে যেসব মানুষকে দাস হিসেবে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং যাদের পূর্বপুরুষরা এই অন্যায়ের শিকার হয়েছিলেন, তাদের কেন ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না?
এদিকে ঔপনিবেশিক আমলে জ্যামাইকা থেকে ব্রিটেনে নিয়ে যাওয়া বিভিন্ন প্রত্নবস্তু দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আলোচনা করতে জ্যামাইকার প্রতিনিধিরা ব্রিটিশ মিউজিয়ামের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। জ্যামাইকার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এসব প্রত্নবস্তু অমূল্য এবং দেশটির ইতিহাস ও ঐতিহ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এগুলো জ্যামাইকায় ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করা হচ্ছে।
এর আগে ২০১৫ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন জ্যামাইকা সফরের সময় ঐতিহাসিক দাস ব্যবসায় ব্রিটেনের ভূমিকার জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করে দেন। জ্যামাইকার সংসদে দেওয়া এক ভাষণে ক্যামেরন বলেন, দাসপ্রথা ‘এর সব রূপেই ঘৃণ্য’।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, জ্যামাইকা এই ‘বেদনাদায়ক উত্তরাধিকার’ পেছনে ফেলে ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যেতে পারবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোরের অভয়নগরে বাহারুল নামের এক ব্যক্তির গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ সোমবার সকালে উপজেলার শুভরাড়া ইউনিয়নের রানাগাতী এলাকা থেকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।নিহত বাহারুল রানাগাতি গ্রামের হাকিম মল্লিকের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে রানাগাতি গ্রামে রাস্তার পাশে বাহারুলের রক্তাক্ত মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে গলা কাটা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।
অভয়নগর থানার ওসি (তদন্ত) মো. লুৎফর রহমান জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনার কারণ প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি।তবে নিহেতর পরিবার ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে সম্ভাব্য কারণ নির্ণয়ে কাজ করছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ