১০:৩২ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রে বিষাক্ত ইনজেকশন প্রয়োগের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ব্যর্থ প্রচেষ্টার প্রায় এক সপ্তাহ পর অবশেষে জ্ঞান ফিরেছে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি ক্রিস্টা পাইকের। ৫০ বছর বয়সী এই নারী কয়েদি এখন কথা বলতে সক্ষম হয়েছেন এবং তার আইনজীবীরা আশা করছেন যে তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠবেন।
টেক্সাস ও টেনেসির কারা সূত্রে জানা গেছে, বিষাক্ত ড্রাগ 'পেন্টোবার্বিটাল'-এর দুটি ইনজেকশন দেওয়ার পরও অলৌকিকভাবে বেঁচে যান ক্রিস্টা। এরপর তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ন্যাশভিলের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আজ আদালতে হাজির হয়ে ক্রিস্টা পাইকের আইনজীবীরা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার অসংগতি ও ত্রুটি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য-প্রমাণ সংরক্ষণের জন্য বিচারকের কাছে জরুরি আদেশ প্রার্থনা করেছেন। তাদের দায়ের করা জরুরি মোশনের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার এই ঘটনার কারণে ভবিষ্যতে টেনেসি অঙ্গরাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বড় ধরনের আইনি মামলা করা হতে পারে আসামিপক্ষের পক্ষ থেকে।
আরও পড়ুন: ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সরকারের দৃঢ়প্রতিজ্ঞ : এরশাদ উল্লাহ
আইনজীবীরা জানিয়েছেন, মারাত্মক ডোজের 'পেন্টোবার্বিটাল' (Pentobarbital) ইনজেকশন প্রয়োগের পরও ক্রিস্টা বর্তমানে জ্ঞান ফিরে পেয়েছেন এবং স্বাভাবিকভাবে কথা বলছেন। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেও হাসপাতালে তাকে হাতকড়ায় বন্দী রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তার আইনজীবীরা।
উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সালে কলিন স্লেমিয়ার নামের এক ব্যক্তিকে নৃশংসভাবে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন ক্রিস্টা পাইক। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন