সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২১ পি.এম
দিনাজপুরের বীরগঞ্জে ওয়াশ রুমে যাওয়ার সময় বিদেশফেরত এক যাত্রীকে ফেলে চলে যায় হানিফ পরিবহনের একটি বাস। তবে ওই বাসে থাকা তার দুটি পাসপোর্ট, বিমানের টিকিট ও লাগেজ জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করার পর উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে বীরগঞ্জের দশমাইল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মুখপাত্র পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ সূত্রে জানা যায়, মোজাম্মেল নামে ওই যাত্রী সৌদি আরবপ্রবাসী। তিনি ঢাকার বিমানবন্দরে নামার পর আবদুল্লাহপুর থেকে হানিফ পরিবহনের একটি বাসে ঠাকুরগাঁওয়ের উদ্দেশে রওনা হন। দশমাইল এলাকায় যাত্রী ওঠানোর জন্য বাসটি থামলে তিনি সুপারভাইজারকে জানিয়ে ওয়াশ রুমে যান। পরে ফিরে এসে দেখেন, বাসটি তাকে রেখেই চলে গেছে।
তবে তার দুটি পাসপোর্ট, একটি বিমানের টিকিট এবং বিদেশ থেকে নিয়ে আসা মালামালসহ লাগেজ বাসের ভেতরেই ছিল। পরে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি জানান।
৯৯৯ তাৎক্ষণিকভাবে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ থানাকে বাসটি শনাক্ত করে ওই যাত্রীর মালামাল উদ্ধারের ব্যবস্থা নিতে জানায়। কলটি গ্রহণ করেন ৯৯৯ কলটেকার কনস্টেবল মো. রুহুল আমিন। উদ্ধার তৎপরতা তদারক ও সমন্বয় করেন ৯৯৯-এ ডিসপ্যাচার এসআই আব্দুল মান্নান।
পরে বীরগঞ্জ থানার একটি টহল দল শহীদ মিনার মোড়ে চলন্ত বাসটি থামিয়ে ওই সৌদিপ্রবাসীর দুটি পাসপোর্ট, লাগেজ ও অন্যান্য মালামাল উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে মোজাম্মেল থানায় উপস্থিত হলে উদ্ধার করা পাসপোর্ট, লাগেজ ও অন্যান্য মালামাল তার কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
"এক সপ্তাহের মধ্যে গেজেট হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এরই মধ্যে দুই সপ্তাহ পেরিয়ে যাচ্ছে, এখনো গেজেটের কোনো খবর নেই। এ কারণেই সবার মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে— আবার কোথায় আটকে গেল!" বিবিসি বাংলাকে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি কর্মকর্তা।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রতি পাঁচ বছর পরপর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণা করার কথা থাকলেও গত ১০ বছরে তা হয়নি।
গত ৩১ অগাস্ট নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণা করে বাংলাদেশের সরকার, যা মন্ত্রসভায় অনুমোদনের পর আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। তখন ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল যে, সপ্তাহখানেকের মধ্যে সেটি প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করা হতে পারে।
কিন্তু প্রায় দুই সপ্তাহ কেটে গেলেও নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন এখনও জারি হয়নি। ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ ও হতাশা দেখা যাচ্ছে।
যদিও সাবেক আমলারা জানাচ্ছেন, প্রজ্ঞাপন জারি নিয়ে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার বলেন, "মন্ত্রিসভা অনুমোদন দেওয়ার পর গেজেট প্রকাশের জন্য যে প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়, সেখানে কয়েক সপ্তাহ, এমনকি অনেক সময় মাসও লেগে যেতে পারে।" তবে, তিনি উল্লেখ করেন, এবারের বিষয়টি ঘিরে হতাশা দেখা যাচ্ছে, যেহেতু অনেকদিন পর পে-স্কেলের ঘোষণাটা এসেছে।
এদিকে, স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর খসড়াটি অর্থমন্ত্রণালয় থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
তবে, মন্ত্রণালয় দুটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খসড়াটি এখনও আইন মন্ত্রণালয়ের কাছে যায়নি, বরং অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছেই আটকে আছে।
কেন গত দুই সপ্তাহ ধরে খসড়াটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে আটকে রয়েছে? যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষ করে নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি হতে কতদিন সময় লাগতে পারে?
অতীতে কেমন সময় লেগেছে?
চলতি বছরের আগে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সবশেষ জাতীয় বেতন কাঠামো ঘোষণা করা হয়েছিল ২০১৫ সালে।
ওই বছরের সাতই সেপ্টেম্বর অষ্টম জাতীয় পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন পায়। এরপর একই বছরের ১৫ই ডিসেম্বর, অর্থাৎ প্রায় সাড়ে তিন মাস পর চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়।
এত সময় লাগার কারণ হিসেবে কর্মকর্তারা বলছেন, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন প্রকাশের জন্য প্রশাসনিক ও আইনগত বেশকিছু প্রস্তুতি এবং প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।
এর মধ্যে প্রথম ধাপটিই হচ্ছে, নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপনের বিস্তারিত খসড়া প্রস্তুত করা। সেই কাজ করে থাকে অর্থ মন্ত্রণালয়।
সাবেক সচিব ড. মো. আনোয়ার উল্ল্যাহ বলেন, নতুন পে-স্কেলের অনুমোদন চেয়ে যে খসড়াটা মন্ত্রিসভায় পাঠানো হয়, সেখানে মূলত মোটাদাগে কোন গ্রেডে কত টাকা বেতন-ভাতা বাড়ানো হবে, সেটার একটা প্রস্তাবনা থাকে। কিন্তু অনুমোদন পাওয়ার পর প্রজ্ঞাপনের খসড়া তৈরি এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাদের ক্ষেত্রে কীভাবে সেটি বাস্তবায়িত হবে, সেটার হিসাবটা কী হবে- এসব বিষয়গুলোর বিস্তারিত বর্ণনা ও নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপনের খসড়া প্রস্তুত করা হয়।
এক্ষেত্রে জনপ্রশাসনের বাইরে সেনা-নৌ ও বিমান বাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), পুলিশ, সরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধাদি কীভাবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় কার্যকর করা হবে, খসড়ায় সেটারও বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়।
তিনি বলেন, আগে থেকে প্রস্তুতি না থাকলে অনেক সময় এসব কাজ করতেই বেশ খানিকটা সময় লেগে যায়।
বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপনের খসড়া প্রস্তুত হওয়ার পর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সেটি পাঠানো হয় আইন মন্ত্রণালয়ে। সেখানে প্রস্তাবিত বেতন কাঠামোয় সংবিধান বা চাকরি সংক্রান্ত বিভিন্ন আইনের ব্যত্যয় বা বিরোধ আছে কি-না, সেটি খতিয়ে দেখা হয়।
সেইসঙ্গে, প্রজ্ঞাপনের খসড়ায় ব্যবহৃত বিভিন্ন শব্দ, বাক্য এবং আইনি পরিভাষায় কোনো অস্পষ্টতা বা দ্ব্যর্থবোধকতা আছে কি-না, সেটাও খতিয়ে দেখা হয়। এটি করা হয়, যাতে পরবর্তীতে কোনো আইনি জটিলতা বা ভুল ব্যাখ্যার সুযোগ না থাকে।
পাশাপাশি নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য যেসব বিধিমালা বা সংবিধিবদ্ধ আদেশ জারি করার প্রয়োজন হয়, সেগুলোর খসড়াও চূড়ান্ত করা হয়।
তিনি বলেন, এসব প্রক্রিয়া শেষ করে প্রজ্ঞাপনের চূড়ান্ত খসড়া আইন মন্ত্রণালয় থেকে পুনরায় অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো।
প্রজ্ঞাপনের চূড়ান্ত খসড়া হাতে পাওয়ার পর অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মুদ্রণের জন্য সেটি পাঠান সরকারি মুদ্রণালয়, তথা বিজি প্রেসে। মুদ্রণের পর সেটি সংগ্রহ করে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়।
খসড়া পায়নি আইন মন্ত্রণালয়
মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর প্রায় দুই সপ্তাহ পার হয়ে গেছে। কিন্তু নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপনের খসড়া যাচাই-বাছাইয়ের জন্য এখনও আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়নি।
রোববার বিকালে নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক আইন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা বলেন, "গত সপ্তাহ আমরা শুনেছিলাম যে, দুই-এক দিনের মধ্যেই অনুমোদিত পে-স্কেলের ড্রাফটটা ভেটিংয়ের জন্য আমাদের কাছে পাঠানো হবে, কিন্তু এখন পর্যন্ত সেটা আমাদের হাতে আসেনি।"
খসড়াটি এখন রয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে। মন্ত্রিসভা অনুমোদন দেওয়ার দুই সপ্তাহ পরও সেটি আইন মন্ত্রণালয়ে আটকে রয়েছে কেন?
অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, "এটা আসলে আটকে রাখার বিষয় না। গেজেট আকারে প্রকাশ করার জন্য যে ধরনের প্রস্তুতি এবং প্রক্রিয়া অনুসরণ করা প্রয়োজন, সেগুলো মেনে কাজ করতে একটু সময় লাগছে।"
মূলত এখন সামরিক-বেসামরিক বিভিন্ন শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার বিষয়গুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়নে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাসহ প্রজ্ঞাপনের খসড়া তৈরির কাজ চলছে বলে জানা যাচ্ছে।
"দ্রুতই ভেটিংয়ের জন্য এটা আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে, তারপর প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে," বলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পরিচিত মুখের সামনে দাঁড়িয়ে হঠাৎ করে নামটি ভুলে যাওয়ার মতো বিব্রতকর পরিস্থিতি জীবনে প্রায় সকলেরই হয়ে থাকে। চেহারাটি খুব চেনা, অনেক স্মৃতিও মনে আছে, কিন্তু নামটি যেন মনের কোনে খড়কুটোর মতো হারিয়ে যায়। এই অস্বস্তি এড়াতে কেউ কেউ ভুল নাম বলে ফেলেন, আবার কেউ আমতা আমতা করে কথা চালিয়ে যান। তবে এমন পরিস্থিতিতে অযথা আন্দাজ না করে বিনয়ের সঙ্গে নামটি পুনরায় জানার চেষ্টা করা উত্তম। ইসলামে মানুষের সম্মানহানি রোধ করা এবং পারস্পরিক সদ্ভাব বজায় রাখার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
নামের ভুলে অমর্যাদা নয়
ভুল নাম ধরে ডাকবেন না: যদি নামটি নিশ্চিতভাবে মনে না থাকে, তাহলে আন্দাজ করে কাউকে ডাকা বোকামি এবং অসৌজন্যমূলক। ভুল নামে ডাকার কারণে মানুষটি মনে কষ্ট পেতে পারেন। কুরআনে কারিমে আল্লাহ তাআলা এ বিষয়ে স্পষ্ট সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছেন—
وَلَا تَلْمِزُوا أَنْفُسَكُمْ وَلَا تَنَابَزُوا بِالْأَلْقَابِ
‘তোমরা একে অপরকে উপহাস করো না, একে অপরকে মন্দ নামে ডেকো না। ইমানের পর মন্দ নামকরণ অতি নিকৃষ্ট।’ (সুরা হুজরাত: আয়াত ১১)
এই আয়াতের আলোকে অন্যের আত্মসম্মানে আঘাত হানতে পারে এমন কোনো অনুমাননির্ভর বা ভুল নাম ব্যবহার করা সম্পূর্ণ অনুচিত।
পরিশেষে, নাম মুছে যাওয়া একটি স্বাভাবিক মানবিক দুর্বলতা, যা যেকোনো সময় যেকোনো মানুষের হতে পারে। কিন্তু সেই সামান্য অস্বস্তি ঢাকতে গিয়ে অন্যের আত্মসম্মানে আঘাত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। নাম মনে থাকুক বা না থাকুক, আচরণে ও শ্রদ্ধাবোধে মানুষটির প্রতি সম্মান যেন সবসময় অম্লান থাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নিগার সুলতান জ্যোতির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেছেন অনেক ক্রিকেটার।
জাতীয় দলের সাবেক এক অধিনায়ক, নাম প্রকাশ না করার শর্তে, বলেছেন, “আমি পারফর্ম করা সত্ত্বেও কিন্তু আমি ফুল স্পেলে বল করতে পারিনি। তারপরে প্যাড পরে আমার এমনও অনেক দিন গেছে যে আমি কিন্তু মাঠের বাইরে বসে ছিলাম। ইনফ্যাক্ট, আমাকে ঠিকমতো প্র্যাকটিস পর্যন্ত করানো হতো না। আমি কিন্তু মাঠের বাইরে কান্নাকাটিও করেছি অনেক।”
তিনি আরও যোগ করেন, “এখন তো আর আমরা খেলা নিয়ে চিন্তা নেই। কিন্তু চিন্তা করছি যে একটা ভালো পরিবেশ যেন পায় ক্রিকেট। একটা ভালো পরিবেশ আমাদের মেয়েদের দরকার, যেখানে আসলে এই ধরনের নোংরামি যেন আর না থাকে।”
তিনি বলেন, “আমি যখন দলে ছিলাম, কখনো পারফরম্যান্সের কারণে বাইরে ছিলাম না। আমি সবসময় দলকে অলরাউন্ড পারফরম্যান্স দেওয়ার চেষ্টা করেছি। কিন্তু আমাকে একটা সময় বসিয়ে দেয় কারণ, আমি দলের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলতাম। এটা একজন সিনিয়র হিসেবে আমার দায়িত্ব এবং কর্তব্য ছিল যে দলে আমরা যেসব সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছিলাম। ড্রেসিংরুম বলেন, আমাদের ওয়েট ক্যারি নিয়ে বলেন, আমাদের ভিডিও অ্যানালিস্টকে নিয়ে বলেন বা ফিটনেস এগুলো নিয়ে যতবার কথা বলেছি, মানে আমাকে ততবারই কথা শুনতে হয়েছে এবং একটা সময় আমাকে দল থেকে বের করে দেওয়ার অনেক চেষ্টা করেছে।”
তার দাবি, একপর্যায়ে পারফর্ম করার পরও তাকে পুরো স্পেল বোলিং করতে দেওয়া হয়নি, এমনকি নিয়মিত অনুশীলনের সুযোগও পেতেন না।
তিনি আরও বলেন, “আমাদের এখনো অনেক ভালো ট্যালেন্টেড মেয়েরা আছে, যারা চাইলে পারফর্ম করতে পারে। কিন্তু কিছু কিছু সিন্ডিকেটের জন্য এগুলো থেকে তারা বঞ্চিত আছে।”
জ্যোতির অধিনায়কত্বে বাংলাদেশ গত পাঁচ বছরে ৮০টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে জয় পেয়েছে মাত্র ৩২টিতে। হার ৪৭টিতে। একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। এই ৮০ ম্যাচের ৫৫টি হয়েছে আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর বিপক্ষে। টেস্ট খেলুড়ে দলগুলোর বিপক্ষে ৪৩ ম্যাচের মধ্যে বাংলাদেশের জয় মাত্র তিনটিতে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্তমান ডিজিটাল যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই আমাদের দৈনন্দিন জীবন ও কাজের একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। তবে এর অযাচিত ব্যবহারের ফলে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, তথ্যগত নির্ভুলতা এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কিছু ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে।
কোনো এআই টুল বা চ্যাটবট ব্যবহার করার পূর্বে যে পাঁচটি বিষয়ে সচেতন থাকা অত্যন্ত জরুরি, তা নিচে উল্লেখ করা হলো:
১. গোপনীয় ও সংবেদনশীল তথ্য শেয়ার না করা
এআই প্ল্যাটফর্মগুলোতে প্রম্পট বা কমান্ড হিসেবে যা কিছু ইনপুট করা হয়, তা অনেক সময় কোম্পানির সার্ভারে সংরক্ষিত হয় এবং মডেলের মান উন্নয়নে ব্যবহৃত হতে পারে।
সুতরাং, ব্যাংকের হিসাব নম্বর, পিন কোড, পাসওয়ার্ড, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, কিংবা অফিসের কোনো গোপনীয় ও সংবেদনশীল নথিপত্র কখনোই এআই টুলের সঙ্গে শেয়ার করা উচিত নয়। তথ্য সুরক্ষায় যেকোনো সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সবসময় সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
২. অন্ধভাবে এআই-এর ওপর ভরসা না করা
এআই টুলগুলো মাঝে মাঝে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতে ভুল, ভুয়া বা পুরোনো তথ্য প্রদান করতে পারে, যাকে প্রযুক্তির ভাষায় ‘হ্যালুসিনেশন’ বলা হয়। বিশেষ করে চিকিৎসা, আইনি পরামর্শ, বা আর্থিক লেনদেনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে কেবল এআইয়ের ওপর নির্ভর না করে সবসময় নির্ভরযোগ্য ও পেশাদার উৎস থেকে তা যাচাই করে নেওয়া উচিত।
৩. প্ল্যাটফর্মের প্রাইভেসি ও ডাটা পলিসি জেনে নেওয়া
যেকোনো নতুন এআই টুল বা অ্যাপ ব্যবহারের আগে তাদের নিয়মাবলি ও প্রাইভেসি পলিসি পড়ে নেওয়া উচিত। অনেক অ্যাপ ব্যবহারকারীর ব্রাউজিং আচরণ, লোকেশন বা ব্যক্তিগত ডাটা সংগ্রহ করে এবং তা তৃতীয় পক্ষের কাছে হস্তান্তর করতে পারে। তাই অ্যাকাউন্ট খোলার সময় টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন চালু রাখা এবং অপ্রয়োজনীয় ডাটা শেয়ারিং অপশন বন্ধ রাখা নিরাপদ।
৪. এআই-উত্পাদিত ডিপফেক ও ভুয়া কনটেন্ট সম্পর্কে সজাগ থাকা
জেনারেটিভ এআইয়ের মাধ্যমে বর্তমানে নিখুঁত ছবি, ভিডিও, এমনকি মানুষের কণ্ঠস্বর হুবহু নকল (ভয়েস ক্লোনিং) করা সম্ভব। সাইবার অপরাধীরা এই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে ভুয়া খবর ছড়ানো কিংবা পরিবারের সদস্য সেজে আর্থিক জালিয়াতি বা ব্ল্যাকমেইলের মতো অপরাধ ঘটাচ্ছে। তাই যেকোনো সন্দেহজনক তথ্য বা দৃশ্য দেখলে তা যাচাই না করে বিশ্বাস করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
৫. নিজস্ব বুদ্ধিমত্তা ও কর্মদক্ষতা বজায় রাখা
এআইকে কাজের সহায়ক মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ হলেও এর ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে পড়া নিজের চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বাড়ির কাজ বা লেখালেখির পুরো দায়িত্ব এআইয়ের হাতে ছেড়ে দিলে নিজস্ব মেধা বিকাশের সুযোগ বাধাগ্রস্ত হয়। তাই এআইকে কেবল একটি সহায়ক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করাই শ্রেয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ