সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫৮ পি.এম
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে প্রায় ১০ কোটি ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের সামনে পরবর্তী চ্যালেঞ্জ কেবল সংযোগ বাড়ানো নয়, বরং সেবার মান, সাশ্রয়, নির্ভরযোগ্যতা এবং অর্থবহ সংযোগ নিশ্চিত করা। ডিজিটাল সংযোগের মাধ্যমে নাগরিকদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা প্রদান করা এবং দেশের যেকোনো প্রান্তের মানুষকে প্রযুক্তির সুফল পাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি।
মন্ত্রী সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত ‘৩৭তম এপিটি ওয়্যারলেস গ্রুপ (এডব্লিউজি-৩৭)’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে একটি বড় এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল টেলিযোগাযোগ বাজার বিদ্যমান। ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত দেশে প্রায় ১৯ কোটি ১০ লাখ মোবাইল সংযোগ এবং ১০ কোটি ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে। এর মধ্যে ১০ কোটি ৮০ লাখের বেশি গ্রাহক ফোরজি সেবা গ্রহণ করছেন।
টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর মধ্যে ৪৯ হাজারের বেশি ফোরজি সাইট, ৪৬ হাজার টাওয়ার এবং প্রায় ১ লাখ ৭৩ হাজার কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক বিদ্যমান।
মন্ত্রী আরও বলেন, এসব পরিসংখ্যান দেশের টেলিযোগাযোগ খাতের ব্যাপকতা তুলে ধরে। তবে সরকারের লক্ষ্য কেবল আরো বেশি সংযোগ যুক্ত করা নয়; বরং সেবার মান, সাশ্রয়ী মূল্য, নির্ভরযোগ্যতা এবং অর্থবহ সংযোগ নিশ্চিত করা।
ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ডিজিটাল সংযোগ নাগরিকদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা করবে এবং মানুষের বসবাসের স্থান নির্বিশেষে প্রযুক্তির সুফল পাওয়ার সুযোগ তৈরি করবে।
সরকারের অঙ্গীকারেও এ বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহারে আইসিটি ও টেলিযোগাযোগকে ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার এবং প্রযুক্তিনির্ভর অন্যান্য শিল্পে দেশের সক্ষমতা আরো বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে বৈশ্বিক ডিজিটাল অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য রয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, এই যাত্রায় স্পেকট্রাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
ডেটার চাহিদা বাড়ার পাশাপাশি ফাইভজি, স্যাটেলাইট যোগাযোগ, ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) এবং ভবিষ্যতের অন্যান্য ওয়্যারলেস প্রযুক্তির বিকাশ ঘটছে। এসব প্রযুক্তির জন্য এমন দূরদর্শী নীতি প্রয়োজন, যা উদ্ভাবন, বিনিয়োগ এবং গ্রাহকদের জন্য উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।
তিনি বলেন, এডব্লিউজি-৩৭ ঢাকায় আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের নতুন টেলিযোগাযোগ ভাবনার সঙ্গে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সংযোগ ঘটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক অভিজ্ঞতা থেকে শেখা এবং নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার সুযোগও পাওয়া যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জ্যামাইকা সরকার আফ্রিকানদের দাসত্বের ইতিহাস এবং এর ক্ষতিপূরণ সম্পর্কিত একটি আবেদন ব্রিটিশ রাজপরিবারের কাছে করতে যাচ্ছে। সংস্কৃতিমন্ত্রী অলিভিয়া গ্রেঞ্জ জানিয়েছেন, সোমবার রাজা তৃতীয় চার্লসের কাছে এ বিষয়ে একটি আবেদনপত্র জমা দেওয়া হবে।
আবেদনপত্রে জ্যামিকার রাষ্ট্রপ্রধান রাজা চার্লসকে প্রিভি কাউন্সিলের বিচার বিভাগীয় কমিটির (জেসিপিসি) কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন পাঠানোর অনুরোধ করা হবে। প্রশ্নগুলো হলো, জ্যামাইকায় আফ্রিকানদের দাসত্ব ইংরেজ আইনে বৈধ ছিল কি না, দাসত্ব আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছিল কি না এবং ব্রিটেনের এখন কোনো আইনি প্রতিকার দেওয়ার দায়িত্ব আছে কি না।এই খবর বলা হয়েছে।
গ্রেঞ্জ উল্লেখ করেছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে আফ্রিকান পূর্বপুরুষদের ওপর শত শত বছর ধরে চলা ভয়াবহ নির্যাতনের একটি দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিষয়ে সমাধানের পথ তৈরি হতে পারে। তিনি আরো জানান, ঔপনিবেশিক আমলে জ্যামাইকা থেকে নিয়ে যাওয়া প্রত্নবস্তু দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়েও ব্রিটিশ মিউজিয়ামের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন।
তবে আবেদনপত্রটিতে সরাসরি কোনো অর্থ ক্ষতিপূরণ দাবি করা হচ্ছে না। আবেদনটি প্রথমে রাজা চার্লসের কাছে যাবে এবং পরে তিনি এটি জেসিপিসির কাছে পাঠাবেন।
এ ক্ষেত্রে কোনো বিষয় জেসিপিসির কাছে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় রাজা চার্লসের ব্যক্তিগতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নেই।
গ্রেঞ্জ বলেন, জেসিপিসি এসব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হবে। আবেদনপত্রটি সঠিকভাবে দাখিল করা নিশ্চিত করতে বাকিংহাম প্যালেস জ্যামাইকার গভর্নর জেনারেলের কার্যালয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।
রাজপ্রাসাদের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, রাজা তৃতীয় চার্লস দাসপ্রথার ইতিহাস সম্পর্কে মানুষের মধ্যে আরো সচেতনতা বাড়ানোর এবং ঐতিহাসিক অন্যায়ের প্রভাব মোকাবেলায় বর্তমান প্রজন্মের জন্য উপায় খুঁজে বের করার বিষয়ে তার ব্যক্তিগত ও আন্তরিক অঙ্গীকারের কথা বহুবার জানিয়েছেন।
১৮৩৩ সালে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বেশিরভাগ অঞ্চলে দাসপ্রথা বিলুপ্ত করা হয়।
ওই সময় ব্রিটিশ সরকার দাস মালিকদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে ২ কোটি পাউন্ড দেয়। এই অর্থের জন্য ব্রিটিশ সরকার যে ঋণ নিয়েছিল, তা শেষ পর্যন্ত ২০১৫ সালে পরিশোধ করা হয়।
জ্যামাইকার সংস্কৃতিমন্ত্রী অলিভিয়া গ্রেঞ্জ বলেন, দাসপ্রথার সময় আফ্রিকানদের সম্পত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হতো। তিনি বলেন, ‘২০১৫ সাল পর্যন্ত ব্রিটেন দাস মালিকদের অর্থ পরিশোধ করেছিল, কারণ আমাদের সম্পত্তি হিসেবে গণ্য করা হতো।’
জ্যামাইকার পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, দাসপ্রথা বিলুপ্তির সময় যদি দাস মালিকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে যেসব মানুষকে দাস হিসেবে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং যাদের পূর্বপুরুষরা এই অন্যায়ের শিকার হয়েছিলেন, তাদের কেন ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না?
এদিকে ঔপনিবেশিক আমলে জ্যামাইকা থেকে ব্রিটেনে নিয়ে যাওয়া বিভিন্ন প্রত্নবস্তু দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আলোচনা করতে জ্যামাইকার প্রতিনিধিরা ব্রিটিশ মিউজিয়ামের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। জ্যামাইকার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এসব প্রত্নবস্তু অমূল্য এবং দেশটির ইতিহাস ও ঐতিহ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এগুলো জ্যামাইকায় ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করা হচ্ছে।
এর আগে ২০১৫ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন জ্যামাইকা সফরের সময় ঐতিহাসিক দাস ব্যবসায় ব্রিটেনের ভূমিকার জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করে দেন। জ্যামাইকার সংসদে দেওয়া এক ভাষণে ক্যামেরন বলেন, দাসপ্রথা ‘এর সব রূপেই ঘৃণ্য’।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, জ্যামাইকা এই ‘বেদনাদায়ক উত্তরাধিকার’ পেছনে ফেলে ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যেতে পারবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোরের অভয়নগরে বাহারুল নামের এক ব্যক্তির গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ সোমবার সকালে উপজেলার শুভরাড়া ইউনিয়নের রানাগাতী এলাকা থেকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।নিহত বাহারুল রানাগাতি গ্রামের হাকিম মল্লিকের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে রানাগাতি গ্রামে রাস্তার পাশে বাহারুলের রক্তাক্ত মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে গলা কাটা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।
অভয়নগর থানার ওসি (তদন্ত) মো. লুৎফর রহমান জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনার কারণ প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি।তবে নিহেতর পরিবার ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে সম্ভাব্য কারণ নির্ণয়ে কাজ করছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ইতালি যাওয়ার প্রবণতা রোধ করার লক্ষ্যে শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুরসহ সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে সচেতনতামূলক ওয়ার্কশপ আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রোর সাক্ষাতের পর তিনি সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন—ইতালিতে বাংলাদেশিদের প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ শরীয়তপুর, মাদারীপুর অঞ্চলসহ আশপাশের এলাকার। তিনি খুব উদ্বেগের সঙ্গে বলেছেন যে অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে অনেকেই সমুদ্রপথে পাড়ি দিয়ে লিবিয়া হয়ে ইতালিতে যায়, যা খুবই দুঃখজনক।’
তিনি জানান, দেশটি এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা চেয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুরসহ সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে যৌথভাবে একটি ওয়ার্কশপ আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ইতালি চায় স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে যৌথভাবে একটা ওয়ার্কশপ হোক।
ওই ওয়ার্কশপে মানুষকে বোঝানো হবে যে তাদের আর অবৈধভাবে যাওয়ার দরকার নেই। যেহেতু পরিবার-পরিজন থাকে, বৈধভাবে যাওয়ারও সুযোগ আছে, সেই সুযোগটা যেন মানুষ কাজে লাগায়।
প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, ইতালির রাষ্ট্রদূতের দেওয়া তথ্যানুযায়ী বর্তমানে দেশটিতে প্রায় আড়াই লাখ বাংলাদেশি বসবাস করছেন, যার সিংহভাগ হচ্ছে শরীয়তপুর, মাদারীপুর।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ইতালির রাষ্ট্রদূত অবৈধ পথে বাংলাদেশিদের ইতালি যাওয়ার বিষয়টিকে মানবিক ও মানবাধিকারসংক্রান্ত সমস্যা হিসেবে দেখছেন।
বিশেষ করে সমুদ্রপথে যেতে গিয়ে অনেকের মৃত্যুর বিষয়েও তিনি উদ্বেগ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রদূত বললেন যে এটা আমাদের জন্য কষ্ট হয়, তারা কষ্ট পায়, অনেক সময় সমুদ্র পাড়ি দিতে গিয়ে মারা যায় রাস্তার মধ্যে। বলছেন, এভাবে যাওয়ার দরকার নেই; আমাদের দেশে যেহেতু বৈধভাবে আমরা শ্রমিক নিই, সেহেতু যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।’
রাষ্ট্রদূত অবৈধভাবে লোক পাঠানোর ক্ষেত্রে ‘দালাল’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তবে স্থানীয় সরকারের পক্ষ থেকে এসব ব্যক্তিকে ‘অবৈধ এজেন্ট’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইতালিতে বাংলাদেশিদের বৈধভাবে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্রদূত বলেছেন যে, আমাদের দেশ থেকে প্রায় ১০ হাজার লোক বৈধভাবে যাওয়ার সুযোগ আছে এবং ফ্যামিলিসহ আরো ১২ হাজার। তাহলে এত বড় একটা সুযোগ, তিনি বললেন যে এটা তোমরা কাজে লাগাতে পারো এবং এ ব্যাপারে ওয়ার্কশপ করো।’
প্রতিমন্ত্রী জানান, রাষ্ট্রদূত বলেছেন—প্রতিবছর একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক বাংলাদেশি নেওয়া সম্ভব হলেও সংখ্যাটি কমবেশি হতে পারে। তবে আগ্রহীদের বৈধ পথে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় তিতাস নদীর তীরে একটি নৌকা প্রায় দেড় কোটি টাকার পণ্য নিয়ে ডুবে গেছে। তবে, এই দুর্ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
আজ সোমবার সকালে উপজেলার বড়বাজার ঘাট এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটেছে। ব্যবসায়ীদের দাবি অনুযায়ী, নৌকায় প্রায় দেড় কোটি টাকার পণ্য ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, নৌকাটিতে অতিরিক্ত পণ্য ছিল।
নৌকা এবং মালামাল উদ্ধারের জন্য শ্রমিক ও স্থানীয় লোকজন কাজ শুরু করেছেন বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও বাজারের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জগৎবাজার থেকে বিভিন্ন পণ্য নিয়ে একটি বড় নৌকা সকাল সাড়ে ৬টার দিকে আখাউড়ার বড়বাজার ঘাটে ভিড়ছিল। এ সময় নদীতে স্রোত বেশি থাকায় নৌকাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি মাছ ধরার নৌকার সঙ্গে ধাক্কা খায়। এর ফলে নৌকাটি উল্টে যায় এবং নৌকায় থাকা মালামালের অধিকাংশই নদীর পানিতে তলিয়ে যায়।
বড়বাজারের ইজারাদার লুৎফর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘নৌকায় সড়কবাজার ও বড়বাজারের ব্যবসায়ীদের চাল, ডাল, পেঁয়াজ, চিনিসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য ছিল। ব্যবসায়ীদের প্রায় দেড় কোটি টাকার বেশি মালামাল নৌকাটিতে ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ