ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পটিয়ার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান তিমিরের বিরুদ্ধে দুদকের দুটি মামলা


পটিয়ার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান তিমিরের বিরুদ্ধে দুদকের দুটি মামলা

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ডা. তিমির বরণ চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে। এক মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, তিনি নির্ধারিত সময়ে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি। অন্য মামলায় ৩ কোটি ৮ লাখ ৫০ হাজার ৫৯৩ টাকা ৭৭ পয়সার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও তা ভোগদখলে রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলাগুলি বুধবার (৭ অক্টোবর) দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-১-এ দায়ের করা হয়। দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-১-এর উপ-পরিচালক মো. আল আমিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের নথি অনুসারে, প্রথম মামলাটি দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় করা হয়েছে। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ডা. তিমির বরণ চৌধুরীর নামে ইস্যু করা সম্পদ বিবরণী ফরম গ্রহণ করার পরও তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা পূরণ করে কমিশনে জমা দেননি।

আরও পড়ুন: ধর্মীয় শিক্ষককে মক্তব শিক্ষার্থী ধর্ষণের অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

দুদকের এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানের সময় তিমির বরণ চৌধুরীর কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য ফরম ইস্যু করা হয়। গত ২৯ মার্চ দুদকের কর্মকর্তারা চট্টগ্রামের রহমতগঞ্জের ৬ নম্বর মোমিন রোডের বাসায় গিয়ে তার হাতে মূল সম্পদ বিবরণী ফরম তুলে দেন। তিনি নিজ সইয়ে ফরম গ্রহণ করেন।

দুদকের দাবি, সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য নির্ধারিত ২১ কার্যদিবসের সময় ২৯ এপ্রিল শেষ হলেও তিনি সম্পদ বিবরণী জমা দেননি। এ ছাড়া, তিনি সময় বাড়ানোর জন্যও আবেদন করেননি। এই কারণে তার বিরুদ্ধে ২৬(২) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।

দ্বিতীয় মামলায় ডা. তিমির বরণ চৌধুরীর বিরুদ্ধে ৩ কোটি ৮ লাখ ৫০ হাজার ৫৯৩ টাকা ৭৭ পয়সার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলাটি দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় করা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধান নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৯ সালে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আসে। পরে দুদক অনুসন্ধান শুরু করে। অনুসন্ধানে তার সম্পদের সঙ্গে গ্রহণযোগ্য আয়ের অসঙ্গতি পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।

আরও পড়ুন: নরসিংদী জেলা হাসপাতালে অক্সিজেন প্ল্যান্ট প্রস্তুত, সংযোগ স্থাপন হলেই মিলবে সেবা

দুদকের হিসাব অনুযায়ী, তিমির বরণ চৌধুরীর স্থাবর সম্পদের মধ্যে রহমতগঞ্জ মৌজায় একটি ১০ তলা আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনে তার বিনিয়োগের পরিমাণ ৪ কোটি ৩১ লাখ ৪২ হাজার ৬৫৯ টাকা ৭৭ পয়সা। এ ভবনের নির্মাণকাজ এখনো চলমান রয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানে আরো ১৮ লাখ ৪৭ হাজার ৩০২ টাকার অস্থাবর সম্পদ এবং তার মেয়ের প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষা ব্যয়সহ ৫৩ লাখ ৩ হাজার ৪২২ টাকা পারিবারিক ব্যয়ের তথ্য পাওয়া গেছে বলে এজাহারে দাবি করা হয়। সব মিলিয়ে তার অর্জিত সম্পদ ও পারিবারিক ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫ কোটি ২ লাখ ৯৩ হাজার ৩৮৩ টাকা ৭৭ পয়সা।

অন্যদিকে অতীত সঞ্চয়, পরিচালক ভাতা, ঠিকাদারি ব্যবসা, গৃহসম্পত্তির ভাড়া, জনপ্রতিনিধি হিসেবে সম্মানী, কৃষি আয় ও ঋণসহ মোট ১ কোটি ৯৪ লাখ ৪২ হাজার ৭৯০ টাকা গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস হিসেবে পেয়েছে দুদক।

দুদকের হিসাব অনুযায়ী, মোট সম্পদ ও ব্যয়ের পরিমাণ থেকে গ্রহণযোগ্য আয় বাদ দিলে ৩ কোটি ৮ লাখ ৫০ হাজার ৫৯৩ টাকা ৭৭ পয়সা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন: চাঁদাবাজির কারণে জনগণের ব্যয় বাড়ছে: জামায়াত আমির

দুদকের এজাহারে রহমতগঞ্জের ওই ভবনকে ঘিরে বিস্তারিত হিসাব তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, তিমির বরণ চৌধুরী ও তার দুই ভাই পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া জমির ওপর এক আত্মীয়ের অংশীদারিত্বসহ যৌথভাবে ১০ তলা ভবন নির্মাণ করছেন।

দুদকের দাবি, চুক্তির শর্ত অনুযায়ী আত্মীয়ের মালিকানাধীন অংশের ভবন উন্নয়ন ব্যয়ের একটি অংশও তিমির বরণ চৌধুরী বিনিয়োগ করেছেন। ফলে ভবনটির মোট বিনিয়োগের ৫৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ তার বিনিয়োগের আওতায় আসে। আয়কর রিটার্নে ২০১৭-১৮ থেকে ২০২৩-২৪ করবর্ষ পর্যন্ত তিনি এ খাতে ১ কোটি ৮৬ লাখ ৩০ হাজার ৫৬১ টাকা বিনিয়োগ ব্যয় দেখালেও প্রকৌশলীর পরিমাপ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রকৃত বিনিয়োগ ৪ কোটি ৩১ লাখ ৪২ হাজার ৬৫৯ টাকা ৭৭ পয়সা বলে অনুসন্ধানে উল্লেখ করা হয়েছে। এ হিসাবের ভিত্তিতেই দুদক জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এনেছে।

দুদকের এজাহারে বলা হয়েছে, মামলার তদন্তকালে অন্য কোনো ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা আমলে নেওয়া হবে। মামলাগুলোর তদন্তের ব্যবস্থাও নেওয়া হবে বলে কমিশন জানিয়েছে।

এ বিষয়ে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১-এর উপ-পরিচালক মো. আল আমিন বলেন, ডা. তিমির বরণ চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুটি মামলা করা হয়েছে। একটি সম্পদ বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগে এবং অপরটি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে।

আরও পড়ুন: গাজীপুরে মাদরাসাশিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর, সাত বছরের ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ

দুদকের নথি অনুযায়ী, ডা. তিমির বরণ চৌধুরী ২০১৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত পটিয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এবং পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত এবং চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালের পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন বলে অনুসন্ধান প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তার স্ত্রীও একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেন বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে ডা. তিমির বরণ চৌধুরীর ব্যবহৃত মোবাইলে একাধিকবার ফোন করলেও রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুফিউর রহমান জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের উপদেষ্টা কমিটিতে নির্বাচিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩১ পি.এম


সুফিউর রহমান জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের উপদেষ্টা কমিটিতে নির্বাচিত

বাংলাদেশের অবসরপ্রাপ্ত কূটনীতিক মোহাম্মদ সুফিউর রহমান জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের (ইউএনসিএইচআর) উপদেষ্টা কমিটির সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

এশিয়া-প্যাসিফিক রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিত্বকারী সদস্য হিসেবে তার নির্বাচনের তথ্য বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সের একটি পোস্টের মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে ইউএনসিএইচআর।

১৯৬৪ সালের ১ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণকারী মোহাম্মদ সুফিউর রহমান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে দীর্ঘ সময় ধরে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি জেনেভায় জাতিসংঘের দপ্তরে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এবং সুইজারল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন।

এছাড়া, তিনি অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার এবং নিউজিল্যান্ড ও ফিজিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। শ্রীলঙ্কায়ও বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে তার দায়িত্ব পালন করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। পবিত্র সিংহাসন (হলি সি)-এ বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবেও তিনি কাজ করেছেন।

বর্তমানে, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব পলিসি অ্যান্ড গভর্ন্যান্সে সিনিয়র রিসার্চ ফেলো হিসেবে তার কাজ করার তথ্য পাওয়া গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারত শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ বিষয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩১ পি.এম


ভারত শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ বিষয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি নিয়ে ভারত তাদের অবস্থান পুনরায় স্পষ্ট করেছে। ভারত সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি মূলত একটি ‘আইনি বিষয়’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকরা জানতে চান, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিচার ও রায়সংক্রান্ত নথি ভারত সরকারকে প্রদান করা হয়েছে কি না এবং প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য এটি প্রয়োজনীয় কি না। জয়সওয়াল এই প্রশ্নের উত্তরে বলেন, “প্রত্যর্পণের বিষয়ভিত্তিক আলোচনা বা প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ একটি আইনি বিষয়। এর সঙ্গে নানা ধরনের আইনি জটিলতা ও দিক জড়িত রয়েছে।”

এছাড়া, সংবাদ সম্মেলনে সম্প্রতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর একটি বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয়। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, শেখ হাসিনা ও তার দলের নেতাকর্মীদের ভারতভিত্তিক কর্মকাণ্ড দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে।

এর জবাবে ভারতীয় মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল মন্তব্য করেন, ভারত সবসময় বাংলাদেশের সঙ্গে একটি ‘দূরদর্শী, গঠনমূলক ও ইতিবাচক’ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, এই সম্পর্কের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে দুই দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থ। বর্তমান দ্বিপক্ষীয় সম্পৃক্ততা এই নীতির মাধ্যমেই পরিচালিত হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে ব্যর্থতায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ক্রিস্টা পাইক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩২ পি.এম


মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে ব্যর্থতায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ক্রিস্টা পাইক

যুক্তরাষ্ট্রে বিষাক্ত ইনজেকশন প্রয়োগের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ব্যর্থ প্রচেষ্টার প্রায় এক সপ্তাহ পর অবশেষে জ্ঞান ফিরেছে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি ক্রিস্টা পাইকের। ৫০ বছর বয়সী এই নারী কয়েদি এখন কথা বলতে সক্ষম হয়েছেন এবং তার আইনজীবীরা আশা করছেন যে তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠবেন।

টেক্সাস ও টেনেসির কারা সূত্রে জানা গেছে, বিষাক্ত ড্রাগ 'পেন্টোবার্বিটাল'-এর দুটি ইনজেকশন দেওয়ার পরও অলৌকিকভাবে বেঁচে যান ক্রিস্টা। এরপর তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ন্যাশভিলের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আজ আদালতে হাজির হয়ে ক্রিস্টা পাইকের আইনজীবীরা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার অসংগতি ও ত্রুটি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য-প্রমাণ সংরক্ষণের জন্য বিচারকের কাছে জরুরি আদেশ প্রার্থনা করেছেন। তাদের দায়ের করা জরুরি মোশনের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার এই ঘটনার কারণে ভবিষ্যতে টেনেসি অঙ্গরাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বড় ধরনের আইনি মামলা করা হতে পারে আসামিপক্ষের পক্ষ থেকে।

আইনজীবীরা জানিয়েছেন, মারাত্মক ডোজের 'পেন্টোবার্বিটাল' (Pentobarbital) ইনজেকশন প্রয়োগের পরও ক্রিস্টা বর্তমানে জ্ঞান ফিরে পেয়েছেন এবং স্বাভাবিকভাবে কথা বলছেন। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেও হাসপাতালে তাকে হাতকড়ায় বন্দী রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তার আইনজীবীরা।

উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সালে কলিন স্লেমিয়ার নামের এক ব্যক্তিকে নৃশংসভাবে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন ক্রিস্টা পাইক। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৭ আসামি গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৪ পি.এম


কক্সবাজারে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৭ আসামি গ্রেফতার

কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান চলাকালে গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজার পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন এলাকা থেকে ১৭ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৪ জন চোর/ছিনতাইকারী, ২ জন মাদক সেবনকারী, ৬ জন ধর্তব্য অপরাধে এবং ৫ জন বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি রয়েছে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ জানায়, চোর ও ছিনতাইকারী গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

গ্রেফতার হওয়া চোর/ছিনতাইকারীদের মধ্যে রয়েছেন—দক্ষিণ রুমালিয়ারছড়ার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে মো. রমজান উদ্দিন (১৪), তোতকখালী তাহের মোহাম্মদ ঘোনার মো. শরিয়ত উল্লাহর ছেলে মো. আসিফ ওরফে আশিক উল্ল্যাহ (২৬), পিএমখালী ইউনিয়নের মাইজপাড়ার আমির হামজার ছেলে মো. আরিফ (২৫) এবং ঝিলংজা ইউনিয়নের দক্ষিণ ডিককুলের মো. হোসাইনের ছেলে মো. আরমান (২৬)।

পুলিশের তথ্য অনুসারে, মো. আরিফের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় দুটি পৃথক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলা ২০২৩ সালের ২৭ নভেম্বরের, যেখানে দণ্ডবিধির ১৪৩/৪৪৮/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৩৮৫/৩৭৯/৪২৭/৫০৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্য মামলাটি ২০২২ সালের ২৭ জুলাইয়ের, যেখানে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) (সংশোধন) আইন, ২০১৯-এর ৪/৫ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে, মাদক সেবনের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া দুজন হলেন—ঝিলংজা ইউনিয়নের দক্ষিণ মুহুরীপাড়ার মো. জামাল (২২) এবং কক্সবাজার পৌরসভার বৈদ্যঘোনার রাজু ইসলাম (২০)। পুলিশ জানায়, রাজু ইসলাম বর্তমানে টেকপাড়া মাঝিরঘাট এলাকায় ভাড়াবাসায় বসবাস করছিলেন।

ধর্তব্য অপরাধে গ্রেফতার হওয়া ছয়জন হলেন—কক্সবাজার পৌরসভার বাদশা ঘোনার রবিউল হাসান (২০) ও করিম (২১), রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের সাদরপাড়ার মো. শওকত হোসেন (৩২), কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের মিরপুর এলাকার সুমন চন্দ্র রায় ওরফে হাসান (৪৫), পিএমখালী ইউনিয়নের মাইজপাড়ার রহমত উল্লাহ (৩৬) এবং ঝিলংজা ইউনিয়নের দক্ষিণ হাজীরপাড়ার রবিউল হাসান রাতুল (২২)।

অন্যদিকে, বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হিসেবে গ্রেফতার করা হয়েছে—কক্সবাজার পৌরসভার মঞ্জিল এলাকার মো. শহিদুল ইসলাম প্রকাশ শহিদ, ঝিলংজার জানার ঘোনার এহছানুল হক (৩০), কক্সবাজার সদর এলাকার পেতা সওদাগরপাড়ার খোরশেদ আলম, কক্সবাজার পৌরসভার লাইট হাউস পাড়া-ফতের ঘোনার আবু বক্কর ছিদ্দিক এবং পশ্চিম কুতুবদিয়াপাড়ার মোহাম্মদ আনিস (২৩)। কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট মামলায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%