প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাজ্যের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে নিয়ে নতুন করে বিভিন্ন বিকল্পের পর্যালোচনা করার কথা জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এসব বিকল্পের মধ্যে ইইউতে পুনরায় যোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বার্নহ্যাম বলেন, যুক্তরাজ্যের ইউরোপের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের জন্য বিভিন্ন পথ খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। কোনটি বাস্তবসম্মত এবং প্রতিটি বিকল্পের সুবিধা ও অসুবিধা কী, তা বিবেচনা করে ভবিষ্যতে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
বার্নহ্যাম আরও জানান, যুক্তরাজ্য বর্তমান অবস্থানে থাকতে পারে। সাবেক কনজারভেটিভ অর্থমন্ত্রী জর্জ অসবর্নের প্রস্তাবিত ইইউর সঙ্গে কাস্টমস ইউনিয়ন গঠনের বিষয়টিও বিবেচনা করা যেতে পারে। লিবারেল ডেমোক্র্যাটদের প্রস্তাব অনুযায়ী ইইউর একক বাজারে ফেরার বিষয়টিও দেখা যেতে পারে। অথবা পুরোপুরি ইইউতে ফিরে যাওয়ার পথও বিবেচনা করা হতে পারে।
বার্নহ্যাম বলেন, এসব বিকল্পের মধ্যে কোনটি বাস্তবায়নযোগ্য এবং প্রতিটির সম্ভাব্য সুবিধা ও অসুবিধা কী, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তিনি জানান, আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় যুক্তরাজ্য-ইইউ শীর্ষ সম্মেলনে ইউরোপের সঙ্গে দেশের দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের বিভিন্ন বিকল্প তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।
এর এক দিন আগে, মঙ্গলবার লিভারপুলে লেবার পার্টির বার্ষিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেওয়া ভাষণে বার্নহ্যাম বলেন, ব্রেক্সিট যুক্তরাজ্যের জন্য ‘ভালো করার চেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে’। তবে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ইইউতে ফেরার কোনো সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেননি; বরং সম্ভাব্য বিভিন্ন পথ পর্যালোচনার কথা বলেছেন।
যুক্তরাজ্য ২০১৬ সালের গণভোটে ইইউ ছাড়ার পক্ষে ভোট দেয়। ২০২০ সালে দেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে ইইউ থেকে বের হয়ে যায়। এর মধ্য দিয়ে চার দশকেরও বেশি সময়ের সদস্যপদের অবসান ঘটে। এরপর থেকে ইইউর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য ও অন্যান্য সম্পর্ক নতুন কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।
বার্নহ্যাম এর আগে নিজের জীবদ্দশায় যুক্তরাজ্যকে আবার ইইউতে দেখতে চাওয়ার কথা বলেছিলেন। তবে তার বর্তমান বক্তব্যে মূলত ভবিষ্যৎ সম্পর্কের বিভিন্ন সম্ভাব্য মডেল পর্যালোচনার কথা উঠে এসেছে; ইইউতে পুনরায় যোগ দেওয়ার কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তথ্যসূত্র: বিবিসি, রয়টার্স
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন