ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

খুলনা সিটি হাসপাতালে আগুন, উঠেছে মানবিকতার গল্প


খুলনা সিটি হাসপাতালে আগুন, উঠেছে মানবিকতার গল্প

খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। হাসপাতালের বেসমেন্টে থাকা জেনারেটর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে মুহূর্তের মধ্যে তা ছড়িয়ে পড়ে। সম্পূর্ণ হাসপাতালজুড়ে আমরা দেখতে পেয়েছি মানবিকতা ও দায়িত্বশীলতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত, যদিও আতঙ্কের পাশাপাশি আগুন ও ঘন কালো ধোঁয়ার ভেতর দিয়ে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত সাড়ে ৯টায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। অল্প সময়ের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা ওপরের কয়েকটি ফ্লোরে ছড়িয়ে পড়ে। ঘন কালো ধোঁয়া আগুনের চেয়ে বেশি আতঙ্ক তৈরি করে।

ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টে রোগীদের পাশাপাশি স্বজন ও কর্মরতদেরও সঙ্গিন অবস্থা হয়। জীবন বাঁচাতে তারা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটতে থাকেন। তবে এই চরম সংকটের রাতে খুলনাবাসী নানা মানবিক ঘটনার সাক্ষী হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে উঠে এসেছে সেই হৃদয়স্পর্শী গল্প।

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

নাজনীন ঊর্মি নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী ফেসবুকে লিখেছেন, ‘গতকাল রাতটি আমাদের জীবনের সবচেয়ে আনন্দের হতে পারত, কিন্তু সে আনন্দ এক নিমিষেই চরম বিষাদে আর আতঙ্কে রূপ নেয়। আমার ছোট বোন তখন ওটিতে, মাত্রই এক ফুটফুটে কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছে। ঠিক তখনই খবর এলো সিটি মেডিকেল হাসপাতালে আগুন লেগেছে। চারদিক তখন শুধু কালো ধোঁয়া, মানুষের ছোটাছুটি আর বাঁচার আকুল চিৎকার। বিদ্যুৎ চলে গেল, ওটির ভেতরে তখনও আমার বোনের সিজারিয়ানের সেলাই বাকি। এমন এক মৃত্যুভয়ের মুহূর্তেও ডাক্তাররা দেবদূতের মতো অনড় রইলেন। তারা নিজেদের জীবনের মায়া ত্যাগ করে, মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় আমার বোনের সেলাই শেষ করলেন। ডাক্তারদের এই ঋণ কোনোদিন শোধ করার নয়।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘অন্যপাশে তখন আর এক মানবিক ও ভালোবাসার মহাকাব্য লিখছিলেন আমার বোনজামাই। সবাই যখন নিজের জীবন বাঁচাতে ব্যস্ত, তিনি তখন সদ্যজাত ছোট্ট কলিজার টুকরোটাকে বুকে চেপে ওটির বাইরে ঠায় দাঁড়িয়ে রইলেন। আগুন চারপাশে ছড়িয়ে পড়ছে জেনেও, নিজের জীবনের পরোয়া না করে প্রিয় মানুষটির কাছ থেকে এক বিন্দু সরেননি। স্ত্রীকে ও সন্তানকে আগলে রেখেছিলেন পরম মমতায়। একেই বোধহয় বলে সত্যিকারের ভালোবাসা, একেই বলে প্রকৃত জীবনসঙ্গী। মৃত্যুর দুয়ার থেকে এক নতুন জীবনের স্পন্দন নিয়ে ফিরে এসেছে ওরা। আমাদের পরিবারের এক অলৌকিক আলো, আমাদের অগ্নি কন্যা।’

সংবাদকর্মী এম এ সাদি নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে লিখেছেন, ‘আগুনের চেয়ে ধোঁয়া বেশি হওয়ায় বাইরের চিত্র ধারণ করে হাসপাতালের মেইন গেট দিয়ে আমি প্রথম তলা থেকে ১৫ তলার ছাদ পর্যন্ত যাই সংবাদ সংগ্রহের জন্য। গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ডগুলোর সামনে ফায়ার সার্ভিস কর্মী ও হাসপাতালের কর্মচারীদের দেখতে পাই। এরই মধ্যে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীরা রোগী উদ্ধারে হাসপাতালের নানা ফ্লোরে ছোটাছুটি করতে থাকে।’

তিনি আরও জানান, কেবিনের এক ওয়ার্ড বয় রোগী ও স্বজনদের মনোবল দিতে বলছিলেন, ‘আমি মরে গেলেও আপনাদের বিপদে ফেলে যাবো না। ধোঁয়া কমলেই আপনাদের নিচে নিয়ে যাবো।’ সেই ওয়ার্ড বয় সত্যিই তাদের ছেড়ে যাননি। এছাড়া খুলনার অধিকাংশ অ্যাম্বুলেন্স চালক বিনামূল্যে অসংখ্য রোগীকে বিভিন্ন হাসপাতালে পৌঁছে দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন

এদিকে বেসরকারি গাজী মেডিকেল কর্তৃপক্ষ রাতেই সিটি মেডিকেল থেকে স্থানান্তরিত রোগীদের চিকিৎসা ফ্রি ঘোষণা করে। তুহিন ও মইন নামের দুজন স্বেচ্ছাসেবী বলেছেন, ‘একশ বা দুইশো টাকার জন্য যে অ্যাম্বুলেন্স চালকরা রোগীদের জিম্মি করে রাখে, তারা যেভাবে মানবসেবার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, তা আসলে সত্যিই আমাদের কাজের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।’

সুমন রায় নামের এক ব্যক্তি ফেসবুকে লিখেছেন, খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজে যখন আগুন লেগে চারপাশ ধোঁয়ায় অন্ধকার, তখন আইসিইউর দায়িত্বে থাকা এক ডাক্তারের খোঁজ নিতে ফোন করেছিলেন তিনি। ফোনের ওপাশ থেকে ভেসে এলো হাঁসফাঁস করা এক ভীষণ ব্যস্ত কণ্ঠ, ‘চারপাশে প্রচণ্ড ধোঁয়া, নিঃশ্বাস নেয়া কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তবুও একটা রোগীও ইভাকুয়েট (নিরাপদে সরানো) করার আগে আমরা এখান থেকে নামছি না। আর মাত্র ৩টা রোগী বাকি আছে, ওদের সরিয়েই আমরা নামার চেষ্টা করব।’

ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তাদের সঙ্গে যোগ দেন বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, স্থানীয় জনতা, রাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীরা। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অধিকাংশ রোগীকে নিরাপদে বের করে আনা সম্ভব হয়। গুরুতর ও ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে করে নগরীর বিভিন্ন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

আরও পড়ুন: সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে ‘দাদা ভাই বাহিনী’র বন্দুকযুদ্ধে ৫ জেলে উদ্ধার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলা-ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক হতে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:২৫ পি.এম


বাংলা-ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক হতে পারে

বাংলাদেশে শিক্ষাব্যবস্থায় একটি বড় ধরনের সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগে বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি তৃতীয় ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা এই তৃতীয় ভাষা হিসেবে জাপানি, কোরিয়ান, ম্যান্ডারিন, আরবি, ফ্রেঞ্চ বা জার্মানের মতো যেকোনো একটি ভাষা বেছে নিতে পারবে।

এই পরিকল্পনার কথা বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট পেশকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং বৈশ্বিক শ্রমবাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য শিক্ষাক্রমকে আধুনিক ও দক্ষতাভিত্তিক করা হচ্ছে।

প্রস্তাবিত এই পরিকল্পনার অধীনে, ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ধাপে ধাপে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আনন্দময় শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ ধারণাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

নতুন কাঠামোর অংশ হিসেবে, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি চালু করার পাশাপাশি মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম প্রতিষ্ঠা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধা প্রদান করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

শিক্ষার্থীদের সহায়তায় বিভিন্ন আর্থিক ও সামাজিক সুবিধার কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। তৃতীয় ভাষা জানা শিক্ষার্থীরা বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত সহজ শর্তে ঋণ নিতে পারবে। দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিফর্ম, জুতা ও ব্যাগ বিনামূল্যে দেওয়া হবে।

এছাড়া প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য বিশেষ প্রযুক্তি ও শিক্ষাসামগ্রী নিশ্চিত করা হবে। নারীদের শিক্ষার ক্ষেত্রে স্নাতক পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষার কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার জন্য সারা দেশে ‘মিড-ডে মিল’ কর্মসূচি সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

সরকার আশা করছে, এই উদ্যোগগুলোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের দক্ষতা অনুযায়ী ভবিষ্যতে কারিগরি, প্রযুক্তি, কৃষি বা গবেষণার ক্ষেত্রে দেশ এবং বিদেশে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কানাডায় বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চ মাতাবেন বাংলাদেশি সঞ্জয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৩০ পি.এম


কানাডায় বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চ মাতাবেন বাংলাদেশি সঞ্জয়

কানাডায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ২০২৬ বিশ্বকাপের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এবার থাকছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ডিজে ও মিউজিক প্রডিউসার সঞ্জয়, যিনি বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত। মাঠের লড়াইয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল সেখানে না থাকলেও বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরের উদ্বোধনী এই মঞ্চে লাল-সবুজের প্রতিনিধিত্ব থাকছে তার মাধ্যমে।

বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (১২ জুন) রাত ১টায় কানাডার টরন্টো স্টেডিয়ামে স্বাগতিক কানাডা তাদের প্রথম ম্যাচে বসনিয়া-হার্জেগোভিনার মুখোমুখি হবে। এই ম্যাচের প্রায় ৯০ মিনিট আগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হবে, যেখানে পারফর্ম করবেন সঞ্জয়।

আয়োজনের অংশ হিসেবে কানাডিয়ান পপ তারকা মাইকেল বুবলে ও অ্যালানিস মরিসেটসহ অন্যান্য বিশ্বখ্যাত শিল্পীরা উপস্থিত থাকবেন। তারা সবাই এক সাথে একই মঞ্চে পারফর্ম করবেন বাংলাদেশের এই মিউজিক প্রডিউসার, যা ইতোমধ্যে তার আন্তর্জাতিক সংগীত অঙ্গনে অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে।

লস অ্যাঞ্জেলেসভিত্তিক এই ইলেকট্রনিক মিউজিক প্রডিউসার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জানিয়েছেন, ঘরে বসে বিট তৈরি করা থেকে শুরু করে আজ বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আসরের মঞ্চে পারফর্ম করা তার জন্য এক অসাধারণ অর্জন।

বিশ্বকাপ ইতিহাসে এবার প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ উদ্যোগে টুর্নামেন্টটি আয়োজন হবে। একই সঙ্গে তিনটি আয়োজক দেশে আলাদা আলাদা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজনের ফলে এবারের বিশ্বকাপ হয়ে উঠেছে একেবারে বিশেষ।

এটি বৈশ্বিক আয়োজনে একজন বাংলাদেশী শিল্পীর অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে দেশের ফুটবলপ্রেমী ও সংগীত অনুরাগীদের মধ্যে তৈরি করেছে বাড়তি উচ্ছ্বাস ও গর্বের অনুভূতি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জার্সি পরে নামাজ পড়া কি জায়েজ?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৪০ পি.এম


জার্সি পরে নামাজ পড়া কি জায়েজ?

ঈমান আনার পর নামাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিধান। এটি বেহেশতের চাবি। প্রাপ্তবয়স্ক নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্যে অবশ্যই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া ফরজ। এছাড়াও রয়েছে ওয়াজিব, সুন্নত ও নফল নামাজ। কাজের কারণে যতই ব্যস্ততা থাকুক, সময়মতো নামাজ পড়া প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরজ হয়ে থাকে।

অনেকে প্রশ্ন করেন, জার্সি পরে নামাজ পড়া কি জায়েজ?

এ বিষয়ে ফুকাহায়ে কেরাম বলেন, প্রচলিত প্রায় সব ধরনের খেলা জুয়ার অন্তর্ভুক্ত, যা হারাম। তাছাড়া এতে সময় ও অর্থের অপচয় এবং অশ্লীলতাও থাকে। সুতরাং এটা পরিত্যাগ করা আবশ্যক।

জার্সি পরে নামাজ পড়া অনুচিত; তবে এটি নামাজের আদায়ের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা থাকবে না। যদি জার্সিতে ছবি স্পষ্টভাবে থাকে তাহলে নামাজ আদায় হবে; কিন্তু এটি মাকরুহ হবে। আর যদি ছবিগুলো একেবারে অস্পষ্ট হয়, তবে তা মাকরুহ হবে না।

ইসলামি শরিয়তে প্রাণীর ছবিযুক্ত পোশাক পরিধান হারাম। তবে প্রাণহীন বস্তু, যেমন বৃক্ষ, পাহাড়, ঝরনা ইত্যাদির ছবি পরিধান করা বৈধ। (আল-বাহরুর রায়েক: ২/২৯, মেরকাতুল মাফাতিহ: ৪৪৮৯)

মহান আল্লাহ বলেন, يَا بَنِي آدَمَ خُذُواْ زِينَتَكُمْ عِندَ كُلِّ مَسْجِدٍ, ‘হে বনি-আদম! তোমরা প্রত্যেক নামাজের সময় সাজসজ্জা পরিধান করে নাও।’ (সুরা আরাফ: ৩১)

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারত-বাংলাদেশ এক হলে বিশ্ব শক্তিতে পরিণত হবে: দীনেশ ত্রিবেদী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৪২ পি.এম


ভারত-বাংলাদেশ এক হলে বিশ্ব শক্তিতে পরিণত হবে: দীনেশ ত্রিবেদী

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, যদি ভারত ও বাংলাদেশের ১৬০ কোটি জনসংখ্যা একত্রিত হয়, তবে তা একটি বৃহৎ আন্তর্জাতিক জনশক্তিতে পরিণত হতে পারে।

শুক্রবার (১২ জুন) সকালে, ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে বাংলাদেশে আসার পথে বেনাপোলে গণমাধ্যমকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে, তিনি পেট্রাপোল বন্দর হয়ে বেনাপোল পৌঁছালে শূন্যরেখায় তাকে অভ্যর্থনা জানান বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ভারতীয় দূতাবাস ও বেনাপোল স্থলবন্দরের কর্মকর্তারা।

দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে হাইকমিশনার বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেন এবং বলেন, ‘একটা শক্তি হলে হবে না। দুই দেশ মিলে যে শক্তি হবে, সেটাই আসল শক্তি। ওই শক্তিটা যেন পুরো পৃথিবী দেখে। ইন্ডিয়া এবং বাংলাদেশে যে মেধা আছে, তাদের নিয়ে আগামী প্রজন্মের জন্য খেলাধুলা, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি সব কিছু নিয়ে কাজ করব।’ এই উদ্দেশ্যে, দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা থাকা গুরুত্বপূর্ণ বলেও মনে করেন তিনি।

সম্প্রতি সীমান্ত এলাকায় পুশইন নিয়ে তৈরি হওয়া উত্তাপ এবং ভ্রমণ ও বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে জানতে চাইলে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘ভারত ও বাংলা একই আকাশ, একই বাতাস, একই যন্ত্র। যা দুই দেশের জন্য ভালো হয়, সামনের দিনে সেই পদক্ষেপই নেয়া হবে।’

সীমান্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সম্প্রতি পুশইন নিয়ে দুই দেশের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে বেশ উত্তাপ বিরাজ করছে। চলমান এই পরিস্থিতিতে ঢাকা শহরে ভারতীয় হাইকমিশনার হিসেবে দীনেশ ত্রিবেদীর দায়িত্ব গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি বাংলাভাষী এবং দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির সাথে জড়িত রয়েছেন। ফলে তার এই দায়িত্ব গ্রহণ চলমান সীমান্ত উত্তাপ বন্ধে এবং ভিসা ও বাণিজ্য সহজীকরণসহ নানা বিষয়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%