ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নেইমারকে নিয়ে বড় দুঃসংবাদ দিলো ব্রাজিল


নেইমারকে নিয়ে বড় দুঃসংবাদ দিলো ব্রাজিল

গ্রুপ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে মাঠে নামবে ব্রাজিল। কিন্তু এই ম্যাচে নেইমার জুনিয়র খেলতে পারবেন না। ৩৪ বছর বয়সী এই তারকা দলের সঙ্গে ফিলাডেলফিয়ায় যাচ্ছেন না।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) একটি বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সিবিএফ জানিয়েছে, নেইমার চোট থেকে সেরে ওঠার প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে দলের সঙ্গে ফিলাডেলফিয়ায় যাচ্ছেন না। তিনি নিউ জার্সিতে আধুনিক অনুশীলন সুবিধা ও পুনর্বাসন ব্যবস্থার মধ্যে তার শেষ ধাপের রিকভারি সম্পন্ন করবেন।

আরও পড়ুন: জামায়াতের দাবি, আইজিপির বক্তব্য সংবিধান ও আইনের শাসনের পরিপন্থী

এছাড়া, মাসখানেক আগে সান্তোসের হয়ে খেলতে গিয়ে ডান পায়ের কাফে গ্রেড-টু মাংসপেশির চোট পেয়ে বসেছে নেইমার। সেই চোটের কারণে বিশ্বকাপের প্রস্তুতির বড় একটি অংশ তিনি মাঠের বাইরে কাটাতে বাধ্য হয়েছেন।

তবে অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের দিক বিবেচনা করে কোচ কার্লো আনচেলত্তি তাঁকে বিশ্বকাপ দলে রেখেছিলেন। যদিও মরক্কোর বিপক্ষে খেলা হয়নি তার।

গতকাল বিশ্বের প্রথমবারের মতো সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলনে দেখা যায় নেইমারকে। তিনি রাফিনিয়া, ব্রুনো গিমারাইস, গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস ও ফাবিনিয়োর সঙ্গে অনুশীলনে অংশ নেন। তবে নেইমারের উপস্থিতি ছিল খুবই সংক্ষিপ্ত।

দলের সঙ্গে কিছুক্ষণের কাজ করার পর তিনি আবার আলাদা হয়ে ব্যক্তিগত পুনর্বাসন কার্যক্রমে ফিরে যান। এর আগের দিনও তিনি কোচিং স্টাফের তত্ত্বাবধানে একা দৌড় ও ফিটনেস অনুশীলন করেছিলেন।

আরও পড়ুন: ক্রসফায়ারের চিন্তা পুলিশের ব্যর্থতা ও ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রকাশ: আমীনের উদ্বেগ

ব্রাজিল শিবিরের আশা, নকআউট পর্ব শুরুর আগে নেইমার পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠবেন। তাই হাইতি ম্যাচ ছাড়া গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষেও তাকে বিশ্রামে রাখা হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
সুনামগঞ্জে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ

‘শান্তি প্রতিষ্ঠায় সম্মিলিত উদ্যোগের অবলম্বন রয়েছে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫০ পি.এম


‘শান্তি প্রতিষ্ঠায় সম্মিলিত উদ্যোগের অবলম্বন রয়েছে’

‘সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জে ধর্মীয়, সামাজিক ও রাজনৈতিক সম্প্রীতি জোরদারের লক্ষ্যে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুনামগঞ্জ সদর পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি)-এর উদ্যোগে এবং দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের এমআইপিএস (গওচঝ) প্রকল্পের সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

সুনামগঞ্জ সদর পিএফজির আন্তঃধর্মীয় সাব-কমিটির আহ্বায়ক লেখক ও কলামিস্ট সুখেন্দু সেন হারুর সভাপতিত্বে এবং পিএফজি সমন্বয়কারী ফজলুল করিম সাইদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সমর কুমার পাল। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মতিউর রহমান খান। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাফেজ লোকমান আহমেদ। গীতা পাঠ করেন কৃষ্ণ গোপাল গোস্বামী, বাইবেল পাঠ করেন ডেনিস চক্রবর্তী এবং ত্রিপিটক পাঠ করেন বিটু বড়ুয়া। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন দি হাঙ্গার প্রজেক্টের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী নাজমুল হুদা মিনা। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন আন্তঃধর্মীয় সাব-কমিটির সদস্য সচিব মাওলানা ফয়জুন্নুর ফয়েজ।

সংলাপে জানানো হয়, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের মাল্টি-স্টেকহোল্ডার ইনিশিয়েটিভ ফর পিস অ্যান্ড স্ট্যাবিলিটি (গওচঝ) প্রকল্পের আওতায় গঠিত পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি) স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও সামাজিক সহিংসতা প্রতিরোধ, সংলাপের সংস্কৃতি বিকাশ এবং পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে কাজ করছে। বক্তারা বলেন, গুজব, ঘৃণামূলক প্রচারণা ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ, তরুণদের মধ্যে সহনশীলতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিকাশ নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

তারা আরও বলেন, সহিংসতা শুধু সামাজিক অস্থিরতাই নয়, এর বিশেষ নেতিবাচক প্রভাব পড়বে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, অবকাঠামো উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা ও পর্যটনসহ জাতীয় অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে। তাই টেকসই উন্নয়নের জন্য শান্তি, সহিষ্ণুতা ও সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সমর কুমার পাল বলেন, পিএফজির এটি একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এ ধরনের আয়োজন শুধু সভাকক্ষে সীমাবদ্ধ না রেখে যদি উন্মুক্ত স্থানে আয়োজন করা হয়, তাহলে আরও বেশি মানুষের কাছে শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। তিনি বলেন, “আমি হাসাউড়া গ্রামে পিএফজির একটি সম্প্রীতি সমাবেশে অংশ নিয়েছিলাম। আমার মনে হয়, এ ধরনের কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।”

এ সময় বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সুফিয়ান, দৈনিক সুনামগঞ্জের খবর-এর সম্পাদক পঙ্কজ দে, দৈনিক প্রথম আলো-এর স্টাফ রিপোর্টার অ্যাডভোকেট খলিল রহমান, পিস অ্যাম্বাসেডর সিরাজুল ইসলাম পলাশ, সালেহীন চৌধুরী শুভ, বিভু চক্রবর্তী সহ আরও অনেক প্রতিনিধি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রীমঙ্গলে হারমোনি ফেস্টিভ্যাল উদ্বোধন করবেন পর্যটন মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫১ পি.এম


শ্রীমঙ্গলে হারমোনি ফেস্টিভ্যাল উদ্বোধন করবেন পর্যটন মন্ত্রী

সিলেট বিভাগের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী খাবার, পণ্য ও বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিকে তুলে ধরতে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে কোমল গানির মধ্যে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী ‘হারমোনি ফেস্টিভ্যাল সিজন-২’। এই উৎসবটি শ্রীমঙ্গল উপজেলার ফিনলে চা বাগানের ফুলছড়া মাঠে বৃহস্পতিবার শুরু হবে এবং চলবে আগামী ২১ জুন পর্যন্ত। উৎসবের উদ্বোধন করবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মিজ আফরোজা খান এমপি। অনুষ্ঠানে গেস্ট আব অনার হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এমপি, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এমপি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, সংসদ সদস্য নাসের রহমান, সংসদ সদস্য মোঃ মুজিবুর রহমান চৌধুরী, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ কানিজ মওলা। সভাপতিত্ব করবেন বেসামারিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ ফাহমিদা আখতার, এনডিসি।

গত বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে উৎসবের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) সালেহা বিনতে সিরাজ। তিনি জানান, এই উৎসবের মাধ্যমে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতি, হস্তশিল্প, ঐতিহ্যবাহী খাবার ও পর্যটন সম্ভাবনাকে দেশ-বিদেশের দর্শনার্থীদের কাছে তুলে ধরা হবে। প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মহিবুল্লাহ আকনসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

এ উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুক্রবার বিকেল ৩টায় শুরু হবে, যা বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের আয়োজনে এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, তিন দিনব্যাপী এই উৎসবে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী পণ্যের প্রদর্শনী ও বিক্রয়, স্থানীয় খাবারের স্টল এবং বিভিন্ন বিনোদনমূলক আয়োজন থাকবে। আয়োজকরা দেশি-বিদেশি পর্যটকসহ সর্বস্তরের মানুষকে উৎসবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ই-জিপি আরও ব্যবহারবান্ধব ও অংশীজনমুখী করতে হবে : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫৩ পি.এম


ই-জিপি আরও ব্যবহারবান্ধব ও অংশীজনমুখী করতে হবে : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন, সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় অধিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) ব্যবস্থাকে আরও ব্যবহারবান্ধব করতে হবে। যাতে সব অংশীজন সহজে নিবন্ধন করতে পারে এবং সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই অংশ নিতে পারে।

আজ বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন প্রাঙ্গণে অবস্থিত বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) ভবনের সম্মেলন কক্ষে, বিপিপিএ কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথাগুলো বলেন।

বিপিপিএর ১০ সদস্যবিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী প্রতিমন্ত্রী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বাস্তবায়ন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব সিরাজুন নূর চৌধুরী এবং বিপিপিএর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) এস এম মঈন উদ্দীন আহম্মেদ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বিপিপিএর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার সংস্কারের পটভূমি, ডিজিটাল রূপান্তর, বিদ্যমান আইন ও বিধিমালা, ই-জিপি ব্যবস্থার অগ্রগতি, বিপিপিএর সাংগঠনিক কাঠামো, টেকসই সরকারি ক্রয় (এসপিপি), বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা তুলে ধরেন।

প্রতিমন্ত্রী বিপিপিএকে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত জানার জন্য পরামর্শমূলক সভা আয়োজনের নির্দেশনা দেন।

তিনি বলেন, এ ধরনের সভা বিপিপিএর জনবল ও সক্ষমতা উন্নয়ন, ই-জিপি প্ল্যাটফর্মকে আরও সহজীকরণ এবং এর আওতা সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা নিরূপণে সহায়ক হবে।

তিনি সরকারি ক্রয়ে দরপত্রদাতাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে ই-জিপি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বিকেন্দ্রীকরণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে বিপিপিএর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, শিগগিরই একটি অংশীজন পরামর্শ সভার আয়োজন করা হবে। এসব সভায় প্রাপ্ত মতামতের ভিত্তিতে বিপিপিএ এবং ই-জিপি ব্যবস্থার সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন করে সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হবে।

বিপিপিএর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরও জানান, সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করার জন্য সরকারি ক্রয় আইন ও সরকারি ক্রয় বিধিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধনের প্রস্তাবও সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যমুনানদীর তীররক্ষা প্রকল্পের স্লোপিং ব্লকে ধ্বস সাঘাটায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫৩ পি.এম


যমুনানদীর তীররক্ষা প্রকল্পের স্লোপিং ব্লকে ধ্বস সাঘাটায়

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার গোবিন্দপুরে যমুনা নদীর তীর প্রকল্পের ব্লকে ধ্বস দেখা দিয়েছে। নদীর পানির চাপে ১০ নম্বর সাইডে চোখের সামনে নদীতীরের ব্লক ধ্বসে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। তীর সংরক্ষণ ও ভাঙন রোধে প্রায় শত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সিসি ব্লক এবং জিও ব্যাগ ডাম্পিং বাঁধ ভেসে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। ফলে নদী তীরের অন্তত ২৫০ পরিবারের মাঝে ভাঙন আতঙ্কে উদ্যোগ উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। ভাঙনপ্রবণ এলাকার বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সিডিউল বহির্ভূতভাবে দায়সাড়া কাজের কারণে প্রকল্পের এই দশা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝে নেওয়ার আগেই ব্লকে এমন ধ্বসের ঘটনায় নদীর তীরের স্থানীয় শত শত পরিবারের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে জানিয়েছেন, নদী ভাঙন রোধে কোটি কোটি টাকার এই মেগা প্রকল্পে শুরু থেকেই অনিয়ম চলছে। ব্লক স্লোপিং (ঢালু করা) করার ক্ষেত্রে যেটি সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও সিডিউল ছিল, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তা সম্পূর্ণরূপে লঙ্ঘন করে অতি দ্রুত কাজ শেষ করে ফেলেছে। বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই বাঁধের এই নাজুক অবস্থা দেখে যমুনা পাড়ের মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। কাজ শেষ হতে না হতেই বাঁধ ধ্বসে যাওয়ার কারণে হলদিয়া ইউনিয়নের গোবিন্দপুর ও এর আশপাশের এলাকার শত শত পরিবার নতুন করে নদী ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। স্থানীয় আইয়ুব আলী ও মজিবর রহমান জানাচ্ছেন, "সরকার আমাদের নদী ভাঙন থেকে বাঁচাতে কোটি কোটি টাকা খরচ করছে, আর ঠিকাদারের গাফিলাফির কারণে সামান্য পানিতে সব ধ্বসে গেল। আমরা এখন ঘরবাড়ি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছি।"

পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ বুঝে নেওয়ার আগেই এই ধসের ঘটনা ঘটায় প্রকল্পের স্থায়িত্ব ও স্বচ্ছতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। তাৎক্ষণিকভাবে ভাঙন কবলিত এলাকায় পাউবো বা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। নদী পাড়ের মানুষের দাবি, অনতিবিলম্বে এই অনিয়মের তদন্ত করে দায়ী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে এবং যমুনার গ্রাস থেকে গোবিন্দপুর এলাকাকে রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে টেকসই সংস্কার কাজ শুরু করতে হবে। এ ব্যাপারে কথা হলে সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল কবীর বলেছেন, বিষয়টি অবগত হওয়ার পর গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলামের মুঠোফোনে কল দিলেও তিনি ফোন ধরেননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%