বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৪৭ পি.এম
বার্সেলোনা মিডফিল্ডার রদ্রি, যিনি লা লিগায় ভালেন্সিয়াকে ‘খুব দুর্বল’ দল বলে মন্তব্য করেছেন, বর্তমানে সমালোচনার মুখে পড়েছেন। এই বিশ্বকাপজয়ী তারকা শেষ পর্যন্ত দলটির অধিনায়ক এবং পুরো স্কোয়াডের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।
গনমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, রদ্রি এই মন্তব্যটি করেছিলেন সতীর্থ পাও কুবারসি ও রাফিনিয়ার সঙ্গে বেঞ্চে বসে থাকার সময়, যখন তাকে বদলি হিসেবে মাঠে নামানো হয়। গত রবিবারের ম্যাচে বার্সেলোনা ৫-০ ব্যবধানে জয়লাভ করেছিল।
ভালেন্সিয়া প্রথম চার ম্যাচের মধ্যে একটি ম্যাচেও জয়লাভ করতে পারেনি। তাদের মেস্তেয়া স্টেডিয়ামে এমন ফলাফলের কারণে তারা টেবিলের তলানিতে নেমে গেছে।
রদ্রির মন্তব্যের কোনো অডিও ফুটেজ নেই। তবে সম্প্রচারকারী মোভিস্টার দাবি করেছে, তারা ঠোঁট পড়ার মাধ্যমে বুঝতে পেরেছে যে ৩০ বছর বয়সী সাবেক ম্যানচেস্টার সিটি খেলোয়াড় বলছেন, "তারা সত্যিই দুর্বল। তারা অর্ধেক লাইনও পেরোতে পারেনি।"
ভক্তরা এবং স্প্যানিশ গণমাধ্যমের একটি অংশ রদ্রিকে অসম্মানজনক মন্তব্যের জন্য অভিযুক্ত করেছে।
চ্যাম্পিয়নস লিগে বুধবার ফেয়েনুর্দের বিপক্ষে বার্সেলোনার ৫-১ জয়ের পর রদ্রি বলেন, "আমি আমার বন্ধু ও সতীর্থ হোসে গায়া (স্পেন ডিফেন্ডার ও ভালেন্সিয়া অধিনায়ক)-র কাছে ক্ষমা চেয়েছি, এবং পুরো স্কোয়াডের কাছেও।"
"আমি আরও পরিষ্কার করতে চাই যে এটি কেবল বিস্ময়ের প্রকাশ ছিল-ভিডিও দেখলে যে কেউ তা বুঝতে পারবে। কোনো সময়ই আমি কাউকে উপহাস করতে চাইনি বা কোনো দলের কঠিন পরিস্থিতিকে প্রসঙ্গের বাইরে নিতে চাইনি। বরং উল্টোটা-আমরা সবাই চাই ভালেন্সিয়া আবার লিগে তাদের জায়গায় ফিরে আসুক, এটি প্রতিযোগিতার অন্যতম সেরা ক্লাব। আমি শুধু সেটাই বলতে চেয়েছিলাম।"
"আমি আরও যোগ করতে চাই যে এটি ছিল একটি ব্যক্তিগত আলাপ; আমাদের সবারই শেখা উচিত যে অনেক সময় বিষয়গুলো প্রসঙ্গের বাইরে চলে যায়। কিন্তু কোনো সময়ই আমি অসম্মান করতে চাইনি। ভ্যালেন্সিয়ার কাছে আমার ক্ষমা প্রার্থনা রইল।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জ কাতিয়া মাদরাসার মুহতামিম, জগন্নাথপুর উপজেলা জমিয়তের উপদেষ্টা, ফিদায়ে মিল্লাত সাইয়েদ আসআদ মাদানি (রহ.)-এর খলিফা এবং হযরত শায়খে কাতিয়া (রহ.)-এর বড় সাহেবজাদা হযরত মাওলানা হাফেজ শায়েখ হাজী ইমদাদুল্লাহ সম্প্রতি ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মরহুমের ইন্তেকালে বিভিন্ন ইসলামী দল ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করে তার রূহের মাগফেরাত কামনা করেছেন।
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ : ফিদায়ে মিল্লাত সাইয়েদ আসআদ মাদানি (রহ.)-এর খলিফা, হযরত শায়খে কাতিয়া (রহ.)-এর বড় সাহেবজাদা এবং সুনামগঞ্জ কাতিয়া মাদরাসার মুহতামিম বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন হযরত মাওলানা হাফেজ শায়েখ হাজী ইমদাদুল্লাহ এর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। আজ বৃহস্পতিবার এক শোকবার্তায় জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি শাইখুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক ও মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী এই শোক জানান। নেতৃদ্বয় বলেন, হযরত মাওলানা হাফেজ ইমদাদুল্লাহ (রহ.) ছিলেন একজন বিজ্ঞ আলেম, দ্বীনের একনিষ্ঠ খাদেম ও ইসলামী শিক্ষা-সংস্কৃতির নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিত্ব। তাঁর ইন্তেকালে সুনামগঞ্জসহ দেশের উলামায়ে কেরাম, তালাবায়ে কেরাম ও দ্বীনি অঙ্গনে অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর দীর্ঘদিনের দ্বীনি খেদমত স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
জমিয়ত নেতৃদ্বয় মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন, ছাত্র-শিক্ষক ও শুভাকাক্সক্ষীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর জন্য মাগফিরাত ও রহমত কামনা করেন।
তাঁরা বলেন, আল্লাহ তাআলা মরহুমের সকল ভুলত্রুটি ক্ষমা করে দিন, তাঁর দ্বীনি খেদমতগুলো কবুল করুন, কবরকে নূরে ভরপুর করে দিন এবং জান্নাতুল ফেরদাউসের আ‘লা মাকাম দান করুন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সবরে জামিল নসিব করুন।
ইসলামী ঐক্যজোট : ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাওলানা আব্দুর রকিব আজ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে কাতিয়া মাদরাসার মুহতামিম, জগন্নাথপুর উপজেলা জমিয়তের উপদেষ্টা, ফিদায়ে মিল্লাত সাইয়েদ আসআদ মাদানি (রহ.)-এর খলিফা এবং হযরত শায়খে কাতিয়া (রহ.)-এর বড় সাহেবজাদা হযরত মাওলানা হাফেজ শায়েখ হাজী ইমদাদুল্লাহ’র ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করে তার রূহের মাগফেরাত কামনা করেছেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, হযরত মাওলানা হাফেজ ইমদাদুল্লাহ (রহ.) ছিলেন দেশবরেণ্য একজন বিজ্ঞ আলেম, দ্বীনের একনিষ্ঠ খাদেম ও ইসলামী শিক্ষা-সংস্কৃতির নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিত্ব। তাঁর ইন্তেকালে সুনামগঞ্জসহ দেশের উলামায়ে কেরাম, তালাবায়ে কেরাম ও দ্বীনি অঙ্গনে অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর দীর্ঘদিনের দ্বীনি খেদমত স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন, ছাত্র-শিক্ষক ও শুভাকাক্সক্ষীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর রূহের মাগফেরাত ও রহমত কামনা করেন।
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকে: সুনামগঞ্জ কাতিয়া মাদরাসার মুহতামিম, জগন্নাথপুর উপজেলা জমিয়তের উপদেষ্টা, ফিদায়ে মিল্লাত সাইয়েদ আসআদ মাদানি (রহ.)-এর খলিফা এবং হযরত শায়খে কাতিয়া (রহ.)-এর বড় সাহেবজাদা হযরত মাওলানা হাফেজ শায়েখ হাজী ইমদাদুল্লাহ (রহ.)-এর ইন্তেকালে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকে।
এক শোকবার্তায় সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা মাওলানা শায়খ আসগর হুসাইন, সভাপতি ড. মাওলানা শুয়াইব আহমদ এবং কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বলেন, হযরত মাওলানা হাফেজ ইমদাদুল্লাহ (রহ.) ছিলেন একজন বিজ্ঞ আলেম, দ্বীনের একনিষ্ঠ খাদেম এবং ইসলামী শিক্ষা ও সংস্কৃতির নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিত্ব। তাঁর ইন্তেকালে সুনামগঞ্জসহ দেশ-বিদেশের দ্বীনি অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, মরহুম হযরত মাওলানা ইমদাদুল্লাহ (রহ.) দীর্ঘকাল ইলমে দ্বীন, তালিম-তরবিয়ত ও দ্বীনি খেদমতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর জীবন ও খেদমত উলামায়ে কেরাম এবং দ্বীনি অঙ্গনের মানুষের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর ইন্তেকালে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকের নেতৃবৃন্দ মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবার, আত্মীয়স্বজন, ছাত্র-শিক্ষক, সহকর্মী ও শুভাকাক্সক্ষীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর মাগফিরাত ও রহমতের জন্য দোয়া করেন। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকের পক্ষে আরো যারা শোক প্রকাশ করেছেন তারা হচ্ছেন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকের প্রধান উপদেষ্টা মাওলানা শায়খ আসগর হুসাইন, সভাপতি ড. মাওলানা শুয়াইব আহমদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুফতি আব্দুল মুনতাকিম, সহ-সভাপতি হাফিজ মাওলানা সৈয়দ তাছাদ্দুক আহমদ, মাওলানা হেলাল আহমদ, মাওলানা ফখরুদ্দিন ছাদিক, মাওলানা আমিনুল ইসলাম, হাফিজ সৈয়দ তামীম আহমদ, হাফিজ হোসাইন আহমদ বিশ্বনাথী, মাওলানা আশফাকুর রহমান, সেক্রেটারি মাওলানা সৈয়দ নাঈম আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা শামছুল আলম কিয়ামপুরী, জয়েন্ট সেক্রেটারি হাফিজ মাওলানা ইলিয়াছ, মুফতি শাহ হিফজুল করীম মাশুক, মাওলানা আখতারুজ্জামান, সহ-সেক্রেটারি মুফতি সৈয়দ রিয়াজ আহমদ, হাফিজ জিয়া উদ্দিন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা নাজমুল হাসান, হাফিজ মাওলানা মাছুম আহমদ, মাওলানা মঈন উদ্দিন খান, মাওলানা আব্দুল গাফফার, ট্রেজারার হাফিজ রশীদ আহমদ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা ওলীউর রহমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা খালেদ আহমদ, প্রচার সম্পাদক মাওলানা শামছুল ইসলাম, সহ-প্রচার সম্পাদক হাফিজ মাওলানা আব্দুল হাই এবং মিডিয়া সেক্রেটারি আরিফুল ইসলাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলা গানের আলোচিত শিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল একসময় তার কণ্ঠ ও গায়কীর মাধ্যমে শ্রোতাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া সৃষ্টি করেছিলেন। কলকাতার ‘সারেগামাপা’ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের পর তিনি পরিচিতি অর্জন করেন এবং তার সামনে বড় সম্ভাবনা তৈরি হয়। দেশের পাশাপাশি কলকাতাতেও তিনি গান ও কনসার্ট নিয়ে ব্যস্ত হয়ে উঠেছিলেন।
তবে পরবর্তীতে বিভিন্ন বিতর্ক এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের কারণে নোবেল সেই সম্ভাবনাময় পথ থেকে অনেকটাই দূরে সরে যান। বিভিন্ন সময় তার কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা হয়েছে এবং এমনকি তাকে কারাগারেও যেতে হয়েছে। তার এই অবস্থায় সংগীতশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার আশিকুজ্জামান টুলু আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন।
১০ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় টুলু নোবেলের প্রতিভা নিয়ে নিজের হতাশা প্রকাশ করেন। তিনি মনে করেন, নোবেলের কণ্ঠ ও গায়কীতে এমন কিছু ছিল যা তাকে সংগীতের অনেক উঁচু জায়গায় নিয়ে যেতে পারত। কিন্তু নিজের সিদ্ধান্ত ও জীবনযাপনের কারণে সেই প্রতিভা নষ্ট হয়ে গেছে বলে তিনি আক্ষেপ করেন।
নোবেলের ‘কী আগুন জ্বলছে বুকে’ গানটির প্রসঙ্গে টুলু তার গায়কী, কণ্ঠের প্রকাশভঙ্গি ও দক্ষতার প্রশংসা করেন। টুলুর মতে, নোবেল যদি আরও মনোযোগী ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে সংগীতচর্চা করতেন, তাহলে তিনি অন্য উচ্চতায় পৌঁছাতে পারতেন।
নোবেলের বর্তমান অবস্থার পেছনে নেশার প্রভাব রয়েছে বলেও টুলু ইঙ্গিত করেছেন। তিনি নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে জানান, নেশার কারণে প্রতিভাবান মানুষকে ধ্বংস হয়ে যেতে দেখা তার কাছে অত্যন্ত কষ্টকর। টুলুর এই বক্তব্যের সঙ্গে অনেকেই একমত পোষণ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের সেনাবাহিনীর স্থল বাহিনীর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী জাহানশাহি জানান, শত্রুপক্ষের যেকোনো ধরনের হুমকি মোকাবিলায় ইরানের স্থল বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
তিনি বৃহস্পতিবার কাজভিনে ১৬তম আর্মার্ড ডিভিশনের যুদ্ধ-প্রস্তুতি ও সামরিক সক্ষমতা পরিদর্শনকালে এ মন্তব্য করেন।
জাহানশাহি বলেন, দেশের সীমান্ত এলাকায় ইরানি স্থল বাহিনীর ইউনিটগুলো সক্রিয় অবস্থানে রয়েছে এবং তারা ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা রক্ষায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে দায়িত্ব পালন করছে।
তিনি সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় স্থল বাহিনীর ইউনিটগুলোর কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে বলেন, শত্রুপক্ষের গোলাবর্ষণের মধ্যেও সেনারা দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নির্ধারিত অবস্থানে পৌঁছে মোতায়েন হয়েছিল।
এছাড়া, তিনি বলেন, সৈন্য, সামরিক সরঞ্জাম ও গোলাবারুদের বড় ধরনের স্থানান্তর এমন সময়ে সম্পন্ন করা হয়েছিল, যখন শত্রুপক্ষ ড্রোন, যুদ্ধবিমান, গোয়েন্দা স্যাটেলাইটসহ বিভিন্ন নজরদারি ব্যবস্থার মাধ্যমে ইরানি বাহিনীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছিল।
জাহানশাহি আরও বলেন, অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও স্থল বাহিনীর সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং উচ্চ মনোবল নিয়ে ইসলামি ইরানের সীমান্ত রক্ষা করেছেন।
তিনি প্রতিরক্ষা অবস্থানে স্থল বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিকে ইরানি জনগণের জন্য আশ্বাসের উৎস হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে, তিনি বলেন, এই সামরিক উপস্থিতি শত্রুপক্ষকে নিরুৎসাহিত করার ক্ষেত্রে প্রতিরোধমূলক শক্তি হিসেবে কাজ করছে।
জাহানশাহি বলেন, স্থল বাহিনীর শক্তিশালী উপস্থিতি প্রমাণ করে যে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনী দেশের ভূখণ্ড ও স্বাধীনতা রক্ষায় দৃঢ়তা এবং সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত রয়েছে। সূত্র: তাসনিম নিউজ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুলবাড়ী উপজেলার ১০৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৭২টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। এর পাশাপাশি ৮০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নৈশপ্রহরী-কাম-দপ্তরি নেই। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা এবং শিক্ষাদান কার্যক্রমে সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
ফুলবাড়ী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ ও পদোন্নতি নীতিমালা অনুসারে ৩৫ শতাংশ প্রধান শিক্ষক সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে এবং ৬৫ শতাংশ পদোন্নতির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, ২০০৯ সাল থেকে মামলার কারণে আদালতের নিষেধাজ্ঞার ফলে পদোন্নতি বন্ধ রয়েছে। এই কারণে প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদ পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। দীর্ঘ সময় ধরে পদোন্নতি বন্ধ থাকায় শিক্ষকেরা পাঠদান কার্যক্রমে আগ্রহ হারাচ্ছেন।
এদিকে, প্রধান শিক্ষক সংকটের পাশাপাশি বিদ্যালয়গুলোর নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ১০৯টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ৮০টিতে নৈশপ্রহরী-কাম-দপ্তরি না থাকায় বিদ্যালয়গুলো রাতের বেলায় অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই সুযোগে বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে ল্যাপটপ, প্রজেক্টর, সাউন্ড সিস্টেম, বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ সরকারি সরঞ্জাম চুরির ঘটনা ঘটছে।
এছাড়া, ফুলবাড়ী উপজেলায় বিদ্যালয় পরিদর্শনের জন্য তিনজন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিইও) থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে দুজন কর্মরত আছেন। একটি পদ শূন্য থাকায় কর্মরত কর্মকর্তাদের অতিরিক্ত বিদ্যালয়ের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। ফলে নিয়মিত বিদ্যালয় পরিদর্শন এবং শিক্ষকদের পাঠদান মূল্যায়ন করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
ফুলবাড়ী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মহসিন আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি বিষয়টি চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ