বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:০৪ পি.এম
রাশিয়ায় যুদ্ধক্ষেত্রে বাংলাদেশিদের মৃত্যু, নিখোঁজ হওয়া এবং নিহতদের লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)। সংগঠনটি দাবি করেছে যে, পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, লাশ ফেরত, ক্ষতিপূরণ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের জবাবদিহি নিশ্চিত করা উচিত।
বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এইচআরএসএস জানিয়েছে, বিদেশে কর্মসংস্থানের নামে প্রতারণার মাধ্যমে বাংলাদেশিদের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হলে তা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে। এটি নিরাপদ অভিবাসন ব্যবস্থার ব্যর্থতারও ইঙ্গিত দেয়।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত তিন বছরে রাশিয়ায় অন্তত ৫৪ জন বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সম্প্রতি চাকরির প্রতিশ্রুতিতে নেওয়া ৩০ জনের মধ্যে অন্তত ২০ জনের মৃত্যুর খবরও এসেছে। এইচআরএসএস বলছে, নিহত ও নিখোঁজদের প্রকৃত অবস্থা, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রতারণা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত অপরিহার্য।
সংগঠনটির মতে, প্রবাসী নাগরিকদের জীবন ও নিরাপত্তা রক্ষায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব রয়েছে। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় দুটির গৃহীত পদক্ষেপ ও ব্যর্থতার বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে হবে। যদি দায়িত্বে অবহেলা প্রমাণিত হয়, তবে দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে।
সংগঠনটি দাবি করেছে, নিরপেক্ষ ও সময়সীমাবদ্ধ তদন্তের মাধ্যমে নিয়োগকারী ও দালালদের দায় নির্ধারণ করা প্রয়োজন। নিহতদের লাশ ফিরিয়ে আনতে এবং নিখোঁজদের সন্ধানে জরুরি কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। পরিবারকে ক্ষতিপূরণ, বিমা ও পুনর্বাসন সুবিধা প্রদান করতে হবে। মানবপাচারে জড়িতদের বিচার এবং বিদেশে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। পররাষ্ট্র ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়কে জনসমক্ষে ব্যাখ্যা দিতে হবে এবং অবহেলা প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মর্ণেয়া ইউনিয়নে বিএনপি কার্যালয়ে সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনা ঘটে গত বুধবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার কামদেব শেখপাড়ায়। জানা গেছে, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মীর কাসেম মিঠুসহ ৩ জন আহত হয়েছেন।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিএনপি কার্যালয়ের ভেতরে ব্যানার ছেঁড়া ও চেয়ার ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। ভিডিওতে একজনকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি ভাঙচুরের কথা বলতে শোনা যায়।
ভিডিওতে রাশেদ নামের এক ব্যক্তিকে দেখা যায়। ভিডিওতে সে বলছে, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও বর্তমান তারেক রহমানের ছবি ভালো ছিল। ভিডিওতে একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘জিয়ার ছবিটা, তারেক জিয়ার ছবিটা ভাঙ্গি দাও। খালেদা জিয়ার ছবিটা ছিড়িয়া ছবি তোলা লাগতো। সবগুলো ভাঙ্গি দাও, ভাঙ্গি দাও, ভাঙ্গি দাও।’
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ের ভেতরে বেশ কয়েকটি ভাঙা চেয়ার পড়ে রয়েছে। দেয়ালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তারেক রহমানের ছবি ছেঁড়া অবস্থায় দেখা যায়। তবে কার্যালয়ের ভেতরে থাকা টেলিভিশন ও টেবিলের কাচ অক্ষত ছিল। পরে আহতদের উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে গঙ্গাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় পুলিশ। এ ঘটনায় গঙ্গাচড়া মডেল থানায় ২২ জনের নাম উল্লেখ করে ১৫ জন অজ্ঞাত করে একটি আজাহার দায়ের করেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মীর কাশেম মিঠু।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রদলের এক নেতা বলেন, ‘আমি ভিডিওটি দেখেছি। ভিডিওটি দেখে আমার মনে হয়েছে, মারামারির ঘটনার পর ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছে।’
মীর কাসেম মিঠুর দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদকবিরোধী কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন। এ নিয়ে মাদক কারবারি ও মাদকসেবীদের সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জের ধরে বুধবার রাতে স্থানীয় ব্যবসায়ী রমজান আলী জিকুসহ ১৫ থেকে ২০ জন তার ওপর অতর্কিত হামলা চালান।
তবে রমজান আলী জিকু অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, তাদের মধ্যে শুধু হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে, এর বেশি কিছু নয়। পরে বাসায় গিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বিএনপি কার্যালয়ে ভাঙচুর এবং জিয়া পরিবারের সদস্যদের ছবি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর দেখতে পাই। তার অভিযোগ, প্রতিপক্ষ নিজেরাই ছবিগুলো ভেঙে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলছে।
ভিডিওর বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি চাঁদ সরকার বলেন, এটি একটি ষড়যন্ত্র। ঐ ভিডিওটি দেখেছি, যেখানে মিঠু ভাই আহত হওয়ার পরে একজন আড়াল থেকে ভিডিও করছে। এটাও একটি ষড়যন্ত্র। ভিডিওতে দেখলাম শুধু বলতেছে ভাঙ্গ ভাঙ্গ কিন্তু কেউ তো ভাঙ্গে নাই। যদি ভাঙ্গত তাহলে বুঝতাম। এটি একটি সাজানো নাটক।
তিনি আরও বলেন, হামলাকারীরা বিএনপি অফিসে দুই দফা হামলা করেছে। বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করছে। আমরাও দেখতেছি। আর যদি দলের কেউ এ ধরনের ঘটনা ঘটায়, তাহলে সাংগঠনিকভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া উপজেলা মডেল থানার ওসি আব্দুল ছবুর আমার দেশকে বলেন, ‘বুধবার রাতে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মীর কাশেম মিঠু বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে একটি এজাহার দিয়েছেন।’ ঐ এজাহারে ১০-১৫ জন অজ্ঞাত রয়েছে।
ছবি ভাঙ্গার বিষয়ে ওসি বলেন, ‘ঐ ভিডিওটা আমরা এখনো প্রশাসনিকভাবে পাই নাই। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।’
এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্যাটিংয়ের শুরুতে হ্যারি ব্রুকের পারফরম্যান্স ছিল খুবই সাধারণ, এক পর্যায়ে তার রান ছিল ২৪ বলে ১৩। এরপর কামিন্দু মেন্ডিসকে টানা দুই ছক্কা মারার মাধ্যমে তিনি নিজের খেলা শুরু করেন। এরপর যেন ব্যাটটি একটি খাপ খোলা তরবারিতে রূপান্তরিত হয়ে শ্রীলঙ্কার বোলারদের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। ইনিংসের শেষ বলে আউট হওয়ার আগে ইংল্যান্ডের অধিনায়ক গড়লেন দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির বিশ্ব রেকর্ড। ফলে দলের সংগ্রহ দাঁড়াল বিশাল।
রাওয়ালপিন্ডিতে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ড নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৪ উইকেটে ৪২৯ রান সংগ্রহ করে। এটি ওয়ানডেতে চতুর্থ সর্বোচ্চ রান এবং পাকিস্তানের কোনো মাঠে ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ রান।
ব্রুকের অবদান ছিল ১১৬ বলে ২০২ রান। ওয়ানডে ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের কোনো ব্যাটসম্যানের জন্য এটি প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির অর্জন।
এই সংস্করণে দ্রুততম দ্বিশতকের রেকর্ডও এখন ব্রুকের দখলে। ত্রিদেশীয় সিরিজে বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিনি ১১৪ বলে দুইশ রান স্পর্শ করেন।
আগের রেকর্ডটি ছিল শুবমান গিলের, যিনি গত মাসে গুয়াহাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১১৭ বলে ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন।
ব্রুক ২১ চার ও ১০ ছক্কায় ১১৬ বলে ২০২ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলেন। ইংল্যান্ডের হয়ে আগের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর ছিল বেন স্টোকসের ১৮২, যা ২০২৩ সালে ওভালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অর্জিত হয়েছিল।
ব্রুকের রান ১৪৪ এসেছে শুধুমাত্র বাউন্ডারি (চার ও ছক্কা) থেকে, যা ইংল্যান্ডের নতুন রেকর্ড। ২০১৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জস বাটলারের ১৫০ রানের ইনিংসে বাউন্ডারি থেকে এসেছিল আগের রেকর্ড ১২৪।
ব্রুকের শুরুটা ছিল মন্থর। প্রথম ২৪ বলে তার রান ছিল ১৩। এরপর রানের গতি বাড়িয়ে পরবর্তী ৫১ বলে তিনি সেঞ্চুরিতে পৌঁছান। সেঞ্চুরি থেকে দেড়শতে যেতে লাগে ২২ বল, এবং পরবর্তী ১৭ বলে তিনি দুইশতে পৌঁছান। অর্থাৎ, সেঞ্চুরি থেকে ডাবল সেঞ্চুরিতে যেতে তার সময় লেগেছে মাত্র ৩৯ বল।
এখন পাকিস্তানে তিন ফরম্যাটেই সেঞ্চুরি করলেন ব্রুক। পিএসএলে তিনি সেঞ্চুরি করেছেন এবং একই মাঠে টেস্টে ট্রিপল সেঞ্চুরিও রয়েছে।
ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ তিনবার ডাবল সেঞ্চুরি রয়েছে রোহিত শর্মার। দুটি গিলের। শচীন টেন্ডুলকার, বীরেন্দর শেবাগ, ক্রিস গেইল, মার্টিন গাপটিল, ফখর জামান, ঈশান কিষাণ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও পাথুম নিশাঙ্কার একবার করে এই কীর্তি রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে বন বিভাগের লাগানো পারুল, আকাশমণিসহ বিভিন্ন প্রজাতির তিন শতাধিক চারাগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে উঠেছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার ৮ নম্বর কুশদহ ইউনিয়নের আফতাবগঞ্জ বিটের জয়পুর মৌজার উবরার ডাঙ্গা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার রাতে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা ওই এলাকায় লাগানো বিভিন্ন প্রজাতির চারাগাছ কেটে ফেলেছে। এতে তিন শতাধিক চারাগাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে কী কারণে এবং কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে লাগানো চারাগাছ এভাবে কেটে ফেলায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা।
আফতাবগঞ্জ বিট কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বুধবার রাতে জয়পুর মৌজায় পারুল, আকাশমণিসহ বিভিন্ন প্রজাতির তিন শতাধিক চারাগাছ কেটে ফেলা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
তিনি আরো জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর সেনবাগে পারিবারিক কলহের কারণে মোঃ হোরন মিয়া (৩৮) নামের এক ডেকোরেশন ব্যবসায়ী আত্মহত্যা করেছেন ফোন ভিডিও কলে রেখে। খবর পাওয়ার পর সেনবাগ থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে তাঁর নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘মায়ের দোয়া’ থেকে ঝুলন্ত মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত হোরন মিয়া উপজেলার ২ নম্বর কেশারপাড় ইউনিয়নের বীরকোট গ্রামের মধু মৌলভীর পুরাতন বাড়ির ওলি মিয়ার ছেলে। তিনি কানকিরহাট বাজারে মায়ের দোয়া নামক একটি ডেকোরেশনের ব্যবসা পরিচালনা করতেন। স্থানীয় যুবদলের একজন কর্মী হিসেবে তিনি পরিচিত ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও তিনটি মেয়েসন্তান রেখে গেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে হোরন মিয়া বাড়ি থেকে অভিমান করে বের হয়ে তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে যান। সেখানে গিয়ে তিনি তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোনটি ভিডিও কলে রেখে দোকানে থাকা কাপড় গলায় পেচিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরে সকালে দোকানের ভেতরে তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে হোরন মিয়ার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে পুলিশ দ্বারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ