শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:০৫ এম
প্রতিদিন কেনাকাটা করতে আমরা কোথাও না কোথাও যাই। অনেক সময় ভোগান্তির পর যখন কোথাও পৌঁছানো যায়, তখন দেখা যায়, সেখানকার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ফলে কাজ তো হয়ই না, বরং সময়ও নষ্ট হয়।
তাহলে, বাইরে বের হওয়ার আগে দেখে নেওয়া উচিত শনিবার রাজধানীর কোন কোন এলাকায় মার্কেট, দোকান ও দর্শনীয় স্থান বন্ধ রয়েছে।
যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে
শ্যামবাজার, বাংলাবাজার, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজারীবাগ, দোলাইপাড়, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেণ্ডারিয়া, দয়াগঞ্জ, স্বামীবাগ, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশ, ওয়ারী, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালি থানা, বংশাল, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, শাঁখারি বাজার, চানখারপুল।
যেসব মার্কেট বন্ধ থাকবে
ফুলবাড়িয়া মার্কেট, সান্দ্রা সুপার মার্কেট, আজিমপুর সুপার মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ধূপখোলা মাঠবাজার, চকবাজার, বাবুবাজার, নয়াবাজার, কাপ্তান বাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ইসলামপুর কাপড়ের দোকান, ছোট কাটরা, বড় কাটরা হোলসেল মার্কেট, শারিফ ম্যানশন।
যে দর্শনীয় স্থান বন্ধ থাকবে
শিশু একাডেমি জাদুঘর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি পালন করে। রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এটি খোলা থাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাব্বির রহমান সর্বশেষ জাতীয় দলের হয়ে খেলেছিলেন ২০২২ সালে। এর পর থেকে প্রায় ৪ বছর অতিবাহিত হয়েছে, কিন্তু তিনি জাতীয় দলে ফিরে আসতে পারেননি। বর্তমানে তার বয়স ৩৫ বছর। জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা কম বলে মনে হলেও, বাংলাদেশ দলে ফেরার সুযোগ একেবারে শেষ হয়ে যায়নি। বিসিবির নির্বাচক হাবিবুল বাশার সাব্বিরকে এমন একটি সুখবর দিয়েছেন।
সাব্বির টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে টপ এন্ডে ৭ ম্যাচে ৬ ইনিংস খেলে ১৮৪ রান সংগ্রহ করেছেন। তার মধ্যে ২টি ফিফটি এবং একটি ৪৭ রানের ইনিংস রয়েছে। এই পারফরম্যান্সের পর তিনি জাতীয় দলের বিবেচনায় আছেন কি না, এমন প্রশ্ন প্রধান নির্বাচকের কাছে উঠেছিল।
হাবিবুল বাশার যে উত্তর দিয়েছেন, তাতে সাব্বিরের জন্য আশার আলো দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেছেন, ‘সাব্বিরকে নিয়ে আমরা চিন্তাভাবনা করেছি। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে টপ এন্ডে ভালো ব্যাটিং করেছেন। সাব্বিরের সুযোগটা এখনো আসেনি।’
তিনি আরও যোগ করেছেন, ‘আমাদের সামনে অনেক খেলা রয়েছে, পরিকল্পনায় সে আছে। দীর্ঘ সময় পর সে দলে কামব্যাক করেছে। ভবিষ্যতে কী হবে দেখা যাক।’
জাতীয় দলে ফিরতে হলে সাব্বিরকে কী করতে হবে, সে বিষয়েও হাবিবুল কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘সাব্বিরকে বসিয়ে না রেখে লম্বা সময়ের পরিকল্পনা করে তাকে ‘এ’ দলের টুর্নামেন্টে সুযোগ দেওয়া। সাব্বিরের সক্ষমতা আছে। সে নিজেকে প্রমাণ করতে পারবে। কন্ডিশন অনুযায়ী দল সিদ্ধান্ত নেবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ ভূরঘাটা-মোল্লারহাট সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ ও গভীর গর্ত। কোথাও কোথাও গর্তের গভীরতা এক হাতেরও বেশি। উঠে গেছে সড়কের পিচ ও সলিং, বেরিয়ে এসেছে নিচের মাটি। সামান্য বৃষ্টি হলেই এসব গর্তে পানি জমে তৈরি হয় আরও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি। এতে প্রতিদিন চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন পথচারী, শিক্ষার্থী ও যানবাহন চালকেরা।
বিশেষ করে কালকিনি বাজার থেকে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড পর্যন্ত সড়কের অবস্থা সবচেয়ে নাজুক বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। উপজেলার সিডিখান, শিকারমঙ্গল, জুরগাঁও, রমজানপুর, সাহেবরামপুর, মোল্লারহাট ও কয়ারিয়াসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের মাধ্যম এই সড়ক।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. তামিম হাসান বলেন, ‘আমরা প্রতিনিয়ত এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করি। রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে আমাদের নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। আমরা চাই দ্রুত সড়কটির স্থায়ী সমাধান করা হোক, যাতে দুর্ঘটনা কমে আসে।’
কালকিনি কলেজের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার বলেন, ‘প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে কলেজে যাতায়াত করি। সড়কের গর্ত ও খানাখন্দের কারণে আমাদের অনেক অসুবিধা হয়। মাঝেমধ্যে দুর্ঘটনাও ঘটে। আমরা দ্রুত এর সমাধান চাই।’
সড়কটির ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার কথা জানিয়ে গাড়িচালক মইনুদ্দিন বলেন, ‘আমি একবার মরতে মরতে বেঁচে গেছি। আমার গাড়িটি অল্পের জন্য পালরদী নদীতে পড়ে যায়নি। এভাবে গাড়ি চালানো খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। দ্রুত রাস্তাটি মেরামত করে আমাদের সমস্যার সমাধান করা প্রয়োজন।’
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বিভিন্ন অংশে সংস্কারের অভাবে খানাখন্দ তৈরি হলেও স্থায়ীভাবে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতিদিনই বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি ও জনদুর্ভোগ।
তবে সড়কটি দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছে উপজেলা প্রকৌশলী বিভাগ। কালকিনি উপজেলা প্রকৌশলী রেজাউল করিম জানান, জনগুরুত্বপূর্ণ উপজেলা সড়ক হিসেবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রাক্কলন পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পাওয়া গেলে দ্রুতই সড়কটির মেরামতকাজ করা হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, কাগজে-কলমে প্রাক্কলন পাঠানোর মধ্যেই যেন উদ্যোগ সীমাবদ্ধ না থাকে। দ্রুত সংস্কারের মাধ্যমে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করে তোলা হলে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবেন হাজারো মানুষ। পাশাপাশি কমবে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের অনেক শহরের মতো রাজধানী ঢাকাও দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। তবে সবশেষ বায়ুর মান সূচক অনুযায়ী, শহরটির বাতাসের মান জনস্বাস্থ্যের জন্য মোটামুটি সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে।
আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (এএকিউআই) অনুযায়ী শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় ঢাকার স্কোর ৯২। এই স্কোর অনুযায়ী, বায়ুর মান মাঝারি পর্যায়ে রয়েছে। এ সময় বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় ঢাকার অবস্থান ১৮তম।
একই সময়ে দূষিত শহরের তালিকায় ২৬৯ স্কোর নিয়ে শীর্ষে রয়েছে মালয়েশিয়ার কুচিং। এ ছাড়া, ১৬১ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা, ১৫৪ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে চীনের চেংদু, ১৪৪ স্কোর নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা এবং পঞ্চম অবস্থানে থাকা কুয়েতের রাজধানী কুয়েত সিটির স্কোর ১১২।
একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ সহনীয় বা মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়। আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর।
১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। একইভাবে একিউআই স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। আর ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ নতুন একটি বিশ্ব মানচিত্র ব্যবহারের পক্ষে ভোট প্রদান করেছে। এই নতুন মানচিত্রে আফ্রিকা মহাদেশকে তুলনামূলকভাবে বড় আকারে উপস্থাপন করা হয়েছে। অন্যদিকে, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার আকার আগের তুলনায় ছোট দেখা যাবে। যুক্তরাষ্ট্র এই সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।
বিশ্বের মহাদেশগুলোর আকারকে আরও বাস্তবসম্মতভাবে তুলে ধরার উদ্দেশ্যে নতুন মানচিত্রটি গ্রহণের প্রস্তাব করা হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত ভোটে ১৬৪টি দেশ এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে, তবে যুক্তরাষ্ট্র বিপক্ষে ভোট দিয়েছে। এ ছাড়া, আরও ছয়টি দেশ ভোটদানে বিরত ছিল।
নতুন মানচিত্রটি ‘ইকুয়াল আর্থ’ কার্টোগ্রাফিক প্রজেকশন নামে পরিচিত। জাতিসংঘের প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এটি বিশ্বের মানচিত্রে মহাদেশগুলোর আকারকে আরও সঠিকভাবে উপস্থাপন করে।
সদস্য দেশগুলোকে প্রচলিত ‘মারকেটর প্রজেকশন’-এর পরিবর্তে নতুন মানচিত্র ব্যবহারের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। ১৫৬৯ সালে ফ্লেমিশ মানচিত্রবিদ জেরার্ডাস মারকেটর মূলত সমুদ্রপথে নৌ চলাচলের সুবিধার জন্য এই মানচিত্রটি তৈরি করেছিলেন।
প্রস্তাবটির অন্যতম উদ্যোক্তা আফ্রিকার দেশ টোগোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী রবার্ট দুসি মন্তব্য করেন, মানচিত্র মানুষের শিক্ষা ও কল্পনাকে প্রভাবিত করে এবং পৃথিবী সম্পর্কে মানুষের সামষ্টিক ধারণা গড়ে তোলে। তিনি আরও বলেন, "মানচিত্র কখনোই পুরোপুরি নিরপেক্ষ নয়। পৃথিবীর বিকৃত চিত্র তুলে ধরলে সেই ভুল ধারণা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলতে পারে।"
যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের এই উদ্যোগের বিরুদ্ধে সমালোচনা করেছে। ভোটের আগে মার্কিন প্রতিনিধি ইয়ারিনা ফেরেনসেভিচ বলেন, "প্রকৃত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলোতে মনোযোগ না দিয়ে এই সংস্থা ১৬ শতকের মানচিত্র এবং ক্ষতিপূরণ ও তথাকথিত ‘কগনিটিভ জাস্টিস’-এ এর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণেই জাতিসংঘ তার বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে।"
কেন নতুন মানচিত্র?
মারকেটর মানচিত্রে মহাদেশগুলোর আকৃতি ও কোণ তুলনামূলকভাবে সঠিকভাবে দেখানো হলেও আয়তনের অনুপাত সঠিক থাকে না। কারণ গোলাকার পৃথিবীকে সমতল কাগজে উপস্থাপন করতে গেলে কিছু অঞ্চলের আকার স্বাভাবিকভাবেই বিকৃত হয়।
এর ফলে উত্তর গোলার্ধের অঞ্চলগুলোকে তুলনামূলকভাবে বড় এবং বিষুবীয় অঞ্চলের দেশগুলোকে ছোট দেখায়। তাই ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকা বাস্তবের তুলনায় বড়, আর আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা ছোট মনে হয়।
২০১৮ সালে একদল মানচিত্রবিদ ইকুয়াল আর্থ প্রজেকশন তৈরি করেন। এতে আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা, দক্ষিণ এশিয়া ও ওশেনিয়াকে তুলনামূলকভাবে বড় এবং তাদের প্রকৃত আয়তনের কাছাকাছি দেখানো হয়েছে।
এই মানচিত্রের অন্যতম নির্মাতা বোয়ান সাভরিচ ২০২৫ সালে এএফপিকে বলেন, ইকুয়াল আর্থ মহাদেশগুলোর আপেক্ষিক আয়তন বজায় রাখে এবং যতটা সম্ভব পৃথিবীর গোলকের ওপর মহাদেশগুলোর প্রকৃত আকৃতি তুলে ধরে।
ফ্রান্সও বদলাচ্ছে মানচিত্র
নতুন মানচিত্রের পক্ষে থাকা দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্সও রয়েছে। শুক্রবার দেশটি জানায়, তারা আরও মারকেটর মানচিত্র ব্যবহার করবে না।
ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল বারো বলেন, "প্রচলিত মানচিত্রে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীন আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে বড় ও প্রভাবশালী দেখা যায়। এমনকি গ্রিনল্যান্ডকেও প্রায় আফ্রিকার সমান বড় মনে হয়।"
তিনি বলেন, "মানচিত্র পরিবর্তন করলেই অবশ্য পৃথিবী বদলে যায় না। কিন্তু একটি বিকৃত চিত্র সংশোধন করা সত্যকে তুলে ধরারই একটি পদক্ষেপ।"
আফ্রিকার সঙ্গে, বিশেষ করে সাবেক ফরাসি উপনিবেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করছে ফ্রান্স। নতুন মানচিত্র গ্রহণের উদ্যোগকে সেই বৃহত্তর কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: আরব নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ