বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:৫২ পি.এম
জমির নামজারির ক্ষেত্রে উত্তরাধিকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম রয়েছে। বর্তমানে, উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমির নামজারি করতে হলে সকল ওয়ারিশের নাম অন্তর্ভুক্ত করে যৌথ নামজারি করতে হবে। যদি ওয়ারিশদের মধ্যে জমি ভাগ করে পৃথক খতিয়ান করতে হয়, তাহলে নিবন্ধিত বণ্টননামা প্রয়োজন হবে। এর ফলে, জমির মালিকানা-সংক্রান্ত রেকর্ড হালনাগাদ করার জন্য ওয়ারিশদের সঠিক তথ্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখা অত্যন্ত জরুরি।
জমি কেনার পর কিংবা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়ার পর সরকারি ভূমি রেকর্ডে মালিকানার তথ্য হালনাগাদ করার প্রক্রিয়াকে নামজারি বলা হয়। এটি জমির মালিকানা-সংক্রান্ত রেকর্ড সঠিকভাবে রাখা এবং ভূমি উন্নয়ন করসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
উত্তরাধিকার সূত্রে জমির নামজারিতে নতুন নিয়ম
সব ওয়ারিশের নাম দিতে হবে
উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমির নামজারির আবেদন করার সময় মৃত ব্যক্তির সব ওয়ারিশের নাম উল্লেখ করতে হবে। প্রত্যেক ওয়ারিশের আইনগত প্রাপ্য অংশ অনুযায়ী তাদের সহ-অংশীদার হিসেবে খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
বণ্টননামা ছাড়াই করা যাবে যৌথ নামজারি
যদি ওয়ারিশদের মধ্যে জমি আনুষ্ঠানিকভাবে ভাগ করা না হয়, তাহলে যৌথ নামজারির আবেদন করা যাবে। তবে নিবন্ধিত বণ্টননামা না থাকার কারণে আবেদন বাতিল করা যাবে না।
তবে জমির অংশ ভাগ করে প্রত্যেক ওয়ারিশের নামে পৃথক খতিয়ান করতে চাইলে নিবন্ধিত বণ্টননামা প্রয়োজন হবে।
আবেদনের সঙ্গে লাগবে ওয়ারিশ সনদ
উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমির নামজারির ক্ষেত্রে ওয়ারিশ সনদ একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র অথবা সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কাছ থেকে এ সনদ সংগ্রহ করা যেতে পারে।
সনদে সব ওয়ারিশের তথ্য সঠিকভাবে উল্লেখ থাকা জরুরি। তথ্যের অসংগতি থাকলে আবেদন নিষ্পত্তিতে জটিলতা তৈরি হতে পারে।
পৃথক খতিয়ানের জন্য নিবন্ধিত বণ্টননামা
ওয়ারিশরা নিজেদের মধ্যে জমি ভাগ করে আলাদা খতিয়ান করতে চাইলে নিবন্ধিত বণ্টননামা সম্পন্ন করতে হবে। এরপর বণ্টন অনুযায়ী প্রত্যেকে নিজের অংশের জন্য পৃথক নামজারির আবেদন করতে পারবেন।
নামজারির জন্য যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন
জমি কীভাবে অর্জিত হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট রেকর্ডের ধরন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নথিপত্র ভিন্ন হতে পারে। সাধারণত যেসব কাগজপত্র লাগতে পারে—
১. নিবন্ধিত দলিলের কপি: জমি কেনার মাধ্যমে মালিকানা অর্জন করলে।
২. আগের খতিয়ানের কপি: সংশ্লিষ্ট জমির বিদ্যমান খতিয়ান।
৩. জমির বিবরণ: দাগ নম্বর, জমির পরিমাণ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য।
৪. জাতীয় পরিচয়পত্র: আবেদনকারীর পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য।
৫. ওয়ারিশ সনদ: উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমির ক্ষেত্রে।
৬. মৃত্যুসনদ: প্রযোজ্য ক্ষেত্রে।
৭. নিবন্ধিত বণ্টননামা: ওয়ারিশদের মধ্যে জমি ভাগ করে পৃথক খতিয়ান করতে চাইলে।
৮. অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথি: সরকারি ফি পরিশোধের তথ্যসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চাওয়া কাগজপত্র।
আবেদনের আগে দলিল, খতিয়ান, দাগ নম্বর, জমির পরিমাণ ও মালিকানার তথ্য মিলিয়ে নেওয়া উচিত। নথিপত্রে অসংগতি থাকলে আবেদন নিষ্পত্তিতে দেরি হতে পারে।
অনলাইনে নামজারির আবেদন করবেন যেভাবে
ভূমি মন্ত্রণালয়ের সরকারি ওয়েবসাইট l and.gov.bd থেকে ই-নামজারি সেবায় প্রবেশ করে আবেদন করা যায়। আবেদন করতে সাধারণত নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হয়।
প্রথম ধাপ: সরকারি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ই-নামজারি সেবার লিংক নির্বাচন করুন।
দ্বিতীয় ধাপ: আবেদনকারীর পরিচয়, জমির অবস্থান, খতিয়ান ও দাগ নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করুন।
তৃতীয় ধাপ: জমি কেনার মাধ্যমে নাকি উত্তরাধিকার সূত্রে মালিকানা অর্জিত হয়েছে, তা উল্লেখ করুন। উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমির ক্ষেত্রে সব ওয়ারিশের তথ্য সঠিকভাবে দিন।
চতুর্থ ধাপ: নিবন্ধিত দলিল, খতিয়ান, ওয়ারিশ সনদ এবং প্রযোজ্য অন্যান্য কাগজপত্র নির্দেশনা অনুযায়ী সংযুক্ত করুন।
পঞ্চম ধাপ: আবেদন জমা দিয়ে নির্ধারিত সরকারি ফি পরিশোধ করুন। আবেদন নম্বর বা ট্র্যাকিং তথ্য সংরক্ষণ করুন।
ষষ্ঠ ধাপ: অনলাইনে আবেদনের অগ্রগতি অনুসরণ করুন। সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস অতিরিক্ত তথ্য বা কাগজপত্র চাইলে নির্ধারিত নিয়মে তা জমা দিন।
আবেদনের আগে সরকারি পোর্টালে দেওয়া সর্বশেষ নির্দেশনা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফি যাচাই করে নেওয়া ভালো। নথিপত্রের যথার্থতা, জমির ধরন এবং কোনো আপত্তি রয়েছে কি না, তার ওপর আবেদন নিষ্পত্তির সময় নির্ভর করতে পারে।
নামজারি না করলে কী ধরনের সমস্যা হতে পারে?
জমি কেনার পর বা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়ার পর ভূমি রেকর্ডে মালিকানার তথ্য হালনাগাদ না করলে বিভিন্ন প্রশাসনিক ও মালিকানা-সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হতে পারে। ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ, জমি হস্তান্তর এবং মালিকানার তথ্য যাচাইয়ের সময়ও সমস্যায় পড়তে হতে পারে।
জমি নিয়ে বিরোধ বা প্রতারণার আশঙ্কা দেখা দিলে সঠিক ও হালনাগাদ নথি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে নামজারিই জমির চূড়ান্ত মালিকানার একমাত্র প্রমাণ নয়। নিবন্ধিত দলিল, উত্তরাধিকার-সংক্রান্ত কাগজপত্র, দখল এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথিও মালিকানা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ।
সুতরাং, জমির মালিকানা-সংক্রান্ত নথি সংরক্ষণের পাশাপাশি সময়মতো নামজারি সম্পন্ন করা প্রয়োজন। বিশেষ করে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমির ক্ষেত্রে সব ওয়ারিশের নাম অন্তর্ভুক্ত করে যৌথ নামজারি করতে হবে। আর জমি ভাগ করে পৃথক খতিয়ান করতে চাইলে নিবন্ধিত বণ্টননামার বিধান অনুসরণ করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার নির্বাহী অফিসার এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে হাকিমপুর, নবাবগঞ্জ, বিরামপুর ও ঘোড়াঘাট এই ৪টি উপজেলা নিয়ে একটি জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে আগামী ২৭ অক্টোবর বিরামপুর সরকারি কলেজ মাঠে এই জব ফেয়ার আয়োজন করা হবে। এই প্রেক্ষিতে বিরামপুর সরকারি কলেজ মাঠে ২৭টি স্টল প্রস্তুত করা হয়েছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বিরামপুর সরকারি কলেজ মাঠে জব ফেয়ার অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি পরিদর্শন করেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা: এজেডএম জাহিদ হোসেন।
এ সময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, "বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সেবা ও পণ্য কীভাবে বাজারজাত ও বিপণন করা যায়, সে বিষয়ে জব ফেয়ারে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের কার্যক্রম তুলে ধরবে। এতে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে এবং আয় বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, "এটি একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল। এ এলাকার মানুষ ঢাকায় গিয়ে চাকরি খুঁজতে নানা সমস্যার মুখে পড়েন। জব ফেয়ারের মাধ্যমে তারা চাকরি ও কর্মসংস্থান সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয় জানতে ও বুঝতে পারবেন। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারবেন বলে তিনি মনে করেন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : রাজধানীর মোহাম্মদপুরে গোপন বৈঠক করার সময় নাশকতার উদ্দেশ্যে গ্রেফতার হওয়া ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের চারজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
পুলিশ আজ তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করে। এরপর তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন— ছাত্রলীগের ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য মো. জালাল উদ্দিন (৩২), ভালুকা ছাত্রলীগের হবিরবাড়ী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি মো. নাঈম হাসান ডালিম (৩২), একই ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সদস্য মো. মাহমুদুল হাসান মামুন (৩৪) এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সদস্য মো. আল-আমিন (৩৫)।
মোহাম্মদপুর থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন (জিআর) শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক মিজানুর রহমান বাসসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বুধবার, মোহাম্মদপুর থানাধীন ঢাকা উদ্যানের ‘সি’ ব্লক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, বুধবার মোহাম্মদপুর থানাধীন ঢাকা উদ্যান মেইন রোডের হাজী দিল মোহাম্মদ অ্যাভিনিউয়ের ৩৯ নম্বর বাসার গ্যারেজের ভেতরে তারা সরকারবিরোধী কার্যক্রম ও নাশকতার উদ্দেশ্যে গোপন বৈঠক করছিলেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কতিপয় দুষ্কৃতকারী বৈঠক থেকে ছত্রভঙ্গ হয়ে বিভিন্ন দিকে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় চারজনকে গ্রেফতার করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা ২০-৩০ জন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শুধু ভালো ফল অর্জন করলেই সুনাগরিক হয়ে উঠতে হবে, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়িত্ববোধ নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন এই বক্তব্যটি জাতীয় বন্ধুজন পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রদান করেন।
ভোলায় ২০২৬ সালের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি উপস্থিত ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১০টায় সাবেক মন্ত্রী মরহুম মোশারেফ হোসেন শাজাহানের বাসভবন প্রাঙ্গণে ‘জাতীয় বন্ধুজন পরিষদ’-এর উদ্যোগে এ সম্মাননা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ভোলা সদর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ১৩৫ জন জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর হাতে সম্মাননা ও উপহার তুলে দেওয়া হয়।
জাতীয় বন্ধুজন পরিষদের আহ্বায়ক আসিফ আলতাফ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভোলা জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ গোলাম নবী আলমগীর এবং জাতীয় বন্ধুজন পরিষদের প্রধান সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ ইউনুস।
বক্তারা উল্লেখ করেন, ভালো ফলাফল অর্জনের পাশাপাশি সুনাগরিক হয়ে উঠতে নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়িত্ববোধ নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। তারা তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে থাকার এবং দেশ গড়ায় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সরকারি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ১৩৫ জন জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।
এমন স্বীকৃতি পেয়ে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তারা জানান, এই আয়োজন তাদের ভবিষ্যতে আরও ভালো ফল অর্জন এবং দেশসেবায় অনুপ্রাণিত করবে।
আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মেধার স্বীকৃতি ও উৎসাহ দেওয়ার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আলোচনা সভা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়, যেখানে স্থানীয় ও কৃতী শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। বর্ণাঢ্য এই আয়োজনে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও গণমাধ্যমকর্মীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামে পৃথক তিনটি অভিযানের মাধ্যমে সিএনজি ও বাসে তল্লাশি করে ১ কোটি ১৬ লাখ টাকার মাদক উদ্ধার করেছে এসআরবি।
বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত চন্দনাইশ, আনোয়ারা ও সীতাকুণ্ডে অভিযান পরিচালনা করে ৩৮ হাজার ১৫০ পিস ইয়াবা ও ২০ কেজি গাঁজাসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এ সময় মাদক পরিবহণের জন্য ব্যবহৃত একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা জব্দ করা হয়।
বৃহস্পতিবার এসআরবি-৭-এর মিডিয়া কর্মকর্তা সিনিয়র সহকারী পরিচালক মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ এই তথ্য প্রকাশ করেন।
এসআরবি-৭ জানায়, বুধবার রাতে আনোয়ারার তৈলারদ্বীপ সংলগ্ন সরকারহাট গরুর বাজার এলাকায় একটি অস্থায়ী চেকপোস্টে একটি সবুজ রঙের নাম্বারবিহীন সিএনজিচালিত অটোরিকশা থামানো হয়। পরে অটোরিকশার চালকের আসনের নিচে লুকানো ২৮ হাজার ৫৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় অটোরিকশার চালক সাকিব (১৯) এবং যাত্রী জাহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ৮৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এ সময় মাদক পরিবহণে ব্যবহৃত অটোরিকশাটিও জব্দ করা হয়।
একই দিনে চন্দনাইশ পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের গাছবাড়িয়া বাইন্যা পুকুরপাড় এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে মারসা পরিবহণের একটি বাসে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় যাত্রীবেশে থাকা মো. ফরহাদ-উজ-জামান জয় নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে তার হেফাজত থেকে ৯ হাজার ৬২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এসব ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ২৮ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। এছাড়া সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২০ কেজি গাঁজাসহ জাকির হোসেন নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ