বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:০৮ পি.এম
শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জন চাঁদপুরে উৎসবমুখর ও প্রীতিময় পরিবেশে সম্পন্ন হলো। প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানের সময় যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাঁদপুর জেলা পুলিশ কঠোর নজরদারিতে ছিল। বুধবার (২১ অক্টোবর) শহরের প্রধান প্রধান বিসর্জনস্থল ও সংলগ্ন এলাকাগুলোতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরজমিনে পরিদর্শন করেন চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান।
প্রতিমা বিসর্জন চলাকালে তিনি বিভিন্ন পয়েন্টে মোতায়েনকৃত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং নিরাপত্তা চাদরের তদারকি করেন। দেবী দুর্গার বিদায়লগ্নে ভক্তদের বিসর্জন প্রক্রিয়া যেন সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়, সেজন্য তিনি দায়িত্বরত কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান পরিদর্শনকালে বলেন, "সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জেলা চাঁদপুরে শারদীয় দুর্গাপূজা যেন আনন্দমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপিত হতে পারে, সেজন্য চাঁদপুর জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করে যাচ্ছে। বিসর্জন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত পুলিশের এই কড়া নজরদারি বজায় থাকবে।" জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকরা পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন। পূজা উদ্যোক্তা ও সাধারণ দর্শনার্থীরা পুলিশের সার্বিক তৎপরতায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তায় একটি বহুল ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষায় গুরুতর ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর, বিশ্বব্যাপী সরকারি ও বিভিন্ন কোম্পানির ওয়েবসাইটগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ বা অকার্যকর হয়ে পড়েছে। কিছু পরিষেবা স্থগিত রাখতে হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা দ্রুত পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছেন নিজেদের সিস্টেমগুলো ঠিক করার জন্য।
যুক্তরাজ্য সরকারের একজন মুখপাত্র বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সম্ভাব্য দুর্বলতাগুলো শনাক্ত ও সেগুলো দূর করার লক্ষ্যে ‘পুরো সরকারজুড়ে’ কাজ চলছে।
তিনি বলেন, ‘এই কার্যক্রমের ফলে জনসাধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কোনো বড় পরিষেবা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না, তবে নিরাপত্তা সংক্রান্ত কাজ চলার সময় কিছু সীমিত পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ থাকতে পারে।’
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি এবং ইউরোপের সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা বিভিন্ন কোম্পানিকে পিএইচপি-তে থাকা দুটি গুরুতর ত্রুটি নিরসনে অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। পিএইচপি হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা, যা ওয়ার্ডপ্রেস ও দ্রুপাল-এর মতো ওপেন-সোর্স কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমসহ বিশ্বের ৭০ শতাংশ ওয়েবসাইট পরিচালনার মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
পিএইচপি ফাউন্ডেশন, এই কোডিং ভাষাটির নেপথ্যে থাকা সংস্থা, তাদের সফটওয়্যারে বহু বছর ধরে লুকিয়ে থাকা ত্রুটিগুলোর জন্য একটি প্যাচ প্রকাশ করেছে। ওয়েবসাইট পরিচালনাকারীদের অবিলম্বে তাদের সিস্টেম আপডেট করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
জনপ্রিয় আইরিশ সংবাদমাধ্যম দ্য জার্নাল-এর ওয়েবসাইট বৃহস্পতিবার সকালে সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল। এক বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানিয়েছে, নিজেদের ‘সুরক্ষাব্যবস্থা’ জোরদার করার জন্যই তারা এমন পদক্ষেপ নেয়। রয়টার্স ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, আয়ারল্যান্ডের জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যম আরটিই-এর পরেই দ্য জার্নাল হলো দেশটির দ্বিতীয় সর্বাধিক ব্যবহৃত অনলাইন সংবাদ উৎস।
পিএইচপি-এর ত্রুটিগুলো উন্মোচন করেছে ওপেনএআই, গুগলের মালিকানাধীন সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা উইজ এবং আরেক সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা ক্যালিফ-এর দলগুলো।
প্রতিবেদন অনুসারে, পিএইচপি২শেল (PHP2Shell) নামে পরিচিত এই ত্রুটিগুলো আক্রমণকারীদের ওয়েবসাইট হ্যাক করার সুযোগ করে দিতে পারে। এছাড়া এর মাধ্যমে তারা মেমোরি থেকে এমন তথ্য পড়ে ফেলতে পারে, যার মধ্যে পাসওয়ার্ডের মতো সংবেদনশীল বিষয় থাকতে পারে।
আর্থিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ডিভিয়ার গ্রুপের সিইও নাইজেল গ্রিন বলেন, ‘যেহেতু ইন্টারনেটের একটি বিশাল অংশ পিএইচপি-এর ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, তাই এর ঝুঁকি এমন প্রায় সব জায়গাতেই ছড়িয়ে পড়তে পারে যেখানে মানুষ অনলাইনে অর্থ ব্যয় করে।’
বুকিং প্ল্যাটফর্ম, মার্কেটপ্লেস, সাবস্ক্রিপশন পরিষেবা, টিকিট বিক্রির সাইট, ডেলিভারি অ্যাপ এবং ইউটিলিটি পোর্টালসহ সব ক্ষেত্রেই এর প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সূত্র: সিএনএন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে সরকারি খাদ্যগুদাম ‘নারায়ণগঞ্জ সাইলো’ থেকে খাদ্যশস্য পরিবহণের ভাড়া নিয়ে ঠিকাদার ও পরিবহণ শ্রমিকদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে গত পাঁচ দিন ধরে চাল-গমসহ খাদ্যশস্য পরিবহণ কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সরকারি খাদ্য সরবরাহ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সাইলো কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানি ও গাড়ি পরিচালনার ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে শ্রমিকেরা পরিবহণ ভাড়া সমন্বয়ের দাবি জানিয়েছেন। তবে ঠিকাদাররা সরকারি দরপত্রে নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দিতে রাজি নন। এই বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের এক পর্যায়ে পরিবহণ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
বাংলাদেশ আন্তজেলা ট্রাক-কাভার্ডভ্যান ও মিনি ট্রাক চালক শ্রমিক ইউনিয়নের সাইলো শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হাসান লিপু জানিয়েছেন, জ্বালানি ও পরিবহণ পরিচালনার ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে বর্তমান ভাড়ায় গাড়ি চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি যৌক্তিকভাবে ভাড়া সমন্বয়ের দাবি জানিয়েছেন এবং আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমস্যার সমাধান করে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, ঠিকাদারদের বক্তব্য হলো, সরকারি দরপত্রে নির্ধারিত দর ও বাজেটের বাইরে অতিরিক্ত ভাড়া দেওয়ার বিষয়টি তাদের পক্ষে সম্ভব নয়।
কেন্দ্রীয় খাদ্য সরবরাহ ঠিকাদার সমিতির সভাপতি ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. আব্দুল হাই রাজু মন্তব্য করেছেন, একটি কুচক্রী মহল পরিবহণ শ্রমিকদের উসকানি দিয়ে সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সাইলো ও বিশ্ব খাদ্যগুদাম সরকারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। সেখান থেকে খাদ্যশস্য সরবরাহ বন্ধ রাখা কোনোভাবেই কাম্য নয়। পরিস্থিতির প্রকৃত কারণ তদন্ত করে দ্রুত পরিবহণ কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সাইলোর সুপার রিয়াজুল আলমের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি ব্যস্ততার কথা বলে ফোন কেটে দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলন্ত গাড়িতে বসে বই পড়া কিংবা মোবাইল ফোনে স্ক্রল করার সময় অনেকের মাথা ঘোরানো এবং বমি বমি ভাবের অভিজ্ঞতা ঘটে। কিছু মানুষের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ঘাম, মাথাব্যথা এমনকি বমির ঘটনাও ঘটে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই সমস্যাটিকে মোশন সিকনেস বা গতিজনিত অসুস্থতা বলা হয়। চোখ ও মস্তিষ্কে পৌঁছানো চলাচলসংক্রান্ত সংকেতের মধ্যে অসামঞ্জস্য তৈরি হলে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে চিকিৎসক চাইথান্য রবি কুমার জানিয়েছেন, যখন চলন্ত গাড়িতে বই পড়া হয় বা ফোন দেখা হয়, তখন চোখ একটি স্থির বস্তুর দিকে নিবদ্ধ থাকে। অন্যদিকে, কানের ভেতরের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণকারী অংশ শরীরের নড়াচড়া ও গতির পরিবর্তন শনাক্ত করে। চোখ ও অন্তঃকর্ণ থেকে পাওয়া এই দুই ধরনের সংকেতের মধ্যে অমিল তৈরি হলে মস্তিষ্কে মোশন সিকনেসের প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।
কেন সবার এমন সমস্যা হয় না?
সকলের শরীরের প্রতিক্রিয়া এক রকম নয়। বয়স, বংশগত প্রবণতা, মাইগ্রেনের ইতিহাস এবং চলাচলজনিত অস্বস্তির প্রতি সংবেদনশীলতার ওপর মোশন সিকনেসের তীব্রতা নির্ভর করে। বিশেষ করে দুই থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে এ সমস্যা তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। তবে যেকোনো বয়সেই এটি হতে পারে।
গাড়ি বারবার গতি বাড়ালে, হঠাৎ ব্রেক করলে বা দিক পরিবর্তন করলে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। পেছনের আসনে বসে রাস্তার সামনের দৃশ্য দেখতে না পাওয়াও অস্বস্তি বাড়াতে পারে। এ ছাড়া বদ্ধ পরিবেশ, তীব্র গন্ধ, উদ্বেগ, ক্লান্তি ও পানিশূন্যতা উপসর্গকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
গাড়িতে বমি ভাব কমানোর উপায়
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, মোশন সিকনেস এড়ানোর সবচেয়ে সহজ উপায় হলো চলন্ত গাড়িতে বই পড়া বা ফোনের দিকে তাকিয়ে থাকা এড়িয়ে চলা। এর পরিবর্তে বাইরের দৃশ্য বা দিগন্তের দিকে তাকালে চোখ ও অন্তঃকর্ণ থেকে পাওয়া সংকেতের মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে মস্তিষ্কের সুবিধা হতে পারে।
এ ছাড়া কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন—
সম্ভব হলে সামনের যাত্রীর আসনে বসুন, যাতে বাইরের দৃশ্য সহজে দেখা যায়।
মাথা যথাসম্ভব স্থির রাখুন এবং বারবার নিচের দিকে তাকানো এড়িয়ে চলুন।
গাড়ির ভেতরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন।
দীর্ঘ যাত্রায় নিরাপদ স্থানে বিরতি নিন।
পানিশূন্যতা এড়িয়ে চলুন এবং যাত্রার আগে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন।
যাঁদের নিয়মিত তীব্র সমস্যা হয়, তাঁরা চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ নিতে পারেন। তবে মোশন সিকনেসের কিছু ওষুধে ঘুম ঘুম ভাব হতে পারে এবং সেগুলো সবার জন্য উপযুক্ত নয়। তাই নিজে থেকে ওষুধ খাওয়া ঠিক নয়।
কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?
চলন্ত গাড়িতে বই পড়া বা ফোন দেখার কারণে মোশন সিকনেস সাধারণত গুরুতর সমস্যা নয়। তবে গাড়িতে না থাকলেও যদি বারবার মাথা ঘোরে বা বমি বমি ভাব হয়, যাত্রা শেষ হওয়ার পরও উপসর্গ থেকে যায় কিংবা এর সঙ্গে তীব্র মাথাব্যথা, শ্রবণশক্তির পরিবর্তন, হাঁটতে অসুবিধা বা অন্য কোনো স্নায়বিক উপসর্গ দেখা দেয়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
সুতরাং, গাড়িতে যাত্রার সময় বই পড়া বা ফোন দেখার অভ্যাস থাকলে শরীরের প্রতিক্রিয়ার দিকে খেয়াল রাখুন। প্রয়োজন হলে স্ক্রিন থেকে বিরতি নিন এবং বাইরের স্থির দৃশ্যের দিকে তাকান। এতে অনেকের মোশন সিকনেসের অস্বস্তি কমতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরের বাঁ চোখের ওপরের অংশে দাঁত গজানোর একটি বিরল ঘটনা ঘটেছে। চিকিৎসকদের মতে, এ ধরনের ঘটনা এবারই প্রথমবারের মতো ঘটেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, কিশোরটি বাঁ চোখের ওপর ব্যথাহীন ফোলা নিয়ে হাসপাতালে গিয়েছিল। কিছুদিন পর তার ভ্রু ও ওপরের চোখের পাতার মাঝামাঝি থেকে শক্ত, সাদা দুটি অংশ বেরিয়ে আসে।
পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও সিটি স্ক্যানের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, কিশোরটির চোখের কোটরের ওপরের অংশে একটি পূর্ণাঙ্গ দাঁত রয়েছে।
মুখের বাইরে দাঁত গজানোর বিরল অবস্থা
মেডিকেল টার্মিনোলজিতে মুখের বাইরে দাঁত গজানোর এই অবস্থাকে একটোপিক টুথ বলা হয়। এর আগে নাকের ভেতরের অংশে এবং মুখের তালুতে এ ধরনের দাঁত গজানোর ঘটনা দেখা গেছে। তবে চোখের কোটরে দাঁত গজানোর ঘটনা এটিই প্রথম বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
চিকিৎসকদের মতে, কিশোরটির মুখে বা মাথায় আঘাত পাওয়ার কোন ইতিহাস নেই। এছাড়া তার কোন জিনগত রোগের তথ্যও পাওয়া যায়নি। সিটি স্ক্যানে মাথার খুলির অন্য কোথাও দাঁতের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, অস্বাভাবিক এ অবস্থার কারণ জানতে চিকিৎসকেরা এখনো অনুসন্ধান চালাচ্ছেন।
অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চিকিৎসকেরা সফলভাবে দাঁতটি অপসারণ করেছেন। অস্ত্রোপচারের পর ফোলাভাব কমে এসেছে এবং ভবিষ্যতের ঝুঁকিও কমেছে বলে জানা গেছে চিকিৎসকদের।
ঘটনাটির বিস্তারিত বিবরণ আমেরিকান অ্যাকাডেমিক অব অপথ্যালমোলজির একটি চিকিৎসাবিষয়ক সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি ও সামা টিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ