ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সৌদিতে হামলা বাড়তেই ‘মক্কা চুক্তি’ কার্যকরের ইঙ্গিত পাকিস্তানের


সৌদিতে হামলা বাড়তেই ‘মক্কা চুক্তি’ কার্যকরের ইঙ্গিত পাকিস্তানের

সৌদি আরবে হুথি বিদ্রোহীদের হামলার বৃদ্ধি ঘটার প্রেক্ষিতে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ মন্তব্য করেছেন যে, এখন মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি কার্যকর করার উপযুক্ত সময় এসেছে। তিনি বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জিও নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই কথা বলেন।

আসিফ উল্লেখ করেন, পাকিস্তান সৌদি আরব এবং পবিত্র নগরী মক্কা ও মদিনার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, প্রতিরক্ষা চুক্তি না থাকলেও এই পবিত্র স্থানগুলোর রক্ষা করা পাকিস্তানের কর্তব্য।

তিনি আরও বলেন, ‘মক্কা চুক্তি আমাদের জন্য প্রযোজ্য এবং আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করব।’ তবে তিনি পাকিস্তানের সম্ভাব্য পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি।

আরও পড়ুন: মালদ্বীপের স্পিকারের সঙ্গে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ, আলোচনা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে

অন্যদিকে, হুথি বিদ্রোহীরা মক্কাকে লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। হুথি মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেছেন, তাদের হামলার লক্ষ্য সৌদি আরবের তেল স্থাপনাগুলি ও সামরিক ঘাঁটিগুলি, যা পবিত্র স্থানগুলো থেকে অনেক দূরে অবস্থিত।

খাজা আসিফ জানিয়েছেন, সৌদি আরবের পক্ষ থেকে পাওয়া একটি বার্তা পাকিস্তান ইরানের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। হুথিদের হামলার কারণে রিয়াদে উদ্বেগ বাড়ার মধ্যে এই বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আসিফ বলেন, তিনি মনে করেন যে, ইরান রাষ্ট্র হিসেবে নতুন করে আরেকটি যুদ্ধের ফ্রন্ট খুলবে না। কারণ, ইরান ইতোমধ্যে এই অঞ্চলের একটি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে।

তিনি আরও জানান, সংঘাত যাতে আরও ছড়িয়ে না পড়ে, সে চেষ্টা পাকিস্তান অব্যাহত রাখবে।

আরও পড়ুন: ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

এদিকে, বৃহস্পতিবার সৌদি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে জানানো হয়েছে, দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তাইফ এলাকায় একটি ড্রোন ভূপাতিত করার পর একজন নিহত ও দুজন আহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তি ইয়েমেনের নাগরিক ছিলেন।

সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হুথিরা ড্রোনটি তাইফের দিকে পাঠিয়েছিল।

হুথিদের হামলা তীব্র হওয়ার পর চলতি মাসে সৌদি আরবে এটিই প্রথম মৃত্যুর ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

আঞ্চলিক সংঘাতের মধ্যে পাকিস্তান নিজেকে একজন আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে পাকিস্তানের সামরিক সম্পর্কও জোরদার হচ্ছে।

আরও পড়ুন: কসোভোতে মুসলিম দেশ হিসেবে অন্য এক দৃষ্টান্ত: ক্যাথলিক নারী নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট

গত ৭ আগস্ট মক্কায় পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটি আক্রান্ত হলে সেটিকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে।

অনেকে এই চুক্তিটিকে ন্যাটোর আর্টিকেল ৫-এর সঙ্গে তুলনা করেছেন। তবে বিশ্লেষকেরা সতর্ক করে বলেছেন, এই বিধানকে খুব আক্ষরিক অর্থে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছুটির দিনেও ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৭ এম


ছুটির দিনেও ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’

ধুলো, ধোঁয়া এবং ক্ষতিকর কণার উপস্থিতি মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। পাশাপাশি, পৃথিবীতে জলবায়ু পরিবর্তন এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে, ২০৫ স্কোর নিয়ে বায়ুদূষণের শীর্ষস্থানে রয়েছে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর। এই বাতাসের মান নাগরিকদের জন্য ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, শুক্রবার ছুটির দিনেও বায়ুমান স্কোর ১৬৫ নিয়ে তালিকার চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। এই বাতাসের মানকেও ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে ধরা হচ্ছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, দূষিত শহরের তালিকায় ২০৫ স্কোর নিয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মালয়েশিয়ার আরেক শহর কুচিং, যার স্কোর ১৯০। তৃতীয় অবস্থানে পাকিস্তানের লাহোর ১৮১ স্কোর নিয়ে রয়েছে, এবং ১৬৫ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা চতুর্থ স্থানে রয়েছে। পঞ্চম স্থানে থাকা ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার স্কোর ১৫৭।

আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে বায়ুর মান ‘মাঝারি বা সহনীয়’ বলে ধরা হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। অন্যদিকে, ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে তা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে ধরা হয়। স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ বিশ্ব বাঁশ দিবস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩০ এম


আজ বিশ্ব বাঁশ দিবস

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং টেকসই অর্থনীতিতে বাঁশের বহুমুখী ব্যবহার তুলে ধরার জন্য শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) পালন করা হচ্ছে।

বর্তমান বছরে দিবসটির প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘Bamboo Beyond Borders’, যার অর্থ হলো ‘সীমানা ছাড়িয়ে বাঁশ’। গ্রামীণ জীবনের ঐতিহ্যবাহী এই উদ্ভিদ বর্তমানে পরিবেশবান্ধব শিল্প, নির্মাণ, খাদ্য এবং জীবিকার একটি সম্ভাবনাময় উপাদান হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে।

বাঁশ কেবলমাত্র গ্রামীণ জীবনের ঐতিহ্যবাহী উপকরণ নয়; এটি পরিবেশ সুরক্ষা, শিল্প, হস্তশিল্প এবং অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আসবাবপত্র, কাগজ, ঘরবাড়ি নির্মাণসহ দৈনন্দিন বিভিন্ন পণ্য তৈরিতে বাঁশের ব্যবহার দীর্ঘকাল ধরে হয়ে আসছে।

বিশ্ব বাঁশ সংস্থার উদ্যোগে প্রতি বছর ১৮ সেপ্টেম্বর দিবসটি পালিত হয়ে থাকে। ২০০৫ সালে World Bamboo Organization (WBO) প্রতিষ্ঠার পর বাঁশের সম্ভাবনা এবং ব্যবহার নিয়ে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা তৈরির কার্যক্রম আরও জোরদার হয়েছে। পরবর্তী সময়ে ২০০৯ সালে ব্যাংককে অনুষ্ঠিত অষ্টম বিশ্ব বাঁশ কংগ্রেসে ১৮ সেপ্টেম্বরকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব বাঁশ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

পরিবেশের জন্য বাঁশের গুরুত্ব অপরিসীম। দ্রুত বেড়ে ওঠা এই উদ্ভিদ কার্বন শোষণ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে বাঁশকে কেন্দ্র করে গ্রামীণ অর্থনীতি, ক্ষুদ্র শিল্প এবং হস্তশিল্পে বহু মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

দিবসটির মূল লক্ষ্য হলো বাঁশের পরিবেশগত এবং অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরা, এর টেকসই ব্যবহার বৃদ্ধি করা এবং দৈনন্দিন জীবনে বাঁশভিত্তিক পণ্যের ব্যবহারকে উৎসাহিত করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি চাকরিতে তদবির করলেই বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩৩ এম


সরকারি চাকরিতে তদবির করলেই বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে

সরকারি কর্মচারীদের চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত তদবিরের জন্য বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। একইসঙ্গে, কোনো কর্মচারীর পক্ষে অন্য ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের দ্বারা করা তদবিরের বিস্তারিত তথ্য চাকরিসংক্রান্ত নথি বা ডোসিয়ারে সংরক্ষণ করার জন্য বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এই নির্দেশনার সাথে সম্পর্কিত চিঠি পাঠানো হয়েছে সব সিনিয়র সচিব ও সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি কর্মচারীদের আচরণ কেমন হবে, তা ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’-এর সংশ্লিষ্ট বিধিতে উল্লেখ রয়েছে।

সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, কিছু সরকারি কর্মচারী চাকরি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে তদবির করার জন্য বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠাচ্ছেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’-এর বিধি ২০-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। একইসঙ্গে, এটি ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’-এর ২(খ) অনুযায়ী অসদাচরণের শামিল।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যদি কোনো সরকারি কর্মচারী তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের মাধ্যমে চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত তদবির করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা’ অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

এছাড়া, কোনো কর্মচারীর পক্ষে করা এ ধরনের তদবিরের বিস্তারিত তথ্য ডোসিয়ারে সংরক্ষণ করতে হবে।

তবে চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো কর্মচারী যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে পারবেন। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এ ধরনের আবেদন সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যে যৌক্তিকভাবে নিষ্পত্তি করতে হবে।

চিঠিতে এ বিষয়ে নিজ নিজ নিয়ন্ত্রণাধীন দপ্তর ও সংস্থাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনুরোধ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৮ সেপ্টেম্বর: ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ঘটনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩৮ এম


১৮ সেপ্টেম্বর: ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ঘটনা

প্রবাদে বলা হয়ে থাকে—‘সময় ও স্রোত’ কারও জন্য অপেক্ষা করে না। সাধারণভাবে বলা যায়, আজ যা অতীত, আগামীকালের জন্য তা-ই ইতিহাস। এই সময়ের মধ্যে ঘটে চলে বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তবে সব ঘটনা ইতিহাসের পাতায় স্থান পায় না। ইতিহাস আমাদের পথ নির্দেশ করে, এবং ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে চলি। এজন্য আমাদের অতীতের উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলি সম্পর্কে জানা প্রয়োজন।

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬। একনজরে দেখা যাক ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

ঘটনাবলি

১১৮০ সালে ফিলিপ আগাস্তাস ফ্রান্সের রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হন।

১৪৩৭ সালে ট্রান্সসালভানিয়োতে কৃষক বিদ্রোহ সংঘটিত হয়।

১৫০২ সালে ক্রিস্টোফার কলম্বাস কোস্টারিকা আবিষ্কার করেন।

১৬৩৫ সালে সম্রাট দ্বিতীয় ফার্দিনান্দ ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।

১৭৩০ সালে ফ্রান্স ও স্পেন শান্তিচুক্তি সম্পাদন করে।

১৮১০ সালে চিলি স্পেনীয় শাসন থেকে মুক্তির জন্য স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৮১৮ সালে চিলি স্পেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে।

১৮৫১ সালে ‘নিউইয়র্ক টাইমস’ পত্রিকা প্রথমবারের মতো প্রকাশিত হয়।

১৯০৬ সালে টাইফুন ও সুনামিতে হংকংয়ে প্রায় ১০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

১৯১৯ সালে নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করে নেদারল্যান্ডস।

১৯২৩ সালে ভারতের জাতীয় কংগ্রেস আইন অমান্য আন্দোলনের ডাক দেয়।

১৯২৪ সালে মহাত্মা গান্ধী হিন্দু-মুসলমান সম্প্রীতির জন্য অনশন শুরু করেন।

১৯৩১ সালে জাপানের সেনাবাহিনী চীনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ভূখণ্ড মাঞ্চুরিয়া দখল করে নেয়।

১৯৩৪ সালে সোভিয়েত রাশিয়া লিগ অব নেশনসের অন্তর্ভুক্ত হয়।

১৯৩৪ সালে মুসোলিনির শাসনে ৮ থেকে ৫৫ বছরের ইতালীয়দের জন্য সামরিক প্রশিক্ষণ নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়।

১৯৬১ সালে সুইডিশ রাজনীতিবিদ ও জাতিসংঘের দ্বিতীয় মহাসচিব দ্যাগ হেমার শোল্ড এক বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন।

১৯৮২ সালে পশ্চিম বৈরুতের ছাটিলা ও সাবগার ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তু শিবিরে গণহত্যা চালায় ইসরাইল।

১৯৮৯ সালে বার্মায় সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে এবং বার্মা রাষ্ট্রের নাম মিয়ানমার হয়।

২০০৭ সালে পাকিস্তানের সামরিক শাসক জেনারেল পারভেজ মোশাররফ নির্বাচনের পর সেনাবাহিনীর প্রধান পদ ছাড়ার ঘোষণা দেন।

জন্ম:

১৮৬৭ সালে চিত্রশিল্পী গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম হয়।

১৮৬৯ সালে বিজ্ঞান লেখক জগদানন্দ রায় জন্মগ্রহণ করেন।

১৯০৫ সালে অভিনেত্রী গ্রেটা গার্বোর জন্ম হয়।

১৯৫৪ সালে মার্কিন মনোবিজ্ঞানী স্টিভেন পিংকার জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৭০ সালে ইংলিশ ক্রিকেটার ড্যারেন গফের জন্ম হয়।

মৃত্যু:

১১৮০ সালে ফ্রান্সের রাজা সপ্তম লুই জন্মগ্রহণ করেন।

১৭৮৩ সালে গণিতজ্ঞ লিওনার্ট অয়লার জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৯৯ সালে বাঙালি চিন্তাবিদ এবং সাহিত্যিক রাজনারায়ণ বসুর জন্ম হয়।

১৯৫৬ সালে প্রাবন্ধিক মোতাহের হোসেন চৌধুরীর জন্ম হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%