১০:২৩ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যस्थতায় লেবানন ও ইসরাইল সরকারের মধ্যে গঠিত যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে হিজবুল্লাহ। একই দিনে, বৃহস্পতিবার (৪ জুন), ইসরাইল দক্ষিণ লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে। দেশটি জানিয়েছে যে, তারা দক্ষিণাঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে না।
এদিকে, লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর আগ্রাসন চলছেই। এই পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক ডেস্কের প্রতিবেদন।
মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা করে, যদি ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ যুদ্ধ বন্ধ করে এবং সীমান্তসংলগ্ন দক্ষিণ লেবানন থেকে যোদ্ধাদের সরিয়ে নেয়, তাহলে লেবানন ও ইসরাইল যুদ্ধবিরতি কার্যকর করবে।
আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে শেখ পদবিধারীদের নামের সংখ্যা সর্বাধিক
কিন্তু লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে আলোচনার অংশ না থাকা হিজবুল্লাহর প্রধান নাঈম কাসেম এই প্রস্তাবকে প্রত্যাখ্যান করেন। বৃহস্পতিবার তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, এই আলোচনা একেবারেই নির্লজ্জ। ওয়াশিংটনের এই ঘোষণা লেবাননের জনগণের একটি অংশকে নিশ্চিহ্ন করার এবং বাকি জনগণকে দাসে পরিণত করার একটি রোডম্যাপ।
তিনি আরও বলেন, ‘দখলদারিত্ব যতদিন থাকবে, প্রতিরোধও ততদিন চলবে।’ গত ২ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার মুখে তেহরানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে হিজবুল্লাহ হামলা শুরু করলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত তীব্রতর হয়। এপ্রিল থেকে ওয়াশিংটন থেকে কয়েক দফা যুদ্ধবিরতির ঘোষণা এলেও যুদ্ধ অব্যাহত রয়েছে।
এ সংঘাত এখন আঞ্চলিক সংকট সমাধানের জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টার একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তেহরান বলেছে, যেকোনো সমঝোতার অংশ হিসেবে লেবাননে ইসরাইলি হামলা বন্ধ করতে হবে।
নাঈম কাসেম আরও বলেন, যুদ্ধবিরতির শর্তের মধ্যে দক্ষিণ লেবাননের বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। সেখানে ইসরাইল একটি ঘোষিত নিরাপত্তা অঞ্চল দখল করে রেখেছে, যা উত্তর ইসরাইলকে হিজবুল্লাহর হামলা থেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য।
আরও পড়ুন: ডিসেম্বরে দেশে আসার সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম
তিনি বলেন, যতদিন আমাদের গ্রামের নিরাপত্তা নেই, বোমায় বিধ্বস্ত হচ্ছে এবং আমাদের মানুষ নিহত হচ্ছে, ততদিন উত্তর ইসরাইলের শহরগুলো নিরাপদ থাকবে না।
এর আগে, হিজবুল্লাহর বিবৃতির প্রেক্ষাপটে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন জানান, ওয়াশিংটনের যুদ্ধবিরতির কাঠামো একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার শেষ সুযোগ। সকল পক্ষ যদি সম্মত হয়, তাহলে এক দিনের মধ্যেই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতে পারে।
এদিকে, বৃহস্পতিবার ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ বলেন, আমরা আমাদের গোলাবর্ষণ ও স্থল অভিযান চালিয়ে যাব।
আরও পড়ুন: চসিকের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৮২টি খেলার মাঠ গড়ার উদ্যোগ : প্রশাসক
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন