বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৪১ পি.এম
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৪-২ জয়ের ম্যাচে ডান উরুতে অস্বস্তি অনুভব করে বিরতি নিতে বাধ্য হন ব্রাজিলের তারকা ফরোয়ার্ড। যদিও পরীক্ষায় গুরুতর কোনো চোট ধরা পড়েনি, তবে সতর্কতার কারণে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে তাঁকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ভারতের বিপক্ষে ব্রাজিলের ঐতিহাসিক প্রীতি ম্যাচে অংশ নিতে পারবেন না রাফিনিয়া। ডান উরুর চোটের কারণে আগামী ৩ অক্টোবর কলকাতার বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ম্যাচ থেকে তিনি ছিটকে গেছেন।
১ অক্টোবর কলকাতায় পৌঁছানোর পরিকল্পনা ছিল ব্রাজিল দলের। কিন্তু রাফিনিয়া দলের সঙ্গে ভারতে আসছেন না। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪-২ গোলের জয়ের ম্যাচে তিনি ডান উরুতে অস্বস্তি অনুভব করেন। বিরতির পর আর মাঠে নামেননি এবং চিকিৎসার জন্য তাঁকে বার্সেলোনায় ফিরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
পরীক্ষায় গুরুতর কোনো চোট ধরা পড়েনি। গ্লোবোর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাফিনিয়ার ডান উরুতে সামান্য এডিমা পাওয়া গেছে। তবে একই স্থানে অতীতে তাঁর চোটের ইতিহাস থাকায় ব্রাজিল কোনো ঝুঁকি নিতে চায়নি।
গত মৌসুমে রাফিনিয়া ডান উরুতে চারবার চোট পেয়েছিলেন। সব মিলিয়ে তিনি ১৫০ দিনের বেশি মাঠের বাইরে ছিলেন। এমনকি ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচেও চোটের কারণে খেলতে পারেননি। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এবার সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন, এবং রাফিনিয়ার বদলে নতুন কাউকে দলে ডাকা হচ্ছে না।
চলতি আন্তর্জাতিক বিরতিতে রাফিনিয়া ব্রাজিলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ছিলেন। তিনি দলের ১০ নম্বর জার্সি পরার পাশাপাশি অধিনায়কের আর্মব্যান্ডও ধারণ করেছিলেন। দলের নির্ধারিত পেনাল্টি গ্রহণকারী হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করছিলেন।
রাফিনিয়া না থাকায় কলকাতার ম্যাচে ব্রাজিলের অন্যতম বড় আকর্ষণ কমে গেল। তবে ম্যাচটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিবর্তিত রয়েছে। ৩ অক্টোবরের ম্যাচটি ব্রাজিল ও ভারতের সিনিয়র জাতীয় দলের প্রথম মুখোমুখি লড়াই।
ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের আগে ব্রাজিল ব্রিসবেনে আরও একটি অনুশীলন করবে। এরপর কলকাতার উদ্দেশে রওনা হবে দল। রাফিনিয়া না থাকলেও বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দলের বিপক্ষে ভারতের জন্য ম্যাচটি একটি বড় আন্তর্জাতিক উপলক্ষ হতে যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাজ্যের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে নিয়ে নতুন করে বিভিন্ন বিকল্পের পর্যালোচনা করার কথা জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এসব বিকল্পের মধ্যে ইইউতে পুনরায় যোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বার্নহ্যাম বলেন, যুক্তরাজ্যের ইউরোপের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের জন্য বিভিন্ন পথ খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। কোনটি বাস্তবসম্মত এবং প্রতিটি বিকল্পের সুবিধা ও অসুবিধা কী, তা বিবেচনা করে ভবিষ্যতে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
বার্নহ্যাম আরও জানান, যুক্তরাজ্য বর্তমান অবস্থানে থাকতে পারে। সাবেক কনজারভেটিভ অর্থমন্ত্রী জর্জ অসবর্নের প্রস্তাবিত ইইউর সঙ্গে কাস্টমস ইউনিয়ন গঠনের বিষয়টিও বিবেচনা করা যেতে পারে। লিবারেল ডেমোক্র্যাটদের প্রস্তাব অনুযায়ী ইইউর একক বাজারে ফেরার বিষয়টিও দেখা যেতে পারে। অথবা পুরোপুরি ইইউতে ফিরে যাওয়ার পথও বিবেচনা করা হতে পারে।
বার্নহ্যাম বলেন, এসব বিকল্পের মধ্যে কোনটি বাস্তবায়নযোগ্য এবং প্রতিটির সম্ভাব্য সুবিধা ও অসুবিধা কী, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তিনি জানান, আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় যুক্তরাজ্য-ইইউ শীর্ষ সম্মেলনে ইউরোপের সঙ্গে দেশের দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের বিভিন্ন বিকল্প তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।
এর এক দিন আগে, মঙ্গলবার লিভারপুলে লেবার পার্টির বার্ষিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেওয়া ভাষণে বার্নহ্যাম বলেন, ব্রেক্সিট যুক্তরাজ্যের জন্য ‘ভালো করার চেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে’। তবে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ইইউতে ফেরার কোনো সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেননি; বরং সম্ভাব্য বিভিন্ন পথ পর্যালোচনার কথা বলেছেন।
যুক্তরাজ্য ২০১৬ সালের গণভোটে ইইউ ছাড়ার পক্ষে ভোট দেয়। ২০২০ সালে দেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে ইইউ থেকে বের হয়ে যায়। এর মধ্য দিয়ে চার দশকেরও বেশি সময়ের সদস্যপদের অবসান ঘটে। এরপর থেকে ইইউর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য ও অন্যান্য সম্পর্ক নতুন কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।
বার্নহ্যাম এর আগে নিজের জীবদ্দশায় যুক্তরাজ্যকে আবার ইইউতে দেখতে চাওয়ার কথা বলেছিলেন। তবে তার বর্তমান বক্তব্যে মূলত ভবিষ্যৎ সম্পর্কের বিভিন্ন সম্ভাব্য মডেল পর্যালোচনার কথা উঠে এসেছে; ইইউতে পুনরায় যোগ দেওয়ার কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তথ্যসূত্র: বিবিসি, রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যে কোনো ধরনের অভিযানের জন্য তারা সব সময় প্রস্তুত রয়েছে। যৌথবাহিনীর অভিযান পরিচালনার নির্দেশনা পেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) পুলিশ সদর দপ্তরের মুখপাত্র এইচএম শাহাদাত হোসাইন এই তথ্য প্রকাশ করেন।
তিনি জানান, গত মার্চ মাস থেকে অবৈধ অস্ত্র ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এসব অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে।
পুলিশের মুখপাত্র আরও বলেন, যৌথবাহিনীর অভিযান পরিচালনার জন্যও পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নির্দেশনা পাওয়ার সাথে সাথে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর দেশের বিভিন্ন মাদরাসার ১০ শিক্ষক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপন ও কারণ দর্শানোর নোটিশে তাদের এমপিও স্থগিত, ইনডেক্স কর্তনসহ প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের তিন কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের গোপালনগর মহিলা আলিম মাদরাসার ইবতেদায়ী শিক্ষক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের বিরুদ্ধে সহকর্মী খাইরুল ইসলামকে মারধরের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি খাইরুল ইসলামকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধর করেছেন। এ ঘটনায় ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬’-এর ১৮.২ (ক) অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
একই ঘটনায় মাদরাসাটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. শাহ আলমের বিরুদ্ধেও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে ঘটনায় তার যোগসাজশ এবং দায়িত্ব পালনে অদক্ষতা ও অযোগ্যতার অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে চেয়েছে অধিদপ্তর।
এ নিয়ে কুমিল্লার দাউদকান্দি মদিনাতুল উলুম ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রুহুল আমীনের বিরুদ্ধেও শোকজ করা হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশ ও সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ব্যর্থতার অভিযোগে তাকে নোটিশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
ভোলার চরফ্যাশনের দক্ষিণ চরআইচা রাব্বানিয়া আলিম মাদরাসার উপাধ্যক্ষ মো. জাকির হোসেনের নিয়োগের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার এমপিও স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিধি লঙ্ঘন হয়েছিল কিনা, তা যাচাই করছে অধিদপ্তর।
নীলফামারীর জলঢাকার গোলনা ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক মাহবুবুর রহমানের নিয়োগ নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অধিদপ্তরের নথি অনুযায়ী, ১৯৯০ সালে তার নিয়োগ তৎকালীন এমপিও জনবল কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। এ কারণে প্রথম এমপিওভুক্তি থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি অর্থে নেওয়া বেতন-ভাতা ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি তার এমপিও বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
একই মাদরাসার প্রভাষক হোসাইন আহমেদের বিরুদ্ধে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ এবং সরকারি কাগজপত্র জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তদন্তে এসব অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে অধিদপ্তরের নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। তার এমপিও স্থগিতের পাশাপাশি ফৌজদারি মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ব্যবহার করে এমপিও নেওয়ার অভিযোগে গাজীপুর ও ময়মনসিংহের তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) প্রতিবেদনে তাদের নিবন্ধন সনদ ভুয়া হিসেবে শনাক্ত হওয়ার পর অধিদপ্তর থেকে ইনডেক্স কর্তনের বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।
গাজীপুরের কাপাসিয়ার বিবাদীয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার ইবতেদায়ী শিক্ষক মো. আফজাল হোসেনের ১৬তম নিবন্ধন এবং একই প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক লুৎফুন নাহারের ১৩তম নিবন্ধন সনদ নিয়ে আপত্তি রয়েছে। সনদ ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় তাদের এমপিও ইনডেক্স কেন কর্তন করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
ময়মনসিংহের ত্রিশালের বীররামপুর জান্নাতুল উলুম আলিম মাদরাসার ইবতেদায়ী প্রধান শামিমা নাছরিনের ৬ষ্ঠ শিক্ষক নিবন্ধন সনদও ভুয়া হিসেবে শনাক্ত হয়েছে বলে এনটিআরসিএর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তার ইনডেক্স কেন কর্তন করা হবে না, নোটিশে তা জানতে চেয়েছে অধিদপ্তর।
নোটিশে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগের বিষয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব পাওয়ার পর নথিপত্র ও তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
থলেট ভিলেজের অভাবের কারণে অস্থায়ী কাঠের কক্ষ ও হোটেলে থাকার ব্যবস্থা এবং পরিবহন সংকটের মতো বিভিন্ন সমস্যার জন্য ক্রীড়াবিদদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন নাগোয়ার মেয়র ইচিরো হিরোসাওয়া। এশিয়ান গেমসে একের পর এক অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি এ কথা বলেন।
এশিয়ান গেমসের আয়োজনের সময় মানবিক ভুল এবং জাতীয় দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের ঘাটতি ছিল বলে বুধবার স্বীকার করেন নাগোয়া শহরের মেয়র। তিনি জানান, গেমসের আয়োজনের ক্ষেত্রে কিছু ভুল হয়েছে, যা নিয়ে আন্তরিকভাবে পর্যালোচনা করা হবে।
১৭ হাজারের বেশি ক্রীড়াবিদ ও কর্মকর্তার অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এশিয়ার সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আসর, যা অলিম্পিকের চেয়েও বেশি। তবে শুরু থেকেই আবাসন ও পরিবহন ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে অংশগ্রহণকারীদের। স্থানীয় আয়োজকদের অব্যবস্থাপনার কারণে কয়েকটি দেশ অভিযোগ করেছে।
মেয়র হিরোসাওয়া বলেন, "এসব ভোগান্তির শিকার ক্রীড়াবিদ ও অন্যদের কাছে আমাদের ক্ষমা চাওয়া উচিত।" তিনি জানান, আয়োজনে যেসব ভুল হয়েছে, সেগুলো নিয়ে পর্যালোচনা করা হবে।
এবারের এশিয়ান গেমসে খরচ কমানোর লক্ষ্যে আগের আসরের মতো আলাদা কোনো অ্যাথলেট ভিলেজ রাখা হয়নি। ক্রীড়াবিদদের জন্য অস্থায়ী কাঠের ইউনিট, একটি ক্রুজ জাহাজ এবং বিভিন্ন হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অস্থায়ী কক্ষ নিয়ে কিছু দলের অভিযোগ রয়েছে; এমনকি কোথাও কোথাও বিছানা ক্রীড়াবিদদের জন্য যথেষ্ট লম্বা নয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।
পরিবহন ব্যবস্থাতেও নানা সমস্যা দেখা দিয়েছে। ক্রীড়াবিদদের জন্য নির্ধারিত বাস সময়মতো না চলা, একেবারেই না আসা কিংবা ভুল ভেন্যুতে চলে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। গেমস শুরুর আগে ১৯ সেপ্টেম্বর নাগোয়ায় পৌঁছানো কিছু ক্রীড়াবিদকে বিমানবন্দরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকতে হয়েছে।
এর আগে, উত্তর কোরিয়ার জাতীয় সংগীত ভুল করে বাজিয়ে দেওয়ার কারণে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছেও ক্ষমা চেয়েছিল স্থানীয় আয়োজকরা।
নাগোয়া ও আইচি প্রিফেকচারে আয়োজিত এবারের এশিয়ান গেমস রোববার শেষ হওয়ার কথা। শেষ পর্যায়ে এসে আয়োজকদের পক্ষ থেকে এসব সমস্যার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখপ্রকাশ করা হলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ