ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রিহ্যাব সভাপতির পদ শূন্য ঘোষণা করল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়


রিহ্যাব সভাপতির পদ শূন্য ঘোষণা করল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)-এর সভাপতি মো. আলী আফজাল, ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হিসেবে ঋণখেলাপি হওয়ায়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দ্বারা সভাপতির পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠন-২ শাখার উপসচিব চৌধুরী সামিয়া ইয়াসমীন স্বাক্ষরিত একটি চিঠির মাধ্যমে আজ এই ঘোষণা প্রকাশ করা হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি প্রতিবেদন অনুযায়ী, রিহ্যাবের সভাপতি মো. আলী আফজাল ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হিসেবে ঋণখেলাপি হওয়ায়, বাণিজ্য সংগঠন আইন, ২০২২-এর ধারা ২৩(১)(খ) অনুযায়ী তার সভাপতির পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: পাঁচ মাসে বিএসইসি অনুমোদন করল সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার বন্ড

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নকলায় বর্নাঢ্য আয়োজনে শাকের স্যারের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২১ পি.এম


নকলায় বর্নাঢ্য আয়োজনে শাকের স্যারের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা

শেরপুরের নকলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সবার প্রিয় ও শ্রদ্ধাভাজন মো. শাকের আহমদ স্যারকে অবসরজনিত কারনে বর্নাঢ্য আয়োজনে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। সোমবার উপজেলার বানেশ্বরদী ইউনিয়নের ২৪নং ভূরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এলাকাবাসী ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অবসরপ্রাপ্ত স্থানীয় প্রবীণ শিক্ষক সুরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানী এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, নকলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এফ.এম রফিকুল ইসলাম, জালালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. রায়হান উদ্দিন, চন্দ্রকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম, ধামনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আজাদুল হক, ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর শাহীনুর সিদ্দিকা, উপজেলা সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রোজিনা খাতুন।

এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাউসা কবুতরমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজহারুল ইসলাম, জাঙ্গীরারপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ওমর ফারুক, সাইলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আকবর আলী, পাঠাকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েল প্রধান শিক্ষক মো. মোবারক হোসেন, দেবুয়ারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরীফ আহম্মদ প্রমুখ।

বিদায়ী প্রধান শিক্ষক শাকের আহমদ-এঁর কর্মদক্ষতা, কাজের প্রতি শ্রদ্ধা, একাগ্রতা ও নিয়মানুবর্তিতাসহ শিক্ষার সার্বিক উন্নয়ন কর্মকান্ডসমূহ বর্তমান ও ভবিষ্যতের শিক্ষকদের কর্মময় জীবনে অনুকরণীয় হয়ে থাকবে বলে বক্তারা জানান। তাঁর মতো সৎ, আদর্শ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তার শূণ্যতা পূরণ করা সহজ হবেনা বলেও তারা জানান। তিনি সবার প্রিয় ও অনুকরনীয় ব্যক্তি হিসেবে সকলের হৃদয়ে অমৃত্যু টিকে থাকবেন। যুগ যুগ ধরে সবার হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন বলেও বক্তারা মন্তব্য করেন।

অবসরজনিত বিদায়ী প্রধান শিক্ষক শাকের আহমদ স্যার বক্তব্যকালে আবেগপ্রবণ হয়ে উঠেন। অবসর কালীন দিনগুলো যেন সুস্থতার সহিত অতিবাহিত করতে পারেন এর জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেন তিনি। তাছাড়া সবার সুস্থতা ও সার্বিক উন্নতি কামনাও করেন।

বিদায়ী প্রধান শিক্ষক শাকের আহমদ-এঁর চাকরি কালীন সময়ে স্মরণীয় কর্মকান্ডের উপর স্মৃতিচারণ মূলক আলোচনা সভার পরে তাঁর হাতে এলাকাবাসী ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পক্ষে সম্মাননা স্মারক (ক্রেস্ট) ও বিভিন্ন উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। এসময় স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগন উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, শাকের আহমদ স্যার ১৯৯৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার বেলতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরাসরি প্রধান শিক্ষক হিসেবে শিক্ষকতা পেশায় প্রথম কাজে যোগদান করেন। বদলি জনিত কারনে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সবশেষে ২০১০ সালে নকলা উপজেলার বানেশ্বরদী ইউনিয়নের ২৪নং ভূরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করেন এবং সরকারি চাকরি বিধিমোতাবেক ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার শিক্ষকতার চাকরি থেকে অবসর গ্রহন করলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিনাজপুরে বিদেশফেরত যাত্রীকে ফেলে চলে গেল হানিফ পরিবহনের বাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২১ পি.এম


দিনাজপুরে বিদেশফেরত যাত্রীকে ফেলে চলে গেল হানিফ পরিবহনের বাস

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে ওয়াশ রুমে যাওয়ার সময় বিদেশফেরত এক যাত্রীকে ফেলে চলে যায় হানিফ পরিবহনের একটি বাস। তবে ওই বাসে থাকা তার দুটি পাসপোর্ট, বিমানের টিকিট ও লাগেজ জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করার পর উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে বীরগঞ্জের দশমাইল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মুখপাত্র পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ সূত্রে জানা যায়, মোজাম্মেল নামে ওই যাত্রী সৌদি আরবপ্রবাসী। তিনি ঢাকার বিমানবন্দরে নামার পর আবদুল্লাহপুর থেকে হানিফ পরিবহনের একটি বাসে ঠাকুরগাঁওয়ের উদ্দেশে রওনা হন। দশমাইল এলাকায় যাত্রী ওঠানোর জন্য বাসটি থামলে তিনি সুপারভাইজারকে জানিয়ে ওয়াশ রুমে যান। পরে ফিরে এসে দেখেন, বাসটি তাকে রেখেই চলে গেছে।

তবে তার দুটি পাসপোর্ট, একটি বিমানের টিকিট এবং বিদেশ থেকে নিয়ে আসা মালামালসহ লাগেজ বাসের ভেতরেই ছিল। পরে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি জানান।

৯৯৯ তাৎক্ষণিকভাবে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ থানাকে বাসটি শনাক্ত করে ওই যাত্রীর মালামাল উদ্ধারের ব্যবস্থা নিতে জানায়। কলটি গ্রহণ করেন ৯৯৯ কলটেকার কনস্টেবল মো. রুহুল আমিন। উদ্ধার তৎপরতা তদারক ও সমন্বয় করেন ৯৯৯-এ ডিসপ্যাচার এসআই আব্দুল মান্নান।

পরে বীরগঞ্জ থানার একটি টহল দল শহীদ মিনার মোড়ে চলন্ত বাসটি থামিয়ে ওই সৌদিপ্রবাসীর দুটি পাসপোর্ট, লাগেজ ও অন্যান্য মালামাল উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে মোজাম্মেল থানায় উপস্থিত হলে উদ্ধার করা পাসপোর্ট, লাগেজ ও অন্যান্য মালামাল তার কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যে কারণে আইন মন্ত্রণালয় পে-স্কেলের খসড়া পায়নি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২২ পি.এম


যে কারণে আইন মন্ত্রণালয় পে-স্কেলের খসড়া পায়নি

"এক সপ্তাহের মধ্যে গেজেট হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এরই মধ্যে দুই সপ্তাহ পেরিয়ে যাচ্ছে, এখনো গেজেটের কোনো খবর নেই। এ কারণেই সবার মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে— আবার কোথায় আটকে গেল!" বিবিসি বাংলাকে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি কর্মকর্তা।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রতি পাঁচ বছর পরপর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণা করার কথা থাকলেও গত ১০ বছরে তা হয়নি।

গত ৩১ অগাস্ট নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণা করে বাংলাদেশের সরকার, যা মন্ত্রসভায় অনুমোদনের পর আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। তখন ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল যে, সপ্তাহখানেকের মধ্যে সেটি প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করা হতে পারে।

কিন্তু প্রায় দুই সপ্তাহ কেটে গেলেও নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন এখনও জারি হয়নি। ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ ও হতাশা দেখা যাচ্ছে।

যদিও সাবেক আমলারা জানাচ্ছেন, প্রজ্ঞাপন জারি নিয়ে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার বলেন, "মন্ত্রিসভা অনুমোদন দেওয়ার পর গেজেট প্রকাশের জন্য যে প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়, সেখানে কয়েক সপ্তাহ, এমনকি অনেক সময় মাসও লেগে যেতে পারে।" তবে, তিনি উল্লেখ করেন, এবারের বিষয়টি ঘিরে হতাশা দেখা যাচ্ছে, যেহেতু অনেকদিন পর পে-স্কেলের ঘোষণাটা এসেছে।

এদিকে, স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর খসড়াটি অর্থমন্ত্রণালয় থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

তবে, মন্ত্রণালয় দুটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খসড়াটি এখনও আইন মন্ত্রণালয়ের কাছে যায়নি, বরং অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছেই আটকে আছে।

কেন গত দুই সপ্তাহ ধরে খসড়াটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে আটকে রয়েছে? যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষ করে নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি হতে কতদিন সময় লাগতে পারে?

অতীতে কেমন সময় লেগেছে?

চলতি বছরের আগে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সবশেষ জাতীয় বেতন কাঠামো ঘোষণা করা হয়েছিল ২০১৫ সালে।

ওই বছরের সাতই সেপ্টেম্বর অষ্টম জাতীয় পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন পায়। এরপর একই বছরের ১৫ই ডিসেম্বর, অর্থাৎ প্রায় সাড়ে তিন মাস পর চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়।

এত সময় লাগার কারণ হিসেবে কর্মকর্তারা বলছেন, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন প্রকাশের জন্য প্রশাসনিক ও আইনগত বেশকিছু প্রস্তুতি এবং প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

এর মধ্যে প্রথম ধাপটিই হচ্ছে, নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপনের বিস্তারিত খসড়া প্রস্তুত করা। সেই কাজ করে থাকে অর্থ মন্ত্রণালয়।

সাবেক সচিব ড. মো. আনোয়ার উল্ল্যাহ বলেন, নতুন পে-স্কেলের অনুমোদন চেয়ে যে খসড়াটা মন্ত্রিসভায় পাঠানো হয়, সেখানে মূলত মোটাদাগে কোন গ্রেডে কত টাকা বেতন-ভাতা বাড়ানো হবে, সেটার একটা প্রস্তাবনা থাকে। কিন্তু অনুমোদন পাওয়ার পর প্রজ্ঞাপনের খসড়া তৈরি এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাদের ক্ষেত্রে কীভাবে সেটি বাস্তবায়িত হবে, সেটার হিসাবটা কী হবে- এসব বিষয়গুলোর বিস্তারিত বর্ণনা ও নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপনের খসড়া প্রস্তুত করা হয়।

এক্ষেত্রে জনপ্রশাসনের বাইরে সেনা-নৌ ও বিমান বাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), পুলিশ, সরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধাদি কীভাবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় কার্যকর করা হবে, খসড়ায় সেটারও বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়।

তিনি বলেন, আগে থেকে প্রস্তুতি না থাকলে অনেক সময় এসব কাজ করতেই বেশ খানিকটা সময় লেগে যায়।

বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপনের খসড়া প্রস্তুত হওয়ার পর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সেটি পাঠানো হয় আইন মন্ত্রণালয়ে। সেখানে প্রস্তাবিত বেতন কাঠামোয় সংবিধান বা চাকরি সংক্রান্ত বিভিন্ন আইনের ব্যত্যয় বা বিরোধ আছে কি-না, সেটি খতিয়ে দেখা হয়।

সেইসঙ্গে, প্রজ্ঞাপনের খসড়ায় ব্যবহৃত বিভিন্ন শব্দ, বাক্য এবং আইনি পরিভাষায় কোনো অস্পষ্টতা বা দ্ব্যর্থবোধকতা আছে কি-না, সেটাও খতিয়ে দেখা হয়। এটি করা হয়, যাতে পরবর্তীতে কোনো আইনি জটিলতা বা ভুল ব্যাখ্যার সুযোগ না থাকে।

পাশাপাশি নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য যেসব বিধিমালা বা সংবিধিবদ্ধ আদেশ জারি করার প্রয়োজন হয়, সেগুলোর খসড়াও চূড়ান্ত করা হয়।

তিনি বলেন, এসব প্রক্রিয়া শেষ করে প্রজ্ঞাপনের চূড়ান্ত খসড়া আইন মন্ত্রণালয় থেকে পুনরায় অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো।

প্রজ্ঞাপনের চূড়ান্ত খসড়া হাতে পাওয়ার পর অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মুদ্রণের জন্য সেটি পাঠান সরকারি মুদ্রণালয়, তথা বিজি প্রেসে। মুদ্রণের পর সেটি সংগ্রহ করে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়।

খসড়া পায়নি আইন মন্ত্রণালয়

মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর প্রায় দুই সপ্তাহ পার হয়ে গেছে। কিন্তু নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপনের খসড়া যাচাই-বাছাইয়ের জন্য এখনও আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়নি।

রোববার বিকালে নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক আইন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা বলেন, "গত সপ্তাহ আমরা শুনেছিলাম যে, দুই-এক দিনের মধ্যেই অনুমোদিত পে-স্কেলের ড্রাফটটা ভেটিংয়ের জন্য আমাদের কাছে পাঠানো হবে, কিন্তু এখন পর্যন্ত সেটা আমাদের হাতে আসেনি।"

খসড়াটি এখন রয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে। মন্ত্রিসভা অনুমোদন দেওয়ার দুই সপ্তাহ পরও সেটি আইন মন্ত্রণালয়ে আটকে রয়েছে কেন?

অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, "এটা আসলে আটকে রাখার বিষয় না। গেজেট আকারে প্রকাশ করার জন্য যে ধরনের প্রস্তুতি এবং প্রক্রিয়া অনুসরণ করা প্রয়োজন, সেগুলো মেনে কাজ করতে একটু সময় লাগছে।"

মূলত এখন সামরিক-বেসামরিক বিভিন্ন শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার বিষয়গুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়নে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাসহ প্রজ্ঞাপনের খসড়া তৈরির কাজ চলছে বলে জানা যাচ্ছে।

"দ্রুতই ভেটিংয়ের জন্য এটা আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে, তারপর প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে," বলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কারো নাম ভুলে গেলে কীভাবে সঠিকভাবে স্মরণ করবেন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২২ পি.এম


কারো নাম ভুলে গেলে কীভাবে সঠিকভাবে স্মরণ করবেন?

পরিচিত মুখের সামনে দাঁড়িয়ে হঠাৎ করে নামটি ভুলে যাওয়ার মতো বিব্রতকর পরিস্থিতি জীবনে প্রায় সকলেরই হয়ে থাকে। চেহারাটি খুব চেনা, অনেক স্মৃতিও মনে আছে, কিন্তু নামটি যেন মনের কোনে খড়কুটোর মতো হারিয়ে যায়। এই অস্বস্তি এড়াতে কেউ কেউ ভুল নাম বলে ফেলেন, আবার কেউ আমতা আমতা করে কথা চালিয়ে যান। তবে এমন পরিস্থিতিতে অযথা আন্দাজ না করে বিনয়ের সঙ্গে নামটি পুনরায় জানার চেষ্টা করা উত্তম। ইসলামে মানুষের সম্মানহানি রোধ করা এবং পারস্পরিক সদ্ভাব বজায় রাখার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

নামের ভুলে অমর্যাদা নয়

ভুল নাম ধরে ডাকবেন না: যদি নামটি নিশ্চিতভাবে মনে না থাকে, তাহলে আন্দাজ করে কাউকে ডাকা বোকামি এবং অসৌজন্যমূলক। ভুল নামে ডাকার কারণে মানুষটি মনে কষ্ট পেতে পারেন। কুরআনে কারিমে আল্লাহ তাআলা এ বিষয়ে স্পষ্ট সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছেন—

وَلَا تَلْمِزُوا أَنْفُسَكُمْ وَلَا تَنَابَزُوا بِالْأَلْقَابِ

‘তোমরা একে অপরকে উপহাস করো না, একে অপরকে মন্দ নামে ডেকো না। ইমানের পর মন্দ নামকরণ অতি নিকৃষ্ট।’ (সুরা হুজরাত: আয়াত ১১)

এই আয়াতের আলোকে অন্যের আত্মসম্মানে আঘাত হানতে পারে এমন কোনো অনুমাননির্ভর বা ভুল নাম ব্যবহার করা সম্পূর্ণ অনুচিত।

পরিশেষে, নাম মুছে যাওয়া একটি স্বাভাবিক মানবিক দুর্বলতা, যা যেকোনো সময় যেকোনো মানুষের হতে পারে। কিন্তু সেই সামান্য অস্বস্তি ঢাকতে গিয়ে অন্যের আত্মসম্মানে আঘাত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। নাম মনে থাকুক বা না থাকুক, আচরণে ও শ্রদ্ধাবোধে মানুষটির প্রতি সম্মান যেন সবসময় অম্লান থাকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%