রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৪০ পি.এম
আগামী ৫ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্দরে পূর্বঘোষিত অবস্থান কর্মসূচি সফল করার উদ্দেশ্যে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিভিন্ন শ্রমিক-কর্মচারী জোট ও সংগঠনের নেতাদের যৌথ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
চট্টগ্রামের বন্দর রক্ষা কমিটির আহ্বানে ৫ অক্টোবর দিনব্যাপী বন্দর ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সুলতান আহমদ হলে জাতীয় ফেডারেশন ও বেসিক ইউনিয়নগুলোর নেতৃবৃন্দের সঙ্গে উক্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রামের আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার। সঞ্চালনা করেন কমিটির সদস্য সচিব ফজলুল কবির মিন্টু।
সভায় শ্রমিক কর্মচারী নেতৃবৃন্দ জানান, চট্টগ্রাম বন্দরের লাভজনক এবং স্পর্শকাতর গুরুত্বপূর্ণ প্রধান স্থাপনা নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) এবং চিটাগং কন্টেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দীর্ঘ মেয়াদি ইজারা চুক্তিতে ছেড়ে দেওয়া হলে দেশের ও জাতির কী কী লাভ হবে এবং কী কী ক্ষতি হতে পারে সে সম্পর্কে যথাযথ মূল্যায়ন করা জরুরি।
এ জন্য জাতীয় পর্যায়ে সংলাপ প্রয়োজন বলে সরকারকে এ বিষয়ে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণের জন্য শ্রমিক কর্মচারী নেতারা আহ্বান জানান।
আন্দোলনরত শ্রমিক কর্মচারি সংগঠনসমূহের নেতারা সভায় বলেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে তারা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চান। তবে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি ও আন্দোলনকে সরকার দুর্বলতা হিসেবে বিবেচনা করলে তা ভুল হবে।
তাহলে ভবিষ্যতে দাবি আদায়ে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে। প্রয়োজনে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে অবরোধ ও হরতালের মতো কর্মসূচিও ঘোষণার কথা জানান তারা।
সভায় বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র। বন্দরের সঙ্গে জাতীয় অর্থনীতি ও বিপুলসংখ্যক শ্রমিকের স্বার্থ জড়িত।
এই পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম বন্দরের ব্যবস্থাপনা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনায় জাতীয় স্বার্থের পাশাপাশি শ্রমিকদের অধিকার ও স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
সভায় বক্তারা আগামী ৫ অক্টোবরের অবস্থান কর্মসূচি সফল করতে বিভিন্ন জাতীয় ফেডারেশন, বেসিক ইউনিয়ন ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
সভায় বক্তারা বলেন, নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা দেওয়া হলে দেশের কী লাভ হবে, তা সরকারকে জনগণের কাছে স্পষ্ট করতে হবে।
একইভাবে এনসিটি ইজারা দেওয়া হলে দেশের কী ধরনের ক্ষতি হতে পারে, সে বিষয়েও সরকারের সঙ্গে জাতীয় পর্যায়ে সংলাপের প্রয়োজন রয়েছে।
এ বিষয়ে প্রয়োজনে সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয় সংলাপ আয়োজনের আহ্বান জানান শ্রমিক নেতারা।
সভায় আলোচনায় অংশ নেন টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি তপন দত্ত, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও বন্দর সিবিএর সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার, বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি এস কে খোদা তোতন, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শ ম জামাল উদ্দিন, টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার কামাল খান, জাতীয়তাবাদী ডক শ্রমিক দলের সভাপতি মো. হারুন ও সাধারণ সম্পাদক তসলিম হোসেন সেলিম, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল বাতেন, সহ-সম্পাদক ইব্রাহীম ফরাজি, বিএফটিইউসির সভাপতি আনোয়ারুল হক হুনি, বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ মিয়া, বন্দর উইঞ্চ ক্রেন অপারেটর সমিতির নেতা ইমাম হোসেন স্বপন, বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুর রহিম, কমিউনিটি সেন্টার শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. পারভেজ, চট্টগ্রাম যুব ট্রেড ইউনিয়ন নেটওয়ার্কের সদস্য সচিব হাসিবুর রহমান বিপ্লব, লুৎফুন্নাহার সোনিয়া, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের নেতা হেলাল উদ্দিন কবির, ইমান আলী জানুসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সভায় আগামী ৫ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্দর ভবনের সামনে দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচিতে সর্বস্তরের শ্রমিক, জাতীয় ফেডারেশন, বেসিক ইউনিয়ন ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
চট্টগ্রাম বন্দরের নিরবচ্ছিন্ন লাভজনক, সচল এবং নিজস্ব টাকায় নির্মিত স্বয়ংসম্পূর্ণ নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল এনসিটি এবং সিসিটি বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে ধারাবাহিক আন্দোলনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রামের আহ্বানে গত ১৪ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম বন্দর সংলগ্ন বারিক বিল্ডিং মোড়ে বিক্ষোভ মিছিল এবং সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। তাছাড়া এর আগে থেকেই বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রাম, শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য জোট স্কপসহ বিভিন্ন জোট, রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের আহ্বানে সভা, সমাবেশ, প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিল হয়ে আসছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উত্তর আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন অঞ্চলে একটি লঘুচাপ গঠন হয়েছে। এটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আরও ঘনীভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে আগামী তিন দিন দেশের অভ্যন্তরে ও তৎসংলগ্ন উজানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বৃষ্টিপাত এবং নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী দুই দিন দেশের অভ্যন্তরে ও তৎসংলগ্ন উজানে মাঝারি থেকে মাঝারি-ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে এবং তৃতীয় দিনে বৃষ্টির পরিমাণ মাঝারি-ভারী থেকে ভারী হতে পারে।
এদিকে, দেশের প্রধান নদ-নদীগুলি বর্তমানে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। যমুনার পানি সমতল স্থিতিশীল থাকলেও আগামী পাঁচ দিনে তা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গঙ্গার পানি কমেছে এবং এই প্রবণতা আগামী পাঁচ দিন অব্যাহত থাকতে পারে। পদ্মার পানি কমেছে, যা আগামী এক দিন আরও কমে এবং পরবর্তী চার দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। আগামী তিন দিন এই প্রবণতা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
উত্তরাঞ্চলে ধরলা নদীর পানি বেড়েছে। তিস্তা ও দুধকুমারের পানি সমতল স্থিতিশীল রয়েছে। তিস্তার পানি আগামী এক দিন বাড়তে পারে এবং পরবর্তী দুই দিন কমতে পারে। ধরলা ও দুধকুমারের পানি আগামী তিন দিন বাড়তে পারে।
চট্টগ্রাম বিভাগের সেলোনিয়া, ফেনী, হালদা ও সাঙ্গু নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে। মুহুরীর পানি স্থিতিশীল রয়েছে। অন্যদিকে, মাতামুহুরী ও গোমতীর পানি কমেছে। গোমতীর পানি আগামী এক দিন বাড়তে পারে এবং পরবর্তী দুই দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। মুহুরী, সেলোনিয়া, ফেনী, সাঙ্গু ও মাতামুহুরীর পানি আগামী তিন দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। হালদার পানি আগামী তিন দিন কমতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যের পুত্রের স্বপ্ন ভেঙে গেল। এশিয়ান গেমসে দেশের প্রতিনিধি হিসেবে অংশগ্রহণের জন্য তিনি প্রস্তুত ছিলেন। কিন্তু প্রতিযোগিতার শুরু হওয়ার আগেই তিনি জ্ঞান হারালেন।
পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর হয়ে দাঁড়ায় যে, বরুণ সান্যালকে এশিয়ান গেমস থেকে নাম প্রত্যাহার করতে বাধ্য হতে হয়। জানা গেছে, জাপানে পৌঁছানোর পর থেকেই তিনি বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। অন্তত ১০ ঘণ্টা ধরে তিনি যাতায়াতের ভোগান্তি সহ্য করেছেন।
এশিয়াডে এবার নতুনভাবে যুক্ত হয়েছে মিক্সড মার্শাল আর্ট বা এমএমএ। বরুণ সান্যাল প্রথম ভারতীয় পুরুষ হিসেবে সেখানে প্রতিনিধিত্ব করার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৭৭ কেজি বিভাগে তার অংশগ্রহণ সম্ভব হয়নি। রোববার লড়াইয়ের আগে সনায় গিয়ে তিনি জ্ঞান হারান।
ওজনভিত্তিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের আগে সাধারণত প্রতিযোগীরা সনায় যান ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে। কিন্তু অতিরিক্ত গরমের কারণে সেখানে গিয়ে বরুণ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার পেশিতে টান ধরে এবং শরীরে পানির পরিমাণ বিপজ্জনকভাবে কমে যায়। রাত একটার সময় সনায় তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। এক নেপালি অ্যাথলেট তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। ডাক্তার স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বরুণ আনফিট এবং তাকে লড়াইয়ে নামার অনুমতি দেওয়া যাবে না।
বরুণের এই পরিণতির জন্য এশিয়ান গেমসের আয়োজকদের বিরুদ্ধে আবারও অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, তার নাম রেজিস্ট্রেশন করাতে অন্তত ১০ ঘণ্টা সময় লেগেছে। একটার পর একটা অফিসে গিয়ে তিনি রেজিস্ট্রেশন করার চেষ্টা করেছেন।
অবশেষে ঘর পেয়ে তিনি দেখেন, অন্য দুই অ্যাথলিটের জন্যও একই ঘর বরাদ্দ করা হয়েছে। সেই সমস্যার সমাধান করতে কয়েক ঘণ্টা সময় লেগেছে। শেষ পর্যন্ত বরুণ যখন সামান্য বিশ্রামের সুযোগ পান, তখন তার শরীর একেবারে নিস্তেজ হয়ে যায়। ওজন নিয়ন্ত্রণে রেখে পুষ্টিকর খাবার খাওয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। তাই সনায় গিয়েছিলেন। কিন্তু এতকিছু করেও স্বপ্নভঙ্গের যন্ত্রণা নিয়ে তাকে এশিয়ান গেমস থেকে ফিরতে হলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক ও ইসলামী ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোর ইসলামিক ফাইন্যান্সিয়াল লেনদেনসংক্রান্ত তথ্য রিপোর্টিংয়ের জন্য নতুন নির্দেশনা প্রদান করেছে। এ নির্দেশনা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগের ইসলামিক ব্যাংকিং এবং ফাইন্যান্সিয়াল ডেটাবেজ ইউনিট থেকে জারি করা হয়েছে।
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জারি করা এই নির্দেশনায় দেশের সকল ইসলামী ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংকের শাখা ও উইন্ডো এবং কনভেনশনাল ব্যাংকের ইসলামিক ব্যাংকিং শাখা/উইন্ডোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একইভাবে ইসলামী ফাইন্যান্স কোম্পানির শাখা ও উইন্ডোগুলোও এর আওতায় এসেছে।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, ইসলামী ব্যাংক ও ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোকে মাসিক ভিত্তিতে সংগৃহীত ইসলামিক ফাইন্যান্সিয়াল লেনদেনসংক্রান্ত তথ্য রিপোর্টিংয়ের জন্য একটি গাইডলাইন প্রস্তুত করা হয়েছে। গাইডলাইনে ব্যবহৃত তথ্য-উপাত্তের ডাটা টেমপ্লেটে কিছু ক্ষেত্রে সংযোজন, বিয়োজন, পরিবর্ধন এবং পুনর্গঠন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, নতুন গাইডলাইন অনুযায়ী দেশের সকল ইসলামী ব্যাংক, কনভেনশনাল ব্যাংকের ইসলামিক ব্যাংকিং শাখা/উইন্ডো এবং ইসলামী ফাইন্যান্স কোম্পানির শাখা/উইন্ডোকে তাদের ইসলামিক ফাইন্যান্সিয়াল লেনদেনসংক্রান্ত তথ্য প্রতি মাসের তথ্য পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত নিয়মে দাখিল করতে হবে।
নতুন নির্দেশনায় পুরোনো তথ্য দাখিলের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সেপ্টেম্বর, অক্টোবর এবং নভেম্বর মাসের তথ্য পুরোনো ডাটা টেমপ্লেট অনুযায়ী দাখিল করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে প্রস্তুত করা গাইডলাইনসংবলিত নতুন ডাটা টেমপ্লেট অনুযায়ীও তথ্য দাখিল করতে হবে। অন্যদিকে, ডিসেম্বর মাসের তথ্য থেকে পরবর্তী সব মাসের তথ্য শুধুমাত্র প্রস্তুত করা গাইডলাইন অনুযায়ী নতুন ডাটা টেমপ্লেট ব্যবহার করে দাখিল করতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ইসলামী ব্যাংকের শাখা ও উইন্ডোগুলোকে STD_I BFD_ month name_BankCode নামের ফাইলের মাধ্যমে এবং ইসলামী ফাইন্যান্স কোম্পানির শাখা ও উইন্ডোগুলোকে STD_IBFD_monthname_FinComCode নামের ফাইলের মাধ্যমে ইসলামিক ফাইন্যান্সিয়াল লেনদেনসংক্রান্ত তথ্য দাখিল করতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
নির্দেশনাটি দেশের কার্যরত সংশ্লিষ্ট ইসলামী ব্যাংক, কনভেনশনাল ব্যাংকের ইসলামিক ব্যাংকিং কার্যক্রম এবং ইসলামী ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোর জন্য প্রযোজ্য। নতুন এই ব্যবস্থার ফলে ইসলামিক ব্যাংকিং ও ইসলামিক ফাইন্যান্সিয়াল লেনদেনের মাসিক তথ্য সংগ্রহ ও উপস্থাপনের ক্ষেত্রে একই ধরনের কাঠামো অনুসরণ করার সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে নতুন ডাটা টেমপ্লেটের মাধ্যমে তথ্যের সংযোজন, বিয়োজন ও পুনর্গঠনের ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে সংশ্লিষ্ট লেনদেনের তথ্য আরও কাঠামোবদ্ধভাবে দাখিল করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিজেপি নেতা ও প্রাক্তন সংসদ সদস্য কিরিত সোমাইয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহন্মুম্বাই মিউনিসিপাল করপোরেশন (বিএমসি) নির্দেশ দিয়েছে যে, মুম্বাইয়ের ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-২ সংলগ্ন একটি মসজিদের পানি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হবে।
সোমাইয়া অভিযোগ করেছেন যে, মসজিদটির পানি সংযোগটি অনুমোদিত নয় এবং এটি পানি চুরির শামিল। তিনি আরও বলেন যে, বিমানবন্দরের জমিতে এই কাঠামোটি নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া হয়নি।
গত ১৭ সেপ্টেম্বর বিমানবন্দরের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে জমা দেওয়া অভিযোগে বিএমসি জানিয়েছে যে, ১৫ মিলিমিটার ব্যাসের একটি পাইপের মাধ্যমে ওই মসজিদে পানি সরবরাহ করা হচ্ছিল।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, "১৫ মিলিমিটার ব্যাসের পাইপ দিয়ে মসজিদে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। কিন্তু এই অফিসের নথিপত্র অনুযায়ী এটি অন্তর্ভুক্ত নয়।" পৌর কর্তৃপক্ষ বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে যে, তারা অথবা পানি সংযোগের অনুমোদনপত্র জমা দিতে হবে অথবা সংযোগটি অননুমোদিত প্রমাণিত হলে তা বিচ্ছিন্ন করতে হবে। এই নির্দেশ পালনের জন্য সাত দিন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিএমসি সতর্ক করেছে যে, এই নির্দেশিকা অমান্য করলে মুম্বাই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
ভারতীয় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের (এএআই) চেয়ারপারসন বিপন কুমারের কাছে পাঠানো অন্য একটি চিঠিতে সোমাইয়া অভিযোগ করেছেন যে, জিভিকে বা মুম্বাই ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট লিমিটেডের (এমআইএএল) কর্মকর্তারা প্রায় ৫,০০০ বর্গফুট এএআই জমি এবং একটি ৩,০০০ বর্গফুটের মসজিদ সদৃশ কাঠামো জালিয়াতি করে এক কর্মীর নামে হস্তান্তর করেছেন।
সোমাইয়া এই বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এবং এফআইআর নথিভুক্ত করারও দাবি করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, বিমানবন্দরের জমিতে অবৈধভাবে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে এবং এই পুরো বিষয়টিকে বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি ‘ল্যান্ড জিহাদ’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন।
সোমাইয়া জানান, মসজিদ এবং মুম্বাই ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট লিমিটেডের এক কর্মীর বিরুদ্ধে জমি দখল ও অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ নিয়ে তিনি সাহার থানায় যাবেন। তবে এই অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ এমএমআরডিএ-র
এদিকে, মুম্বাই মেট্রোপলিটন রিজিয়ন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (এমএমআরডিএ) এএআই-এর জমিতে এই অননুমোদিত ধর্মীয় নির্মাণের অভিযোগ তদন্ত করে দ্রুত রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য সাহার থানাকে নির্দেশ দিয়েছে।
এমএমআরডিএ এই কাঠামোটিকে একটি অননুমোদিত ধর্মীয় নির্মাণ হিসেবে চিহ্নিত করে জানিয়েছে যে, বিমান বন্দরের অন্তর্বর্তীকালীন উন্নয়ন পরিকল্পনায় (ইন্টারিম ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান) জনসাধারণের উপাসনার জন্য কোনো স্থান নির্দিষ্ট করা নেই।
টার্মিনাল-২ এর কাছের এই মসজিদটি সরানোর দাবি জানিয়ে গত ৮ সেপ্টেম্বর সোমাইয়া যে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন, তারই পরিপ্রেক্ষিতে এই সাম্প্রতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের এই তদন্তের মাধ্যমে জমির প্রকৃত আইনি স্থিতি, নির্মাণকাজ এবং পানি সংযোগের বৈধতা পরিষ্কার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ