মোঃ শরীফ উদ্দিন :ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
১১:৩৩ পি.এম
সিলেটে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে কিশোর মো. রিফাত আহমদ (১৫) হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত এক আসামিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৯।
গ্রেপ্তার জুয়েল আহমেদ (১৮) সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার হাদারপাড়া গ্রামের জিয়াউর রহমানের ছেলে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাত ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে নবীনগর উপজেলার লাউর ফতেপুর ইউনিয়নের আহম্মদপুর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শনিবার (২২ আগস্ট) র্যাব-৯-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
র্যাব জানায়, গত ২১ জুলাই সিলেট নগরের দক্ষিণ সুরমা থানার আওতাধীন এরিনা ফুটসাল ইনডোর মাঠে ফুটবল খেলার সময় ফাউল করা নিয়ে দুই পক্ষের খেলোয়াড়দের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়।
একপর্যায়ে রিফাত ও তার সতীর্থরা মাঠ থেকে বের হয়ে যেতে চাইলে প্রতিপক্ষের কয়েকজন তাদের বাধা দেন এবং হুমকি দেন।
বিষয়টি পরে রিফাত তার বন্ধুদের ফোনে জানান।
ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কাজীরবাজার এলাকার শেখঘাট ব্রিজে পৌঁছানোর পর আগে থেকেই সেখানে অবস্থান নেওয়া কয়েকজন যুবক রিফাতের ওপর হামলা চালায়।
এসময় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়।
রিফাতকে বাঁচাতে তার বন্ধু সাব্বির আহমদ, আব্দুস সামি ও রবিউল এগিয়ে গেলে হামলাকারীরা তাদেরও মারধর ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে।
পরে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন রিফাতসহ অন্যদের উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
সেখানে চিকিৎসক রিফাতকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত রিফাত চৌকিদেখী এলাকার দ্বীপশিখা উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
এ ঘটনায় রিফাতের মা বাদী হয়ে সিলেট মহানগরের কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলার তদন্তে গোয়েন্দা তৎপরতা চালানোর একপর্যায়ে জুয়েল আহমেদের অবস্থান শনাক্ত করে র্যাব-৯।
পরে নবীনগরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-৯ জানায়, গ্রেপ্তার জুয়েল আহমেদকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আরও কোন জল্পনা-কল্পনা নেই, এবার ফিফার গ্রিন সিগন্যাল পেয়ে গেছে বাংলাদেশ। ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় ফিফা আসিয়ান কাপে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) খেলার অনুমোদন পেয়ে গেছে। ভারতের নাম প্রত্যাহার করায়, ওই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে।
শেষ মুহূর্তে পাওয়া এই সুযোগটি কোনোভাবেই হাতছাড়া হচ্ছে না বাংলাদেশের। ভারতের জায়গায় ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় ফিফা আসিয়ান কাপের ডিভিশন-১-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনুমোদন পেতে বাংলাদেশের ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এখন প্রস্তুত। ভারতের সরে দাঁড়ানোর পর, বাংলাদেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছিল, তবে অপেক্ষা করতে হয়েছে ফিফার আনুষ্ঠানিক সবুজ সংকেতের জন্য। আজ বাফুফের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সেই অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
ফিফার অর্থায়নে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে এই টুর্নামেন্ট। এই প্রতিযোগিতায় আট দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে। ভারতের পরিবর্তে ‘এ’ গ্রুপে জায়গা পেয়েছে বাংলাদেশ। এই গ্রুপে তাদের প্রতিপক্ষ হচ্ছে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর।
আন্তর্জাতিক ম্যাচের স্বল্পতার কারণে বাংলাদেশের জন্য এই টুর্নামেন্টটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। গ্রুপ পর্বে তিনটি ম্যাচ তো থাকছেই, সেইসাথে গ্রুপে অবস্থানের ভিত্তিতে অতিরিক্ত একটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে প্রতিটি দল। দুই গ্রুপের শীর্ষ দলগুলো ফাইনালে মুখোমুখি হবে। রানার্সআপ দলগুলো তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে খেলবে। একইভাবে দুই গ্রুপের তৃতীয় ও চতুর্থ হওয়া দলগুলোর মধ্যেও পঞ্চম ও সপ্তম স্থান নির্ধারণী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। অর্থাৎ, টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলেরই অন্তত চারটি ম্যাচ খেলার সুযোগ নিশ্চিত হয়েছে।
অর্থনৈতিক দিক থেকেও বাংলাদেশের জন্য টুর্নামেন্টটি বেশ সুবিধাজনক হতে চলেছে। টুর্নামেন্টে অংশ নিতে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হবে না। আয়োজকরা অংশগ্রহণকারী দলগুলোর যাতায়াত ও থাকার খরচ বহন করবে। তার সাথে প্রতিটি দলকে অংশগ্রহণ বাবদ অর্থও প্রদান করা হবে।
মূলত, আগামী ৩ অক্টোবর কলকাতায় ব্রাজিলের বিপক্ষে নির্ধারিত প্রীতি ম্যাচকে সামনে রেখে আসিয়ান কাপ থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে ভারত। ফলে তাদের জায়গাটি খালি হয়ে যায়। সেই সুযোগেই শেষ মুহূর্তে টুর্নামেন্টে যোগ দেওয়ার দরজা খুলে যায় বাংলাদেশের সামনে।
আগামী নভেম্বরে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে জাতীয় দলের প্রস্তুতির ক্ষেত্রেও এই টুর্নামেন্টটি বাড়তি গুরুত্ব বহন করছে। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেদের সামর্থ্য যাচাইয়ের পাশাপাশি সাফের প্রস্তুতিও আরও ভালোভাবে সম্পন্ন করতে পারবে বাংলাদেশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাম্প্রতিক সময়টা আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়দের জন্য খুব একটা ভালো যাচ্ছে না।
বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে স্প্যানিশ খেলোয়াড়দের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পারেদেস ১০ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন।
এই ঘটনার কারণে তাকে বড় অঙ্কের জরিমানার সম্মুখীন হতে হয়েছে।
একদিন পরেই খবরটি এলো, মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ম্যাচে কুইন সুলিভানের গায়ে হাত দেয়ায় লিওনেল মেসি বড় শাস্তি পেয়েছেন।
মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) আচরণবিধি ভঙ্গের কারণে লিওনেল মেসিকে আর্থিক জরিমানা করেছে লিগের ডিসিপ্লিনারি কমিটি।
প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের মুখ, মাথা কিংবা ঘাড়ে হাত দেওয়ার বিধি লঙ্ঘনের আওতায় ইন্টার মায়ামির আর্জেন্টাইন অধিনায়ক মেসির বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে জরিমানার পরিমাণ আসলে কত তা প্রকাশ করা হয়নি।
ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফুটবলার কুইন সুলিভানের সঙ্গে ম্যাচ চলাকালে একটি ঘটনার সূত্র ধরে মেসিকে এই জরিমানা গুনতে হচ্ছে।
গত বুধবার দুই দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত ২-২ গোলের ড্র ম্যাচের শেষের দিকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
একপর্যায়ে ইন্টার মায়ামির ইয়ান ফ্রে ও ইয়ানিক ব্রাইট এবং ফিলাডেলফিয়ার কুইন সুলিভান ও তার ছোট ভাই কাভান সুলিভানসহ কয়েকজন খেলোয়াড় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
ব্রাইট ও কাভান সুলিভানকে পরে লাল কার্ড দেখানো হয়।
তবে কয়েক মিনিট আগে কুইন সুলিভানের সঙ্গে মেসির মধ্যে বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে।
মাঝমাঠের কাছে অবস্থান নেওয়া মেসি তখন বলের দিকে নজর না দিয়ে সुलিভানের উদ্দেশে কিছু বলছিলেন।
একপর্যায়ে তিনি বাঁ হাত তুলে সুলিভানের ঘাড়ের পেছনে হালকা চাপড় দেন।
এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সুলিভান মেসির দিকে এগিয়ে আসেন।
পরে তারা দুজন মুখোমুখি দাঁড়িয়ে কপালে কপাল ঠেকিয়ে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করতে থাকেন।
ঘটনার সময় রেফারি দ্রুত ঘটনাস্থলে আসেন এবং দুই খেলোয়াড়কে আলাদা করেন।
ঘটনার মুহূর্তে রেফারির দৃষ্টি অন্যদিকে থাকায় মেসি কোন কার্ড দেখার হাত থেকে রক্ষা পান।
তবে পরে ম্যাচের ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি নতুন করে আলোচনায় আসে।
অবশেষে, ম্যাচের বাইরের এই আচরণকে বিধিবহির্ভূত ‘সহিংস’ কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচনা করে মেসির বিরুদ্ধে আর্থিক জরিমানা আরোপ করেছে এমএলএস কর্তৃপক্ষ।
তবে শাস্তির মাত্রা নিয়ে ইন্টার মায়ামি ও মেসির জন্য একটি স্বস্তির বিষয় হলো, মেসিকে কোনো ম্যাচে নিষিদ্ধ করা হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানার একটি হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আব্দুর রহিম, যে পরিচিত আব্দুর রহিম ওরফে রনির (২৩) নামেও, গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার সময় ঢাকা মহানগরীর তুরাগ থানাধীন উত্তরা দিয়াবাড়ী এলাকার উত্তরা সেন্টার মেট্রো স্টেশনের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। র্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালী এবং র্যাব-১, সিপিসি-২, উত্তরা, ঢাকার যৌথ আভিযানিক দল এই বিশেষ অভিযানটি পরিচালনা করে।
গ্রেপ্তার হবার সময় আব্দুর রহিম ওরফে রনি উপজেলার দৌলতপুর এলাকার নুরুল আমিনের ছেলে হিসাবে শনাক্ত হন।
র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বেগমগঞ্জ থানায় ২০১৯ সালে দায়ের হওয়া একটি হত্যা মামলার বিচারের ফলস্বরূপ আদালত তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে। সাজা ঘোষণার পর থেকে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সূত্রের খবর ও গোয়েন্দা নজরদারি দ্বারা তার অবস্থান নিশ্চিত করে যৌথ আভিযানিক দল তাকে গ্রেপ্তার করে।
র্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুণ্ডু এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে ঢাকা মহানগর পুলিশের বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান র্যাব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শুক্রবার (২২ আগস্ট) সকাল ৯টায় টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ছয়ানী বকশিয়া স/ন্ত্রা/সী, ভূমিদ/স্যু ও মামলাবাজ আতাউর রহমান ওরফে আতর আলীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন আয়োজন করেছে এলাকাবাসী।
মানববন্ধনে বকশিয়া, আথাইল শিমুল, বীরসিংহ ও পার্শ্ববর্তী গ্রামের জনতা অংশগ্রহণ করে।
আতর আলীকে গ্রেফতারের দাবিতে গত ১ আগস্ট সাংবাদিকদের সঙ্গে সংবাদ সম্মেলন করার পর পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে আতর আলী আরো হিং/স্র হয়ে ওঠে এবং সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীদের হু/মকি দামকি প্রদানের অভিযোগ ওঠে।
মামলাবাজ আতর আলীর অত্যাচারে অতিষ্ট এলাকাবাসী তাকে গ্রেফতার ও বিচারের জন্য প্রতিবাদ ও মানববন্ধন করে। যারা জমি জবরদখল করে রেখেছে, তারা তাদের জমি ফেরত চায়। ওইসব ব্যক্তিরা যাদের বিরুদ্ধে হয়রানি মূলক মিথ্যা মামলা করা হয়েছে, তাদের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানায়।
অবসর প্রাপ্ত অধ্যাপক ও ঘাটাইল উপজেলার ছয়ানী বকশিয়া গ্রামের কৃতি সন্তান মো. শাহজাহান আলীর নেতৃত্বে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা ফরমান আলী খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান তালুকদার, অবসর প্রাপ্ত সেনা সদস্য জাফর আলী, মোজাম্মেল হোসেন তুলা, মধুপুর দারিদ্র্য বিমোচন কর্মকর্তা কামরুল হাসান, ফরিদ খান, জিয়াউর রহমান জিয়া, রনি তালুকদার প্রমুখ।
বক্তারা ভূমিদ/স্যু, স/ন্ত্রা/সী ও মামলাবাজ আতাউর রহমান ওরফে আতর আলীর ভূমিদস্যু/তা, স/ন্ত্রা/সী কর্মকাণ্ড এবং যার-তার বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা বন্ধ করার পাশাপাশি দ্রুত তাকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ