প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফুলবাড়ী উপজেলার ১০৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৭২টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। এর পাশাপাশি ৮০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নৈশপ্রহরী-কাম-দপ্তরি নেই। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা এবং শিক্ষাদান কার্যক্রমে সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
ফুলবাড়ী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ ও পদোন্নতি নীতিমালা অনুসারে ৩৫ শতাংশ প্রধান শিক্ষক সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে এবং ৬৫ শতাংশ পদোন্নতির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, ২০০৯ সাল থেকে মামলার কারণে আদালতের নিষেধাজ্ঞার ফলে পদোন্নতি বন্ধ রয়েছে। এই কারণে প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদ পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। দীর্ঘ সময় ধরে পদোন্নতি বন্ধ থাকায় শিক্ষকেরা পাঠদান কার্যক্রমে আগ্রহ হারাচ্ছেন।
এদিকে, প্রধান শিক্ষক সংকটের পাশাপাশি বিদ্যালয়গুলোর নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ১০৯টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ৮০টিতে নৈশপ্রহরী-কাম-দপ্তরি না থাকায় বিদ্যালয়গুলো রাতের বেলায় অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই সুযোগে বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে ল্যাপটপ, প্রজেক্টর, সাউন্ড সিস্টেম, বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ সরকারি সরঞ্জাম চুরির ঘটনা ঘটছে।
এছাড়া, ফুলবাড়ী উপজেলায় বিদ্যালয় পরিদর্শনের জন্য তিনজন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিইও) থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে দুজন কর্মরত আছেন। একটি পদ শূন্য থাকায় কর্মরত কর্মকর্তাদের অতিরিক্ত বিদ্যালয়ের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। ফলে নিয়মিত বিদ্যালয় পরিদর্শন এবং শিক্ষকদের পাঠদান মূল্যায়ন করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
ফুলবাড়ী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মহসিন আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি বিষয়টি চলমান রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন