ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আন্দোলনে জড়িতদের মিলবে না সরকারি চাকরি


আন্দোলনে জড়িতদের মিলবে না সরকারি চাকরি

নতুন নিয়োগ নীতির আওতায়, যেসব প্রার্থী প্রতিবাদ বা আন্দোলনের সময় সহিংসতায় জড়িত হবেন, তাদের সরকারি চাকরিতে নিয়োগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে। ভারতের উত্তর প্রদেশে যোগী আদিত্যনাথ সরকারের এই পরিবর্তিত নীতির অধীনে, চরিত্র যাচাই সম্পন্ন হওয়ার পূর্বে সাময়িক নিয়োগ দেওয়া সম্ভব, তবে সংবেদনশীল পদগুলোর জন্য বিস্তারিত পটভূমি যাচাই বাধ্যতামূলক। গুরুতর অপরাধের সঙ্গে যুক্ত প্রার্থীরা সরকারি চাকরির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন না। খবরটি ইন্ডিয়া টুডে থেকে প্রকাশিত হয়েছে।

এই নীতিমালার মধ্যে রাজ্যের সরকারি বিভাগ ও অন্যান্য সরকারি সংস্থায় সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে চরিত্র যাচাই এবং পুলিশি পরীক্ষার শর্তাবলি নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন নীতির আওতায় হত্যা, ধর্ষণ, প্রশ্নপত্র ফাঁস, পরীক্ষায় অনিয়ম সংক্রান্ত অপরাধ এবং সাইবার জালিয়াতির মতো গুরুতর অপরাধের সঙ্গে জড়িত প্রার্থীরা সরকারি চাকরির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন না।

আরও পড়ুন: ঢাকায় চাকরির সুযোগ দিচ্ছে স্কয়ার ফুড

নীতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফৌজদারি মামলা সংক্রান্ত তথ্য গোপন করলে নিয়োগ বাতিল হতে পারে। তাই নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময় প্রার্থীদের তাদের ফৌজদারি অতীতের প্রাসঙ্গিক তথ্য প্রকাশ করতে হবে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রার্থীদের চরিত্র যাচাই সম্পন্ন হওয়ার আগেই তাদের সাময়িক নিয়োগ দেওয়া যাবে। তবে সংবেদনশীল পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বিস্তারিত চরিত্র যাচাই ও পটভূমি পরীক্ষা (ব্যাকগ্রাউন্ড চেক) বাধ্যতামূলক থাকবে।

নীতির আওতায়, প্রার্থীদের নিজ জেলায় এবং গত পাঁচ বছরের মধ্যে তারা যেসব জেলায় এক বছরের বেশি সময় ধরে বসবাস করেছেন, সেসব জেলায় পুলিশি যাচাইকরণ করা হবে। সরাসরি নিয়োগের সময় যে যাচাই-বাছাই করা হয়, তার অংশ হিসেবে প্রার্থীদের বসবাসের ইতিহাস খতিয়ে দেখাও এই যাচাইকরণ প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত। নতুন নিয়োগ নীতিটি কেবল সরকারি বিভাগগুলোতেই নয়, বরং করপোরেশন, কাউন্সিল, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, পঞ্চায়েত ও স্থানীয় সংস্থাগুলোতেও সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে বলে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: ই-জোন এইচআরএম লিমিটেডে ১১৬৯ জনের নিয়োগ, বেতন ৩২ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাজাখস্তানকে উড়িয়ে এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের স্বর্ণপদক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০০ পি.এম


কাজাখস্তানকে উড়িয়ে এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের স্বর্ণপদক

এশিয়া কাপ আর্চারিতে শক্তিশালী কাজাখস্তানকে পরাজিত করে বাংলাদেশের আর্চাররা স্বর্ণপদক অর্জন করেছে। ফাইনালে কাজাখস্তানকে ৬-২ সেট পয়েন্টের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে গৌরবময় এই সাফল্য তারা লাভ করেন। বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন আব্দুর রহমান আলিফ, মো: সাগর ইসলাম এবং আব্দুল্লাহ আল মোহাম্মদ রাফি।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ইরাকের সোলাইমানিয়ায় অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপ ওয়ার্ল্ড র‌্যাঙ্কিং টুর্নামেন্ট ২০২৬, লেগ-২-এর রিকার্ভ পুরুষ দলীয় ইভেন্টে প্রথম সেটে বাংলাদেশ ৫০-৫৩ পয়েন্টে পিছিয়ে পড়ে।

তবে বাংলাদেশের আর্চাররা দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় সেটে ৫৫-৫৪, তৃতীয় সেটে ৫৫-৫২ এবং চতুর্থ সেটে ৫২-৫১ পয়েন্ট অর্জন করে। চার সেটের লড়াই শেষে ৬-২ সেট পয়েন্টের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে স্বর্ণপদক নিজেদের করে নেয় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

এই সাফল্য বাংলাদেশের আর্চারির আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অগ্রযাত্রার আরেকটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে গণ্য হচ্ছে। পিছিয়ে পড়ার পরও দলীয় সমন্বয়, আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছেন বাংলাদেশের আর্চাররা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটে পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হান হত্যায় এসআই আকবরের মৃত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০১ পি.এম


সিলেটে পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হান হত্যায় এসআই আকবরের মৃত্যুদণ্ড

সিলেট নগরের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনের মাধ্যমে রায়হান আহমদ হত্যা মামলায় প্রধান আসামী পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। একই সঙ্গে, অপর দুই আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং তিনজনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সিলেটের মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুল মজিদ মুন্সী রায়টি ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় ছয় আসামির মধ্যে পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আশেক এলাহী আদালতে উপস্থিত ছিলেন, অন্য পাঁচ আসামী পলাতক অবস্থায় রয়েছে।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মুমিনুল ইসলাম রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আকবর হোসেন ভূঁইয়া ছাড়া অন্য দুই আসামী কনস্টেবল মো. হারুন অর রশিদ ও টিটু চন্দ্র দাসকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া পুলিশের এসআই মো. হাসান উদ্দিন, এএসআই আশেক এলাহী ও সাংবাদিক আব্দুল আল মামুনকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে পিপি মুমিনুল ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ এই রায়ে প্রাথমিকভাবে সন্তুষ্ট। তবে রায় পর্যালোচনা করে প্রয়োজনে উচ্চ আদালতে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

এদিকে, নিহত রায়হানের মা সালমা বেগমও রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘রায়ে আমি সন্তুষ্ট। এখন প্রধান অভিযুক্ত আকবর হোসেনকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে রায় কার্যকর করলে আমরা শান্তি পাব। রায়হানের আত্মাও শান্তি পাবে।’

তবে আসামিদের পলাতক থাকা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন সালমা বেগম। তিনি বলেন, ‘আজকে তো শুধু কাগজে-কলমে রায় হবে। আসামিরা তো শাস্তি পাচ্ছে না। আসামিরা শাস্তি না পেলে আমার ছয় বছরের অপেক্ষা আর কষ্ট বিফলে গেল।’

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ১০ অক্টোবর মধ্যরাতে সিলেট নগরের কাষ্টঘর এলাকা থেকে রায়হানকে ধরে নিয়ে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে আটকে নির্যাতন করা হয়। পরদিন সকালে তার মৃত্যু ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, নির্যাতনের সময় এক পুলিশ সদস্যের মোবাইল ফোন থেকে রায়হানের পরিবারের কাছে টাকা চাওয়া হয়েছিল। এ ঘটনায় ১১ অক্টোবর রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার পর সিলেট মহানগর পুলিশের তৎকালীন উপকমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখের তত্ত্বাবধানে তিন সদস্যের একটি কমিটি তদন্ত করে পুলিশ হেফাজতে রায়হানের মৃত্যুর বিষয়ে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়। ১২ অক্টোবর ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াসহ চার পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। আরো তিনজনকে ফাঁড়ি থেকে প্রত্যাহার করা হয়। পরে মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) হস্তান্তর করা হয়।

ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়া আকবরকে ২০২০ সালের ৮ নভেম্বর রাতে ভারতের দনা বস্তি এলাকা থেকে খাসিয়া সম্প্রদায়ের লোকজন আটক করেন। পরদিন তাকে সীমান্তবর্তী দনা এলাকায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

২০২১ সালের ৫ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক আওলাদ হোসেন আদালতে প্রায় এক হাজার ৯০০ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এতে ছয়জনকে আসামী করা হয়। তাদের মধ্যে পাঁচজন পুলিশ সদস্য। তারা হলেন এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া, এসআই হাসান উদ্দিন, এএসআই আশেক এলাহী, কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস ও হারুন অর রশিদ। অপর আসামী আব্দুল আল নোমানের বিরুদ্ধে ঘটনার পর ভিডিও ফুটেজ গায়েব করার অভিযোগ আনা হয়।

গত বছরের ১০ আগস্ট উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান মামলার প্রধান আসামী আকবর। পরদিন ১১ আগস্ট সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি পালিয়ে যান। মামলার অন্য আসামিদেরও পলাতক থাকার বিষয়টি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন রায়হানের মা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোনায় শতবর্ষী ধর্মপল্লী থেকে ৪০ কেজির ঘণ্টা চুরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০২ পি.এম


নেত্রকোনায় শতবর্ষী ধর্মপল্লী থেকে ৪০ কেজির ঘণ্টা চুরি

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে অবস্থিত শতবর্ষী রানীখং সাধুযোসেফের খ্রিষ্টীয় ধর্মপল্লী থেকে প্রায় ৪০ কেজি ওজনের একটি ঘণ্টা চুরি যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ধর্মপল্লী কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চুরি হওয়া ঘণ্টাটির মূল্য এক লাখ টাকার বেশি। এই ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) গভীর রাতে উপজেলার কুল্লাগড়া ইউনিয়নের রানীখং সাধুযোসেফের ধর্মপল্লীতে চুরির এই ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে বিষয়টি সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন ধর্মপল্লী কর্তৃপক্ষ।

ধর্মপল্লীর ম্যানেজার পলিনুস রুরাম জানান, রাতের বেলা সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন। ভোরে প্রার্থনার সময় ঘণ্টা বাজানোর চেষ্টা করতে গিয়ে তারা ঘণ্টাটি খুঁজে পাননি। পরে ঘণ্টাটির সন্ধানে খোঁজাখুঁজি করেও কিছুই পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও জানান, ঘণ্টাটির ওজন প্রায় ৪০ কেজি এবং মূল্য এক লাখ টাকার বেশি। পাঁচ বছর আগে এটি সংগ্রহ করা হয়েছিল। এই ঘটনার পর থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে এমন চুরির ঘটনায় কর্তৃপক্ষ উদ্বিগ্ন। চুরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে ঘণ্টাটি উদ্ধারের দাবি জানান তিনি।

স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, শতবর্ষী এই ধর্মপল্লীর ঘণ্টাটি ধর্মীয় কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল।

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ এ বিষয়ে বলেন, ‘চুরির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পুলিশ সুপারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, সংঘবদ্ধ চোর চক্র এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। এ ঘটনায় মামলা গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।’

ওসি আরও বলেন, ‘ধর্মপল্লীটিতে দিনে লোকজন থাকলেও রাতে কোনো নিরাপত্তাকর্মী নেই। সিসিটিভি ক্যামেরাও সেখানে স্থাপন করা হয়নি। এ বিষয়ে ধর্মপল্লীর ফাদারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। ডেপুটি স্পিকারের নির্দেশে সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হেমন্তের বিকেলে শীতলক্ষ্যাপাড়ে ভিড়, পরিবেশ সুরক্ষা চান পর্যটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৩ পি.এম


হেমন্তের বিকেলে শীতলক্ষ্যাপাড়ে ভিড়, পরিবেশ সুরক্ষা চান পর্যটক

১৪৩৩ বঙ্গাব্দের আজ ১৩ কার্তিক। হেমন্তকাল চলছে। শীতের আগমন সামনে। নদীকেন্দ্রিক প্রকৃতিতে এই সময় নির্মল আকাশের সাথে শান্ত জলরাশির মিলন ঘটে। তবে শীতলক্ষ্যা নদীতে কচুরিপানার সৌন্দর্য বেড়ে গেছে।

প্রকৃতির নিয়ম অনুযায়ী ঋতুর পালাবদল ঘটে। শরতের পর হেমন্তের প্রকৃতিতে শীতের আগমনী বার্তা আসে। নীল আকাশে সাদা মেঘ, নদীর শান্ত জলের প্রবাহ এবং তার বুকে ভেসে থাকা কচুরিপানার সবুজের সমারোহ এখন গাজীপুরের শীতলক্ষ্যা নদীকে ঘিরে রয়েছে। গ্রামবাংলার এই পরিচিত রূপে প্রকৃতিপ্রেমীরা মুগ্ধ হয়ে পড়ছেন।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে শীতলক্ষ্যা নদের কালীগঞ্জের খপয়াঘাট এলাকায় সেখানে ঘুরতে আসা বেশ কয়েকজনের সঙ্গে দেখা হয়। তাদের মতে, হেমন্তের বিকেলের এই দৃশ্য তাদের কাছে প্রকৃতির ক্যানভাসে আঁকা অপরূপ ছবি। কোথাও শান্ত জলে ভেসে থাকা কচুরিপানা, কোথাও দলবদ্ধ সবুজ জলজ উদ্ভিদের ভেলা। নদীর তীর ঘেঁষে বিস্তৃত জনপদ এবং দূরের গাছপালা মিলিয়ে সৃষ্টি করেছে মনোরম দৃশ্য। হেমন্তের এই প্রকৃতি জানিয়ে দিচ্ছে শীত আসতে বেশি দেরি নেই।

বাংলার ছয় ঋতুর মধ্যে হেমন্তের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য রয়েছে। বর্ষার জলমগ্ন প্রকৃতি ধীরে ধীরে শুষ্কতার দিকে এগিয়ে যায় এ ঋতুতে। মাঠে মাঠে পাকা ধানের সোনালি আভা, ভোরের শিশিরভেজা ঘাস এবং হালকা শীতের পরশ গ্রামবাংলায় নিয়ে আসে নতুন আবহ। এর প্রভাব নদীকেন্দ্রিক জনপদে সবচেয়ে বেশি পড়ে।

আবহাওয়া পরিবর্তনের সাথে সাথে নদীর পাড়ের পরিবেশে ভিন্নমাত্রা যোগ হয়। তবে শীতলক্ষ্যার সৌন্দর্যের আড়ালে নদীটির পরিবেশ ও নাব্যতা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। কচুরিপানার সৌন্দর্য থাকলেও নদীর পানিতে এর বিস্তার জলপ্রবাহ ও নৌযান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে। পাশাপাশি নদীদূষণ, দখল এবং পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হয়।

নদীর প্রকৃত সৌন্দর্য ও পরিবেশগত ভারসাম্য সুরক্ষায় নিয়মিত পরিচর্যা, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং দখলমুক্ত রাখা প্রয়োজন বলে মত দর্শনার্থী ও নদীপারের মানুষের।

বাংলাদেশ নদী বাঁচাও আন্দোলনের যুগ্ম সম্পাদক ডা. বোরহান উদ্দিন অরণ্য কালের কণ্ঠকে বলেন, "প্রকৃতিকে রক্ষায় নদীরক্ষার বিকল্প নেই। শীতলক্ষ্যা নদীর কচুরিপানা স্থায়ীভাবে দূর করতে না পারলে নদীর প্রাণ স্থবির হয়ে পড়বে। তাই নদী রক্ষায় সবার সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি।"

এদিকে, হেমন্তের শুরু থেকেই শীতলক্ষ্যার ঘাটে দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা যাচ্ছে। কালীগঞ্জ খেয়াঘাটের ফুসকা বিক্রেতা হাবিবা আক্তার কালের কণ্ঠকে জানান, "সকালে ক্রেতা তেমন হয় না। তাই দুপুরের পর দোকান খোলেন তিনি। বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত অনেক দর্শনার্থী নদী দেখতে আসেন। তারা ফুচকা খেতে খেতে নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করেন।"

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ টি এম কামরুল ইসলাম বলেন, "নদী ও নদীর সৌন্দর্য রক্ষায় বর্তমান সরকার সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছে। খুব শিগগির বিষয়টি ভালোভাবে দৃশ্যমান হবে আশা করি। শীতলক্ষ্যার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও নাব্যতা রক্ষায় আমরা কাজ করছি।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%