সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৭ পি.এম
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
বৈঠকে দুই দেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করা, ওষুধ এবং স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের দক্ষতা উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
অঙ্গ প্রতিস্থাপন খাতে সহযোগিতার বিষয়টিও বৈঠকে গুরুত্ব পায়। হাইকমিশনার ইমরান হায়দার পাকিস্তানের কিডনি ও লিভার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার এবং গাম্বাট ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের সহযোগিতার বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন।
হাইকমিশনার জানান, গাম্বাট ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস বাংলাদেশি চিকিৎসকদের লিভার প্রতিস্থাপন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতে আগ্রহী। এছাড়া, বাংলাদেশে পরবর্তী লিভার প্রতিস্থাপনের অস্ত্রোপচারে কারিগরি সহায়তা প্রদান এবং টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে অস্ত্রোপচার-পরবর্তী চিকিৎসাসেবা দেওয়ার প্রস্তাবও প্রতিষ্ঠানটি দিয়েছে।
এছাড়া, চিকিৎসাসামগ্রী ও ওষুধের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ পাকিস্তানে টিকা ও ক্যানসারের ওষুধ রপ্তানি আরও বৃদ্ধি করতে পারে।
পাকistani উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগের সুযোগ খতিয়ে দেখতে আহ্বান জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বৈঠকে দুই দেশের স্বাস্থ্য খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সমাজসেবা অধিদপ্তর ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগীদের নিয়মিত ও সময়মতো ভাতার অর্থ পৌঁছানোর জন্য প্রতি মাসের ২০ থেকে ২৫ তারিখের মধ্যে শতভাগ নির্ভুল পে-রোল পাঠানোর নির্দেশনা প্রদান করেছে।
২৭ সেপ্টেম্বর তারিখে সমাজসেবা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জারি করা এক চিঠিতে এই নির্দেশনা উল্লেখ করা হয়।
চিঠিতে জানানো হয়েছে, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় ভাতাভোগীদের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) হিসাব, টাকাপে (TakaPay) এবং ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে জিটুপি (G2P) পদ্ধতিতে সরাসরি ভাতার অর্থ পাঠানো হচ্ছে।
সঠিক এবং প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সময়মতো ভাতার অর্থ পৌঁছানোর লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রতি মাসের কিস্তির অর্থ পাঠাতে সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা শহর সমাজসেবা কর্মকর্তাদের নির্ভুল পে-রোল পাঠানো আবশ্যক।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতি মাসের নির্ধারিত ২০ থেকে ২৫ তারিখের মধ্যে পে-রোল পাঠানোর পূর্বে উপকারভোগীদের মোবাইল ও ব্যাংক হিসাব নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংশোধন করে ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (এমআইএস)-এ হালনাগাদ করতে হবে।
এছাড়া বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী, যদি কোনো উপকারভোগীর মৃত্যু বা অন্য কোনো কারণে প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট কমিটির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিয়ে তা বাস্তবায়ন করতে হবে।
চিঠিতে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির ভাতার অর্থ নিয়মিতভাবে পাঠানোর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা সমাজসেবা কার্যালয় থেকে প্রতি মাসের ২০ থেকে ২৫ তারিখের মধ্যে উপকারভোগীদের নিজস্ব এমএফএস, টাকাপে ও ব্যাংক হিসাবের অনুকূলে শতভাগ নির্ভুল পে-রোল পাঠানো নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক (সামাজিক নিরাপত্তা) মো. মোশাররফ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রটি ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, রংপুর, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালকদের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (বাসস): জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম মন্তব্য করেছেন যে, দেশের মুক্ত ও বদ্ধ জলাশয়ে মৎস্য চাষ দেশের মানুষের আমিষের ঘাটতি পূরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে সারাদেশে মৎস্য চাষের ধারাবাহিকতায় সংসদ ভবন লেকে পর্যায়ক্রমে পোনা মাছ অবমুক্ত করা হচ্ছে।
স্পিকার আজ সংসদ ভবন লেকে পোনা মাছ অবমুক্তকরণের সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ বিষয়টি তুলে ধরেন।
স্পিকার আরও বলেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় ও বঙ্গোপসাগর এলাকা মৎস্য উৎপাদন ও আহরণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন।
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, সংসদ ভবন লেকে মাছ চাষের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলের জনগণকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এর ফলে দেশের জনগণ মৎস্য সম্পদ উৎপাদনে আগ্রহী হয়ে উঠবেন।
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। দেশের মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণে মাছ-মাংসের উৎপাদন বৃদ্ধিতে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সন্তান থাকুক দুধে-ভাতে’ ও ‘মাছে-ভাতে বাঙ্গালি’ বাস্তবায়নে দেশের সকল আনাচে-কানাচে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে।
সংসদ ভবন লেকে মোট ১২০০ কেজি পোনা মাছ অবমুক্ত করা হবে। এর ধারাবাহিকতায় আজ ২৫০ কেজি রুই, মৃগেল, কাতলা ও কালিবাউশ জাতীয় পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়।
অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের তামিলনাড়ু সরকার সরকারি হাসপাতালে সন্তান জন্ম দিলে নবজাতককে এক গ্রাম ওজনের সোনার আংটি দেওয়ার একটি প্রকল্প চালু করেছে। এই উদ্যোগের নাম ‘থাই মামান থাঙ্গা মোথিরাম থিট্টাম’ বা ‘মাতুলের সোনার আংটি প্রকল্প’। প্রকল্পের আওতায় ২২ ক্যারেটের সোনার আংটি নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী নবজাতকেরা পাবেন।
মাদুরাইয়ের সরকারি রাজাজি হাসপাতালে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয়। নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এই প্রকল্পটি চালু করা হয়েছে, যার প্রথম ধাপে ১ লাখ ২৮ হাজার সোনার আংটি প্রস্তুত করা হয়েছে। রাজ্য সরকার এ জন্য বছরে ৭৫৫ কোটি ৮৩ লাখ রুপি বরাদ্দের কথা জানিয়েছে।
এই প্রকল্পের আওতায় তামিলনাড়ুর সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া নবজাতকেরা সুবিধা পাবেন। তবে এই সুবিধা পেতে কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। প্রথমত, শিশুর মাকে তামিলনাড়ুর স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। দ্বিতীয়ত, তাঁকে ‘প্রেগন্যান্সি অ্যান্ড ইনফ্যান্ট কোহর্ট মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন’ (PICME) ব্যবস্থায় নিবন্ধিত থাকতে হবে। এছাড়া মায়ের ‘রিপ্রোডাক্টিভ অ্যান্ড চাইল্ড হেলথ’ (RCH) আইডি থাকা বাধ্যতামূলক।
২০২৬ সালের ২২ জুন বা এর পর সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া শিশুরা এই সুবিধার আওতায় পড়বে। প্রকল্প উদ্বোধনের আগেই জন্ম নেওয়া যোগ্য শিশুদের জন্য বিশেষ বিতরণব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রতিটি সোনার আংটিতে আলাদা সিরিয়াল নম্বর থাকবে এবং আংটিগুলো বিশেষ প্যাকেটে সরবরাহ করা হবে, যাতে প্যাকেট খোলা হয়েছে কি না, তা শনাক্ত করা যায়।
প্রকল্প উদ্বোধনের আগে জন্ম নেওয়া শিশুদের আংটি বিতরণে তামিলনাড়ুর ১০৭টি হাব বা বিতরণকেন্দ্র ব্যবহার করা হবে। প্রতিটি কেন্দ্রে প্রতিদিন ১০০ শিশুকে আংটি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে, প্রকল্প চালুর পর সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া যোগ্য শিশুদের হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়ার সময় আংটি দেওয়ার কথা জানিয়েছে রাজ্য সরকার।
তামিলনাড়ু সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য নবজাতককে সোনার আংটি উপহার দেওয়া নয়। বরং মাতৃত্বকে সম্মান জানানো, গর্ভবতী নারী ও মায়েদের স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং সরকারি হাসপাতালে সন্তান জন্মদানে পরিবারগুলোকে উৎসাহিত করা। তামিল সংস্কৃতিতে শিশুর জন্মের পর মায়ের ভাই, অর্থাৎ মামার বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। সেই পারিবারিক সম্পর্কের প্রতীক হিসেবেই প্রকল্পটির নাম ‘থাই মামান থাঙ্গা মোথিরাম’ রাখা হয়েছে।
রাজ্যের মন্ত্রী অরুণ রাজ বলেন, সন্তান জন্মের পর একজন মামা তাঁর বোন ও নবজাতকের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সরকার সেই সম্পর্কের প্রতি সম্মান জানাচ্ছে।
তবে বিরোধী শিবির প্রকল্পটি নিয়ে আপত্তি তুলেছে। ডিএমকের নেতা টিকে এস এলাঙ্গোভান বলেছেন, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় যখন বাড়ছে, তখন বিনা মূল্যে সোনার আংটি দেওয়া তাঁদের দৈনন্দিন সমস্যার সমাধান করবে না। তিনি কৃষকদের দুর্ভোগ ও মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টিও তুলে ধরেন। তাছাড়া সোনার আংটি কেনার কাজে তামিলনাড়ু মেডিকেল সার্ভিসেস করপোরেশনকে ব্যবহার করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সংস্থাটি সাধারণত ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী কেনার দায়িত্ব পালন করে। ফলে নবজাতকদের জন্য সোনার আংটি কেনার ক্ষেত্রে এই সংস্থাকে ব্যবহারের যৌক্তিকতা নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রকল্পটিকে মাতৃত্বের সম্মান ও জনস্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরা হলেও এর ব্যয়, বাস্তবায়ন এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর এর প্রভাব নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেরিন ড্রাইভের হিমছড়ি এলাকায় একটি চান্দের গাড়ির দুর্ঘটনায় ঢাকার ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান হাবিব নিহত হয়েছেন।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। এই ঘটনায়, ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমানের স্ত্রী ও সন্তানসহ আরও ১৩ জন পর্যটক গুরুতর আহত হয়েছেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে আসা ১৪ জনের একটি পর্যটক দল বিকেল ৪টার দিকে চান্দের গাড়িতে করে কক্সবাজার থেকে ইনানীর উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। যখন তারা হিমছড়ি এলাকায় পৌঁছায়, গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের একটি গাছের সাথে সজোরে ধাক্কা দেয়, ফলে গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই হাবিবুর রহমানের মৃত্যু ঘটে।
নিহত হাবিব ঢাকার মহাখালী রসুলবাগ এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন ঠিকাদারি ব্যবসায়ী ছিলেন। দুর্ঘটনায় তার স্ত্রী শারমিন এবং ছেলে সাফওয়ান মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। তাদের সাথে থাকা অন্য ১৩ জন পর্যটকও আহত হয়েছেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে দুর্ঘটনাকবলিত চান্দের গাড়িটি একটি কাভার্ড ভ্যানে করে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
রাত সাড়ে ১২টার দিকে নিহত হাবিবের মরদেহ এবং আহত পর্যটকদের নিয়ে ১টি লাশবাহী গাড়ি ও ৫টি অ্যাম্বুলেন্স ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
ট্যুরিস্ট পুলিশের ইনচার্জ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। নিহতকে উদ্ধার করে পরবর্তীতে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য কক্সবাজার সদর থানার পুলিশের সাথে সমন্বয় করা হয় এবং আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ