শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৩৩ এম
সরকারি কর্মচারীদের চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত তদবিরের জন্য বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। একইসঙ্গে, কোনো কর্মচারীর পক্ষে অন্য ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের দ্বারা করা তদবিরের বিস্তারিত তথ্য চাকরিসংক্রান্ত নথি বা ডোসিয়ারে সংরক্ষণ করার জন্য বলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এই নির্দেশনার সাথে সম্পর্কিত চিঠি পাঠানো হয়েছে সব সিনিয়র সচিব ও সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি কর্মচারীদের আচরণ কেমন হবে, তা ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’-এর সংশ্লিষ্ট বিধিতে উল্লেখ রয়েছে।
সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, কিছু সরকারি কর্মচারী চাকরি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে তদবির করার জন্য বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠাচ্ছেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’-এর বিধি ২০-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। একইসঙ্গে, এটি ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’-এর ২(খ) অনুযায়ী অসদাচরণের শামিল।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যদি কোনো সরকারি কর্মচারী তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের মাধ্যমে চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত তদবির করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা’ অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
এছাড়া, কোনো কর্মচারীর পক্ষে করা এ ধরনের তদবিরের বিস্তারিত তথ্য ডোসিয়ারে সংরক্ষণ করতে হবে।
তবে চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো কর্মচারী যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে পারবেন। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এ ধরনের আবেদন সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যে যৌক্তিকভাবে নিষ্পত্তি করতে হবে।
চিঠিতে এ বিষয়ে নিজ নিজ নিয়ন্ত্রণাধীন দপ্তর ও সংস্থাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনুরোধ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রবাদে বলা হয়ে থাকে—‘সময় ও স্রোত’ কারও জন্য অপেক্ষা করে না। সাধারণভাবে বলা যায়, আজ যা অতীত, আগামীকালের জন্য তা-ই ইতিহাস। এই সময়ের মধ্যে ঘটে চলে বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তবে সব ঘটনা ইতিহাসের পাতায় স্থান পায় না। ইতিহাস আমাদের পথ নির্দেশ করে, এবং ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে চলি। এজন্য আমাদের অতীতের উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলি সম্পর্কে জানা প্রয়োজন।
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬। একনজরে দেখা যাক ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
ঘটনাবলি
১১৮০ সালে ফিলিপ আগাস্তাস ফ্রান্সের রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হন।
১৪৩৭ সালে ট্রান্সসালভানিয়োতে কৃষক বিদ্রোহ সংঘটিত হয়।
১৫০২ সালে ক্রিস্টোফার কলম্বাস কোস্টারিকা আবিষ্কার করেন।
১৬৩৫ সালে সম্রাট দ্বিতীয় ফার্দিনান্দ ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।
১৭৩০ সালে ফ্রান্স ও স্পেন শান্তিচুক্তি সম্পাদন করে।
১৮১০ সালে চিলি স্পেনীয় শাসন থেকে মুক্তির জন্য স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
১৮১৮ সালে চিলি স্পেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে।
১৮৫১ সালে ‘নিউইয়র্ক টাইমস’ পত্রিকা প্রথমবারের মতো প্রকাশিত হয়।
১৯০৬ সালে টাইফুন ও সুনামিতে হংকংয়ে প্রায় ১০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে।
১৯১৯ সালে নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করে নেদারল্যান্ডস।
১৯২৩ সালে ভারতের জাতীয় কংগ্রেস আইন অমান্য আন্দোলনের ডাক দেয়।
১৯২৪ সালে মহাত্মা গান্ধী হিন্দু-মুসলমান সম্প্রীতির জন্য অনশন শুরু করেন।
১৯৩১ সালে জাপানের সেনাবাহিনী চীনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ভূখণ্ড মাঞ্চুরিয়া দখল করে নেয়।
১৯৩৪ সালে সোভিয়েত রাশিয়া লিগ অব নেশনসের অন্তর্ভুক্ত হয়।
১৯৩৪ সালে মুসোলিনির শাসনে ৮ থেকে ৫৫ বছরের ইতালীয়দের জন্য সামরিক প্রশিক্ষণ নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়।
১৯৬১ সালে সুইডিশ রাজনীতিবিদ ও জাতিসংঘের দ্বিতীয় মহাসচিব দ্যাগ হেমার শোল্ড এক বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন।
১৯৮২ সালে পশ্চিম বৈরুতের ছাটিলা ও সাবগার ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তু শিবিরে গণহত্যা চালায় ইসরাইল।
১৯৮৯ সালে বার্মায় সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে এবং বার্মা রাষ্ট্রের নাম মিয়ানমার হয়।
২০০৭ সালে পাকিস্তানের সামরিক শাসক জেনারেল পারভেজ মোশাররফ নির্বাচনের পর সেনাবাহিনীর প্রধান পদ ছাড়ার ঘোষণা দেন।
জন্ম:
১৮৬৭ সালে চিত্রশিল্পী গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম হয়।
১৮৬৯ সালে বিজ্ঞান লেখক জগদানন্দ রায় জন্মগ্রহণ করেন।
১৯০৫ সালে অভিনেত্রী গ্রেটা গার্বোর জন্ম হয়।
১৯৫৪ সালে মার্কিন মনোবিজ্ঞানী স্টিভেন পিংকার জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৭০ সালে ইংলিশ ক্রিকেটার ড্যারেন গফের জন্ম হয়।
মৃত্যু:
১১৮০ সালে ফ্রান্সের রাজা সপ্তম লুই জন্মগ্রহণ করেন।
১৭৮৩ সালে গণিতজ্ঞ লিওনার্ট অয়লার জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৯৯ সালে বাঙালি চিন্তাবিদ এবং সাহিত্যিক রাজনারায়ণ বসুর জন্ম হয়।
১৯৫৬ সালে প্রাবন্ধিক মোতাহের হোসেন চৌধুরীর জন্ম হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের কালকিনিতে চুরি করার চেষ্টা করার সময় স্থানীয়দের হাতে আটক হন আজিজুল ব্যাপারি (৩৫) নামের এক যুবক। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় সিয়াম নামের অপর এক যুবক পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার রমজানপুর ইউনিয়নের মহিষমারি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে আজিজুল এবং সিয়াম নামের দুই যুবক একটি বাড়িতে ঢুকে চুরির চেষ্টা করেন। স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে তাদের ধাওয়া করেন। এক পর্যায়ে আজিজুলকে আটক করতে সক্ষম হলেও সিয়াম পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
স্থানীয়দের দাবি, সম্প্রতি ওই এলাকায় পাঁচটি অটোরিকশা সহ বেশ কয়েকটি চুরির ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার পর থেকেই গ্রামের বাসিন্দারা সতর্ক অবস্থানে ছিলেন।
স্থানীয়দের মতে, আটকের পর আজিজুল জানিয়েছেন যে, তারা একটি সংঘবদ্ধ চোরচক্রের সদস্য। দিনের বেলায় ভাঙারি কেনার উদ্দেশ্যে ভ্যান নিয়ে বিভিন্ন গ্রামে ঘোরাফেরা করেন এবং সুযোগ বুঝে রাতে চুরির চেষ্টা করেন। তবে এসব তথ্যের সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
কালকিনি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হানিফ বলেন, “এলাকাবাসী চোর সন্দেহে কয়েকজনকে ধাওয়া করে আজিজুল নামে একজনকে আটক করেন। পরে তাকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে অনুমোদন ছাড়া অবৈধভাবে ডিজেল মজুদ করার অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া, ভ্রাম্যমাণ আদালত ১৫ ব্যারেল ডিজেলও জব্দ করেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টা ১০ মিনিট থেকে রাত ১১টা ৫ মিনিটের মধ্যে নাচোল উপজেলার ভেরেন্ডি বাজারে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাব্বির আহমেদ রোবেল অভিযানের নেতৃত্ব দেন।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন ভেরেন্ডি বাজারে অভিযান চালায়। এ সময় লাইসেন্স ছাড়া দোকান ও গোডাউনে অবৈধভাবে ১৫ ব্যারেল ডিজেল মজুদ রাখার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় 'বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬'-এর ৪ নম্বর ধারা লঙ্ঘনের জন্য ২০ (ঙ) ধারায় চৌধুরী ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী মোঃ হুমায়ুন চৌধুরীকে ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
একই সঙ্গে তার গোডাউন থেকে অবৈধভাবে মজুদ রাখা আনুমানিক ৩ লাখ ৪৯ হাজার ২৯০ টাকা মূল্যের ১৫ ব্যারেল ডিজেলও জব্দ করা হয়।
পরবর্তীতে, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে জব্দকৃত তেল নিকটস্থ ধানসুরা ফিলিং স্টেশনে বিক্রি করা হয় এবং বিক্রয়ের মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ আদালত প্রদান করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঋণের দায়ে দেউলিয়া হয়ে মিথ্যা অপহরণের নাটক সাজিয়ে দীর্ঘ সাড়ে চার বছর আত্মগোপনে ছিলেন পটুয়াখালীর এক হোটেল মালিক আঃ মান্নান প্যাদা (৭০)। অবশেষে পটুয়াখালী জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের একটি চৌকস টিমের অভিযানে মাদারীপুর জেলার কালকিনি থানা এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়েছে।
গত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে রাতে এই সফল অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। উদ্ধারকৃত আঃ মান্নান প্যাদা পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের বল্লভ এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালে বরগুনা জেলার তালতলী তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে ‘পটুয়াখালী হোটেল’ নামে একটি ভাতের হোটেল পরিচালনা করতেন আঃ মান্নান। ওই হোটেলে বিদ্যুৎ নির্মাণ কাজের দুটি প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকরা নিয়মিত খাবার খেতেন এবং মাস শেষে বিল পরিশোধ করতেন। এর পাশাপাশি মান্নান বিভিন্ন দোকান থেকে বাকিতে মালামাল ক্রয় করতেন।
ব্যবসা পরিচালনার একপর্যায়ে দুই কোম্পানির শ্রমিক ও ঠিকাদারদের কাছে তার ১২ লাখ টাকার বেশি পাওনা জমে যায়। অপরদিকে স্থানীয় মুদি, মুরগি ও মাছ ব্যবসায়ীদের কাছেও তিনি বড় অংকের দেনাদার হয়ে পড়েন।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আঃ মান্নান জানান, পাওনা টাকা তোলার উদ্দেশ্যে ২০২০ সালের কোনো এক রাতে প্রথম কোম্পানির মালিকের কাছে গেলে তিনি ৪ লাখ টাকা দেন। তাৎক্ষণিকভাবে পাওনাদারদের কিছু টাকা পরিশোধ করলেও বাকি টাকার জন্য চাপ বাড়তে থাকে। এ সময় হোটেলের ম্যানেজার মো. নুর আলম সিকদার তাকে কিছুদিন আত্মগোপনে থাকার পরামর্শ দেন।
ম্যানেজারের পরামর্শ ও প্ররোচনায় প্রভাবিত হয়ে আঃ মান্নান দেশজুড়ে আত্মগোপনের পথ বেছে নেন। অন্যদিকে, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ভিকটিমের ছেলে মো. জসিম প্যাদা প্রথমে পটুয়াখালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন এবং পরবর্তীতে ১৪ আগস্ট ২০২২ তারিখে বিজ্ঞ আদালতে পাওনাদারদের বিরুদ্ধে পেনাল কোডের ৩৬৪/৩৬৫/১০৯ ধারায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন।
ম্যানেজারের কথামতো আত্মগোপনে গিয়ে আঃ মান্নান দেশের বিভিন্ন স্থান ও মাজারে ছদ্মবেশে জীবন কাটাতে শুরু করেন। তার দীর্ঘ এই পথচলার রুট ছিল নিম্নরূপ:
তালতলী থেকে প্রথমে পটুয়াখালী হয়ে ঢাকায় গমন।
সেখান থেকে ট্রেনযোগে ব্রাক্ষণবাড়িয়ার আখাউড়ার কেবলা বাবার মাজার।
কুমিল্লার বেলতলা সোলেমান ল্যাংটা বাবার মাজার ও চট্টগ্রামের মাইজভান্ডার মাজার।
পরবর্তীতে ঢাকায় ফিরে মিরপুর ১২ নম্বর এলাকায় দারোয়ানের চাকরি।
যশোর বড়বাজার গাজী কালুর মাজার, বাগেরহাট খানজাহান আলী মাজার এবং বাকেরগঞ্জের বারো আউলিয়ার মাজার।
সর্বশেষ বাগেরহাট মাজারে পরিচয় হওয়া এক ধর্মের মেয়ের বাসা বরিশাল হয়ে মাদারীপুরের কালকিনিতে ভগ্নিপতির বাড়িতে আশ্রয় নেন।
ছদ্মবেশ ধারণ করায় এবং বিভিন্ন মাজারে ও বেদে পল্লীতে ঘুরে বেড়ানোর কারণে দীর্ঘদিন তার সঠিক অবস্থান সনাক্ত করতে বেগ পেতে হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর।
পটুয়াখালী জেলা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একাধিক টিম তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দীর্ঘ অনুসন্ধান চালিয়ে কালকিনি থানার বেদে পল্লী থেকে গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাত ১টার দিকে তাকে উদ্ধার করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আঃ মান্নান পাওনাদারদের ফাঁসাতেই এই অপহরণের নাটক সাজিয়েছিলেন বলে স্বীকার করেন। পরে তাকে বিজ্ঞ আদালতে হাজির করা হলে তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
এ বিষয়ে পুলিশ জানিয়েছে, মিথ্যা মামলার নেপথ্যে সহায়তাকারী ও জড়িত অন্যান্যদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত ও আইনি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ