মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৪০ পি.এম
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) মিল্টন সরকার (৪৯) নামের এক ব্যক্তিকে চোরাই মোটরসাইকেলসহ গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশের দাবি, তিনি সংঘবদ্ধ মোটরসাইকেল চোর চক্রের একজন সক্রিয় সদস্য এবং অন্যতম হোতা। তাঁর বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায়, বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও মৌলভীবাজারে, মোট ২৮টি চুরি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটে সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৩টা ৪৫ মিনিটে শ্রীমঙ্গল-হবিগঞ্জ মহাসড়কের হবিগঞ্জ রোডের নুর ফুডস অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের সামনে ডিবির চেকপোস্টে। এ সময় তাঁর কাছ থেকে একটি নম্বরপ্লেটবিহীন নীল-কালো রঙের ইয়ামাহা ১৫৫ সিসি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা বলে পুলিশের হিসাব।
পুলিশ জানায়, চেকপোস্টে মোটরসাইকেলটিকে থামার সংকেত দেওয়া হলে চালক সেটি ঘুরিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। এরপর ডিবির এসআই (নিরস্ত্র) মোহাম্মদ আজিজুল গাফফার সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের সহায়তায় তাঁকে আটক করেন।
মোটরসাইকেলটির বৈধ কাগজপত্র দেখতে চাইলে মিল্টন সরকার কোনো কাগজ দেখাতে পারেননি। তাঁর কথাবার্তায় সন্দেহ হলে পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। রাত ৪টা ১৫ মিনিটে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়।
ডিবির প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, মিল্টন সরকার দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধ একটি চোর চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি সিলেট, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মোটরসাইকেল চুরি করে অজ্ঞাতনামা চোরাকারবারিদের কাছে বিক্রি করতেন।
পুলিশ আরো জানায়, মিল্টন সরকার বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নাম ব্যবহার করতেন। কখনো মিল্টন কুমার সাহা, কখনো মিল্টন সরকার এবং কখনো মো. সোহেল নামে পরিচয় দিতেন।
মৌলভীবাজার জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুদীপ্ত শেখর ভট্টাচার্য জানান, মিল্টন সরকারের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী ও মৌলভীবাজারে মোট ২৮টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে ২১টি এবং মৌলভীবাজারে পাঁচটি মামলা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।
পুলিশ জানায়, চলতি বছরের ২ জানুয়ারি মিল্টন সরকারকে শ্রীমঙ্গলের ভাড়াউড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ওই সময় তাঁর কাছ থেকে দুটি চোরাই মোটরসাইকেল ও মোটরসাইকেল চুরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। সর্বশেষ গ্রেপ্তারের ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের বিশ্বনাথে পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তার করা হয়েছে আব্দুল আজিজ নামের একজন নেতাকে, যিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সদস্য। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার সময় উপজেলার দৌলতপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল আজিজ মাঝপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং দৌলতপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্বনাথ থানার একটি টিম অভিযান চালিয়ে আব্দুল আজিজকে গ্রেপ্তার করে। তিনি সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের হওয়া একটি মামলার আসামি।
বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মো. মাহবুবুর রহমান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আব্দুল আজিজকে বুধবার আদালতে হাজির করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে বিদেশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নকল সিগারেট তৈরির কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানের সময় ৬ কার্টন সিগারেট এবং একটি মেশিন জব্দ করা হয়।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন নাঙ্গলকোট থানার উপ-পরিদর্শক গণেষ চন্দ্র দাস।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৪ আগস্ট নাঙ্গলকোট উপজেলার পেরিয়া ইউনিয়নের আশারকোটা গ্রাম থেকে সেনাবাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের যৌথ অভিযানে একটি সিগারেট তৈরির মেশিন জব্দ করা হয়। ওই সময় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি, ফলে পেরিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেনের জিম্মায় রাখা হয়। ৫ আগস্ট সিগারেট তৈরির মেশিনটি চুরি হয়ে যায়। এ ঘটনায় ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নাঙ্গলকোট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পান উপ-পরিদর্শক গণেষ চন্দ্র দাস।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মঙ্গলবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের গোবিন্দ মানিক্য দিঘিসংলগ্ন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে অবৈধ ডিপুতে অভিযান চালায়। এ সময় বিদেশি মেসি ব্র্যান্ডের ৬ কার্টুন সিগারেট জব্দ করা হয় এবং চোরাই হওয়া সিগারেট তৈরির মেশিনসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন বলেন, "প্রশাসন অভিযানে পাওয়া সিগারেট তৈরির মেশিন আমার জিম্মায় রাখেন। চোরের দল ৫ আগস্ট মেশিনটি চুরি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় আমি অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ৬ আগস্ট নাঙ্গলকোট থানায় একটি মামলা দায়ের করি। মঙ্গলবার পুলিশ সূত্রে জানতে পারলাম চোরাই মেশিনটি চৌদ্দগ্রাম থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।"
নাঙ্গলকোট সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিল্টন চাকমা রাতে জানান, "গত ৪ আগস্ট সেনাবাহিনী ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে উপজেলার পেরিয়া ইউনিয়নের আশারকোটা গ্রাম থেকে নকল বিদেশি সিগারেট তৈরির একটি মেশিন জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় ঘটনাস্থলে কাউকে না পাওয়ায় আমরা জব্দ মেশিনটি স্থানীয় ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেনের কাছে জিম্মায় রাখি। পরে মেশিনটি চুরি হয়ে যায়। এ ঘটনায় ইউপি সদস্য থানায় মামলা করেন।"
চৌদ্দগ্রামের বাতিসায় অভিযান চালানো ডিপুর মালিক সাদ্দাম হোসেন বলেন, "মেশিনটি চোরাই নয়। মেশিনটি চট্টগ্রাম থেকে কিনে নিয়ে এসেছি আমি।" এ প্রতিবেদক ডিপু মালিককে প্রশ্ন করেন, কেনা হলে পুলিশ মেশিনটি কেন নিয়ে যাবে? ডিপু মালিক এ প্রশ্নের কোনোরকম উত্তর দিতে পারেননি।
নাঙ্গলকোট থানার উপ-পরিদর্শক গণেষ চন্দ্র দাস রাতে জানান, "নাঙ্গলকোট থানায় দায়ের হওয়া সিগারেট তৈরির মেশিন চুরির মামলায় তদন্ত করতে গিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আমরা চৌদ্দগ্রামের বাতিসা নামের স্থানে একটি ডিপুতে অভিযান চালাই। অভিযানের মেশিন দিয়ে বিদেশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নকল সিগারেট তৈরির সময় ৯ জনকে গ্রেপ্তার করি। এসময় মেশিনটি এবং ৬ কার্টুন বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নকল সিগারেট জব্দ করি। মামলার তদন্তের স্বার্থে গ্রেপ্তারদের নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ভালুকায় একটি প্রধান শিক্ষকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে, যখন মোটরসাইকেলের গতিরোধ করা হয়। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার ভরাডোবা ইউনিয়নের ভাটগাঁও গ্রামের আলতা মার্কেট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী শিক্ষকের নাম মো. লিয়াকত আলী শেখ, যিনি ভাটগাঁও ডা. এম আমান উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এস এম সারোয়ার জাহান কামাল বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে অভিযুক্ত হিসেবে ভাটগাঁও গ্রামের মগল শেখের ছেলে হেলাল মিয়া (৪৮) এবং তাঁর দুই ছেলে মো. কবির হোসেন (২৬) ও স্বাধীন মিয়াকে (২৪) উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে সহকারী শিক্ষক এস এম সারোয়ার জাহান কামালকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে ভালুকা সদর থেকে বিদ্যালয়ে যাচ্ছিলেন প্রধান শিক্ষক মো. লিয়াকত আলী শেখ। পথে আলতা মার্কেট এলাকায় পূর্ববিরোধের জেরে অভিযুক্তরা চাইনিজ কুড়াল, লোহার রড ও বাঁশের লাঠি নিয়ে তাঁর মোটরসাইকেলের গতিরোধ করেন। পরে তাঁকে মারধর করে আহত করা হয়।
বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসলে হামলাকারীরা হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, প্রধান শিক্ষকের ওপর হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনার প্রতিবাদে এবং হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে ভাটগাঁও ডা. এম আমান উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক-কর্মচারী ও স্থানীয়রা বিক্ষোভ মিছিল করেন। পরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এ বিষয়ে ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, "এ ঘটনায় অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের ডাকনিরপাট বাজারসংলগ্ন কেশরিয়া বিল এখন শ্বেতপদ্মের অপরূপ সৌন্দর্যে সেজেছে। বিস্তীর্ণ জলাশয়জুড়ে ফুটে থাকা হাজারো শ্বেতপদ্মের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখতে প্রতিদিন সকাল-বিকেল ভিড় করছেন বিভিন্ন বয়সী প্রকৃতিপ্রেমী মানুষ। শরতের আবহে শুভ্র পদ্মফুলের সমারোহে বিলটি যেন পরিণত হয়েছে প্রকৃতির এক অনন্য ক্যানভাসে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েক বছর ধরে কেশরিয়া বিলে প্রাকৃতিকভাবে জন্মাচ্ছে বহুবর্ষজীবী জলজ উদ্ভিদ শ্বেতপদ্ম। গ্রীষ্মকাল থেকে ফুল ফোটা শুরু হলেও শরৎকালে এর সৌন্দর্য আরও বেড়ে যায়। বর্তমানে বিলের বিস্তীর্ণ জলরাশিতে ছড়িয়ে রয়েছে অসংখ্য পদ্মফুল।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিলের পানিতে ভেসে আছে বড় বড় গোলাকার সবুজ পাতা। সেসব পাতার মাঝখান থেকে ডাঁটা উঁচু করে ফুটে আছে সাদা রঙের শ্বেতপদ্ম। সবুজ পাতা আর শুভ্র ফুলের সমন্বয়ে চারপাশে তৈরি হয়েছে মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য। ভোরের আলোয় শিশিরভেজা পদ্মপাপড়ি এবং হালকা বাতাসে দুলতে থাকা ফুলগুলো আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। নৌকায় করে বিলের গভীরে গেলে কাছ থেকে উপভোগ করা যায় পদ্মফুলের সৌন্দর্য।
স্থানীয় বাসিন্দা শোভা রায় ও সবিতা রায় জানান, শরৎকালে কেশরিয়া বিলে শ্বেতপদ্মের সমারোহ বেড়ে যায়। প্রতিদিন বিভিন্ন বয়সী মানুষ এখানে এসে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করেন। এই বিলটি এলাকার মানুষের কাছে একটি আকর্ষণীয় প্রাকৃতিক স্থান হয়ে উঠেছে।
কলেজ শিক্ষক সঞ্জীব রায় বলেন, শ্বেতপদ্ম পবিত্রতা, শুভ্রতা ও আধ্যাত্মিক সৌন্দর্যের প্রতীক। সনাতন ধর্মে এ ফুলের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। দেবী সরস্বতী ও লক্ষ্মীর আসন হিসেবেও শ্বেতপদ্ম ব্যবহৃত হয়।
উন্নয়নকর্মী ফরিদুল জুলফিকার বলেন, পদ্মবিল ও পদ্মফুল আমাদের লোকজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। বাস্তুসংস্থানের পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিতেও এর সম্ভাবনা রয়েছে। পদ্মমধু সংগ্রহ, পদ্মবীজের ব্যবহার এবং পর্যটনকেন্দ্রিক জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। তাই কেশরিয়া বিলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় সবাইকে সচেতন হতে হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, কেশরিয়া বিলের শ্বেতপদ্মের সৌন্দর্য সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্যোগ নেবে। একই সঙ্গে বিলের পরিবেশ রক্ষা ও দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে এটি নাগেশ্বরীর অন্যতম আকর্ষণীয় প্রাকৃতিক দর্শনীয় স্থান হিসেবে পরিচিতি পেতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ